টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের সফল অভিযান: মাদক উদ্ধারসহ ৩৭ জন গ্রেপ্তার খুনের আসামি ১০ ঘণ্টায় অভিযানে গ্রেফতার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক উদ্ধার প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিভিন্ন মামলায় জড়িত মোট ৩৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয়ের কঠোর নির্দেশের পরই জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জগণ মাঠপর্যায়ে এই অভিযান পরিচালনা করেন।মাদকবিরোধী অভিযানে সাফল্যমাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ ১৭ পিস ইয়াবা সহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের এই দৃঢ় পদক্ষেপ অপরাধীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।খুনের ঘটনার দ্রুত সমাধান এক চাঞ্চল্যকর অগ্রগতিতে সখিপুর থানা পুলিশ একটি খুনের ঘটনার মাত্র ১০ ঘণ্টার মধ্যেই জড়িত ১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। দ্রুততম সময়ে অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার এই ঘটনা পুলিশের পেশাদারিত্ব ও কর্মদক্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।নিয়মিত মামলায় অব্যাহত তৎপরতাএছাড়াও প্রিভেন্টিভ পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য নিয়মিত মামলায় আরও ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপরাধ দমনে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি'র পরিদর্শন পেশাদারিত্ব ও জনকল্যাণে গুরুত্বারোপ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং রাজশাহী রেঞ্জের সম্মানিত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) জনাব মোহাম্মদ শাহজাহান,পিপিএম (বার), পিএইচডি মহোদয় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজশাহী জেলায় এক গুরুত্বপূর্ণ পরিদর্শন কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। তাঁর এই পরিদর্শনে পরিদর্শন প্যারেড বিশেষ কল্যাণ সভা এবং জেলা বিশেষ শাখা (ডিএসবি) অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশি কার্যক্রমে নতুন উদ্দীপনা এনেছে।সকাল ৭:৩০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হয় এক বর্ণাঢয় পরিদর্শন প্যারেড, যেখানে পুলিশ সদস্যরা সুশৃঙ্খলভাবে তাঁদের পেশাদারিত্ব প্রদর্শন করেন। এর পরপরই সকাল ৯:০০ ঘটিকায় রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপারের সভাপতিত্বে এক বিশেষ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিআইজি জনাব মোহাম্মদ শাহজাহান। তিনি অফিসার ও ফোর্সের বিভিন্ন আবেদন-নিবেদন অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। ডিআইজি মহোদয় এই সভায় পুলিশ সদস্যদের প্রতি পেশাদারিত্ব, ন্যায়পরায়ণতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য দৃঢ় আহ্বান জানান। পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ ও তাঁদের সমস্যা সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে সভাটি সমাপ্ত হয়।দিনের পরবর্তী অংশে ডিআইজি মহোদয় রাজশাহী জেলার ডিএসবি অফিস বার্ষিক পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি ডিএসবি অফিসের সকল রেজিস্টার নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এই সময় রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান; অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোঃ শরিফুল ইসলাম; অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) জনাব এ.টি.এম. মাইনুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জনাব সাবিনা ইয়াসমিনসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ডিআইজি মহোদয়ের এই পরিদর্শন রাজশাহী জেলার পুলিশি কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং পুলিশ সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রাণিজ পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতেআলোচনা সভা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে দুধ ডিম ও মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।এ উপলক্ষে রাজধানীর মহাখালীতে সুলভ মূল্যে দুধ ডিম ও মাংস বিক্রয় কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।বুধবার রাজধানীর মহাখালীস্থ প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেনরমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যাতে সহনীয় পর্যায়ে থাকে এবং কোনো অসাধু চক্র যাতে বাজার অস্থিতিশীল করতে না পারে সে লক্ষ্যে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।প্রাণিজ আমিষের সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন সরকার উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমাতে চায়। এর ফলে একদিকে যেমন ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে পণ্য পাবেন অন্যদিকে খামারিরাও তাদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে পারবেন।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের বলেন রমজান মাসে বাড়তি চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা ও মহানগর পর্যায়েও এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি জানান।অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মশিউর রহমান সভাপতি বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) এবং মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন সভাপতি বাংলাদেশ ডেইরি এন্ড ফারমার্স এসোসিয়েশন (বিডিএফএফএ)। তারা বলেন খামারি পর্যায় থেকে সরাসরি পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে বাজারে স্থিতিশীলতা আনা সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো এ কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড.