টাঙ্গাইল সদর–০৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে শহর বিএনপির নির্বাচনী মিছিল আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল সদর–০৫ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু–এর পক্ষে টাঙ্গাইল শহর বিএনপির উদ্যোগে এক বিশাল নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি। মিছিলের শুরুতেই ছিল ধানের শীষ প্রতীকের ব্যানার ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড। নেতাকর্মীরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা বাস্তবায়ন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিলে উপস্থিত নেতারা বলেন আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইলের মানুষের পরীক্ষিত নেতা। অতীতে তাঁর নেতৃত্বে এ এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনে ধানের শীষ এবার বিজয়ী হবে। মিছিলে টাঙ্গাইল শহর বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। পুরো কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
ঢাকা-৫ সংসদীয় আসনে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আজ এক বিশাল গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব নবী উল্লাহ নবী এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ফেরদৌস হোসেন রনির নেতৃত্বে এই গণমিছিলটি দুপুর ২টায় যাত্রাবাড়ীর শহীদ ফারুক সড়ক থেকে শুরু হয়। গণমিছিলে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, যুবক, শ্রমজীবী মানুষ ও সাধারণ ভোটার অংশগ্রহণ করেন। মিছিলটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এসময় নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। গণমিছিলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আলহাজ্ব নবী উল্লাহ নবী বলেন, “ঢাকা-৫ এর মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও বঞ্চিত। জলাবদ্ধতা, গ্যাস সংকট, বেকারত্ব ও নাগরিক সেবার দুরবস্থায় জনগণ আজ দিশেহারা। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হচ্ছে সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা।” তিনি আরও বলেন, “ধানের শীষ কোনো দলের প্রতীক নয়, এটি জনগণের মুক্তির প্রতীক। আপনারা যদি ভোট দিয়ে আমাদের নির্বাচিত করেন, তাহলে ঢাকা-৫ কে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনকল্যাণমুখী এলাকায় রূপান্তর করা হবে—ইনশাআল্লাহ।” এসময় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ফেরদৌস হোসেন রনি বলেন, “এই গণমিছিল প্রমাণ করে ঢাকা-৫ এ বিএনপির পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জনগণ পরিবর্তন চায়, জনগণ তাদের ভোটের অধিকার ফিরে পেতে চায়।” গণমিছিল শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং শেষে নেতৃবৃন্দ জনগণের প্রতি ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা মাদকের বিস্তার রোধ এবং সাধারণ জনগণের জন্য নিরপেক্ষ নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের উদ্যোগে বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে জেলার সকল থানা ও পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন এলাকায় নিয়মিতভাবে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।অভিযান চলাকালে জেলা পুলিশের সদস্যরা মোটরসাইকেল প্রাইভেটকার ট্রাক সিএনজি অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে নিবিড় তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধ যানবাহন ও নিয়মভঙ্গকারী মোটরসাইকেল আটক করা হয় এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়।জেলা পুলিশের এই চলমান কার্যক্রমের মাধ্যমে অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ইতিবাচক ফলাফল অর্জিত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর শাখার উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। (৬ই ফেব্রুয়ারী) শুক্রবার সকাল ১০টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা পার্ক থেকে র্যালি শুরু হয়। সেটি বাতেন খাঁ মোড় হয়ে শান্তি মোড় ও শিবতলা মোড় হয়ে রেহাইচর মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়। ‘মেধা, সততা ও দেশপ্রেমে গড়ি আগামীর বাংলাদেশ’ এ স্লোগান নিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর শাখা। র্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোঃ নূরুল ইসলাম বুলবুল। মোঃ নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ছাত্রশিবির দেশের ছাত্রসমাজকে নৈতিকতা ও আদর্শিক শিক্ষায় গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের জেলার সাবেক সভাপতি ও পৌর নায়েবে আমীর এ্যাডভোকেট মোঃ শফিক এনায়েতুল্লাহ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর জামায়াতের আমীর হাফেজ গোলাম রাব্বানী, ইসলামী ছাত্রশিবির চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর শাখার সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সম্পাদক মোঃ ইউসুফ আল গালিবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রচারণায় অংশ নিতে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান পর্তুগাল বিএনপির আহ্বায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার। এ সময় দেশে অবস্থানরত পর্তুগাল বিএনপির সদস্য সচিব সায়েফ আহমেদ সুইট, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক গিলমান চৌধুরীসহ দেশে অবস্থানরত দলীয় নেতাকর্মীরা তাঁকে ফুলেল অভ্যর্থনা জানান।
