All locations

সখিপুরে দেবরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার

সখিপুরে দেবরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার র‍্যাব-১৪ এর অভিযানে তক্তারচলা বাজার এলাকা থেকে আটক। টাঙ্গাইলের সখিপুর থানায় দায়েরকৃত এক ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি দেবর হাসেম সিকদার (২৩)–কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্প। র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, ভিকটিমের সাথে পারিবারিক সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে এই নৃশংস ঘটনা সংঘটিত হয়। এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, ভিকটিম গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দে পিতার বাড়িতে বেড়াতে আসেন এবং ওইদিন একটি ওয়াজ মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। ওয়াজ মাহফিলে অভিযুক্ত দেবর হাসেম সিকদারের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে একসঙ্গে ফুচকা খাওয়ার পর ভিকটিম পিতার সঙ্গে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নেন। এ সময় অভিযুক্ত নিজেই ভিকটিমকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। ভিকটিম সরল বিশ্বাসে অভিযুক্তের কথায় রাজি হলে বাড়ি ফেরার পথিমধ্যে রাত আনুমানিক ২১:০০ ঘটিকায় অভিযুক্ত জোরপূর্বক একটি কাঠবাগানে নিয়ে গিয়ে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে।পরবর্তীতে ভিকটিম বাদী হয়ে ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দে টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলাটি সখিপুর থানার মামলা নং-১৪/২৫, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত) এর ৯(১) ধারায় রুজু হয়।মামলা দায়েরের পরপরই র‍্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্প ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।এরই ধারাবাহিকতায় ৭ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে সন্ধ্যা আনুমানিক ১৮:৪০ ঘটিকায় র‍্যাব-১৪ এর একটি আভিযানিক দল টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর থানাধীন তক্তারচলা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পলাতক ধর্ষক দেবর হাসেম সিকদার (২৩)–কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সখিপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র‍্যাব-১৪ জানায়, নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো ঘৃণ্য অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তারা সর্বদা তৎপর।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ৮, ২০২৬ 0
কসবা থানা পুলিশের অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার পলাতক ১

কসবা থানা পুলিশের অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার, পলাতক ১ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫০ (পঞ্চাশ) কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ দুই জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে কসবা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় আরও একজন মাদক কারবারি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে গেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল আনুমানিক ০৯টা ৩০ মিনিটে কসবা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে কসবা পৌরসভাস্থ গুরুহিত থেকে তালতলা গামী বীজনা নদীর ব্রিজের উপর সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ১০ (দশ) কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— ১) মোঃ ফারুক হোসেন (৫৩), পিতা- মৃত মোঃ শাজাহান, মাতা- পিয়ারা বেগম, সাং- মেরাশানী, থানা- বিজয়নগর এবং ২) মোঃ ফয়জুর রহমান প্রকাশ ফজর আলী (৩৫), পিতা- মৃত সামছু মিয়া, মাতা- সাজু বেগম, সাং- হাতুরাবাড়ী থানা- কসবা। উভয়ের জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। অপরদিকে, একই দিন রাত আনুমানিক ০২টা ৩০ মিনিটে কসবা থানা পুলিশের অপর একটি দল কায়েমপুর ইউনিয়নের কায়েমপুর পূর্ব উত্তর পাড়া এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। এ অভিযানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এক মাদক কারবারি পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে ৪০ (চল্লিশ) কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত গাঁজা বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়েছে। এ সংক্রান্তে কসবা থানায় পৃথক দুটি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।কসবা থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে তাদের অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে এবং মাদক কারবারিদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ৮, ২০২৬ 0
পুলিশ লাইন্স ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি-নির্বাপন মহড়া

