All locations

টাঙ্গাইলের রসুলপুরে বিমানবাহিনীর ফায়ারিং রেঞ্জে ১০–২১ জানুয়ারি অকেজো বিস্ফোরক ধ্বংস, চলাচলে সতর্কতা
টাঙ্গাইলের রসুলপুরে বিমানবাহিনীর ফায়ারিং রেঞ্জে ১০–২১ জানুয়ারি অকেজো বিস্ফোরক ধ্বংস, চলাচলে সতর্কতা

টাঙ্গাইলের রসুলপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ফায়ারিং রেঞ্জে আগামী ১০ থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত অকেজো ও অব্যবহৃত বিস্ফোরক দ্রব্য ধ্বংস করা হবে। এ সময় জননিরাপত্তার স্বার্থে ফায়ারিং রেঞ্জের চারপাশের তিন কিলোমিটার এলাকার মধ্যে যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচল পরিহার করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রতিদিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ধাপে ধাপে এসব অকেজো বিস্ফোরক দ্রব্য ধ্বংস করা হবে। এ কার্যক্রম চলাকালে বিকট শব্দ ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট এলাকা এড়িয়ে চলার জন্য স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। আইএসপিআর জানায়, সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। এ অবস্থায় নির্ধারিত সময়সূচিতে ফায়ারিং রেঞ্জ সংলগ্ন এলাকা দিয়ে চলাচল না করে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

নাদিম তালুকদার জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল-৮ আসনে সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের পক্ষে মাঠে নামার ঘোষণা বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর
টাঙ্গাইল-৮ আসনে সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের পক্ষে মাঠে নামার ঘোষণা বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তম বলেছেন, দলীয়ভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত থাকলেও তিনি ব্যক্তি হিসেবে নির্বাচনী রাজনীতিতে ভূমিকা রাখতে চান। বিশেষ করে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আহমেদ আযম খানের কর্মকাণ্ড ঠেকাতে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রাসেলের পক্ষে মাঠে নামবেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার দীপ কুড়ি কুশি কুটিরে উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বিশেষ কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। তিনি বলেন, “যেহেতু আমরা দলীয়ভাবে নির্বাচনে যাইনি, তাই আমাদের কিছু করার কথা না। তারপরও আমি ব্যক্তি হিসেবে নির্বাচন করতে চাই। দাড়িয়াপুরের চেয়ারম্যান আসিফকে গ্রেপ্তার করিয়েছে আহমেদ আযম খান, আবার তাকেই জেল থেকে বের করেও এনেছে। তাঁর এই ধরনের অপকর্ম বন্ধ করতেই আমি টাঙ্গাইল-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রাসেলের নির্বাচন করতে চাই।” সভায় উপস্থিত নেতাকর্মীরা একযোগে তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানালে তিনি আরও কঠোর ভাষায় বিএনপির প্রার্থী আহমেদ আযম খানকে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, “আহমেদ আযম খান নিজেকে ‘বাতেন বাহিনীর’ মুক্তিযোদ্ধা দাবি করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাসাইল-সখীপুর এলাকায় কাদেরিয়া বাহিনী ছাড়া অন্য কোনো বাহিনীর অস্তিত্ব ছিল না। তিনি চরম মিথ্যাবাদী।” বঙ্গবীর বলেন, “আমি মিথ্যাবাদীকে কখনো সমর্থন করতে পারি না। মহান আল্লাহও মিথ্যাবাদীকে ঘৃণা করেন। আহমেদ আযম খান পাকিস্তানি হানাদারদের চেয়েও খারাপ। আমি তারেক রহমানের ধানের শীষের নির্বাচন করতে যেতে পারি, কিন্তু ভুলেও আহমেদ আযম খানের নির্বাচনকে সমর্থন করবো না।” দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি যদি নির্বাচনে নামতাম, তোমরা যেভাবে আমার পাশে থাকতে—সেভাবেই আগামী নির্বাচনে সালাউদ্দিন রাসেলের পাশে থাকবে। ১৯৭১ সালে আমরা যেভাবে যুদ্ধে নেমেছিলাম, আগামি নির্বাচনে সেভাবেই স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রাসেলের পক্ষে মাঠে নামতে হবে।” এ সময় তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেন, “নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পুরনো মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায় না। কেউ টাকা দিলেই কাউকে গ্রেপ্তার না করতে পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।” বিশেষ কর্মীসভায় সভাপতিত্ব করেন সখীপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আব্দুস ছবুর খান। সভায় দলের প্রায় দুই ডজন নেতাকর্মী বক্তব্য দেন এবং আগামি নির্বাচনে দলীয় অবস্থান ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।

নাদিম তালুকদার জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন টাঙ্গাইল-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী
আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন টাঙ্গাইল-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী

টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী আপিলে তার প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়াম (বেজমেন্ট-২)-এ অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশন এ সিদ্ধান্ত দেন। এর আগে, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় মোহাম্মদ আলীর দাখিল করা এক শতাংশ ভোটারের তালিকার মধ্যে একজন ভোটারের তথ্যগত অসংগতি পাওয়া যায়। ওই একজন ভোটারের তথ্য যাচাই করা সম্ভব না হওয়ায় প্রাথমিকভাবে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। আপিল শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী। তিনি বলেন, “আমি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী হিসেবে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করি। এক শতাংশ ভোটারের মধ্যে নয়জন ভোটার যাচাই-বাছাইয়ে সঠিক পাওয়া যায়। মাত্র একজন ভোটারের তথ্যগত ত্রুটির কারণে আমার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল। পরে যথাসময়ে আমি আপিল করি।” তিনি আরও বলেন, “শনিবার সকালে নির্বাচন কমিশন আমার আপিল শুনানি গ্রহণ করেন এবং বিষয়টি বিবেচনা করে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। এতে আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি।” মোহাম্মদ আলীর আইনজীবী ব্যারিস্টার আশরাফ শুনানি প্রসঙ্গে বলেন, “একজন ভোটারের নম্বর ভুল থাকায় সরাসরি যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হয়নি। অথচ নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী সরেজমিনে যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ রয়েছে। ওই ভোটারের ঠিকানা ও ফোন নম্বর মনোনয়নপত্রে উল্লেখ ছিল। কিন্তু তাকে ডেকে বা উপস্থিত করে যাচাই করা হয়নি।” তিনি বলেন, “আমরা নির্বাচন কমিশনে আপিল করার পর শুনানির একেবারে শুরুতেই কমিশন আমাদের যুক্তি গ্রহণ করেন এবং আপিল মঞ্জুর করেন।” ব্যারিস্টার আশরাফ আরও জানান, “এই সিদ্ধান্তের ফলে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীর নির্বাচনে অংশগ্রহণে আর কোনো আইনি প্রতিবন্ধকতা রইল না। তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা হওয়ায় তিনি এখন টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনের একজন বৈধ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিতে পারবেন।”