মো: আবু সুফিয়ান। তিনি বলেন প্রাণিসম্পদ খাত দেশের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। রমজান মাসে জনগণের চাহিদা পূরণে এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালু রাখা হবে। উদ্বোধনের পর অতিথিরা বিক্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং ক্রেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় নির্ধারিত বিক্রয় কেন্দ্রে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ দুধ ডিম ও মাংস সুলভ মূল্যে বিক্রি করা হবে যাতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো বিশেষভাবে উপকৃত হবে।
রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে টাঙ্গাইলে ১২ উপজেলায় একযোগে বিশেষ বাজার মনিটরিং ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ থেকে টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় একযোগে বিশেষ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে।জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, টাঙ্গাইল এর নির্দেশনায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে প্রতিটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বাজারে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। জানা গেছে, বাজার মনিটরিং টিম নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য—চাল, ডাল, তেল, চিনি, ছোলা, খেজুর, মাংস, ডিমসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের মূল্যতালিকা যাচাই, মজুত পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায় বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো রমজান মাসজুড়ে এ বিশেষ মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটিগুলোকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির আহ্বান জানিয়েছে এবং কোনো অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও ক্রাইম কনফারেন্স অনুষ্ঠিত রমজানকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা জোরদারের নির্দেশ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নাগরিক সেবা আরও ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার সকাল ১০টায় কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ-এর উদ্যোগে পুলিশ লাইন্স মাল্টিপারপাস ড্রিলশেডে জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি পিপিএম-এর সভাপতিত্বে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় জেলার পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন পেশাগত ও ব্যক্তিগত সমস্যার কথা মনোযোগসহকারে শোনেন পুলিশ সুপার। তাৎক্ষণিক সমাধানযোগ্য বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন এবং দীর্ঘমেয়াদি বিষয়গুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন। পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।এ সময় জানুয়ারি ২০২৬ মাসে পেশাদারিত্ব ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় জেলা পুলিশের ১১ জন সদস্যকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ভালো কাজের স্বীকৃতি অন্যদেরও উৎসাহিত করবে।পরে দুপুর ১২টায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে জানুয়ারি মাসের “মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা” অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আসন্ন পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে জেলার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বাজার ব্যবস্থাপনা যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ নাশকতা প্রতিরোধ এবং জনগণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়। পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি সন্ত্রাসবাদ সাম্প্রদায়িক উসকানি মাদক নির্মূল অপরাধ দমন এবং যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, সততা সাহসিকতা কঠোর পরিশ্রম ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে কুড়িগ্রামের সম্মানিত নাগরিকদের সর্বোচ্চ পুলিশিং সেবা নিশ্চিত করতে হবে।সভায় জেলার গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর অগ্রগতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এ.এস.এম মুক্তারুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উলিপুর সার্কেল) মোঃ আশরাফুল আলম পিপিএম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুড়িগ্রাম সার্কেল) মোঃ মাসুদ রানা, সহকারী পুলিশ সুপার (নাগেশ্বরী সার্কেল) মোঃ গোলাম মোর্শেদ সহকারী পুলিশ সুপার (রৌমারী সার্কেল) মোঃ রাসেল কবির, কুড়িগ্রাম পুলিশ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার মোঃ আখতারুজ্জামানসহ জেলার সকল থানা ও ইউনিট প্রধান এবং বিভিন্ন ইউনিটের
কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত শ্রেষ্ঠ অফিসারদের ক্রেস্ট প্রদান ও জেলা পুলিশের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা কিশোরগঞ্জ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ – কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে সোমবার সকালে অনুষ্ঠিত হলো জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পুলিশের সম্মানিত পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন।সভায় জানুয়ারি ২০২৬ মাসের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে শ্রেষ্ঠ অফিসারদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। পুলিশ সুপার উপস্থিত অফিসার ও ফোর্সদের বক্তব্য মনোযোগসহকারে শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং জেলা পুলিশের সকল ইউনিটের বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা। সভার মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর নৈতিক উদ্দীপনা পেশাদারিত্ব ও সমন্বয় বৃদ্ধির প্রত্যাশা প্রকাশ করা হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ ময়মনসিংহ পুলিশের ফোর্সের সম্মানসূচক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ – ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ সফল ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার প্রত্যয়ে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের উদ্যোগে বিশেষ প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়েছে।জেলা পুলিশ লাইন্সের শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ সুপার মুন্সী কবির উদ্দিন আহমেদ মাল্টিপারপাস শেডে অনুষ্ঠিত এই মধ্যাহ্নভোজে সভাপতিত্ব করেন জেলা পুলিশের সম্মানিত পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের সম্মানিত ডিআইজি মোহাম্মদ আতাউল কিবরিয়া।উক্ত প্রীতিভোজে জেলা পুলিশের সকল পর্যায়ের অফিসার এবং ফোর্সের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রেঞ্জ ডিআইজি ও পুলিশ সুপার মহোদয়। এছাড়া ময়মনসিংহ রেঞ্জ জেলা পুলিশ এবং ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যবৃন্দও অংশগ্রহণ করেন।জানা গেছে জেলা পুলিশ ময়মনসিংহের উদ্যোগে জেলাধীন প্রতিটি থানায় সকল অফিসার ও ফোর্সের জন্য মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয় যা নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে ফোর্সের মনোবল বৃদ্ধি করছে।
টাঙ্গাইলে র্যাবের পৃথক অভিযানে ১৪৫ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার অপহরণ মামলার ভিকটিম উদ্ধার১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং টাঙ্গাইলে পৃথক দুটি অভিযানে ১৪৫ বোতল অবৈধ মাদক দ্রব্য ফেনসিডিলসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার এবং একটি অপহরণ মামলার ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে র্যাব-১৪-এর সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্প।এলেঙ্গায় চেকপোস্টে ১৪৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারর্যাব জানায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫টার দিকে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। এ সময় জমজম পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে দুই মাদক কারবারিকে আটক করা হয়।আটকরা হলেন— মোঃ আব্দুল লতিফ (৪৩) ও মহাঃ সনু আলী (৩৬)। তাদের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় বলে জানা গেছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা বাসের বক্সে ফলের কার্টনের ভেতরে বিশেষ কায়দায় ফেনসিডিল লুকিয়ে রাখার কথা স্বীকার করে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তল্লাশি চালিয়ে ১৪৫ বোতল ফেনসিডিল, দুটি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৪৭০ টাকা জব্দ করা হয়।উদ্ধারকৃত ফেনসিডিলের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।অপহরণ মামলার ভিকটিম উদ্ধারঅন্যদিকে অপহরণ মামলার এক স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে র্যাব। মামলা সূত্রে জানা যায় অভিযুক্ত মোঃ নাইম (১৯) প্রতিবেশী হওয়ায় ভিকটিমের সঙ্গে পরিচয়ের সূত্রে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। ভিকটিম অসম্মতি জানালে ১৪ জানুয়ারি বিকেলে স্কুল থেকে ফেরার পথে তাকে জোরপূর্বক সিএনজিতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।এ ঘটনায় কালিহাতী থানা-এ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৭/৩০ ধারায় মামলা (নং-২২ তারিখ: ২০ জানুয়ারি ২০২৬) দায়ের করা হয়।পরবর্তীতে ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা ১০ মিনিটে ছয়াবাড়ি এলাকা, ঘাটাইল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে নিরাপদ হেফাজতে প্রদানের লক্ষ্যে তাদের কালিহাতী থানা-এ হস্তান্তর করা হয়েছে।র্যাব জানায় মাদক ও অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বাংলাদেশ পুলিশ বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজির বার্ষিক পরিদর্শন বিশেষ কল্যাণ সভা ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় বরিশাল ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বুধবার: বরিশাল জেলার সার্বিক কার্যক্রম মূল্যায়নে বার্ষিক পরিদর্শন করেছেন বরিশাল রেঞ্জের মান্যবর ডিআইজি জনাব মোঃ মঞ্জুর মোর্শেদ আলম। নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি সকালেই বরিশাল পুলিশ লাইন্সে উপস্থিত হন এবং সেখানে কুচকাওয়াজের অভিবাদন গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি রিজার্ভ অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন সম্পন্ন করেন।পরিদর্শন শেষে পুলিশ লাইন্সের গ্রাটিটিউট হলে আয়োজিত বিশেষ কল্যাণ সভায় জেলা পুলিশের কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ডিআইজি মহোদয়। সভায় তিনি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও ফোর্সদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রস্তাব মনোযোগ সহকারে শোনেন। সমস্যাসমূহের দ্রুত ও কার্যকর সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।