মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ ১৯ জন গ্রেফতার ১০ জানুয়ারি ২০২৬ মুন্সীগঞ্জ জেলায় অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের নিয়মিত অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ, মাদক ব্যবসায়ী, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্মানিত পুলিশ সুপার, মুন্সীগঞ্জ মহোদয়ের কঠোর দিকনির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার এবং বিভিন্ন নিয়মিত মামলার আসামিদের আটক করা হয়। অভিযানকালে মাদকবিরোধী তৎপরতায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে— ৫২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ জন, ১ কেজি ৮০০ গ্রাম গাঁজাসহ ০৩ জন, ১৫ গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন গ্রেফতার করা হয়। এ অভিযানে সর্বমোট ০৬ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়াও প্রিভেন্টিভ ব্যবস্থা, নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানামূলে অন্যান্য অভিযানে আরও ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জেলা পুলিশ জানায়, মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে পুলিশ সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
লৌহজংয়ে পুলিশের অভিযানে ৬০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং থানায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (০৭ জানুয়ারি ২০২৬) মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের কঠোর দিক-নির্দেশনায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লৌহজং থানার এসআই (নিঃ) কামরুজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানাধীন সাতঘরিয়া গ্রামের মোল্লাবাড়ির সামনে অভিযান চালান। অভিযানে ঘটনাস্থল থেকেই দুইজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— . মোঃ ইসলাম শেখ (২৪), পিতা— মৃত আবুল শেখ ২. মোঃ সেলিম তালুকদার (২৬), পিতা— খোকন তালুকদার উভয়ের বাড়ি সিংপাড়া গ্রামে, থানা— শ্রীনগর, জেলা— মুন্সীগঞ্জ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।এ বিষয়ে লৌহজং থানা পুলিশ জানায়, জেলায় মাদক নির্মূলে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ ২৬ জন গ্রেফতার টাঙ্গাইল ১০ জানুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের নিয়মিত ও সমন্বিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলে অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণের অংশ হিসেবে জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের নির্দেশনা প্রদান করেন সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল। নির্দেশনার আলোকে মাদক ব্যবসায়ী, চোর, পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে মাঠপর্যায়ে জোরদার অভিযান পরিচালনা করা হয়।এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রিভেন্টিভ মামলা নিয়মিত মামলামাদক ও অন্যান্য উদ্ধার সংক্রান্ত মামলায় সর্বমোট ২৬ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।এদিকে কালিহাতি থানা পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে চোরাই একটি সিএনজি অটোরিকশা ও একটি টিউবওয়েল উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে চুরি ও চোরাই মালামাল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ছিল। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানিয়েছে,জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক,চুরি, সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে জেলা পুলিশ।
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে ২০ জন গ্রেফতার, উদ্ধার ২০৫ পিস ইয়াবা ৯ জানুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের নিয়মিত অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ, মাদক ব্যবসায়ী, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।টাঙ্গাইল জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার মহোদয়ের কঠোর নির্দেশনায় জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকল থানা ও ইউনিট ইনচার্জদের সমন্বয়ে মাঠ পর্যায়ে জোরদার অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় একযোগে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযানকালে প্রিভেন্টিভ ব্যবস্থা গ্রহণ, নিয়মিত মামলার আসামি গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার এবং আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে সর্বমোট ২০ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।এছাড়া মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে ২০৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবাসহ ০২ জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের এমন অভিযানে সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