পুলিশ লাইন্স ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি-নির্বাপন মহড়া অদ্য ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ জেলা পুলিশের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় ও কার্যকর করার লক্ষ্যে পুলিশ লাইন্স এবং পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স-এর আয়োজনে একটি অগ্নি-নির্বাপন মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।মহড়ার শুরুতে ফায়ার সার্ভিসের প্রশিক্ষিত সদস্যরা অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাব্য কারণ আগুন লাগার পূর্ব লক্ষণ এবং অগ্নিকাণ্ডের সময় তাৎক্ষণিক করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেন।পরবর্তীতে পুলিশ লাইন্স ও পুলিশ সুপারের কার্যালয় প্রাঙ্গণে আগুন নেভানোর বিভিন্ন কৌশল সরাসরি প্রদর্শন করা হয়। মহড়ায় অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্র (ফায়ার এক্সটিংগুইশার) সঠিকভাবে ব্যবহার বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটজনিত আগুন নিয়ন্ত্রণ ধোঁয়াচ্ছন্ন পরিবেশে নিরাপদে বেরিয়ে আসার পদ্ধতি এবং আহত ব্যক্তিকে দ্রুত উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়ে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।এ সময় জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যগণ মহড়ায় উপস্থিত থেকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। মহড়াটি পুলিশ সদস্যদের মধ্যে অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মত প্রকাশ করেন।ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ জানান সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরে এ ধরনের অগ্নি-নির্বাপন মহড়া নিয়মিত আয়োজন করা হলে অগ্নিকাণ্ডজনিত ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। জেলা পুলিশ কর্তৃপক্ষও ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রম নিয়মিতভাবে আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য অগ্নি দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও জনবলকে প্রস্তুত রাখতে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের এ ধরনের মহড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ৮, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ২৬

টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের ধারাবাহিক ও সমন্বিত অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ মাদক ব্যবসায়ী পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ২৬ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ২৬। ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমনে পুলিশের নিয়মিত ও সমন্বিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ, মাদক ব্যবসায়ী পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।জেলা পুলিশের সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে মাঠপর্যায়ে কঠোর অভিযান পরিচালনার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল। তাঁর নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযানে প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা মাদক ও অন্যান্য উদ্ধারজনিত এবং পরোয়ানামূলে এসব গ্রেফতার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।মাদকদ্রব্য উদ্ধার মাদকবিরোধী অভিযানে উদ্ধার করা হয়—৯০ (নব্বই) গ্রাম হেরোইন ৫৫ (পঞ্চান্ন) পিস ইয়াবা১০০ গ্রাম গাঁজা সহ মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানায়, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল মহোদয়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী মাঠপর্যায়ে কঠোর নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হয় যার ফলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয় টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ৮, ২০২৬ 0
বিজয়নগরে থানা পুলিশের অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার

বিজয়নগরে থানা পুলিশের অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার। অটোরিক্সাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। এ সময় একটি অটোরিক্সাসহ তিনজন পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ভোর আনুমানিক ০৬টা ২০ মিনিটে বিজয়নগর থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে উপজেলার ০৭নং সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের সিঙ্গারবিল এলাকা থেকে একটি সন্দেহজনক অটোরিক্সা আটক করা হয়। পরবর্তীতে অটোরিক্সাটি তল্লাশি করে এর ভেতর থেকে ৩০ (ত্রিশ) কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক পরিবহনে জড়িত ০৩ জন মাদক কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজা ও ব্যবহৃত অটোরিক্সা বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের পরিচয়: ১. মোঃ মাসুক মিয়া (২৯) পিতা: মৃত আঃ লতিফ মাতা: আমেনা বেগম ২. মোঃ রাব্বি মিয়া (২৭) পিতা: মৃত মলাই মিয়া মাতা: জামেলা বেগম উভয়ের ঠিকানা: সাং- কাশিনগর, থানা- বিজয়নগর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৩. মোঃ খোকন মিয়া (৪৮) পিতা: মৃত নজির মিয়া মাতা: মৃত হামিদা বেগম ঠিকানা: সাং- রাজাপুর, থানা- আখাউড়া, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ জানায় গ্রেফতারকৃত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক পরিবহন ও কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় বিজয়নগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বিজয়নগর থানা পুলিশ মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ৮, ২০২৬ 0
জেলা পুলিশ যশোরের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