বিশেষ কল্যাণ সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব ফারজানা ইসলাম। এসময় ডিআইজি মহোদয় জানুয়ারি ২০২৬ মাসে দায়িত্ব পালনে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য নির্বাচিত জেলা শ্রেষ্ঠ অফিসারদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করেন। পরবর্তীতে তিনি পুলিশ অফিস, বরিশালের কনফারেন্স রুমে জেলার সকল ইউনিট ইনচার্জদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ দমন কার্যক্রম মাদকবিরোধী অভিযান এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন ডিআইজি মহোদয়।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বার্ষিক পরিদর্শনের মাধ্যমে জেলা পুলিশের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং সেবার মানোন্নয়নে কার্যকর দিকনির্দেশনা প্রদানই ছিল এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।
মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের অভিযানে ৪৮ ঘণ্টায় গ্রেফতার ২৯ জন ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ অভিযানে নেমেছে মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ। গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ, নিয়মিত মামলা, মাদক উদ্ধার ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত সর্বমোট ২৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্র জানায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও জোরদার করতে সম্মানিত পুলিশ সুপার, মুন্সীগঞ্জ জেলার নির্দেশনায় সকল থানা ও ইউনিট ইনচার্জদের মাঠ পর্যায়ে থেকে কঠোর অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় সমন্বিত অভিযান চালিয়ে এসব আসামিকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে প্রিভেন্টিভ আটক, নিয়মিত মামলার আসামি, মাদক ব্যবসায়ী এবং পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা রয়েছে। অভিযানের সময় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ সুপার জানান, অপরাধ ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি জেলার জনগণকে অপরাধ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানান এবং নিরাপদ মুন্সীগঞ্জ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ টাকাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিজস্ব সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারে, (১৮ ফেব্রুয়ারি) বুধবার সকাল ৮টা থেকে ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ডিএনসির এক চৌকস টহল দলের পরিচালিত অভিযানে শিবগঞ্জ থানাধীন নয়ালাভাঙ্গা গ্রামের একটি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে মো: সুহেল রানা (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের নয়ালাভাঙ্গা গ্রামের মৃত ফজলার রহমানের ছেলে । এ সময় গ্রেফতারকৃত সুহের রানার কাছ থেকে ৪০০ (চারশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং নগদ ২,০২,১১০ (দুই লক্ষ দুই হাজার একশত দশ) টাকা বাংলাদেশী অর্থ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো: রফিকুল ইসলাম। তিনি বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে।
কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে একটি দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।বুধবার বিকেলে রাজধানীর বাংলাদেশ সচিবালয়-এ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রথম কর্মদিবসে আয়োজিত পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, কর্মকর্তাদের অবশ্যই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে কাজ করতে হবে এবং কোনো ধরনের অবৈধ তদবির বরদাস্ত করা হবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য অপরাধে জড়িত থাকলে তাৎক্ষণিক তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।তিনি আরও বলেন দেশে তথাকথিত মব কালচার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দাবি আদায়ের নামে বিশৃঙ্খলা বা আইন হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। তবে যৌক্তিক দাবির ক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ মিছিল, সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করা যাবে—এভাবে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন,পুলিশকে জনগণের প্রকৃত বন্ধু হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। পুলিশের যে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে, তা পুনরুদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মোঃ দেলোয়ার হোসেন। এতে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে মন্ত্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছালে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।