মোস্তফা মাসুদ: আইন কি সবার জন্য সমান-এমন প্রশ্ন ঘিরে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ট্রাফিক পুলিশের পরিচালিত মোবাইল কোর্টকে কেন্দ্র করে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় স্বজনপ্রীতি, দ্বৈত নীতি ও বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক সার্জেন্ট শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দেশব্যাপী পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে কালিগঞ্জ থানা ও প্রেসক্লাব সড়কে ট্রাফিক পুলিশের মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এ সময় প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, সাধারণ জনগণ, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন পেশার মানুষ হেলমেট না থাকা বা যানবাহনের কাগজপত্রে সামান্য ত্রুটি থাকলেই জরিমানা ও মামলা মোকাবিলা করতে বাধ্য হন। অভিযোগ রয়েছে,একই সময়ে একজন শিক্ষা কর্মকর্তা সহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে হেলমেট ও মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র না থাকলেও ‘জামাই আদরে’ ছেড়ে দেওয়া হয়। অথচ সাধারণ চালক ও পথচারীদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ঘাটতি থাকলেই কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বৈষম্যমূলক আচরণে উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনাস্থলে থাকা একাধিক ব্যক্তি বলেন, “আইন যদি সবার জন্য সমান হয়, তাহলে এক শ্রেণির মানুষের জন্য ছাড় আর সাধারণ মানুষের জন্য কঠোরতা কেন।অনেকে এটিকে আইনের অপব্যবহার ও ক্ষমতার অপপ্রয়োগ হিসেবে দেখছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক সার্জেন্ট শরিফুল ইসলাম উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান, যা জনমনে আরও প্রশ্ন ও সন্দেহের জন্ম দেয়।উপজেলাবাসীর অভিযোগ, মোবাইল কোর্টের নামে এ ধরনের দ্বৈত নীতি ও পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পরিবর্তে জনআস্থাকে ক্ষুণ্ন করছে। ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল এই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মোস্তফা মাসুদ: সাতক্ষীরায় অনিবন্ধিত "আপন বাংলার" মিথ্যা ও বানোয়াট প্রোপাগাণ্ডার বিরুদ্ধে রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ৮ জানুয়ারী -২০২৬ বিকাল সাড়ে ৩টায় কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার এর মাধ্যমে কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য শেখ এবাদুল ইসলাম ওই অভিযোগ করেন। অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নিৰ্বাচনে বিএনপির মনোনীত ধানেরশীষের প্রার্থী হিসেবে আলহাজ্ব কাজী মোঃ আলাউদ্দীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, "আপন বাংলা" নামক একটি নিউজ পোর্টালে সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে ক্ষতিসাধন করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। এছাড়াও একটি রাজনীতিক দলের প্রার্থীর কর্মী সমর্থকের একাধিক ফেসবুক পেজ ও আইডি থেকে ধানেরশীষের প্রার্থীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিত, মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ রূপে নিৰ্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এই ধরনের অপপ্রচার করে ভোটারদের বিভ্রান্ত করছে এবং একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নিৰ্বাচনী পরিবেশ ব্যাহত করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত এসব তথ্য যাচাই না করে অসত্য এবং প্রার্থীর সম্মান ও ভাবমূর্তির মারাত্মক ক্ষতি করছে। ধানেরশীষের প্রার্থী আলহাজ্ব কাজী মোঃ আলাউদ্দীন এই জনপদের সাবেক সফল সংসদ সদস্য হিসেবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এমতাবস্থায়, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা ও নিৰ্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী উক্ত ফেসবুক পেজ/ আইডির বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অপপ্রচার বন্ধে নির্দেশনা প্রদানের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সাথে দ্রুত পদক্ষেপ একটি সুষ্ঠু নিৰ্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মোস্তফা মাসুদ: সমাজসেবা ও মানবকল্যাণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমকে ‘মহান বিজয় গোল্ডেন পিস অ্যাওয়ার্ড -২০২৫’ প্রদান করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) বেলা ১১টায় চেয়ারম্যানের নিকট আনুষ্ঠানিক ভাবে এ সম্মাননা ও সনদপত্র হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে বিজয় ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান চেয়ারম্যানের হাতে সনদপত্র তুলে দেন।সনদপত্রে উল্লেখ করা হয়, সমাজসেবা ও মানবকল্যাণে চেয়ারম্যান মো.জাহাঙ্গীর আলমের ধারাবাহিক ও আন্তরিক অবদান প্রশংসনীয়। একই সঙ্গে তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সার্বিক সাফল্য কামনা করা হয়। সম্মাননা প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন,এই স্বীকৃতি আমাকে আরও দায়িত্বশীল করে তুলেছে। মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার অনুপ্রেরণা হিসেবে এ সম্মাননা আমি বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি উৎসর্গ করছি।উল্লেখ্য,বিজয় ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবা, মানবিক কার্যক্রম ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করে আসছে।
মোস্তফা মাসুদ: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মুকুন্দমধুসূদপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে খাদিজা খাতুন (৪৩) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।নিহত খাদিজা খাতুন ওই গ্রামের আশারাফ হোসেন মোড়লের স্ত্রী। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে তিনি নিজ বাড়িতে রান্নার প্রস্তুতির জন্য বৈদ্যুতিক ব্লেন্ডারে জিরা ও মরিচ গুঁড়া করছিলেন। মসলা গুঁড়া শেষ হওয়ার পর অসাবধানতাবশত ব্লেন্ডারের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ না করেই ভেতর থেকে মসলা বের করতে গেলে হঠাৎ তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এ সময় ব্লেন্ডারের ভেতরে হাত ঢোকানোর ফলে তার ডান হাতের চারটি আঙুল মারাত্মকভাবে কেটে দুই খণ্ড হয়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। স্বজনরা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও স্ট্রোকজনিত কারণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। এ মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের মাতম এবং পুরো এলাকায় বিরাজ করছে গভীর শোকের ছায়া।