গাজীপুরে র্যাবের বড় অভিযান ৩৬৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ চার মাদক ব্যবসায়ী আটক জব্দ করা হয়েছে মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল ও মোবাইল৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৪ এর সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল উদ্ধারসহ চারজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। অভিযানে ৩৬৬ বোতল ফেন্সিডিল ছাড়াও একটি নোহা মাইক্রোবাস, একটি মোটরসাইকেল চারটি মোবাইল ফোন এবং মাদক বেচাকেনার নগদ অর্থ জব্দ করা হয়।র্যাব সূত্র জানায়, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানাধীন কেওয়া নতুন বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ইব্রাহিম বেডিংয়ের সামনে পাকা রাস্তা থেকে চার মাদক কারবারিকে আটক করা হয়।আটককৃতরা হলেন—মোঃ শহিদুল ইসলাম (৫৫), জেলা: ঠাকুরগাঁও;মোঃ হাদিল (৩৯), জেলা: গাজীপুর; মোঃ নওশাদ (২৯), জেলা: ঠাকুরগাঁও এবং মোঃ শহিদুল ইসলাম ওরফে জুয়েল (৩৩), জেলা: ঠাকুরগাঁও।আটকের পর উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি মাইক্রোবাসে ফেন্সিডিল বহনের কথা স্বীকার করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মাইক্রোবাসের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৩৬৬ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়।র্যাব জানায়, উদ্ধারকৃত ফেন্সিডিলের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১০ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। একই সঙ্গে ব্যবহৃত নোহা মাইক্রোবাস, একটি মোটরসাইকেল, চারটি মোবাইল ফোন এবং নগদ তিন হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাদের গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র্যাব-১৪ কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, মাদক নির্মূলে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী ও স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি সা’দত কলেজ। টাঙ্গাইল জেলা ছাড়াও আশপাশের একাধিক জেলার শিক্ষার্থীদের কাছে প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে দীর্ঘদিনের সুনাম ও আস্থা। এই কলেজে বর্তমানে টাঙ্গাইলসহ পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলা থেকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়মিত পড়াশোনা করছেন। ফলে প্রতিদিন যাতায়াতের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশকে লোকাল বাসসহ বিভিন্ন গণপরিবহন ব্যবহার করতে হয়। এমন প্রেক্ষাপটে কলেজের শিক্ষার্থী পরিচয় নিশ্চিত করতে আইডি কার্ড একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য বিষয়। বিশেষ করে বাসে শিক্ষার্থী ভাড়া সুবিধা গ্রহণ, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার্থী পরিচয় বহনের ক্ষেত্রে আইডি কার্ডের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। অভিযোগ রয়েছে, বিগত প্রায় দেড় থেকে দুই বছর আগে ভর্তি হওয়া অনেক শিক্ষার্থী এখনও কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আইডি কার্ড পাননি। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে একাধিকবার কথা বললে তিনি আইডি কার্ড প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। তবে সম্প্রতি কিছু শিক্ষার্থীকে আইডি কার্ড প্রদান করা হলে নতুন করে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, যেসব আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে তা অত্যন্ত সাধারণ মানের কাগজে প্রিন্ট করা, যা সহজেই নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া আইডি কার্ডের ফিতায় কলেজের নাম, লোগো কিংবা কোনো পরিচয়চিহ্ন নেই, যা একটি সরকারি ও ঐতিহ্যবাহী কলেজের মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে দাবি শিক্ষার্থীদের। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা জানান, দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর এমন নিম্নমানের আইডি কার্ড পেয়ে তারা হতাশ ও ক্ষুব্ধ। তাদের দাবি, একটি স্বনামধন্য কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত, টেকসই ও পরিচয়বাহী আইডি কার্ড প্রদান করা কলেজ প্রশাসনের দায়িত্ব। এ ঘটনার প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে গত ০৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) কলেজের একাধিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গ্রুপে সাধারণ শিক্ষার্থীরা পোস্ট দেন। পোস্টগুলোতে দ্রুত সকল শিক্ষার্থীর জন্য উন্নত মানের আইডি কার্ড সরবরাহের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে বিষয়টি দ্রুত সমাধানে কলেজ প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন শিক্ষার্থীরা।