নাদিম তালুকদার জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
পাকিস্তানি হানাদারদের চেয়েও খারাপ টাঙ্গাইল-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান
পাকিস্তানি হানাদারদের চেয়েও খারাপ টাঙ্গাইল-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই ঘোষণা দিয়েছিল বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ। তবে নির্বাচন থেকে দূরে না থেকে সারা দেশে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পক্ষে মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন দলটির সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। এরই অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলকে দলীয়ভাবে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌর শহরে নিজস্ব বাসভবনে আয়োজিত এক বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কাদের সিদ্দিকী। কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘হানাদারদের চেয়েও খারাপ এই আসনের বিএনপি প্রার্থী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান। সে আসিফ চেয়ারম্যানকে জেলে ঢুকিয়েছে, আবার সেই জামিন করিয়েছে। আমরা একাত্তর সালে যেভাবে নেমেছিলাম, সেভাবেই এবারও নামবো। তবে জামায়াতের পক্ষেও না, বিএনপির পক্ষেও না—আমরা নামবো স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের পক্ষে। তার মার্কা যেটাই হোক, আমরা তার সঙ্গেই থাকবো।’ টাঙ্গাইল-৮ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় তোমাদের নেতারা যে অপরাধ করেছে, তারা যদি আল্লাহর কাছে মাফ চায় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চায়, তাহলে আমি তোমাদের সবচেয়ে বড় পক্ষের লোক হতাম। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের পক্ষে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা—দেশকে স্বাধীন করেছি, স্বাধীনতাকে বুকে নিয়েই কবরে যেতে চাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘সংসদে যেন “জয় বাংলা” বলা যায়, মুক্তিযুদ্ধের কথা বলা যায়—এই চিন্তা থেকেই আমি আমার বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকীকে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে নির্বাচনে দাঁড়াতে বলেছি। এতে আমার রাজনীতি থাকুক বা না থাকুক, তাতে কিছু আসে যায় না। আমি “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” বলার জন্যই কালিহাতীতে দলীয়ভাবে প্রচারে নেমেছি।’ সখীপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি সবুর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন—দলের গাজীপুর মহানগর সভাপতি আব্দুর রহমান, সখীপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম সরকার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস সিকদার, বাসাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ নেতা রাহাত খান টিপু, আবু জাহিদ রিপনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে চারজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন—বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও দলীয় মনোনীত প্রার্থী আহমেদ আযম খান, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা শফিকুল ইসলাম খান, স্বতন্ত্র প্রার্থী লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল এবং জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী নাজমুল হাসান রেজা।

নাদিম তালুকদার জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতার

ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতার গত ০৬/১২/২০২৫ খ্রি. দুপুর আনুমানিক ১৪.৩০ ঘটিকার সময় গজারিয়া থানাধীন বাউশিয়া ইউনিয়নের কাঞ্চন নদীতে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির লাশ ভেসে আছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে গজারিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরবর্তীতে উক্ত ঘটনাটি জনসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে পরে। এমন সংবাদ পেয়ে ঐদিনই ভিকটিমের আপন বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উক্ত লাশটি তার আপন ছোট ভাই মো.শাহজালাল (২৭),পিতা-মৃত আব্দুল মালেক, সাং-বক্তারকান্দি,থানা-গজারিয়া, জেলা-মুন্সীগঞ্জ বলে শনাক্ত করেন। পরবর্তীতে তিনি আরো জানান যে, তার ছোট ভাই পেশায় একজন অটোরিক্সা চালক। অজ্ঞাতনামা আসামীরা তার ছোট ভাইকে হাত পা বেঁধে কাঞ্চন নদীতে ফেলে নৃসংশভাবে হত্যাকরে তার অটোরিক্সাটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় ভিকটিমের বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে গজারিয়া থানায় মামলা নং-০৫(১২)২৫, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০; দায়ের করেন।উক্ত ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, আসামী গ্রেফতার ও ছিনতাইকৃত ইজিবাইকটি উদ্ধারের লক্ষ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মেনহাজুল আলম পিপিএম মহোদয়ের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুুলিশ সুপার ( ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ ফিরোজ কবিরের তত্বাবধানে এসআই (নিঃ) রুবেল সিকদারের নেতৃত্বে গজারিয়া থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম উক্ত মামলার তদন্তে নেমে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে গতকাল ০৯/০১/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ১৮:০৫ ঘটিকার সময় চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর থানাধীন পাঁচগাছিয়া এলাকা থেকে ভিকটিম এর বন্ধু ১. ইব্রাহিম ওরফে সাগর (২৮), পিতা- শুক্কুর আলী, সাং-নতুন বলাকি, থানা- গজারিয়া, জেলা- মুন্সীগঞ্জকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামী ইব্রাহিম ওরফে সাগরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ কালীন সময়ে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অপর আসামী ২.ফাহিম (২৪), পিতা-খোরশেদ, মাতা-মৃত ফাতেমা বেগম, সাং- দাউদেরখাড়া, ইউপি- জগন্নাথপুর, থানা-কুমিল্লা কোতোয়ালী, জেলা-কুমিল্লাকে একই দিন রাত আনুমানিক ২১:০৫ ঘটিকার সময় গজারিয়া থানাধীন ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে ফাহিমকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, ছিনতাইকৃত অটোরিক্সাটি ১নং আসামী ইব্রাহীম ওরফে সাগর এর নিকট থেকে ক্রয় করে তিনি তার বাবা খোরশেদকে জীবিকা নির্বাহের জন্য দেন। ফাহিমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লার কোতয়ালী থানাধীন দাউদেরখাড়া সাকিনস্থ তার নিজ বাড়ী থেকে অটোরিক্সাটি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতার

ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতার গত ০৬/১২/২০২৫ খ্রি. দুপুর আনুমানিক ১৪.৩০ ঘটিকার সময় গজারিয়া থানাধীন বাউশিয়া ইউনিয়নের কাঞ্চন নদীতে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির লাশ ভেসে আছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে গজারিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরবর্তীতে উক্ত ঘটনাটি জনসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে পরে। এমন সংবাদ পেয়ে ঐদিনই ভিকটিমের আপন বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উক্ত লাশটি তার আপন ছোট ভাই মো.শাহজালাল (২৭),পিতা-মৃত আব্দুল মালেক, সাং-বক্তারকান্দি,থানা-গজারিয়া, জেলা-মুন্সীগঞ্জ বলে শনাক্ত করেন। পরবর্তীতে তিনি আরো জানান যে, তার ছোট ভাই পেশায় একজন অটোরিক্সা চালক। অজ্ঞাতনামা আসামীরা তার ছোট ভাইকে হাত পা বেঁধে কাঞ্চন নদীতে ফেলে নৃসংশভাবে হত্যাকরে তার অটোরিক্সাটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় ভিকটিমের বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে গজারিয়া থানায় মামলা নং-০৫(১২)২৫, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০; দায়ের করেন।উক্ত ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, আসামী গ্রেফতার ও ছিনতাইকৃত ইজিবাইকটি উদ্ধারের লক্ষ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মেনহাজুল আলম পিপিএম মহোদয়ের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুুলিশ সুপার ( ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ ফিরোজ কবিরের তত্বাবধানে এসআই (নিঃ) রুবেল সিকদারের নেতৃত্বে গজারিয়া থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম উক্ত মামলার তদন্তে নেমে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে গতকাল ০৯/০১/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ১৮:০৫ ঘটিকার সময় চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর থানাধীন পাঁচগাছিয়া এলাকা থেকে ভিকটিম এর বন্ধু ১. ইব্রাহিম ওরফে সাগর (২৮), পিতা- শুক্কুর আলী, সাং-নতুন বলাকি, থানা- গজারিয়া, জেলা- মুন্সীগঞ্জকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামী ইব্রাহিম ওরফে সাগরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ কালীন সময়ে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অপর আসামী ২.ফাহিম (২৪), পিতা-খোরশেদ, মাতা-মৃত ফাতেমা বেগম, সাং- দাউদেরখাড়া, ইউপি- জগন্নাথপুর, থানা-কুমিল্লা কোতোয়ালী, জেলা-কুমিল্লাকে একই দিন রাত আনুমানিক ২১:০৫ ঘটিকার সময় গজারিয়া থানাধীন ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে ফাহিমকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, ছিনতাইকৃত অটোরিক্সাটি ১নং আসামী ইব্রাহীম ওরফে সাগর এর নিকট থেকে ক্রয় করে তিনি তার বাবা খোরশেদকে জীবিকা নির্বাহের জন্য দেন। ফাহিমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লার কোতয়ালী থানাধীন দাউদেরখাড়া সাকিনস্থ তার নিজ বাড়ী থেকে অটোরিক্সাটি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
পানির তৃষ্ণায় কেড়ে নিল প্রাণ, স্কুলের পাশেই ডুবে মারা গেল ৮ বছরের জিসান

পানির তৃষ্ণাই কেড়ে নিল প্রাণ, স্কুলের পাশেই ডুবে মারা গেল ৮ বছরের জিসান স্টাফ রিপোর্টার : এসকে শিপন তারিখ : ১১জানুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইলের ভাদাই গ্রামে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। স্কুলে পড়াশোনার মধ্যেই পানির খোঁজে বেরিয়ে প্রাণ হারিয়েছে মাত্র ৮ বছরের শিশু জিসান। হৃদয়বিদারক এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছে পুরো এলাকা। নিহত জিসান স্থানীয় সোনামুই কেজি এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুলের শিক্ষার্থী। সে তার বাবা-মায়ের ছোট ছেলে। এলাকাবাসীর কাছে সে ছিল শান্ত, ভদ্র ও নম্র স্বভাবের একটি শিশু। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতোই রবিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত স্কুল চলছিল। জিসান তার মায়ের হাত ধরে স্কুলে আসে। স্কুল চলাকালীন হঠাৎ তার তীব্র পানির পিপাসা লাগে। এ সময় সে কাউকে কিছু না জানিয়ে স্কুলের পাশের একটি মসজিদের টিউবওয়েল থেকে পানি পান করতে যায়। পানি খাওয়ার সময় অসাবধানতাবশত সে পাশেই থাকা একটি হাউস/ট্যাংকে পড়ে যায়। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। দীর্ঘ সময় স্কুলে ও আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। সকাল থেকেই শিশুটির মা ও স্বজনরা ছুটে বেড়াতে থাকেন। স্কুল প্রাঙ্গণ, আশপাশের এলাকা ও পুরো গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা। অনেকেই ধারণা করছিল, শিশুটি হয়তো হারিয়ে গেছে। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে অবশেষে ওই হাউসের ভেতর থেকে জিসানের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকাজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা, বিশেষ করে শিশুটির মা। উপস্থিত অনেকেই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। এলাকাবাসী জানান, এমন একটি ছোট্ট শিশুর অকাল মৃত্যু কেউই মেনে নিতে পারছেন না। গোটা গ্রামজুড়ে এখন শোক আর নীরবতা। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর স্থানীয়রা স্কুল ও আশপাশের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, খোলা হাউস ও ট্যাংক ঢেকে রাখার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিশুকে এভাবে প্রাণ হারাতে না হয়।

এস,কে শিপন জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
আপিলে বৈধ ঘোষণা হলো টাঙ্গাইলের তিনটি আসনের খেলাফত মজলিসের প্রার্থীদের মনোনয়ন
আপিলে বৈধ ঘোষণা হলো টাঙ্গাইলের তিনটি আসনের খেলাফত মজলিসের প্রার্থীদের মনোনয়ন