মোস্তফা মাসুদ: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় উজায়মারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মনিরুল আলমের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন,যৌতুক দাবি ও অনৈতিক আচরণের একাধিক অভিযোগ উঠেছে।পেশাগতভাবে একজন শিক্ষক হয়েও দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকা,নিজেকে প্রভাবশালী মনে করে দায়িত্ব এড়িয়ে চলা এবং প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগে তার আচরণ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।এসব অভিযোগে শিক্ষকতার নৈতিকতা ও সামাজিক মর্যাদা গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি- ২০২৬) বেলা ১২টায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। এছাড়া আরো জানা গেছে, কালিগঞ্জ উপজেলার গণপতি গ্রামের শেখ সিরাজুল ইসলামের কন্যা মোছাঃ সিনা আক্তার (৩১) বাদী হয়ে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আমলী আদালত (নং–০২)-এ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় তার স্বামী অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ মনিরুল আলম (৪০), তার ভাই খায়রুল ইসলাম (৪৫) ও ভাবি সপ্না খাতুন (৩৫)-সহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ইসলামী শরিয়ত ও দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা দেনমোহরে সিনা আক্তারের সঙ্গে মনিরুল আলমের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় অভিযুক্ত পক্ষ জোরপূর্বক নগদ টাকা, আসবাবপত্র, সেলাই মেশিন, ধান ঝাড়ার মেশিন, একটি গরু ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার যৌতুক আদায় করে।এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, বিয়ের পর অতিরিক্ত ৩ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে মনিরুল আলম তার ভাই ও ভাবির প্ররোচনায় বাদীকে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। অভিযোগে একাধিকবার হত্যাচেষ্টার কথাও উল্লেখ রয়েছে।স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, অভিযুক্ত শিক্ষক মনিরুল আলমের বিরুদ্ধে অতীতেও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ ছিল। সে সময় প্রভাব ও নানা কারণে বিষয়গুলো ধামাচাপা পড়ে যায়। নতুন করে মামলা দায়ের হওয়ায় পুরনো অভিযোগগুলোও সামনে আসছে, যা এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।আরও অভিযোগ রয়েছে, একজন শিক্ষক হয়েও তিনি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থেকে নিজেকে বড় কর্মকর্তা ভাবার ভঙ্গিতে চলাফেরা করতেন এবং নানা অজুহাতে প্রধান শিক্ষককে ম্যানেজ করে দায়িত্ব এড়িয়ে যেতেন। এতে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষক সমাজের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রহমত আলী জানান, পারিবারিক কারণ দেখিয়ে মনিরুল আলম তিন দিনের ছুটির আবেদন করেন। ছুটি শেষে ফোনে যোগাযোগ করে তিনি আরও কয়েকদিন ছুটি বাড়ানোর অনুরোধ জানান।অভিযুক্ত শিক্ষক মনিরুল আলমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বিশ্বাস বলেন,“বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। অভিযোগগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মুন্সীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার মাদকবিরোধী অভিযানে কঠোর অবস্থানে জেলা পুলিশ ।মুন্সীগঞ্জ জেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ধারাবাহিক সাফল্যের অংশ হিসেবে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মুন্সীগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মহোদয়ের কঠোর দিকনির্দেশনায় বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) বিকাল আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে মুন্সীগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-এর এসআই (নিঃ) মো. ইয়াকুব হোসেনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ একটি চৌকস দল অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানটি পরিচালিত হয় মুন্সীগঞ্জ সদর থানাধীন রামপাল ইউনিয়নের জোড়ার দেউল এলাকায়। অভিযানে জোড়ার দেউল গ্রামের বাসিন্দা জনৈক আ. ছামাদ চোকদারের বাড়ির পশ্চিম পাশে অবস্থিত নিচু ধরনের একটি খালি জমি থেকে রহমত উল্লাহ (৩৬), পিতা—মৃত হাবিবুর রহমান, সাং—জোড়ার দেউল, থানা ও জেলা—মুন্সীগঞ্জকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৫০ (পঞ্চাশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।জেলা পুলিশ আরও জানায়, মুন্সীগঞ্জকে মাদকমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