গোপালপুর ও ধনবাড়িতে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে গোপালপুর ও ধনবাড়ি থানাধীন বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার টাঙ্গাইল জনাব শরীফা হক এবং পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার মহোদয় সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি, ভোটগ্রহণের পরিবেশ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের কার্যক্রম খুঁটিয়ে পর্যালোচনা করেন। এ সময় তিনি নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন, ভোটাররা যেন শান্তিপূর্ণ ও নির্ভয়ে তাদের সাংবিধানিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে পর্যাপ্ত ও কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের সার্বিক নিরাপত্তা ও নিবিড় নজরদারি কার্যক্রম সার্বক্ষণিকভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার, টাঙ্গাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোপালপুর ও ধনবাড়ি; অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণসহ জনাব মোঃ আদিবুল ইসলাম পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যা অপস্) টাঙ্গাইল জনাব ফৌজিয়া হাবিব খান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, গোপালপুর সার্কেল জনাব মোঃ আরিফুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার, মধুপুর সার্কেল, টাঙ্গাইল এবং অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের অভিযানে গোমস্তাপুর উপজেলায় গাঁজাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি ) বিকেল ৪টা দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন বোগলা কাঁঠাল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— গোমস্তাপুর থানাধীন সাদেকুল ইসলাম ফিটুর স্ত্রী মোসা: সুলেখা বেগম (৪১), সুলেখা বেগমের স্বামী সাদেকুল ইসলাম, ফিটু (৩৫), পিতা সুলতান বাস্ফোরে ছেলে শ্রী সোহেল বাস্ফোর (৩৬), এই তিনজনই গোমস্তাপুর থানার বাসিন্দা। অভিযানে তাদের কাছ থেকে মোট ৩০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে পৃথকভাবে ২০০ গ্রাম, ৫০ গ্রাম ও ৫০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। পরে গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ প্রসিকিউশন দাখিল করেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব উম্মে সালমা রুমা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত প্রথম আসামি মোসা: সুলেখা বেগমকে ৩ (তিন) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় আসামিকে ১ (এক) মাস ২৫ (পঁচিশ) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৫০০ (পাঁচশত) টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে “জ্ঞানেই মুক্তি, আগামীর ভিত্তি”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে নবমবারের মতো সারা দেশের ন্যায় জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-এর উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ০৫ ফেব্রুয়ারি জেলা শহরে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালী শেষে জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) মোঃ নাকিব হাসান তরফদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার,চাঁপাইনবাবগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ। আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবকবৃন্দ, নবীন ও প্রবীণ পাঠক, এবং ছাত্র-ছাত্রীরা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন , চাঁপাইনবাবগঞ্জে লাইব্রেরিয়ান, জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার সাজিয়া আফরিন। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে গ্রন্থাগারের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, জ্ঞানচর্চা ও পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে গণগ্রন্থাগার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একটি আলোকিত ও সচেতন জাতি গঠনে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন। আলোচনা সভা শেষে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মোট ২৯ জন বিজয়ীর মাঝে পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। প্রতিযোগিতাগুলোর মধ্যে ছিল— চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা (৩টি গ্রুপে ১৪ জন), বইপাঠ প্রতিযোগিতা (উন্মুক্ত গ্রুপে ৬ জন), রচনা প্রতিযোগিতা (নবম–স্নাতকোত্তর গ্রুপে ৩ জন) এবং উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা (২টি গ্রুপে ৬ জন)। দিনব্যাপী আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
ঘাটাইলে র্যাবের চেকপোস্টে ১৩১ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় র্যাব-১৪-এর একটি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য হেরোইনসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত হেরোইনের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৩ লাখ ১০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।র্যাব সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে র্যাব-১৪-এর সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল ঘাটাইল থানার টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক সড়কের দক্ষিণাশ্বর এলাকায় ব্রাহ্মণ শাসন মন্দিরের সামনে পাকা সড়কে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে। এ সময় জামালপুর অভিমুখী ‘সীমান্ত’ নামক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে রাজশাহী জেলার বাসিন্দা মোঃ তৌফিক আহমেদ (৩২) নামের এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে আটক করা হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তার দেহ তল্লাশি করে পরিহিত প্যান্টের পকেট থেকে ১ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।