তুরস্কের সাবেক তারকা ফুটবলার Mesut Özil-এর হঠাৎ ঢাকা সফর ঘিরে ক্রীড়াঙ্গন ও তরুণদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এই সফরের উদ্দেশ্য কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়; বরং বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে ক্রীড়া, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা। সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল বাংলাদেশের ফুটবল উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময়। দেশের ফুটবল কাঠামো, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এবং তরুণ খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক সুযোগ তৈরির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)-এর সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভাবনাও আলোচনায় উঠে এসেছে। ভবিষ্যতে প্রশিক্ষক বিনিময়, যুব উন্নয়ন কর্মসূচি এবং প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের বিষয় বিবেচনায় রয়েছে। ঢাকা সফরে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন ওজিল। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর সঙ্গে বৈঠকে তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ, খেলাধুলায় অংশগ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক সংযোগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এ সফর এমন সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুনভাবে আলোচনায় রয়েছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট Recep Tayyip Erdoğan-এর নেতৃত্বে দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা ও সামাজিক খাতে সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহের কথাও বিভিন্ন মহলে উঠে এসেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ক্রীড়া কূটনীতির মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও দৃঢ় হতে পারে। সব মিলিয়ে, মেসুত ওজিলের ঢাকা সফরকে কেবল একটি তারকা আগমন হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি হতে পারে বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা, বিশেষ করে ফুটবল ও তরুণ প্রজন্মকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার ভিত্তি গড়ে তোলার একটি সম্ভাবনাময় পদক্ষেপ।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার খরুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তালা কেটে অফিস কক্ষে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে বিদ্যালয়ের একটি সরকারি প্রজেক্টর ও নগদ অর্থ চুরি হয়েছে বলে জানা গেছে। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গতরাতে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে অফিসে রাখা সরকারি প্রজেক্টর ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় তারা। সকালে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এসে তালা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পেয়ে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান। ঘটনার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গোপালপুর থানা-এ একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেছে।থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে উদ্বেগ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত চুরি হওয়া সরকারি মালামাল উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
সরকারি গাড়িতে নয় নিজের গাড়িতেই চলাফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান।তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী নিজের গাড়ি নিজের চালক ও নিজের ক্রয় করা জ্বালানি ব্যবহার করবেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সরকারি গাড়ি ব্যবহার করছেন না।আজকে দিনের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী সাভার ও শেরেবাংলানগর গিয়েছিলেন নিজের টয়োটা গাড়ি চড়ে সেখানে থেকে সচিবালয়ে তিনি এসেছেন সেই গাড়িতেই। আতিকুর রহমান বলেন যানজটের কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তার গাড়িবহরের সংখ্যা কমিয়ে ফেলা হয়েছে। এত দিন গাড়িবহরে ১৩-১৪টি গাড়ি থাকত। আজ সেটা কমিয়ে চারটি করা হয়েছে। শপথ নেওয়ার পর বুধবার প্রথম দিনের কর্মসূচিতে পতাকাবিহীন গাড়ি ব্যবহার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান অথবা বিদেশি মেহমানদের সফরের সময় তার গাড়িতে পতাকা ব্যবহার করা হবে বলে জানান আতিকুর রহমান রুমন।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন থেকে মন্ত্রিসভার বৈঠক সচিবালয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক হলে সব মন্ত্রীকে সচিবালয় থেকে আসতে একটা জট সৃষ্টি হয়, ভিআইপি চলাচলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির মুখে পড়ে। সেসব কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী বেশির ভাগ সময় সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রী যাত্রাপথে সড়কের দুই ধারে পোশাকধারী পুলিশের অবস্থানের যে নিয়ম তা-ও বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে ২৪ জন গ্রেপ্তার প্রিভেন্টিভ পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় ২৪ ঘণ্টায় জোরালো অভিযান ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং অপরাধ দমন ওআইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জোরদার অভিযানপরিচালনা করেছে জেলার বিভিন্ন থানা ও ইউনিটের সমন্বিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ নিয়মিতমামলাপরোয়ানাভুক্ত এবং অন্যান্য উদ্ধারসংক্রান্ত অভিযানে সর্বমোট ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।জানা গেছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার এবং পরোয়ানা তামিলের লক্ষ্যে জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের কঠোর অবস্থানে থেকে মাঠপর্যায়ে অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার। নির্দেশনা অনুযায়ী দিন-রাত ব্যাপক তল্লাশি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অপরাধ দমনে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