টাঙ্গাইলে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার টাঙ্গাইলে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৪। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাত থেকে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে র্যাব-১৪ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার কাওসার বাঁধন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকায় প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত একজন সদস্যকে যৌথবাহিনী গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সঙ্গে আরও কয়েকজন সদস্য জড়িত থাকার তথ্য দেয়। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত চক্রের একজন সদস্যকে যৌথবাহিনী গ্রেপ্তার করে। পরে ওই গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, চক্রটির সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী র্যাব সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে।কোম্পানি কমান্ডার কাওসার বাঁধন আরও বলেন, বৃহস্পতিবার রাতভর এবং শুক্রবার সকাল পর্যন্ত চলমান অভিযানে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের মোট ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছেপ্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৪ এর একাধিক দল তাৎক্ষণিকভাবে টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার রাতভর ও শুক্রবার সকাল পর্যন্ত টানা অভিযান চালানো হয়।কোম্পানি কমান্ডার কাওসার বাঁধন আরও বলেন, ধারাবাহিক অভিযানে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের মোট ৫ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন সরবরাহ এবং পরীক্ষার্থী সংগ্রহের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।তিনি জানান বর্তমানে গ্রেপ্তারকৃতদের র্যাব হেফাজতে রেখে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। র্যাবের এই অভিযানে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকারের কঠোর অবস্থানের প্রতিফলন ঘটেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার, মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১২ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) গভীর রাতে জেলার বিজয়নগর উপজেলার একটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায় শুক্রবার রাত আনুমানিক ১টা ৪০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের একটি চৌকস দল বিজয়নগর থানাধীন সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কাশিনগর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় আনোয়ার (৩০) নামে এক মাদক কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় গ্রেপ্তারকৃত আনোয়ারের হেফাজত থেকে ১২ (বারো) কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডিবি পুলিশ জানতে পারে, গ্রেপ্তারকৃত আনোয়ার একজন পেশাদার মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মাদক সংক্রান্ত মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।গ্রেপ্তারকৃত আসামির পরিচয় সম্পর্কে জানা যায় তিনি আনোয়ার (৩০), পিতা— মৃত সাঈদ মিয়া মাতা শাহানা বেগম। তিনি কাশিনগর (আলী চান মিয়ার বাড়ি) এলাকার বাসিন্দা এবং বিজয়নগর থানার অন্তর্ভুক্ত।পুলিশ আরও জানায়, এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করা হবে।ডিবি পুলিশের এই অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদার হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলা সফর স্থগিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয়ভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যায়, আগামী ১১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে তারেক রহমান দেশের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলা সফর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এ সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতীয় নেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদসহ অন্যান্য শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের কবর জেয়ারত করা। পাশাপাশি সফরকালে কিছু পারিবারিক দায়িত্ব পালনেরও পরিকল্পনা ছিল। তবে বর্তমান রাজনৈতিক ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে বিএনপির চেয়ারম্যানের এ সফর স্থগিত ঘোষণা করা হয়। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাচনকালীন পরিবেশ ও কমিশনের নির্দেশনা সম্মান জানিয়ে সফরটি আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না; বরং শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যেই সফরের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবুও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতি সম্মান জানিয়ে দলটি নির্বাচন কমিশনের অনুরোধ মেনে নিয়েছে।দলীয় নেতারা আরও জানান পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে অনুমতি বা অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে ভবিষ্যতে সফরের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করে তা গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানানো হবে। উল্লেখ্য, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রতিটি কর্মসূচি ও সফর শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে দলটি বরাবরই সচেতন বলে দলীয় বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। — বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)