নির্বাচন কমিশনে দায়ের করা আপিলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল জেলার তিনটি আসনে খেলাফত মজলিসের তিন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হাসানাত আল আমীন, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের প্রার্থী মো. আবু তাহের এবং টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের প্রার্থী মো. শহীদুল ইসলাম। এর আগে মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিভিন্ন ত্রুটির কারণে এসব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ফরম-২১ এ স্বাক্ষর না থাকায় টাঙ্গাইল-৫ আসনের প্রার্থী হাসানাত আল আমীনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। একইভাবে হলফনামা ও ফরম-২০ ও ২১ এ স্বাক্ষরের ঘাটতির কারণে টাঙ্গাইল-৭ আসনের প্রার্থী মো. আবু তাহেরের মনোনয়ন বাতিল হয়। এছাড়া ফরম-২০ ও ২১ যথাযথভাবে পূরণ না করায় টাঙ্গাইল-৮ আসনের প্রার্থী মো. শহীদুল ইসলামের মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়েছিল। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক যাচাই-বাছাইয়ের দিন এসব মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত দেন। পরবর্তীতে প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের করলে রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়াম (বেজমেন্ট-২)-এ আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন আপিল মঞ্জুর করে তিন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করে। এতে করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের এই তিনটি আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থীদের অংশগ্রহণে আর কোনো আইনগত বাধা রইলো না।

নাদিম তালুকদার জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
রাজশাহীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ মাদককারবারি গ্রেফতার

রাজশাহীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ মাদককারবারি গ্রেফতার রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের হাতে ২০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদককারবারি গ্রেফতার হয়েছে। এ সময় তার এক সহযোগী পালিয়ে গেলেও তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।রাজশাহী জেলা পুলিশ মিডিয়া সেলের তথ্যমতে, গত ৭ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে রাত আনুমানিক ১১টা ২০ মিনিটে রাজশাহী জেলার চারঘাট থানাধীন বালাদিয়াড় গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মোঃ আঃ রহমান (৫২)। তিনি বালাদিয়াড় গ্রামের মৃত আজের মোল্লার ছেলে।ডিবি পুলিশ জানায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজশাহী জেলার ডিবির এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ মাহাবুব আলম সঙ্গীয় ফোর্সসহ ওই দিন রাত ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে চারঘাট থানাধীন ভাটপাড়া বাজার ও আশপাশের এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে নিয়োজিত ছিলেন। এ সময় তারা জানতে পারেন বালাদিয়াড় গ্রামে মোঃ আঃ রহমানের বসতবাড়ির মেইন গেইটের সামনে দুইজন মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।এ তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে ডিবি পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুইজন মাদককারবারি পালানোর চেষ্টা করলে এক পর্যায়ে মোঃ আঃ রহমানকে আটক করা হয়। পরে দেহ তল্লাশি চালিয়ে তার পরিহিত লুঙ্গির ডান কোচর থেকে একটি নীল রঙের এয়ারটাইট পলিব্যাগে রাখা ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানায় অভিযানের সময় মোঃ নাজমুল ইসলাম বাবু নামের অপর এক মাদককারবারি কৌশলে পালিয়ে যায়। পলাতক ওই আসামিকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামির বিরুদ্ধে চারঘাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।রাজশাহী জেলা পুলিশ জানিয়েছে মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে নজরুল ইসলাম হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি গ্রেফতার

টাঙ্গাইলে নজরুল ইসলাম হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি গ্রেফতার ১১ জানুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইল সদর থানার আলোচিত নজরুল ইসলাম (৭০) হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি আল মামুন (৩০) কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। র‍্যাব-১৪ এর সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্প এবং র‍্যাব-১২ এর সিপিসি-২ পাবনা ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে নিহত নজরুল ইসলাম টাঙ্গাইল সদর থানাধীন গালা এলাকার উত্তরপাড়া ব্রিজ সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে গত ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ বিকেলে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে অভিযুক্তদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। ঘটনার একপর্যায়ে বাড়ি ফেরার পথে আসামিরা তাকে পথরোধ করে মাথায় কিল-ঘুষি মেরে গুরুতর আহত করে।স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তিনি মৃত্যুবরণ করেন।এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোর্শেদ আলম বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-২০(১২)২৫, ধারা-৩০২/৩৪)। মামলাটি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে ঘটনার পরপরই র‍্যাব ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং আসামি গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।র‍্যাবের গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তার ভিত্তিতে ১০ জানুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যায় পাবনা জেলার চাটমোহর থানাধীন শরৎগঞ্জ বাজার এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে এজাহারনামীয় আসামি আল মামুনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‍্যাবের যৌথ দল।গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।স্থানীয়দের মতে দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধ থেকেই এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আসামি গ্রেফতারের খবরে নিহতের পরিবার স্বস্তি প্রকাশ করলেও দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ১১ জানুয়ারি ২০২৬ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ জেলায় আইন-শৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) জেলা প্রশাসন কিশোরগঞ্জের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সমন্বয় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি ও বিশেষ আমন্ত্রিত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন মহোদয়।সভায় আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা প্রার্থীদের প্রচার কার্যক্রমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা নির্বাচন-পূর্ব ও নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিকল্পনা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রসমূহ চিহ্নিতকরণ দায়িত্বপ্রাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।পুলিশ সুপার ড.এস এম ফরহাদ হোসেন মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ যাতে অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয় সে লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সহিংসতা কিংবা আইন ভঙ্গের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।তিনি আরও বলেন নির্বাচনকে ঘিরে গুজব অপপ্রচার ও সহিংসতার আশঙ্কা রোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সকল স্টেকহোল্ডারের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।সমন্বয় সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিবৃন্দ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ জেলায় একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
দোহার থানার বিশেষ অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

দোহার থানার বিশেষ অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে দোহার থানা পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমান মহোদয়ের সার্বিক নির্দেশনায় এবং সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার, দোহার সার্কেল জনাব মোঃ রাকিবুল হাসান ইশান-এর তত্ত্বাবধানে দোহার থানা এলাকায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অফিসার ইনচার্জ, দোহার থানা জনাব মোঃ আবু বকর সিদ্দিক-এর নির্দেশনায় এসআই (নিঃ) মোঃ এইচ এম ইমন-এর নেতৃত্বে দোহার থানা পুলিশের একটি চৌকস দল ইংরেজি ১১ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে দোহার থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। অভিযানের একপর্যায়ে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তার কাছ থেকে ৭০ (সত্তর) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামির পরিচয় জানা গেছে, তিনি মোঃ মিরাজ ওরফে ওয়াসিম (২৪)। তার পিতা মোঃ রফিকুল ইসলাম, মাতা আমেনা খাতুন। তিনি দোহার উপজেলার উত্তর জয়পাড়া চৌধুরীপাড়া এলাকার বাসিন্দা।পুলিশ জানায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী এবং দীর্ঘদিন ধরে দোহার ও আশপাশের এলাকায় মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাওয়া গেছে।এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে দোহার থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।ঢাকা জেলা পুলিশ জানায় মাদকসহ সকল প্রকার অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের টানা অভিযানে ২৪৪ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩২