জেলা পুলিশ যশোরের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত। ০৭/০১/২০২৬ খ্রিঃ সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় পুলিশ লাইন্স ড্রিল সেডে যশোর জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম পিপিএম সেবা মহোদয়ের সভাপতিত্বে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কল্যাণ সভার শুরুতেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করেন এবং চলতি মাসে পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন আবেদন সমূহ উপস্থাপন করেন। পরবর্তীতে উপস্থিত সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যবৃন্দ সম্মানিত পুলিশ সুপার মহোদয়ের নিকট তাদের সার্বিক সুবিধা-অসুবিধা উপস্থাপন করেন। পুলিশ সুপার মহোদয় অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে তাদের প্রস্তাবিত আবেদন গুলো শোনেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কিছু সমাধান দেন। এরপর যশোর জেলা পুলিশে কর্মরত ০৬ (ছয়) জন পুলিশ পুলিশ সদস্যকে অবসর জনিত (পিআরএল) বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করেন সম্মানিত পুলিশ সুপার মহোদয়।কল্যান সভা সঞ্চালনা করেন জনাব আবুল বাশার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), যশোর।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব রুহুল আমিনঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি), যশো সকল সার্কেল কর্মকর্তাগণ ডাক্তার পুলিশ হাসপাতাল, আরআই পুলিশ লাইন্স, ডিআইও-১ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ কোর্ট ইন্সপেক্টর, টিআই প্রশাসন সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্সবৃন্দ।সভা শুরুর আগে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) চলতি মাসের বাস্তবায়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন কল্যাণমূলক আবেদন উপস্থাপন করেন।পরবর্তীতে সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা তাঁদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত সুবিধা-অসুবিধাসহ সার্বিক বিষয়সমূহ পুলিশ সুপার মহোদয়ের নিকট তুলে ধরেন। পুলিশ সুপার মহোদয় অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে সকল বক্তব্য শোনেন এবং বেশ কিছু বিষয়ের তাৎক্ষণিক সমাধান প্রদান করেন।এছাড়াও যশোর জেলা পুলিশে কর্মরত ০৬ (ছয়) জন পুলিশ সদস্যকে অবসরজনিত (পিআরএল) বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিশেষ অবদান ও ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করেন পুলিশ সুপার মহোদয়। কল্যাণ সভাটি সঞ্চালনা করেন জনাব আবুল বাশার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব রুহুল আমিন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি)জেলার সকল সার্কেল কর্মকর্তা পুলিশ হাসপাতালের চিকিৎসক আরআই পুলিশ লাইন্স, ডিআইও- সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, কোর্ট ইন্সপেক্টর, টিআই (প্রশাসন)সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্সবৃন্দ।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0
১১ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর কবর জিয়ারত করতে  টাঙ্গাইল আসছেন তারেক রহমান
১১ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর কবর জিয়ারত করতে টাঙ্গাইল আসছেন তারেক রহমান

লন্ডনে দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশে প্রত্যাবর্তনের পর ঢাকার বাইরে প্রথম জেলা সফর হিসেবে আগামী রবিবার (১১ জানুয়ারি) তিনি টাঙ্গাইল জেলায় আসছেন। সফরের অংশ হিসেবে তিনি মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। দলীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে তারেক রহমান ঢাকার নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবেন। দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে তিনি টাঙ্গাইলে পৌঁছাবেন। সেখানে পৌঁছে তিনি মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত শেষে আয়োজিত বিশেষ দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন। এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। ঢাকার বাইরে তারেক রহমানের এটি প্রথম রাজনৈতিক কর্মসূচি হওয়ায় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তার আগমন উপলক্ষে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তাকে অভিবাদন জানাবেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। দলীয় সূত্র আরও জানায়, মির্জাপুর এলাকা থেকেই তারেক রহমানকে বরণ করে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যানার-ফেস্টুন টাঙানো হয়েছে। পাশাপাশি তার সফর নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশনায়ক তারেক রহমান দেশে ফিরে প্রথম জেলা সফরে টাঙ্গাইলে আসছেন। এই সফরকে ঘিরে পুরো জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। ইনশাল্লাহ, সর্বোচ্চ সম্মানের সঙ্গে তাঁকে সংবর্ধনা জানানো হবে।” তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের আগমন ও দোয়া মাহফিল সফল করতে দলের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মজলুম জননেতা ভাসানীর কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের এই সফর দেশের রাজনীতিতে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করবে এবং টাঙ্গাইলের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