শ্রীনগরে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ‘শুটার’ ইয়াসিন গ্রেফতার একাধিক মামলার আসামি, অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর থানাধীন বাঘড়া ইউনিয়নের চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার আসামি শুটার ইয়াসিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ভোরে শ্রীনগর থানার একটি চৌকস অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গেছে, মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার মামলা নং–২০ (তারিখ: ১৭/০৭/২০২৫ খ্রি.)-এর এজাহারভুক্ত আসামি ইয়াসিনকে গ্রেফতার ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালিত হয়। মুন্সীগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মেনহাজুল আলম পিপিএম-এর দিকনির্দেশনায় এসআই মোয়াজ্জেম হোসেনের নেতৃত্বে, সঙ্গীয় এসআই মোঃ হাবিবুর রহমানসহ শ্রীনগর থানার একটি দল অভিযানটি পরিচালনা করে। অভিযানে বৃহস্পতিবার ভোর আনুমানিক ৫টা ৩০ মিনিটে শ্রীনগর থানাধীন এলাকা থেকে আসামি মোঃ ইয়াসিন (১৮), পিতা–আনোয়ার, সাং–পশ্চিম বাঘড়া, থানা–শ্রীনগর, জেলা–মুন্সীগঞ্জকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তার কাছ থেকে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুলাই ২০২৫ খ্রি. বিকাল আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিটে বাঘড়া বাজার সংলগ্ন নুর ইসলাম চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে একটি ফার্নিচারের দোকানের ভেতরে ইয়াসিন ভুক্তভোগী শান্ত রাজবংশী (২৪)-কে গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে তার হাতে থাকা পিস্তল দিয়ে গুলি করে শান্ত রাজবংশীকে গুরুতর আহত করে। এ ঘটনায় শ্রীনগর থানায় একটি হত্যা প্রচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়াও গ্রেফতারকৃত ইয়াসিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানায় গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে এবং তার সহযোগী ও অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ঘরে ঘরে জনে জনে মানবতার দীপ জ্বালাচ্ছেন কায়সার কামাল-জনকল্যাণের বার্তা নিয়ে তৃণমূলে ছুটে চলেছে উপজেলা যুবদল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর রাজনীতিকে মূল দর্শন হিসেবে সামনে রেখে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল—কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিবের সুদৃঢ় নির্দেশনায় নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা গাওকান্দিয়া ইউনিয়নে বিভিন্ন এলাকায় উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে চলছে ব্যাপক গণসংযোগ ও জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম। ঘরে ঘরে, জনে জনে—এই মানবিক ও হৃদয়ছোঁয়া স্লোগানকে ধারণ করে যুবদলের নেতাকর্মীরা প্রত্যেকটি ওয়ার্ড ও মহল্লায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। এ সময় তারা ব্যারিস্টার কায়সার কামালের মানবিক, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড তৃণমূল মানুষের সামনে তুলে ধরছেন। রাজনীতির সীমা ছাড়িয়ে একজন মানবদরদী অভিভাবক হিসেবে তিনি যে নিরবচ্ছিন্নভাবে মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে কাজ করে যাচ্ছেন—তা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। গণসংযোগকালে বিশেষভাবে তুলে ধরা হচ্ছে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের বহুমাত্রিক জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ। এর মধ্যে রয়েছে— সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা,ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প,হৃদরোগে আক্রান্ত অসহায় রোগীদের জন্য হার্টের চিকিৎসা ও চিকিৎসা সহায়তা, কিডনি রোগে আক্রান্ত দরিদ্র রোগীদের সহায়তা, হাজারেরও বেশি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের সফল চোখের অপারেশন, গৃহহীন ও অসহায় পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণ, গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কাঠের সেতু নির্মাণসহ নানা মানবিক ও উন্নয়নমূলক কাজ। এছাড়াও কৃষকবান্ধব কর্মসূচির অংশ হিসেবে কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালুর উদ্যোগ এবং নারীর ক্ষমতায়ন ও পারিবারিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহিলাদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড প্রবর্তনের পরিকল্পনার বিষয়টিও প্রচারণায় গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা এবং নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুরক্ষা জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।এই গণসংযোগ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন উপজেলা যুবদলের নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মোঃ হান্নান শাহ, মাহামুদুল হক সানি, কামরুল ইসলাম, বাদশা মিয়া ও রনি। পাশাপাশি গাওকান্দিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সার্বিক সহযোগিতায় আহ্বায়ক মোঃ ইমরান হোসেন সেলিম, যুগ্ম আহ্বায়ক তূষার ইমরান প্রান্ত, ইলিয়াস হোসেন,সিদ্দিক, নিজাম, তূষার, শামীম, শাকিল, জলিল, আলম, জবেদ এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা নিরলসভাবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। যুবদল নেতারা বলেন,ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন—তিনি মানবতার প্রতীক। কৃষক, শ্রমজীবী, অসহায় রোগী ও নারীদের উন্নয়ন নিশ্চিত করাই তার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। মানুষের দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে একটি ন্যায্য ও মানবিক সমাজ গড়ার বার্তা তৃণমূল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতেই এই প্রচার কার্যক্রম।