টাঙ্গাইলে ২৪ ঘণ্টায় ১৮ জন গ্রেপ্তার মাদক ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি ধরতে পুলিশের বিশেষ অভিযান ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ইং জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনে টানা অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ, নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্তসহ মোট ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, পলাতক আসামি গ্রেপ্তার এবং চলমান মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনতে জেলার সব থানা ও ইউনিটকে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তার দিকনির্দেশনায় সমন্বিতভাবে এ অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযানে প্রিভেন্টিভ আটক ছাড়াও আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং বিভিন্ন নিয়মিত মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, মাদক চুরি-ডাকাতি সন্ত্রাসসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি শহর ও গ্রামীণ এলাকায় টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪০ প্রিভেন্টিভ, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামিসহ মোট ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় একযোগে পরিচালিত এ অভিযানে পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনা এবং মাদকদ্রব্য উদ্ধারে জোরালো তৎপরতা চালানো হয়। পুলিশ সূত্র জানায়, মাদক, সন্ত্রাস, চুরি-ডাকাতি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলার সব থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে প্রিভেন্টিভ আটক ছাড়াও একাধিক নিয়মিত মামলার আসামি এবং আদালতের পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায় অভিযানের সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের যাচাই-বাছাই, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্ট স্থাপন এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ টহল জোরদার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে অপরাধ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দ্রুত পুলিশকে জানানোর জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
দুলাভাইয়ের মরদেহ দেখতে এসে শ্যালিকার মৃত্যু টাঙ্গাইলের গোপালপুরে একই দিনে দুই আত্মীয়ের মৃত্যু এলাকায় শোকের ছায়া টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নবগ্রামে একই দিনে দুই আত্মীয়ের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুলাভাইয়ের মরদেহ দেখতে এসে শ্যালিকা রহিমা (৬০) শোকে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নবগ্রাম উত্তরপাড়া জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব হাফেজ ইউসুফ আলীর পিতা আব্দুল্লাহ (১০০) সোমবার দুপুরে বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী শেষবারের মতো মুখ দেখার জন্য বাড়িতে ভিড় করেন।সন্ধ্যার পর এশার নামাজ শেষে নবগ্রাম দাখিল মাদরাসা মাঠে মরহুম আব্দুল্লাহর জানাজা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। ঠিক সেই সময় হঠাৎ খবর আসে, মরদেহ দেখতে আসা তাঁর শ্যালিকা রহিমা বাড়িতেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। উপস্থিত স্বজনরা দ্রুত তাঁকে প্রাথমিক সেবার চেষ্টা করলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি মারা যান।খবরটি জানাজাস্থলে পৌঁছালে উপস্থিত মানুষজন হতবাক হয়ে পড়েন। পরে আব্দুল্লাহর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করে স্বজনরা দ্রুত রহিমার মরদেহের কাছে ছুটে যান। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুমা রহিমা একই গ্রামের পাংকী বাড়ির মৃত জোয়াহের আলীর স্ত্রী।একই দিনে ঘনিষ্ঠ দুই স্বজনের মৃত্যুতে পুরো নবগ্রাম এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানান দীর্ঘদিনের পারিবারিক বন্ধন ও আত্মীয়তার কারণে ঘটনাটি গ্রামবাসীকে বিশেষভাবে মর্মাহত করেছে।
জামালপুর জেলা পুলিশ-এর মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ জামালপুরে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অপরাধচিত্র বিশ্লেষণে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টা ৩০ মিনিটে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক। শুরুতেই পূর্ববর্তী মাসিক সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। পরে জানুয়ারি/২০২৬ মাসের খাতভিত্তিক ও থানা-ভিত্তিক মামলার পরিসংখ্যান উপস্থাপন ও বিশদ আলোচনা করা হয়।সভায় বিভিন্ন থানা ও সংস্থার রুজুকৃত মামলা মামলা নিষ্পত্তির হার মুলতবি মামলা অপমৃত্যু সংক্রান্ত পরিসংখ্যান অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার কার্যক্রম মুলতবি গ্রেফতারি পরোয়ানা ও ক্রোকি পরোয়ানা বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদারকরণস্পর্শকাতর মামলার অগ্রগতি এবং জেলার চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা নিয়েও আলোচনা হয়।