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের টানা অভিযানে ২৪৪ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩২ মাদক ব্যবসায়ী ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি ও অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতিতে মাঠে পুলিশ টাঙ্গাইল জেলায় মাদক ১১/০১/২০২৬ইং তারিখে সারা দেশের ন্যায় সন্ত্রাস ও বিভিন্ন অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় মোট ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে ২৪৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং ৬ জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। জেলা পুলিশের এই টানা অভিযানে অপরাধীচক্রের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সূত্র।জেলা পুলিশ জানায়,টাঙ্গাইলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং সাধারণ মানুষের জানমাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলার সকল থানা ও ইউনিটকে সক্রিয়ভাবে মাঠে থাকার নির্দেশনা প্রদান করেন টাঙ্গাইল জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার। তার সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনায় জেলার সব থানা ফাঁড়ি ও বিশেষ ইউনিট সমন্বিতভাবে মাদকবিরোধী ও অপরাধ দমন অভিযান পরিচালনা করছে।২৪ ঘণ্টার অভিযানে একাধিক মামলায় গ্রেফতারপুলিশ সূত্রে জানা যায়গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত অভিযানে প্রিভেন্টিভ ব্যবস্থা নিয়মিত মামলা মাদক উদ্ধার এবং আদালতের পরোয়ানামূলে মোট ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে বিভিন্ন থানার চিহ্নিত অপরাধী, পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি ও মাদক ব্যবসায়ীরা রয়েছে।বিশেষ করে মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানে ২৪৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে এই মাদক কারবারের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ৬ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।পুলিশের কঠোর অবস্থানঅভিযান চলমানজেলা পুলিশ জানায় মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। জেলার প্রতিটি থানা ও ইউনিটকে নিয়মিত টহল চেকপোস্ট ও বিশেষ অভিযান জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অপরাধীচক্রের গতিবিধি নজরদারিতে গোয়েন্দা তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে।পুলিশ কর্মকর্তারা জানান সমাজ থেকে মাদক নির্মূল ও অপরাধ প্রবণতা কমাতে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতাই নয় সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সহযোগিতাও অপরিহার্য। তাই যেকোনো অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য দ্রুত পুলিশকে জানানোর জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।জনসাধারণের প্রতি আহ্বান টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ এক বার্তায় জানায়—অপরাধ ও অপরাধীর তথ্য দিন,টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের সেবা নিন।পুলিশ আরও জানায়,মাদক,সন্ত্রাস চুরি,ছিনতাই ও সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।জেলা পুলিশের এই নিয়মিত অভিযানে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তারা আশা করছেন পুলিশের এ ধারাবাহিক কঠোরতায় টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
শীতে ১৫০ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার

পিটিসি টাঙ্গাইলের উদ্যোগে মানবিক শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিতীব্র শীতে ১৫০ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কষ্ট লাঘবে মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি) টাঙ্গাইল। সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক চেতনা থেকে পিটিসি টাঙ্গাইলের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ১১টায় এক শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।পিটিসি টাঙ্গাইল ক্যাম্পাসের মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দুস্থ মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন পিটিসি টাঙ্গাইলের কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) জনাব মোহাম্মদ আশফাকুল আলম মহোদয়।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ড.এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান বিপিএম পিপিএম,এডিশনাল ডিআইজি (কারিকুলাম) এবং ডেপুটি কমান্ড্যান্ট জনাব মোঃ মাহফুজুর রহমান (এডিশনাল ডিআইজি)। এ ছাড়া পিটিসি টাঙ্গাইলের বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ প্রশিক্ষকবৃন্দ,কর্মরত পুলিশ সদস্য এবং স্টাফগণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে পিটিসি টাঙ্গাইলের পক্ষ থেকে পার্শ্ববর্তী ভাতকুড়া, ছাওয়ালী ও মহেড়া এলাকার দুস্থ,অসহায় প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত মোট ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) জন মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়। শীতবস্ত্র পেয়ে উপকারভোগীদের মুখে স্বস্তির ছাপ ফুটে ওঠে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) মোহাম্মদ আশফাকুল আলম বলেন,পুলিশ শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়, মানবিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও সবসময় অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও পিটিসি টাঙ্গাইলের পক্ষ থেকে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বিশেষ অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন,শীত মৌসুমে দরিদ্র মানুষের কষ্ট অনেক বেশি বেড়ে যায়। এ সময় সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। পিটিসি টাঙ্গাইলের এ উদ্যোগ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও অনুপ্রাণিত করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি শেষে উপকারভোগীরা পিটিসি টাঙ্গাইল কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং পুলিশ বাহিনীর মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ মানবিক কর্মসূচির মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো—আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও বাংলাদেশ পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ ২৬ জন গ্রেফতার

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ ২৬ জন গ্রেফতার টাঙ্গাইল ১০ জানুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের নিয়মিত ও সমন্বিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলে অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণের অংশ হিসেবে জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের নির্দেশনা প্রদান করেন সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল। নির্দেশনার আলোকে মাদক ব্যবসায়ী, চোর, পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে মাঠপর্যায়ে জোরদার অভিযান পরিচালনা করা হয়।এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রিভেন্টিভ মামলা নিয়মিত মামলামাদক ও অন্যান্য উদ্ধার সংক্রান্ত মামলায় সর্বমোট ২৬ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।এদিকে কালিহাতি থানা পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে চোরাই একটি সিএনজি অটোরিকশা ও একটি টিউবওয়েল উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে চুরি ও চোরাই মালামাল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ছিল। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানিয়েছে,জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক,চুরি, সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে জেলা পুলিশ।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
লৌহজংয়ে পুলিশের অভিযানে ৬০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