পরবর্তীতে আরও গভীর তল্লাশির একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিশেষ কৌশলে পায়ুপথে লুকিয়ে রাখা অতিরিক্ত ১৩০ গ্রাম হেরোইন বহন করছিলেন বলে নিশ্চিত হয় র্যাব। এ সময় হেরোইন ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নগদ ২ হাজার ৪৯০ টাকা এবং একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।র্যাব জানায়, উদ্ধারকৃত মোট ১৩১ গ্রাম হেরোইনের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাকে ঘাটাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।র্যাব-১৪-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারিদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
গোপালপুর ও ধনবাড়ীতে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক প্রিজাইডিং অফিসারদের নিরপেক্ষতা ও আন্তরিকতার নির্দেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর ও ধনবাড়ী উপজেলা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা রিটার্নিং অফিসার, টাঙ্গাইল। বুধবার (০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এ পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক নির্বাচন উপলক্ষ্যে প্রিজাইডিং অফিসারদের জন্য আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। তিনি নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা পেশাদারিত্ব ও সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য প্রিজাইডিং অফিসারদের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।এছাড়াও তিনি উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় তিনি ভোটারদের জন্য শান্তিপূর্ণ সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসক গোপালপুর ও ধনবাড়ীর একাধিক ভোটকেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সকল ভোটকেন্দ্রকে আইপি ক্যামেরার আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করেনপরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (গোপালপুর ও ধনবাড়ী)সহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল–৫ (সদর) আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর পর থেকেই প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভা করছেন। এই আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি বিএনপির রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার পাশাপাশি টাঙ্গাইলের উন্নয়নে ২৩ দফা উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। তাঁর লক্ষ্য টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নকে একটি নিরাপদ, মাদকমুক্ত ও চাঁদাবাজমুক্ত ‘মডেল টাঙ্গাইল’ হিসেবে গড়ে তোলা। ২৩ দফার মধ্যে রয়েছে যমুনা নদীতে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ, মাহমুদনগরে সেতু নির্মাণ, টাঙ্গাইলকে শিক্ষার নগরীতে রূপান্তর, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং শহর-গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন। এছাড়া যুবকদের কর্মসংস্থান, আইটি খাতে বিনিয়োগ, নারী ক্ষমতায়ন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সহায়তা, কৃষক ও দরিদ্র পরিবারের জন্য কার্ড চালু, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা এবং নাগরিক সেবা সহজ করতে ‘ওয়ান কল সার্ভিস’ চালুর অঙ্গীকার করেন তিনি। চাঁদাবাজমুক্ত টাঙ্গাইল গড়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নত ও আধুনিক জনপদ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
মানবসেবা শুধু কর্তব্য নয়, মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও মানবিকতার গভীরতম প্রকাশ। টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য তারিকুল ইসলাম খাঁন তারেক দীর্ঘ ১২ বছর ধরে খোলা আকাশের নিচে বাঁশঝাড়ের পাশে মানবেতর জীবনযাপন করা চর-চতিলা ফারাজিপাড়ার নাসির উদ্দিনের জন্য নির্মাণ করে দিয়েছেন একটি “মানবিক ঘর”, যা এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছে। বুধবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে দোচালা টিনের ঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে নাসির উদ্দিনের কাছে হস্তান্তর করেন তিনি। উপস্থিত ব্যক্তিরা বলেন, সমাজের সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে অসহায়দের কষ্ট অনেকটাই লাঘব করা সম্ভব। এর আগে “তীব্র শীতেও খোলা আকাশের নিচে ঘুমায় নাসির” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান টিন ও আর্থিক সহায়তা দেন। পাশাপাশি প্রবাসী মো. শফিকুল ইসলাম চৌকি, মশারি, তোশক ও বালিশ উপহার দেন। তারিকুল ইসলাম খাঁন তারেক বলেন, আমার কোন কিছু চাওয়া পাওয়ার নেই, মানবিক দিক বিবেচনা করে আমি নাসির ভাইকে ঘর নির্মাণ করে দিয়েছি আল্লাহর সন্তুষ্টিরঅর্জনের জন্য। মসজিদ, মাদরাসাসহ বিভিন্ন মানবিক কাজে সহযোগিতার পাশাপাশি নিজ উদ্যোগে বিভিন্নস্থানে টিউবওয়েল স্থাপন করে দিয়েছি। স্থানীয়দের মতে, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ সমাজে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে এবং অন্যদেরও এমন কাজে উৎসাহিত করবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। কিছুটা মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত দিনমজুর নাসির উদ্দিন নতুন ঘর পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