সভায় পুলিশ সুপার জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি অপরাধ দমন মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার গ্রেফতারি পরোয়ানা নিষ্পত্তিতে তৎপরতা বৃদ্ধি এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ সোহেল মাহমুদ পিপিএম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোরশেদা খাতুন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াহিয়া আল মামুনঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দেওয়ানগঞ্জ সার্কেল) মোঃ সাইফুল ইসলাম পিপিএম সহকারী পুলিশ সুপারবৃন্দ জেলা গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তাগণ সকল থানার অফিসার ইনচার্জ ডিবি-১ ও ডিবি-২ এর ওসি ডিআইও-১ ও ডিআইও-২ তদন্তকেন্দ্র ও ফাঁড়ির ইনচার্জ, ট্রাফিক ও কোর্ট ইন্সপেক্টরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।জেলা পুলিশের নিয়মিত এ ধরনের পর্যালোচনা সভা অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের সফল অভিযান: মাদক উদ্ধারসহ ৩৭ জন গ্রেপ্তার খুনের আসামি ১০ ঘণ্টায় অভিযানে গ্রেফতার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক উদ্ধার প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিভিন্ন মামলায় জড়িত মোট ৩৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয়ের কঠোর নির্দেশের পরই জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জগণ মাঠপর্যায়ে এই অভিযান পরিচালনা করেন।মাদকবিরোধী অভিযানে সাফল্যমাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ ১৭ পিস ইয়াবা সহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের এই দৃঢ় পদক্ষেপ অপরাধীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।খুনের ঘটনার দ্রুত সমাধান এক চাঞ্চল্যকর অগ্রগতিতে সখিপুর থানা পুলিশ একটি খুনের ঘটনার মাত্র ১০ ঘণ্টার মধ্যেই জড়িত ১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। দ্রুততম সময়ে অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার এই ঘটনা পুলিশের পেশাদারিত্ব ও কর্মদক্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।নিয়মিত মামলায় অব্যাহত তৎপরতাএছাড়াও প্রিভেন্টিভ পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য নিয়মিত মামলায় আরও ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপরাধ দমনে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি'র পরিদর্শন পেশাদারিত্ব ও জনকল্যাণে গুরুত্বারোপ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং রাজশাহী রেঞ্জের সম্মানিত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) জনাব মোহাম্মদ শাহজাহান,পিপিএম (বার), পিএইচডি মহোদয় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজশাহী জেলায় এক গুরুত্বপূর্ণ পরিদর্শন কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। তাঁর এই পরিদর্শনে পরিদর্শন প্যারেড বিশেষ কল্যাণ সভা এবং জেলা বিশেষ শাখা (ডিএসবি) অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশি কার্যক্রমে নতুন উদ্দীপনা এনেছে।সকাল ৭:৩০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হয় এক বর্ণাঢয় পরিদর্শন প্যারেড, যেখানে পুলিশ সদস্যরা সুশৃঙ্খলভাবে তাঁদের পেশাদারিত্ব প্রদর্শন করেন। এর পরপরই সকাল ৯:০০ ঘটিকায় রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপারের সভাপতিত্বে এক বিশেষ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিআইজি জনাব মোহাম্মদ শাহজাহান। তিনি অফিসার ও ফোর্সের বিভিন্ন আবেদন-নিবেদন অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। ডিআইজি মহোদয় এই সভায় পুলিশ সদস্যদের প্রতি পেশাদারিত্ব, ন্যায়পরায়ণতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য দৃঢ় আহ্বান জানান। পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ ও তাঁদের সমস্যা সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে সভাটি সমাপ্ত হয়।দিনের পরবর্তী অংশে ডিআইজি মহোদয় রাজশাহী জেলার ডিএসবি অফিস বার্ষিক পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি ডিএসবি অফিসের সকল রেজিস্টার নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এই সময় রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান; অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোঃ শরিফুল ইসলাম; অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) জনাব এ.টি.এম. মাইনুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জনাব সাবিনা ইয়াসমিনসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ডিআইজি মহোদয়ের এই পরিদর্শন রাজশাহী জেলার পুলিশি কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং পুলিশ সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রাণিজ পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতেআলোচনা সভা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে দুধ ডিম ও মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।এ উপলক্ষে রাজধানীর মহাখালীতে সুলভ মূল্যে দুধ ডিম ও মাংস বিক্রয় কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।বুধবার রাজধানীর মহাখালীস্থ প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেনরমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যাতে সহনীয় পর্যায়ে থাকে এবং কোনো অসাধু চক্র যাতে বাজার অস্থিতিশীল করতে না পারে সে লক্ষ্যে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।প্রাণিজ আমিষের সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন সরকার উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমাতে চায়। এর ফলে একদিকে যেমন ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে পণ্য পাবেন অন্যদিকে খামারিরাও তাদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে পারবেন।