লৌহজংয়ে পুলিশের অভিযানে ৬০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং থানায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (০৭ জানুয়ারি ২০২৬) মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের কঠোর দিক-নির্দেশনায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লৌহজং থানার এসআই (নিঃ) কামরুজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানাধীন সাতঘরিয়া গ্রামের মোল্লাবাড়ির সামনে অভিযান চালান। অভিযানে ঘটনাস্থল থেকেই দুইজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— . মোঃ ইসলাম শেখ (২৪), পিতা— মৃত আবুল শেখ ২. মোঃ সেলিম তালুকদার (২৬), পিতা— খোকন তালুকদার উভয়ের বাড়ি সিংপাড়া গ্রামে, থানা— শ্রীনগর, জেলা— মুন্সীগঞ্জ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।এ বিষয়ে লৌহজং থানা পুলিশ জানায়, জেলায় মাদক নির্মূলে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ ১৯ জন গ্রেফতার

মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ ১৯ জন গ্রেফতার ১০ জানুয়ারি ২০২৬ মুন্সীগঞ্জ জেলায় অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের নিয়মিত অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ, মাদক ব্যবসায়ী, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্মানিত পুলিশ সুপার, মুন্সীগঞ্জ মহোদয়ের কঠোর দিকনির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার এবং বিভিন্ন নিয়মিত মামলার আসামিদের আটক করা হয়। অভিযানকালে মাদকবিরোধী তৎপরতায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে— ৫২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ জন, ১ কেজি ৮০০ গ্রাম গাঁজাসহ ০৩ জন, ১৫ গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন গ্রেফতার করা হয়। এ অভিযানে সর্বমোট ০৬ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়াও প্রিভেন্টিভ ব্যবস্থা, নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানামূলে অন্যান্য অভিযানে আরও ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জেলা পুলিশ জানায়, মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে পুলিশ সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
গোপালপুরগামী বাসের ধাক্কায় ঘাটাইলে প্রাণহানি, হাসপাতালে স্বামীহারা স্ত্রী

ঘাটাইলে দ্রুতগামী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, স্ত্রী গুরুতর আহত স্টাফ রিপোর্টার :এস কে শিপন ঘাটাইল (টাঙ্গাইল), ১০ জানুয়ারি ২০২৬: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার বিদ্যুৎ অফিসের সামনে মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা স্ত্রী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপালপুরগামী একটি দ্রুতগামী বাস মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দিলে দুর্ঘটনাটি ঘটে। সংঘর্ষের তীব্রতায় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং আরোহীরা রাস্তায় ছিটকে পড়েন। এতে স্বামী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত আহত নারীকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন বলে জানা গেছে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে জানা গেছে, মোটরসাইকেলটিতে স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গেই চলাচল করছিলেন। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব-১৪৭৭১৬ বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনটি জব্দের প্রক্রিয়া শুরু করে। পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে এবং নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। এদিকে, এলাকাবাসী দ্রুতগতির যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও সড়ক নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।

এস,কে শিপন জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে গুলি করে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি টাঙ্গাইল শহরের কেন্দ্রস্থল শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে হবিবুর রহমান প্লাজার সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এ সময় তিনি বলেনআজিজুর রহমান মোসাব্বির হত্যাকাণ্ড শুধু একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড নয় এটি গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। অবিলম্বে এই হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রৌফ টাঙ্গাইল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম খান ঝলক সদস্য সচিব সালেহ আহমেদ শাফী ইথেনসহ জেলা সদর উপজেলা ও শহর শাখা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।বিক্ষোভ চলাকালে নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে আমার ভাই মরলো কেন প্রশাসন জবাব চাই সন্ত্রাসীদের কালো হাত ভেঙে দাওআমরা সবাই মুসাব্বির হবো সহ নানা প্রতিবাদী স্লোগান দেন। এতে পুরো শহরজুড়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ থাকে।সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন আজিজুর রহমান মোসাব্বির ছিলেন একজন ত্যাগী ও সাহসী রাজনৈতিক নেতা। তাঁর হত্যাকাণ্ড একটি নির্মম ন্যাক্কারজনক ওপরিকল্পিত সন্ত্রাসী ঘটনা। অবিলম্বে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করা হলে স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দেশব্যাপী কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।বক্তারা আরও বলেন রাজনৈতিক সহিংসতা ও খুন-খারাবির মাধ্যমে ভিন্নমত দমন করা যাবে না। জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে এসব হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
ঢাকা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত

ঢাকা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বে সন্তোষ প্রকাশ করলেন পুলিশ সুপার ঢাকা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। অদ্য ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে ঢাকা জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ইনচার্জসহ অফিসার ও ফোর্সদের অংশগ্রহণে এ প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।ঢাকা জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমান সুসজ্জিত অভিবাদন মঞ্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সালামি গ্রহণ করেন। পরে তিনি প্যারেড পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী অফিসার ও ফোর্সদের সার্বিক প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন।মাস্টার প্যারেডে প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দোহার সার্কেল) জনাব মোঃ রাকিবুল হাসান ইশান। তার দক্ষ নেতৃত্বে প্যারেডটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়।প্যারেড চলাকালে পুলিশ সুপার মহোদয় অফিসার ও ফোর্সদের শারীরিক ফিটনেস, টার্নআউট, কিটের মান এবং সামগ্রিক শৃঙ্খলার ওপর ভিত্তি করে জিএস (গুড সার্ভিস) মার্ক প্রদান করেন। প্যারেড শেষে তিনি অংশগ্রহণকারীদের পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলাবোধের প্রশংসা করেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন।এ সময় পুলিশ সুপার জেলা পুলিশের সকল সদস্যের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি দায়িত্ব পালনে সততা, শৃঙ্খলা ও জনবান্ধব পুলিশিং আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।প্যারেড পরবর্তী সময়ে পুলিশ সুপার মহোদয় রিজার্ভ অফিস, আরআই অফিসসহ পুলিশ লাইন্সের বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোঃ খাইরুল আলম, জেলা পুলিশের সকল সার্কেল অফিসারগণ এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
সর্বাধিক পঠিত
টাঙ্গাইলের রসুলপুরে বিমানবাহিনীর ফায়ারিং রেঞ্জে ১০–২১ জানুয়ারি অকেজো বিস্ফোরক ধ্বংস, চলাচলে সতর্কতা