টাঙ্গাইলে জামায়াতে ইসলামীর শক্তিশালী নির্বাচনী প্রচারণা বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।গণভোট প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেনএবারের নির্বাচনে দুটি ভোট রয়েছে। প্রথম ভোটটি হ্যাঁ ভোট—ইনশাল্লাহ। ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হলে বাংলাদেশ বিজয়ী হবে, আর ‘না’ ভোট বিজয়ী হলে বাংলাদেশ পরাজিত হবে। ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি আর না মানে গোলামী। যারা অতীতে ‘হ্যাঁ’ও বলেনি, নাও বলেনি—আজ যারা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে তাদের অভিনন্দনওমোবারকবাদ।তিনি বলেন যারা ‘হ্যাঁ’ ভোটের সাথে থাকবে তারা প্রমাণ করবে—তারা চাঁদাবাজির সাথে নেই, দুর্নীতির সাথে নেই, মামলাবাজির সাথে নেই এবং মা-বোনদের অপমানের সাথে নেই। তারা থাকবে নতুন বাংলাদেশের সাথে, থাকবে ২০২৪ সালের জনগণের আকাঙ্ক্ষার সাথে। সেই আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব—ইনশাল্লাহ। দ্বিতীয় ভোটটি দেশ গড়ার ভোট উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামিতে যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবে, তাদের অবশ্যই অতীতে ভালো মানুষ হিসেবে প্রমাণিত হতে হবে। যারা বারবার সুযোগ পেয়েও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে, তাদের আর নতুন করে দেখার কিছু নেই। এমনকি যারা এখনো দুর্নীতিতে লিপ্ত রয়েছে, তাদেরকেও আর নতুন সুযোগ দেওয়ার অবকাশ নেই।ডা.শফিকুর রহমান বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ১১টি রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়েছে। প্রত্যেকটি দল নিজ নিজ সম্মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখে নিজেদের দলের পক্ষে কাজ করে ইনশাল্লাহ বিজয় নিশ্চিত করবে। তিনি বলেন, গত ৫৪ বছরে বহু নির্বাচন হয়েছে, বহু সরকার গঠিত হয়েছে। ভোটের আগে অনেক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও ভোটের পর সেসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি। এর ফলে সমাজে বৈষম্য বেড়েছে, অপরাধ চরম আকার ধারণ করেছে এবং দুর্নীতি পুরো সমাজকে গ্রাস করেছে।এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে যুব সমাজ ফুঁসে উঠে ‘উই মাষ্ট জাস্টিস’ স্লোগান নিয়ে রাজপথে নেমেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা ন্যায়বিচার, বাঁচার অধিকার, শিশুর জন্য শিক্ষা, যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান, মা-বোনদের জন্য নিরাপত্তা, ব্যবসায়ীদের জন্য শান্তিপূর্ণ ব্যবসার পরিবেশ, শ্রমিকদের জন্য ন্যায্য মজুরি এবং কৃষকদের জন্য আধুনিক ও নিরাপদ কৃষি উপকরণের দাবি জানিয়েছিল। এসব দাবি কি কোনো অপরাধ ছিলপ্রশ্ন রাখেন তিনি।এ সময় জামায়াতে ইসলামীর আমীর টাঙ্গাইল জেলার আটটি সংসদীয় আসনের জামায়াতে ইসলামী ও শরিক দলের প্রার্থীদের হাতে নির্বাচনী প্রতীক তুলে দেন। এর মধ্যে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ি) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. হুমায়ুন কবীর, টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে জেলা আমীর আহসান হাবিব মাসুদ, টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে একেএম আব্দুল হামিদ, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবনে আবুল হোসেন তালুকদার এবং টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে মো. শফিকুল ইসলাম খানকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক প্রদান করা হয়। এছাড়া টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে এনসিপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লা হায়দারকে শাপলাকলি প্রতীক তুলে দেওয়া হয়। টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর আহসান হাবিব মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামী ও শরিক দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন।মিরে প্রধান ডা. শফিকুর রহমানের আগমনে পৌর উদ্যানে জনস্রোত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ইং তারিখে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরে প্রধান ডা. শফিকুর রহমান টাঙ্গাইলে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন। তার আগমনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলার বিভিন্ন ইসলামিকেন্দ্রিক দল ও জামায়াতের অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী টাঙ্গাইল শহরে সমবেত হন। বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে অনুষ্ঠিত এ জনসভায় শত শত ধর্মপ্রাণ মুসল্লি সমর্থক ও দলীয় নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা.শফিকুর রহমান বলেন জামায়াতে ইসলাম ক্ষমতায় গেলে দেশ থেকে চাঁদাবাজি,দুর্নীতি,সন্ত্রাসসহ সকল প্রকার অনৈতিক কর্মকাণ্ড নির্মূল করা হবে। তিনি বলেন,দেশ আজ নৈতিক অবক্ষয়ের চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইসলামের আদর্শ ও ন্যায়নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনা করা গেলে জনগণের জানমাল ইজ্জত ও অধিকার নিরাপদ থাকবে। তিনি আরও জানান জামায়াতে ইসলাম একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে যেখানে শোষণ বৈষম্য ও দুর্নীতির কোনো স্থান থাকবে না।ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সৎ,যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্বই পারে দেশকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে। এজন্য তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামকে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান।জনসভা চলাকালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচি শেষে নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে সভাস্থল ত্যাগ করেন।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান জোরদারআইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা ও মাদক নির্মূলে মাঠে জেলা পুলিশপুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলায় চলছে নিয়মিত টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধ এবং সাধারণ জনগণের জন্য নিরপেক্ষ নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপনসহ টহল কার্যক্রম জোরদার করেছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে জেলার সকল থানা ও পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড় ও প্রবেশপথে নিয়মিতভাবে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানের অংশ হিসেবে জেলা পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যরা মোটরসাইকেল প্রাইভেটকার ট্রাক, সিএনজি, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে তল্লাশি চালান।চেকপোস্ট কার্যক্রম চলাকালে যানবাহনের কাগজপত্র যাচাই সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও মালামাল তল্লাশির পাশাপাশি অবৈধ যানবাহন শনাক্ত করা হচ্ছে। এ সময় আইন লঙ্ঘনকারী মোটরসাইকেল ও যানবাহন আটক করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে প্রসিকিউশন দাখিল করা হচ্ছে।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং আসন্ন সময়কে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে এই বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সাধারণ জনগণকে অপরাধ দমনে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে
জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার মেন্দারবেড় গ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মোঃ ফরিদুল কবীর তালুকদার (শামীম)-এর নির্বাচনী প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় এলাকার সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রচারণাটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। প্রচারণায় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মেন্দারবেড় গ্রামের সম্মানিত মুরুব্বী বদিউজ্জামান হীরা, আব্দুর রহিম, মোবারক হোসেন, বেলাল হোসেন, গেনদামিয়া, ফটিক মিয়া, মোতালেব হোসেন, রকিবুল ইসলাম চানু সহ আরও অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি। যুব সমাজের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন হাসান, সাদ্দাম হোসেনসহ গ্রামের বিপুল সংখ্যক তরুণ যুবক। প্রচারণাকালে বক্তারা এলাকার উন্নয়ন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
টাঙ্গাইলকে ‘মডেল জেলা’ গড়তে টুকুর ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল–৫ (সদর) আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে। উঠান বৈঠক মতবিনিময় সভা সৌজন্য সাক্ষাৎ ও গণসংযোগে অংশ নিয়ে ভোটারদের নানা সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শুনছেন তারা।এই আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা সাংগঠনিক সক্ষমতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তার প্রচারণাকে ঘিরে পুরো আসনজুড়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে ব্যাপক রাজনৈতিক তৎপরতা।এ প্রেক্ষাপটে বিএনপির ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নের পাশাপাশি টাঙ্গাইলের সার্বিক উন্নয়ন ও রূপান্তরের লক্ষ্যে নিজের ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার জনগণের সামনে তুলে ধরেছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সম্প্রতি এসব অঙ্গীকার প্রকাশের পর ভোটারদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নকে নিরাপদ মাদকমুক্ত,চাঁদাবাজমুক্ত ও আধুনিক একটি ‘মডেল টাঙ্গাইল’হিসেবে গড়ে তোলাই তার প্রধান লক্ষ্য। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার অঙ্গীকার করেন তিনি।তার ঘোষিত ২৩ দফা উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো যমুনা নদীর স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে নদীভাঙন রোধ মাহমুদনগরে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ টাঙ্গাইলকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তোলা এবং টাঙ্গাইলকে শিক্ষার নগরীতে রূপান্তর।