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের বলেন রমজান মাসে বাড়তি চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা ও মহানগর পর্যায়েও এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি জানান।অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মশিউর রহমান সভাপতি বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) এবং মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন সভাপতি বাংলাদেশ ডেইরি এন্ড ফারমার্স এসোসিয়েশন (বিডিএফএফএ)। তারা বলেন খামারি পর্যায় থেকে সরাসরি পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে বাজারে স্থিতিশীলতা আনা সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো এ কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড.মো: আবু সুফিয়ান। তিনি বলেন প্রাণিসম্পদ খাত দেশের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। রমজান মাসে জনগণের চাহিদা পূরণে এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালু রাখা হবে। উদ্বোধনের পর অতিথিরা বিক্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং ক্রেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় নির্ধারিত বিক্রয় কেন্দ্রে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ দুধ ডিম ও মাংস সুলভ মূল্যে বিক্রি করা হবে যাতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো বিশেষভাবে উপকৃত হবে।
রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে টাঙ্গাইলে ১২ উপজেলায় একযোগে বিশেষ বাজার মনিটরিং ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ থেকে টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় একযোগে বিশেষ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে।জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, টাঙ্গাইল এর নির্দেশনায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে প্রতিটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বাজারে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। জানা গেছে, বাজার মনিটরিং টিম নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য—চাল, ডাল, তেল, চিনি, ছোলা, খেজুর, মাংস, ডিমসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের মূল্যতালিকা যাচাই, মজুত পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায় বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো রমজান মাসজুড়ে এ বিশেষ মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটিগুলোকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির আহ্বান জানিয়েছে এবং কোনো অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও ক্রাইম কনফারেন্স অনুষ্ঠিত রমজানকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা জোরদারের নির্দেশ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নাগরিক সেবা আরও ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার সকাল ১০টায় কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ-এর উদ্যোগে পুলিশ লাইন্স মাল্টিপারপাস ড্রিলশেডে জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি পিপিএম-এর সভাপতিত্বে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় জেলার পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন পেশাগত ও ব্যক্তিগত সমস্যার কথা মনোযোগসহকারে শোনেন পুলিশ সুপার। তাৎক্ষণিক সমাধানযোগ্য বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন এবং দীর্ঘমেয়াদি বিষয়গুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন। পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।এ সময় জানুয়ারি ২০২৬ মাসে পেশাদারিত্ব ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় জেলা পুলিশের ১১ জন সদস্যকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ভালো কাজের স্বীকৃতি অন্যদেরও উৎসাহিত করবে।পরে দুপুর ১২টায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে জানুয়ারি মাসের “মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা” অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আসন্ন পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে জেলার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বাজার ব্যবস্থাপনা যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ নাশকতা প্রতিরোধ এবং জনগণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়। পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি সন্ত্রাসবাদ সাম্প্রদায়িক উসকানি মাদক নির্মূল অপরাধ দমন এবং যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, সততা সাহসিকতা কঠোর পরিশ্রম ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে কুড়িগ্রামের সম্মানিত নাগরিকদের সর্বোচ্চ পুলিশিং সেবা নিশ্চিত করতে হবে।সভায় জেলার গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর অগ্রগতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এ.এস.এম মুক্তারুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উলিপুর সার্কেল) মোঃ আশরাফুল আলম পিপিএম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুড়িগ্রাম সার্কেল) মোঃ মাসুদ রানা, সহকারী পুলিশ সুপার (নাগেশ্বরী সার্কেল) মোঃ গোলাম মোর্শেদ সহকারী পুলিশ সুপার (রৌমারী সার্কেল) মোঃ রাসেল কবির, কুড়িগ্রাম পুলিশ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার মোঃ আখতারুজ্জামানসহ জেলার সকল থানা ও ইউনিট প্রধান এবং বিভিন্ন ইউনিটের