কসবা থানা পুলিশের অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার, পলাতক ১ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫০ (পঞ্চাশ) কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ দুই জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে কসবা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় আরও একজন মাদক কারবারি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে গেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল আনুমানিক ০৯টা ৩০ মিনিটে কসবা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে কসবা পৌরসভাস্থ গুরুহিত থেকে তালতলা গামী বীজনা নদীর ব্রিজের উপর সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ১০ (দশ) কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— ১) মোঃ ফারুক হোসেন (৫৩), পিতা- মৃত মোঃ শাজাহান, মাতা- পিয়ারা বেগম, সাং- মেরাশানী, থানা- বিজয়নগর এবং ২) মোঃ ফয়জুর রহমান প্রকাশ ফজর আলী (৩৫), পিতা- মৃত সামছু মিয়া, মাতা- সাজু বেগম, সাং- হাতুরাবাড়ী থানা- কসবা। উভয়ের জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। অপরদিকে, একই দিন রাত আনুমানিক ০২টা ৩০ মিনিটে কসবা থানা পুলিশের অপর একটি দল কায়েমপুর ইউনিয়নের কায়েমপুর পূর্ব উত্তর পাড়া এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। এ অভিযানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এক মাদক কারবারি পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে ৪০ (চল্লিশ) কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত গাঁজা বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়েছে। এ সংক্রান্তে কসবা থানায় পৃথক দুটি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।কসবা থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে তাদের অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে এবং মাদক কারবারিদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
সখিপুরে দেবরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার র্যাব-১৪ এর অভিযানে তক্তারচলা বাজার এলাকা থেকে আটক। টাঙ্গাইলের সখিপুর থানায় দায়েরকৃত এক ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি দেবর হাসেম সিকদার (২৩)–কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্প। র্যাব সূত্রে জানা যায়, ভিকটিমের সাথে পারিবারিক সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে এই নৃশংস ঘটনা সংঘটিত হয়। এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, ভিকটিম গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দে পিতার বাড়িতে বেড়াতে আসেন এবং ওইদিন একটি ওয়াজ মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। ওয়াজ মাহফিলে অভিযুক্ত দেবর হাসেম সিকদারের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে একসঙ্গে ফুচকা খাওয়ার পর ভিকটিম পিতার সঙ্গে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নেন। এ সময় অভিযুক্ত নিজেই ভিকটিমকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। ভিকটিম সরল বিশ্বাসে অভিযুক্তের কথায় রাজি হলে বাড়ি ফেরার পথিমধ্যে রাত আনুমানিক ২১:০০ ঘটিকায় অভিযুক্ত জোরপূর্বক একটি কাঠবাগানে নিয়ে গিয়ে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে।পরবর্তীতে ভিকটিম বাদী হয়ে ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দে টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলাটি সখিপুর থানার মামলা নং-১৪/২৫, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত) এর ৯(১) ধারায় রুজু হয়।মামলা দায়েরের পরপরই র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্প ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।এরই ধারাবাহিকতায় ৭ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে সন্ধ্যা আনুমানিক ১৮:৪০ ঘটিকায় র্যাব-১৪ এর একটি আভিযানিক দল টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর থানাধীন তক্তারচলা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পলাতক ধর্ষক দেবর হাসেম সিকদার (২৩)–কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সখিপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র্যাব-১৪ জানায়, নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো ঘৃণ্য অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তারা সর্বদা তৎপর।
পুলিশ লাইন্স ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি-নির্বাপন মহড়া অদ্য ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ জেলা পুলিশের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় ও কার্যকর করার লক্ষ্যে পুলিশ লাইন্স এবং পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স-এর আয়োজনে একটি অগ্নি-নির্বাপন মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।মহড়ার শুরুতে ফায়ার সার্ভিসের প্রশিক্ষিত সদস্যরা অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাব্য কারণ আগুন লাগার পূর্ব লক্ষণ এবং অগ্নিকাণ্ডের সময় তাৎক্ষণিক করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেন।পরবর্তীতে পুলিশ লাইন্স ও পুলিশ সুপারের কার্যালয় প্রাঙ্গণে আগুন নেভানোর বিভিন্ন কৌশল সরাসরি প্রদর্শন করা হয়। মহড়ায় অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্র (ফায়ার এক্সটিংগুইশার) সঠিকভাবে ব্যবহার বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটজনিত আগুন নিয়ন্ত্রণ ধোঁয়াচ্ছন্ন পরিবেশে নিরাপদে বেরিয়ে আসার পদ্ধতি এবং আহত ব্যক্তিকে দ্রুত উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়ে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।