নাদিম তালুকদার জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0
খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় টাঙ্গাইলে বিএনপির দোয়া মাহফিল

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় টাঙ্গাইলে বিএনপির দোয়া মাহফিল বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) মাহমুদুল হাসানের রুহের মাগফেরাত কামনায় টাঙ্গাইলে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (০৭ জানুয়ারি) বিকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার খাস কাকুয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে স্থানীয় বিএনপি এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে স্মৃতিচারণ করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এ সময় তিনি বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দেশের মানুষকে এতটা ভালোবাসেন যে বিগত স্বৈরাচার সরকারের আমলে এত নির্যাতনের পরেও তিনি জনগণের পক্ষে ও বাংলাদেশের পক্ষে অবিচল ছিলেন। তিনি দেশের মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে কোনো অন্যায়-অপকর্মের নজির ছিল না। তিনি বলেন, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় খালেদা জিয়া লড়াই করেছেন। তার এই চলে যাওয়া শুন্যস্থান পূরণ হবার নয়। আল্লাহপাক যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন এই কামনা করি।এ সময জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি খন্দকার আহমেদুল হক শাতিল, সদর উপজেলা বিএনপি সভাপতি আজগর আলী, জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজ করিম, কাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জয়নুল আবেদীনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। স্মৃতিচারণ শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া ও ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0
ঘাটাইলে স্যান্ডেলের সোলের ভেতর লুকানো ৮৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার গ্রেফতার ১

ঘাটাইলে স্যান্ডেলের সোলের ভেতর লুকানো ৮৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার গ্রেফতার ১ ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ হেরোইন উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় ৮৫ (পঁচাশি) গ্রাম হেরোইনসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোপালপুর সার্কেল) ফৌজিয়া হাবীব খান-এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোকছেদুর রহমান। অভিযানে আরও অংশগ্রহণ করেন এসআই (নিরস্ত্র) রাজু আহমেদ, এসআই (নিরস্ত্র) নাজিম উদ্দিনসহ সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স।পুলিশ জানায়, গত ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত আনুমানিক ৭টা ৪৫ মিনিটে ঘাটাইল থানাধীন ঘাটাইল কলেজ মোড় এলাকায় ইউসিবি ব্যাংকের সামনে পাকা রাস্তার ওপর অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তি মোঃ মজিবর রহমান (৬৯)-কে আটক করা হয়। তিনি রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানার ভুবনপাড়া গ্রামের মৃত ইমাজ উদ্দিনের ছেলে। তল্লাশিকালে গ্রেফতারকৃত আসামির পরিহিত একজোড়া স্যান্ডেলের সোলের ভেতর অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৮৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হেরোইনের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।এ ঘটনায় ঘাটাইল থানায় মামলা নং-১০,তারিখ ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ৮(গ)/৪১ ধারা অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়েছে।গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে র‌্যাবের পৃথক তিন অভিযানে ৪ মাদক কারবারি ও ডাকাতির সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার

টাঙ্গাইলে র‌্যাবের পৃথক তিন অভিযানে ৪ মাদক কারবারি ও ডাকাতির সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার উদ্ধার ১২৩ বোতল ফেন্সিডিল ও ১০৪ গ্রাম হেরোইন। সিপিসি-৩ র‌্যাব-১৪, টাঙ্গাইল কর্তৃক পরিচালিত পৃথক তিনটি সফল অভিযানে চারজন মাদক কারবারি ও আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য—১২৩ বোতল ফেন্সিডিল ও ১০৪ গ্রাম হেরোইন।প্রথম অভিযান: ডাকাতি ও নারী নির্যাতন মামলার আসামি গ্রেফতার গত ২০ মে ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটে যাত্রিবেশে রংপুরগামী একটি লোকাল বাসে উঠে যাত্রীদের স্বর্ণালংকার নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোন ডাকাতি এবং নারী যাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা রুজু হয় (মামলা নং-৩১, তারিখ-২১ মে ২০২৫)। মামলাটি তদন্তকালে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সিপিসি-৩, র‌্যাব-১৪ টাঙ্গাইল গত ৬ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত আনুমানিক ৬টা ১০ মিনিটে সিরাজগঞ্জ জেলার কামাখন্দ থানাধীন ভদ্রঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য মোঃ রাসেল (২৮), জেলা-সিরাজগঞ্জকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।দ্বিতীয় অভিযান এলেঙ্গায় চেকপোস্টে ফেন্সিডিলসহ তিন মাদক কারবারি আটক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৭ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল আনুমানিক ৬টা ৪০ মিনিটে টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি থানাধীনএলেঙ্গা-টু-ময়মনসিংহগামী সড়কের সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় পাকা রাস্তার ওপর চেকপোস্ট স্থাপন করে একটি মিনি পিকআপ গাড়ি তল্লাশি করা হয়। এ সময় মাদক কারবারি— ১। মোঃ আলমগীর হোসেন (৩৫), জেলা-বগুড়া ২। মোঃ ফিরোজ হোসেন (২৭), জেলা-লালমনিরহাট ৩। মোঃ আলম মিয়া (৪৬), জেলা-বগুড়া —কে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ফেন্সিডিল বহনের কথা স্বীকার করলে তাদের দেখানো মতে বিশেষ কায়দায় সংরক্ষিত ১২৩ বোতল অবৈধ ফেন্সিডিল ও ৩টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ফেন্সিডিলের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। তৃতীয় অভিযান,যাত্রীবাহী বাসে হেরোইন উদ্ধারএকই দিনে ভোর আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানাধীন চন্দ্রা-টু-টাঙ্গাইলগামী সড়কের শিকদার স্পেশালাইজড হাসপাতালের সামনে চেকপোস্ট স্থাপন করে রহনপুর ট্রাভেলস নামক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় মাদক কারবারি মোঃ লাল মোহাম্মদ তরেক (৩০), জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জকে আটক করা হয়। তার হেফাজত থেকে বিশেষ কায়দায় সংরক্ষিত ১০৪ গ্রাম অবৈধ হেরোইন ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হেরোইনের আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকা।আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রেফতারকৃত সকল আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0
মানুষের পাশে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু: টাঙ্গাইল-৫ আসনে ব্যাপক গণসংযোগ
মানুষের পাশে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু: টাঙ্গাইল-৫ আসনে ব্যাপক গণসংযোগ

টাঙ্গাইল সদর আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সালাউদ্দিন টুকু ৪ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিঃ তার নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ব্যাপক জনসংযোগ কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। জনসংযোগের অংশ হিসেবে তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ১০ নং হুগড়া ইউনিয়ন এবং ৯ নং কাকুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, বাজার ও জনবহুল এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করেন। তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করার পর ৩ বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও মেজর জেনারেল (অব:) ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদুল হক এর রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করেন। এরপর তিনি এলাকার মেহনতি মানুষের খোঁজখবর নেন, তাদের দুঃখ-কষ্ট মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং এলাকার রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও নাগরিক সমস্যার সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, “আমি টাঙ্গাইল-০৫ সদর আসনে এমপি হলে এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।” সালাউদ্দিন টুকু সাধারণ মানুষের উদ্দেশে আরও বলেন, “বিএনপি সবসময় জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে জনগণের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। দেশের মানুষ আজ নানা সংকটে জর্জরিত। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জবাবদিহিমূলক সরকার গঠনের লক্ষ্যে বিএনপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।” জনসংযোগকালে তিনি দলের নেতাকর্মীদেরও নির্দেশ দেন, “মানুষের কাছে যেতে হবে, তাদের কথা শুনতে হবে এবং মানুষের সমস্যাকে নিজের সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনই রাজনীতির সবচেয়ে বড় শক্তি।” অভিযানকালে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং এলাকাবাসীর সঙ্গে দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। জনসংযোগ চলাকালে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যায়। অনেক সাধারণ মানুষ সালাউদ্দিন টুকুর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তার প্রতি সমর্থন ও প্রত্যাশা প্রকাশ করেন। স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন পর একজন প্রার্থী সরাসরি মানুষের কাছে এসে তাদের কথা শোনায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “মানুষের পাশে থেকে তাদের সমস্যা ও দাবি নিয়ে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য। ধারাবাহিকভাবে এই ধরনের জনসংযোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আরও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই।”