এর আগে এক নির্বাচনী জনসভায় টাঙ্গাইল সদরের উন্নয়নে সাত দফা দাবি উত্থাপন করেন টুকু। ওই জনসভায় বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান এসব দাবি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে সাত দফা দাবির সঙ্গে ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার যুক্ত হওয়ায় টাঙ্গাইলের উন্নয়ন ইস্যু নতুন মাত্রা পেয়েছে।স্বাস্থ্য খাতে আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে টুকু বলেন সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর মানোন্নয়ন আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণ এবং শহর ও গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন তার অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।যুব সমাজকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি আইটি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ভাষা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা হবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং ব্যবসা সহজীকরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের বিষয়ে তিনি বলেন নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর জোর দেন তিনি।বিএনপির ৩১ দফার আলোকে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সরকারি ভাতা প্রদান সবার জন্য ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করা এবং নাগরিক সেবা সহজ করতে ওয়ান কল সার্ভিস চালুর অঙ্গীকারও করেন এই বিএনপি নেতা।চাঁদাবাজমুক্ত টাঙ্গাইল গড়ে তোলা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন জনগণের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে টাঙ্গাইলকে একটি আধুনিক নিরাপদ ও উন্নত জনপদে রূপান্তর করা হবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুল রহমান আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সফরে আসছেন। সফরসূচির অংশ হিসেবে তিনি নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার তিনটি আসনের ভোটারদের উদ্দেশ্যে এ নির্বাচনী জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে জনসভা আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। নির্বাচনী জনসভা সফল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সকল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান। দীর্ঘ ১৭ বছর পর জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে—এমন প্রেক্ষাপটে এবার যেন ভোটাররা নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, সে লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী সার্বক্ষণিকভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে সোমবার নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী নূরুল ইসলাম বুলবুল। মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আগামী ৫ ফেব্রুয়ারির বিশাল নির্বাচনী জনসভা সফল করতে মাঠের যাবতীয় কার্যক্রম আমরা সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারব বলে আশাবাদী। আমাদের এই জনসভায় জামায়াত আমীরসহ তাঁর সফরসঙ্গী কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।”তিনি আরও বলেন, “এই জনসভায় নারী ও পুরুষ উভয়ের অংশগ্রহণ থাকবে। নারীদের জন্য আলাদা অংশে সার্বিক নিরাপত্তাসহ বসার ব্যবস্থা করা হবে। জনসভা সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে জামায়াতে ইসলামীর স্বেচ্ছাসেবকরা সর্বত্র দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছি।”নূরুল ইসলাম বুলবুল আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে এ নির্বাচনী জনসভা জনসমুদ্রে রূপ নেবে এবং শান্তিপূর্ণ ও নজিরবিহীন একটি সমাবেশ উপহার দিতে পারবে জামায়াতে ইসলামী। মাঠ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর আবু গিফারী, জেলা সেক্রেটারি আবু বক্কর, জামায়াত নেতা ও পৌরসভার সাবেক মেয়র অধ্যাপক মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোখলেশুর রহমান, আব্দুল আলীমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ধানের শীষের প্রচারণায় বিশাল মিছিল গোপালপুর (টাঙ্গাইল), ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টুর পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণায় এক বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) গোপালপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো: হিরামিয়ার নেতৃত্বে এই মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং এতে ছাত্রদলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টুকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। এ সময় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নেতারা বলেন, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ধানের শীষের বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই। তারা আশা প্রকাশ করেন, গোপালপুরের সাধারণ মানুষ ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে ভোট দেবেন। মিছিলটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।