এ সময় জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যগণ মহড়ায় উপস্থিত থেকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। মহড়াটি পুলিশ সদস্যদের মধ্যে অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মত প্রকাশ করেন।ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ জানান সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরে এ ধরনের অগ্নি-নির্বাপন মহড়া নিয়মিত আয়োজন করা হলে অগ্নিকাণ্ডজনিত ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। জেলা পুলিশ কর্তৃপক্ষও ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রম নিয়মিতভাবে আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য অগ্নি দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও জনবলকে প্রস্তুত রাখতে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের এ ধরনের মহড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের ধারাবাহিক ও সমন্বিত অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ মাদক ব্যবসায়ী পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ২৬ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ২৬। ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমনে পুলিশের নিয়মিত ও সমন্বিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ, মাদক ব্যবসায়ী পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।জেলা পুলিশের সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে মাঠপর্যায়ে কঠোর অভিযান পরিচালনার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল। তাঁর নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযানে প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা মাদক ও অন্যান্য উদ্ধারজনিত এবং পরোয়ানামূলে এসব গ্রেফতার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।মাদকদ্রব্য উদ্ধার মাদকবিরোধী অভিযানে উদ্ধার করা হয়—৯০ (নব্বই) গ্রাম হেরোইন ৫৫ (পঞ্চান্ন) পিস ইয়াবা১০০ গ্রাম গাঁজা সহ মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানায়, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল মহোদয়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী মাঠপর্যায়ে কঠোর নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হয় যার ফলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয় টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।
বিজয়নগরে থানা পুলিশের অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার। অটোরিক্সাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। এ সময় একটি অটোরিক্সাসহ তিনজন পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ভোর আনুমানিক ০৬টা ২০ মিনিটে বিজয়নগর থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে উপজেলার ০৭নং সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের সিঙ্গারবিল এলাকা থেকে একটি সন্দেহজনক অটোরিক্সা আটক করা হয়। পরবর্তীতে অটোরিক্সাটি তল্লাশি করে এর ভেতর থেকে ৩০ (ত্রিশ) কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক পরিবহনে জড়িত ০৩ জন মাদক কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজা ও ব্যবহৃত অটোরিক্সা বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের পরিচয়: ১. মোঃ মাসুক মিয়া (২৯) পিতা: মৃত আঃ লতিফ মাতা: আমেনা বেগম ২. মোঃ রাব্বি মিয়া (২৭) পিতা: মৃত মলাই মিয়া মাতা: জামেলা বেগম উভয়ের ঠিকানা: সাং- কাশিনগর, থানা- বিজয়নগর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৩. মোঃ খোকন মিয়া (৪৮) পিতা: মৃত নজির মিয়া মাতা: মৃত হামিদা বেগম ঠিকানা: সাং- রাজাপুর, থানা- আখাউড়া, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ জানায় গ্রেফতারকৃত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক পরিবহন ও কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় বিজয়নগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বিজয়নগর থানা পুলিশ মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ ১৯ জন গ্রেফতার ১০ জানুয়ারি ২০২৬ মুন্সীগঞ্জ জেলায় অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের নিয়মিত অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ, মাদক ব্যবসায়ী, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্মানিত পুলিশ সুপার, মুন্সীগঞ্জ মহোদয়ের কঠোর দিকনির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার এবং বিভিন্ন নিয়মিত মামলার আসামিদের আটক করা হয়। অভিযানকালে মাদকবিরোধী তৎপরতায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে— ৫২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ জন, ১ কেজি ৮০০ গ্রাম গাঁজাসহ ০৩ জন, ১৫ গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন গ্রেফতার করা হয়। এ অভিযানে সর্বমোট ০৬ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়াও প্রিভেন্টিভ ব্যবস্থা, নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানামূলে অন্যান্য অভিযানে আরও ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জেলা পুলিশ জানায়, মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে পুলিশ সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