টাঙ্গাইলের রসুলপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ফায়ারিং রেঞ্জে আগামী ১০ থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত অকেজো ও অব্যবহৃত বিস্ফোরক দ্রব্য ধ্বংস করা হবে। এ সময় জননিরাপত্তার স্বার্থে ফায়ারিং রেঞ্জের চারপাশের তিন কিলোমিটার এলাকার মধ্যে যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচল পরিহার করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রতিদিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ধাপে ধাপে এসব অকেজো বিস্ফোরক দ্রব্য ধ্বংস করা হবে। এ কার্যক্রম চলাকালে বিকট শব্দ ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট এলাকা এড়িয়ে চলার জন্য স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। আইএসপিআর জানায়, সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। এ অবস্থায় নির্ধারিত সময়সূচিতে ফায়ারিং রেঞ্জ সংলগ্ন এলাকা দিয়ে চলাচল না করে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

টাঙ্গাইল-৮ আসনে সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের পক্ষে মাঠে নামার ঘোষণা বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তম বলেছেন, দলীয়ভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত থাকলেও তিনি ব্যক্তি হিসেবে নির্বাচনী রাজনীতিতে ভূমিকা রাখতে চান। বিশেষ করে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আহমেদ আযম খানের কর্মকাণ্ড ঠেকাতে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রাসেলের পক্ষে মাঠে নামবেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার দীপ কুড়ি কুশি কুটিরে উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বিশেষ কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। তিনি বলেন, “যেহেতু আমরা দলীয়ভাবে নির্বাচনে যাইনি, তাই আমাদের কিছু করার কথা না। তারপরও আমি ব্যক্তি হিসেবে নির্বাচন করতে চাই। দাড়িয়াপুরের চেয়ারম্যান আসিফকে গ্রেপ্তার করিয়েছে আহমেদ আযম খান, আবার তাকেই জেল থেকে বের করেও এনেছে। তাঁর এই ধরনের অপকর্ম বন্ধ করতেই আমি টাঙ্গাইল-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রাসেলের নির্বাচন করতে চাই।” সভায় উপস্থিত নেতাকর্মীরা একযোগে তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানালে তিনি আরও কঠোর ভাষায় বিএনপির প্রার্থী আহমেদ আযম খানকে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, “আহমেদ আযম খান নিজেকে ‘বাতেন বাহিনীর’ মুক্তিযোদ্ধা দাবি করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাসাইল-সখীপুর এলাকায় কাদেরিয়া বাহিনী ছাড়া অন্য কোনো বাহিনীর অস্তিত্ব ছিল না। তিনি চরম মিথ্যাবাদী।” বঙ্গবীর বলেন, “আমি মিথ্যাবাদীকে কখনো সমর্থন করতে পারি না। মহান আল্লাহও মিথ্যাবাদীকে ঘৃণা করেন। আহমেদ আযম খান পাকিস্তানি হানাদারদের চেয়েও খারাপ। আমি তারেক রহমানের ধানের শীষের নির্বাচন করতে যেতে পারি, কিন্তু ভুলেও আহমেদ আযম খানের নির্বাচনকে সমর্থন করবো না।” দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি যদি নির্বাচনে নামতাম, তোমরা যেভাবে আমার পাশে থাকতে—সেভাবেই আগামী নির্বাচনে সালাউদ্দিন রাসেলের পাশে থাকবে। ১৯৭১ সালে আমরা যেভাবে যুদ্ধে নেমেছিলাম, আগামি নির্বাচনে সেভাবেই স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রাসেলের পক্ষে মাঠে নামতে হবে।” এ সময় তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেন, “নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পুরনো মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায় না। কেউ টাকা দিলেই কাউকে গ্রেপ্তার না করতে পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।” বিশেষ কর্মীসভায় সভাপতিত্ব করেন সখীপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আব্দুস ছবুর খান। সভায় দলের প্রায় দুই ডজন নেতাকর্মী বক্তব্য দেন এবং আগামি নির্বাচনে দলীয় অবস্থান ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।

আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন টাঙ্গাইল-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী

টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী আপিলে তার প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়াম (বেজমেন্ট-২)-এ অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশন এ সিদ্ধান্ত দেন। এর আগে, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় মোহাম্মদ আলীর দাখিল করা এক শতাংশ ভোটারের তালিকার মধ্যে একজন ভোটারের তথ্যগত অসংগতি পাওয়া যায়। ওই একজন ভোটারের তথ্য যাচাই করা সম্ভব না হওয়ায় প্রাথমিকভাবে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। আপিল শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী। তিনি বলেন, “আমি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী হিসেবে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করি। এক শতাংশ ভোটারের মধ্যে নয়জন ভোটার যাচাই-বাছাইয়ে সঠিক পাওয়া যায়। মাত্র একজন ভোটারের তথ্যগত ত্রুটির কারণে আমার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল। পরে যথাসময়ে আমি আপিল করি।” তিনি আরও বলেন, “শনিবার সকালে নির্বাচন কমিশন আমার আপিল শুনানি গ্রহণ করেন এবং বিষয়টি বিবেচনা করে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। এতে আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি।” মোহাম্মদ আলীর আইনজীবী ব্যারিস্টার আশরাফ শুনানি প্রসঙ্গে বলেন, “একজন ভোটারের নম্বর ভুল থাকায় সরাসরি যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হয়নি। অথচ নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী সরেজমিনে যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ রয়েছে। ওই ভোটারের ঠিকানা ও ফোন নম্বর মনোনয়নপত্রে উল্লেখ ছিল। কিন্তু তাকে ডেকে বা উপস্থিত করে যাচাই করা হয়নি।” তিনি বলেন, “আমরা নির্বাচন কমিশনে আপিল করার পর শুনানির একেবারে শুরুতেই কমিশন আমাদের যুক্তি গ্রহণ করেন এবং আপিল মঞ্জুর করেন।” ব্যারিস্টার আশরাফ আরও জানান, “এই সিদ্ধান্তের ফলে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীর নির্বাচনে অংশগ্রহণে আর কোনো আইনি প্রতিবন্ধকতা রইল না। তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা হওয়ায় তিনি এখন টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনের একজন বৈধ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিতে পারবেন।”