টাঙ্গাইল সদর–০৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে শহর বিএনপির নির্বাচনী মিছিল আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল সদর–০৫ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু–এর পক্ষে টাঙ্গাইল শহর বিএনপির উদ্যোগে এক বিশাল নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি। মিছিলের শুরুতেই ছিল ধানের শীষ প্রতীকের ব্যানার ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড। নেতাকর্মীরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা বাস্তবায়ন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিলে উপস্থিত নেতারা বলেন আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইলের মানুষের পরীক্ষিত নেতা। অতীতে তাঁর নেতৃত্বে এ এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনে ধানের শীষ এবার বিজয়ী হবে। মিছিলে টাঙ্গাইল শহর বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। পুরো কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
ঢাকা-৫ সংসদীয় আসনে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আজ এক বিশাল গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব নবী উল্লাহ নবী এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ফেরদৌস হোসেন রনির নেতৃত্বে এই গণমিছিলটি দুপুর ২টায় যাত্রাবাড়ীর শহীদ ফারুক সড়ক থেকে শুরু হয়। গণমিছিলে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, যুবক, শ্রমজীবী মানুষ ও সাধারণ ভোটার অংশগ্রহণ করেন। মিছিলটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এসময় নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। গণমিছিলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আলহাজ্ব নবী উল্লাহ নবী বলেন, “ঢাকা-৫ এর মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও বঞ্চিত। জলাবদ্ধতা, গ্যাস সংকট, বেকারত্ব ও নাগরিক সেবার দুরবস্থায় জনগণ আজ দিশেহারা। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হচ্ছে সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা।” তিনি আরও বলেন, “ধানের শীষ কোনো দলের প্রতীক নয়, এটি জনগণের মুক্তির প্রতীক। আপনারা যদি ভোট দিয়ে আমাদের নির্বাচিত করেন, তাহলে ঢাকা-৫ কে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনকল্যাণমুখী এলাকায় রূপান্তর করা হবে—ইনশাআল্লাহ।” এসময় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ফেরদৌস হোসেন রনি বলেন, “এই গণমিছিল প্রমাণ করে ঢাকা-৫ এ বিএনপির পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জনগণ পরিবর্তন চায়, জনগণ তাদের ভোটের অধিকার ফিরে পেতে চায়।” গণমিছিল শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং শেষে নেতৃবৃন্দ জনগণের প্রতি ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা মাদকের বিস্তার রোধ এবং সাধারণ জনগণের জন্য নিরপেক্ষ নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের উদ্যোগে বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে জেলার সকল থানা ও পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন এলাকায় নিয়মিতভাবে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।অভিযান চলাকালে জেলা পুলিশের সদস্যরা মোটরসাইকেল প্রাইভেটকার ট্রাক সিএনজি অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে নিবিড় তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধ যানবাহন ও নিয়মভঙ্গকারী মোটরসাইকেল আটক করা হয় এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়।জেলা পুলিশের এই চলমান কার্যক্রমের মাধ্যমে অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ইতিবাচক ফলাফল অর্জিত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর শাখার উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। (৬ই ফেব্রুয়ারী) শুক্রবার সকাল ১০টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা পার্ক থেকে র্যালি শুরু হয়। সেটি বাতেন খাঁ মোড় হয়ে শান্তি মোড় ও শিবতলা মোড় হয়ে রেহাইচর মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়। ‘মেধা, সততা ও দেশপ্রেমে গড়ি আগামীর বাংলাদেশ’ এ স্লোগান নিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর শাখা। র্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোঃ নূরুল ইসলাম বুলবুল। মোঃ নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ছাত্রশিবির দেশের ছাত্রসমাজকে নৈতিকতা ও আদর্শিক শিক্ষায় গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের জেলার সাবেক সভাপতি ও পৌর নায়েবে আমীর এ্যাডভোকেট মোঃ শফিক এনায়েতুল্লাহ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর জামায়াতের আমীর হাফেজ গোলাম রাব্বানী, ইসলামী ছাত্রশিবির চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর শাখার সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সম্পাদক মোঃ ইউসুফ আল গালিবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রচারণায় অংশ নিতে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান পর্তুগাল বিএনপির আহ্বায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার। এ সময় দেশে অবস্থানরত পর্তুগাল বিএনপির সদস্য সচিব সায়েফ আহমেদ সুইট, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক গিলমান চৌধুরীসহ দেশে অবস্থানরত দলীয় নেতাকর্মীরা তাঁকে ফুলেল অভ্যর্থনা জানান।