লৌহজংয়ে পুলিশের অভিযানে ৬০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং থানায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (০৭ জানুয়ারি ২০২৬) মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের কঠোর দিক-নির্দেশনায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লৌহজং থানার এসআই (নিঃ) কামরুজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানাধীন সাতঘরিয়া গ্রামের মোল্লাবাড়ির সামনে অভিযান চালান। অভিযানে ঘটনাস্থল থেকেই দুইজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— . মোঃ ইসলাম শেখ (২৪), পিতা— মৃত আবুল শেখ ২. মোঃ সেলিম তালুকদার (২৬), পিতা— খোকন তালুকদার উভয়ের বাড়ি সিংপাড়া গ্রামে, থানা— শ্রীনগর, জেলা— মুন্সীগঞ্জ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।এ বিষয়ে লৌহজং থানা পুলিশ জানায়, জেলায় মাদক নির্মূলে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ ২৬ জন গ্রেফতার টাঙ্গাইল ১০ জানুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের নিয়মিত ও সমন্বিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলে অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণের অংশ হিসেবে জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের নির্দেশনা প্রদান করেন সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল। নির্দেশনার আলোকে মাদক ব্যবসায়ী, চোর, পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে মাঠপর্যায়ে জোরদার অভিযান পরিচালনা করা হয়।এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রিভেন্টিভ মামলা নিয়মিত মামলামাদক ও অন্যান্য উদ্ধার সংক্রান্ত মামলায় সর্বমোট ২৬ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।এদিকে কালিহাতি থানা পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে চোরাই একটি সিএনজি অটোরিকশা ও একটি টিউবওয়েল উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে চুরি ও চোরাই মালামাল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ছিল। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানিয়েছে,জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক,চুরি, সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে জেলা পুলিশ।
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে ২০ জন গ্রেফতার, উদ্ধার ২০৫ পিস ইয়াবা ৯ জানুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের নিয়মিত অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ, মাদক ব্যবসায়ী, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।টাঙ্গাইল জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার মহোদয়ের কঠোর নির্দেশনায় জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকল থানা ও ইউনিট ইনচার্জদের সমন্বয়ে মাঠ পর্যায়ে জোরদার অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় একযোগে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযানকালে প্রিভেন্টিভ ব্যবস্থা গ্রহণ, নিয়মিত মামলার আসামি গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার এবং আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে সর্বমোট ২০ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।এছাড়া মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে ২০৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবাসহ ০২ জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের এমন অভিযানে সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
মোস্তফা মাসুদ: আইন কি সবার জন্য সমান-এমন প্রশ্ন ঘিরে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ট্রাফিক পুলিশের পরিচালিত মোবাইল কোর্টকে কেন্দ্র করে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় স্বজনপ্রীতি, দ্বৈত নীতি ও বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক সার্জেন্ট শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দেশব্যাপী পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে কালিগঞ্জ থানা ও প্রেসক্লাব সড়কে ট্রাফিক পুলিশের মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এ সময় প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, সাধারণ জনগণ, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন পেশার মানুষ হেলমেট না থাকা বা যানবাহনের কাগজপত্রে সামান্য ত্রুটি থাকলেই জরিমানা ও মামলা মোকাবিলা করতে বাধ্য হন। অভিযোগ রয়েছে,একই সময়ে একজন শিক্ষা কর্মকর্তা সহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে হেলমেট ও মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র না থাকলেও ‘জামাই আদরে’ ছেড়ে দেওয়া হয়। অথচ সাধারণ চালক ও পথচারীদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ঘাটতি থাকলেই কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বৈষম্যমূলক আচরণে উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনাস্থলে থাকা একাধিক ব্যক্তি বলেন, “আইন যদি সবার জন্য সমান হয়, তাহলে এক শ্রেণির মানুষের জন্য ছাড় আর সাধারণ মানুষের জন্য কঠোরতা কেন।অনেকে এটিকে আইনের অপব্যবহার ও ক্ষমতার অপপ্রয়োগ হিসেবে দেখছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক সার্জেন্ট শরিফুল ইসলাম উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান, যা জনমনে আরও প্রশ্ন ও সন্দেহের জন্ম দেয়।উপজেলাবাসীর অভিযোগ, মোবাইল কোর্টের নামে এ ধরনের দ্বৈত নীতি ও পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পরিবর্তে জনআস্থাকে ক্ষুণ্ন করছে। ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল এই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।