পাকিস্তানি হানাদারদের চেয়েও খারাপ টাঙ্গাইল-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই ঘোষণা দিয়েছিল বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ। তবে নির্বাচন থেকে দূরে না থেকে সারা দেশে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পক্ষে মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন দলটির সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। এরই অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলকে দলীয়ভাবে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌর শহরে নিজস্ব বাসভবনে আয়োজিত এক বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কাদের সিদ্দিকী। কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘হানাদারদের চেয়েও খারাপ এই আসনের বিএনপি প্রার্থী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান। সে আসিফ চেয়ারম্যানকে জেলে ঢুকিয়েছে, আবার সেই জামিন করিয়েছে। আমরা একাত্তর সালে যেভাবে নেমেছিলাম, সেভাবেই এবারও নামবো। তবে জামায়াতের পক্ষেও না, বিএনপির পক্ষেও না—আমরা নামবো স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের পক্ষে। তার মার্কা যেটাই হোক, আমরা তার সঙ্গেই থাকবো।’ টাঙ্গাইল-৮ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় তোমাদের নেতারা যে অপরাধ করেছে, তারা যদি আল্লাহর কাছে মাফ চায় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চায়, তাহলে আমি তোমাদের সবচেয়ে বড় পক্ষের লোক হতাম। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের পক্ষে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা—দেশকে স্বাধীন করেছি, স্বাধীনতাকে বুকে নিয়েই কবরে যেতে চাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘সংসদে যেন “জয় বাংলা” বলা যায়, মুক্তিযুদ্ধের কথা বলা যায়—এই চিন্তা থেকেই আমি আমার বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকীকে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে নির্বাচনে দাঁড়াতে বলেছি। এতে আমার রাজনীতি থাকুক বা না থাকুক, তাতে কিছু আসে যায় না। আমি “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” বলার জন্যই কালিহাতীতে দলীয়ভাবে প্রচারে নেমেছি।’ সখীপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি সবুর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন—দলের গাজীপুর মহানগর সভাপতি আব্দুর রহমান, সখীপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম সরকার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস সিকদার, বাসাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ নেতা রাহাত খান টিপু, আবু জাহিদ রিপনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে চারজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন—বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও দলীয় মনোনীত প্রার্থী আহমেদ আযম খান, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা শফিকুল ইসলাম খান, স্বতন্ত্র প্রার্থী লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল এবং জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী নাজমুল হাসান রেজা।

ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতার

ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতার গত ০৬/১২/২০২৫ খ্রি. দুপুর আনুমানিক ১৪.৩০ ঘটিকার সময় গজারিয়া থানাধীন বাউশিয়া ইউনিয়নের কাঞ্চন নদীতে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির লাশ ভেসে আছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে গজারিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরবর্তীতে উক্ত ঘটনাটি জনসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে পরে। এমন সংবাদ পেয়ে ঐদিনই ভিকটিমের আপন বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উক্ত লাশটি তার আপন ছোট ভাই মো.শাহজালাল (২৭),পিতা-মৃত আব্দুল মালেক, সাং-বক্তারকান্দি,থানা-গজারিয়া, জেলা-মুন্সীগঞ্জ বলে শনাক্ত করেন। পরবর্তীতে তিনি আরো জানান যে, তার ছোট ভাই পেশায় একজন অটোরিক্সা চালক। অজ্ঞাতনামা আসামীরা তার ছোট ভাইকে হাত পা বেঁধে কাঞ্চন নদীতে ফেলে নৃসংশভাবে হত্যাকরে তার অটোরিক্সাটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় ভিকটিমের বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে গজারিয়া থানায় মামলা নং-০৫(১২)২৫, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০; দায়ের করেন।উক্ত ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, আসামী গ্রেফতার ও ছিনতাইকৃত ইজিবাইকটি উদ্ধারের লক্ষ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মেনহাজুল আলম পিপিএম মহোদয়ের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুুলিশ সুপার ( ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ ফিরোজ কবিরের তত্বাবধানে এসআই (নিঃ) রুবেল সিকদারের নেতৃত্বে গজারিয়া থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম উক্ত মামলার তদন্তে নেমে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে গতকাল ০৯/০১/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ১৮:০৫ ঘটিকার সময় চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর থানাধীন পাঁচগাছিয়া এলাকা থেকে ভিকটিম এর বন্ধু ১. ইব্রাহিম ওরফে সাগর (২৮), পিতা- শুক্কুর আলী, সাং-নতুন বলাকি, থানা- গজারিয়া, জেলা- মুন্সীগঞ্জকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামী ইব্রাহিম ওরফে সাগরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ কালীন সময়ে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অপর আসামী ২.ফাহিম (২৪), পিতা-খোরশেদ, মাতা-মৃত ফাতেমা বেগম, সাং- দাউদেরখাড়া, ইউপি- জগন্নাথপুর, থানা-কুমিল্লা কোতোয়ালী, জেলা-কুমিল্লাকে একই দিন রাত আনুমানিক ২১:০৫ ঘটিকার সময় গজারিয়া থানাধীন ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে ফাহিমকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, ছিনতাইকৃত অটোরিক্সাটি ১নং আসামী ইব্রাহীম ওরফে সাগর এর নিকট থেকে ক্রয় করে তিনি তার বাবা খোরশেদকে জীবিকা নির্বাহের জন্য দেন। ফাহিমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লার কোতয়ালী থানাধীন দাউদেরখাড়া সাকিনস্থ তার নিজ বাড়ী থেকে অটোরিক্সাটি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।

শীর্ষ সপ্তাহ

টাঙ্গাইলের রসুলপুরে বিমানবাহিনীর ফায়ারিং রেঞ্জে ১০–২১ জানুয়ারি অকেজো বিস্ফোরক ধ্বংস, চলাচলে সতর্কতা
জাতীয়

টাঙ্গাইলের রসুলপুরে বিমানবাহিনীর ফায়ারিং রেঞ্জে ১০–২১ জানুয়ারি অকেজো বিস্ফোরক ধ্বংস, চলাচলে সতর্কতা

জানুয়ারী ১১, ২০২৬