বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার আজ (বুধবার) কক্সবাজারে ব্র্যাক কর্তৃক বাস্তবায়িত এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত ‘PLEASE (Plastic Waste Recycling for Livelihood, Environment and Sustainability Enhancement)’ প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির বিশেষ সহকারী ও গবেষক ড. সাইমুম পারভেজ। PLEASE প্রকল্পটি বাংলাদেশের অন্যতম উদ্ভাবনী পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ, যার লক্ষ্য প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে টেকসই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে রূপান্তর করা। প্রকল্পটি নাগরিকদের সচেতন করে বর্জ্য পৃথকীকরণে উৎসাহিত করছে, নিরাপদ সংগ্রহ ও নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করছে এবং সংগৃহীত প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার করে তৈরি করছে মানসম্মত ও জলবায়ু সহনশীল আসবাবপত্র। এই উদ্যোগ কেবল পরিবেশ সুরক্ষাই নয়, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পরিদর্শন শেষে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, “বিএনপি তার ৩১ দফা রাষ্ট্র মেরামতের এজেন্ডায় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলাকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়েছে। এর অন্যতম প্রতিশ্রুতি হলো—দেশব্যাপী বর্জ্য সংগ্রহ, পৃথকীকরণ, নিরাপদ নিষ্পত্তি ও পুনর্ব্যবহারের একটি সমন্বিত জাতীয় ব্যবস্থা গঠন।” তিনি আরও বলেন, “বর্তমান বাংলাদেশে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রায় অদৃশ্য—রাস্তাঘাট, নদী ও খালের পাশে অগণিত বর্জ্য ফেলায় পরিবেশ দূষণ বাড়ছে, রোগবালাই ছড়াচ্ছে, আর অর্থনীতি হারাচ্ছে তার উৎপাদনশীল শক্তি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি এই অচলাবস্থা ভেঙে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে নাগরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করা হবে।” তিনি প্রকল্পে কর্মরত নারী ও তরুণ কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাঁদের কাজের প্রশংসা করে বলেন, “এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণ, বিশেষ করে নারী ও তরুণরা বিকল্প আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন। একদিকে পরিবেশ রক্ষা হচ্ছে, অন্যদিকে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে—এটাই টেকসই উন্নয়নের প্রকৃত রূপ।” ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে ড. হায়দার বলেন, “বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রতিটি পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে, যেখানে স্থানীয় সরকার, বেসরকারি খাত ও জনগণ একসঙ্গে কাজ করবে। এভাবেই আমরা ‘Green Bangladesh’ গড়ে তুলব—যেখানে পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক হবে।” তিনি আরও বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতের এজেন্ডা শুধু রাজনৈতিক সংস্কার নয়—এটি একটি সমন্বিত জাতীয় পুনর্জাগরণের রূপরেখা, যেখানে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য, পরিবেশ, কর্মসংস্থান এবং ডিজিটাল রূপান্তর একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। আমরা মাঠে নেমে সফল মডেলগুলো পর্যবেক্ষণ করছি, যাতে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিকল্পনায় এগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা যায়।” ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “যদি রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রযুক্তি, স্থানীয় উদ্ভাবন ও জনগণের অংশগ্রহণ একসঙ্গে কাজ করে, তবে বাংলাদেশ একদিন দক্ষিণ এশিয়ার পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মডেল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। স্বাস্থ্যসম্মত ও টেকসই বাংলাদেশ গড়াই এখন আমাদের জাতীয় অঙ্গীকার।”
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।
তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।
মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।
র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।
আজ সকাল ১০টার দিকে বাসা থেকে বের হন এবং এরপর থেকে কাজিম উদ্দিন (প্রায় ৭০+) কে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। 🔹 গ্রাম: কুষ্টিয়া পূর্ব পারা (মসজিদ সংলগ্ন) 🔹 বয়স: প্রায় ৭০+ যদি কেউ তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানেন বা তাকে কোথাও দেখেন, অনুগ্রহ করে দ্রুত যোগাযোগ করুন। 📞 যোগাযোগ: +8801339655950 আপনার একটি শেয়ার হয়তো তাকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করতে পারে।
সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ বাঘাবাড়ী অয়েল ডিপো থেকে উত্তরবঙ্গমুখী জ্বালানি তেল সরবরাহে নিরাপত্তা নিশ্চিত করলো ১০ এপ্রিল ২০২৬ ইং সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ আজ শুক্রবার বাঘাবাড়ী অয়েল ডিপো থেকে উত্তরবঙ্গমুখী জ্বালানি তেল সরবরাহের সময় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। রাজশাহী, রংপুর এবং পার্শ্ববর্তী ১৯টি জেলায় বিতরণের জন্য ২২৫টি ট্যাংকলরি (পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল) নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য পুলিশ এসকর্ট প্রদান করা হয়েছে।এদিনের অভিযান ২৪৮টি পয়েন্টে (ফিলিং স্টেশন ও এজেন্সি) জ্বালানি সরবরাহ কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে। জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা জানান,জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনগুরুত্বপূর্ণ সেবা যেমন জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখা তাদের অগ্রাধিকার।সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ বলেছে,“আমাদের লক্ষ্য জনগণের নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ সেবা কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা।এমন উদ্যোগের মাধ্যমে জেলার প্রতিটি জেলায় তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনও প্রকার ব্যাঘাত সৃষ্টি না হয় তা নিশ্চিত করা হয়েছে।অধিকন্তু, জেলার বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যরা ট্যাংকলরি গুলোকে সড়ক পথে সুরক্ষিতভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিনিয়ত নজরদারি করেছেন। পুলিশ এসকর্টের সময় যেকোনো সম্ভাব্য ঝুঁকি বা নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সর্বদা জনগণের সেবা ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর, এবং এই ধরনের নিরাপত্তা উদ্যোগ নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।
নেত্রকোণা জেলা ক্রীড়া অফিসের উদ্যোগে উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত পরিবেশে ভলিবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৫-২৬ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্যের সঞ্চার হয়। বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) দুর্গাপুর উপজেলার সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই মাঠে ভিড় জমাতে থাকেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা। খেলাকে ঘিরে পুরো এলাকা উৎসবের আমেজে মুখরিত হয়ে ওঠে। জেলা ক্রীড়া অফিসার সেতু আক্তারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফরোজা আফসানা। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, খেলাধুলা শুধু শারীরিক সুস্থতাই নয়, মানসিক বিকাশ এবং সামাজিক বন্ধন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বজলুর রহমান আনছারি, ডনবস্কো স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালক ফাদার পাওয়েল কোচিওলেক, ভাইস প্রিন্সিপাল রুমন রাংসা, দুর্গাপুর সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ওয়ালী হাসান কলি, সাধারণ সম্পাদক আরিফ খান এবং সাংবাদিক আল আমিন হাওলাদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রতিযোগিতায় দুর্গাপুর উপজেলার চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা চারটি দলে বিভক্ত হয়ে অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি ম্যাচে খেলোয়াড়দের দারুণ নৈপুণ্য, দলীয় সমন্বয় এবং জয়ের তীব্র আকাঙ্ক্ষা দর্শকদের মুগ্ধ করে। দর্শকদের করতালি ও উচ্ছ্বাসে পুরো মাঠ মুখরিত হয়ে ওঠে। চূড়ান্ত খেলায় ডনবস্কো স্কুল এন্ড কলেজ দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। অপরদিকে বিরিশিরি পার্সি নল মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় লড়াই করে রানার্সআপ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে। খেলাটি ছিল অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও উপভোগ্য। খেলা শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। এসময় বিজয়ীদের উচ্ছ্বাস এবং দর্শকদের করতালিতে পুরো পরিবেশ আনন্দঘন হয়ে ওঠে। সমাপনী বক্তব্যে জেলা ক্রীড়া অফিসার সেতু আক্তার প্রতিযোগিতা সফলভাবে আয়োজন ও সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সবশেষে আয়োজনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হলে উপস্থিত সকলেই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার দাবি জানান।