নাদিম তালুকদার জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুইটি অবৈধ ইটভাটা ভেঙে দিল জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুইটি অবৈধ ইটভাটা ভেঙে দিল জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দুটি ইটভাটার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযানে ফতেপুর ও ভাদগ্রাম ইউনিয়নের ভাটাগুলো বন্ধ করে জরিমানা আদায় করা হয়। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার ফতেপুর ও ভাদগ্রাম ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ আলম। অভিযানে ফতেপুর ইউনিয়নের থলপাড়া এলাকায় অবৈধভাবে পরিবেশের ছাড়পত্র ছাড়া গড়ে ওঠা ‘সাইজুদ্দিন এন্ড খান বিক্সস’ নামক ইটভাটার কিলন ভেকু মেশিন ব্যবহার করে ধ্বংস করা হয় এবং কাঁচা ইটও ধ্বংস করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশে ভাটার কার্যক্রম বন্ধ করে ভাটাটিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ভাদগ্রাম ইউনিয়নের ঘুগি গ্রামে অবস্থিত ‘এস এম বি বিক্সস’ নামক ইটভাটার পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নবায়ন না থাকায় ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানে প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক বিপ্লব কুমার সূত্রধর। এ সময় সহকারী পরিচালক তাপস চন্দ্র পাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সদস্যরা এবং বাংলাদেশ আনসার ব্যাটালিয়নের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। নওশাদ আলম বলেন, “পরিবেশ রক্ষায় এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ অভিযান অব্যাহত থাকবে। কেউ অবৈধভাবে ইটভাটা চালাতে পারবে না।” এই উদ্যোগের মাধ্যমে মির্জাপুরে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জেলা প্রশাসন আরও দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে।

নাদিম তালুকদার জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল-৮ আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খানসহ দু’জনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, কারণ দর্শানোর নোটিশ
টাঙ্গাইল-৮ আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খানসহ দু’জনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, কারণ দর্শানোর নোটিশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খান ও সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক শরিফুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলে গঠিত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আশরাফুল আলম তাদের দু’জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন। জানা গেছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আহমেদ আযম খান নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে ভোট প্রার্থনা করেন এবং আর্থিক ও উন্নয়নমূলক অনুদানের ঘোষণা দেন—এমন অভিযোগ উঠে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের স্মারক নম্বর ০৫.৪১.৯৩৮৫.০০০.০৪.০০৩.২৫.১১৬৪ মূলে গত ২৯ ডিসেম্বর বিষয়টি প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে পাঠানো হয়। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আশরাফুল আলম লিখিত অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ভিডিও ও স্থিরচিত্র পর্যালোচনা করে দেখতে পান, একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেন, ‘১২ বার তো ভোট দিয়েছেন, এবার ১৩ বার-এর নির্বাচনে হিসেব করে ভোট দেন। আমি ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছি। আমার দল বিএনপি ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, আগামী নির্বাচনে বিএনপি পাস করলে দুই কোটি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।’ একই বক্তব্যে তিনি নির্বাচনের প্রথম বছরেই দুইটি রাস্তা নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন। কমিটির মতে, অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ভিডিও ও ছবির সত্যতা যাচাই করে দেখা যায়, এসব বক্তব্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা–২০২৫ এর একাধিক ধারার পরিপন্থী। ফলে অভিযোগটি প্রাথমিকভাবে সত্য বলে প্রতীয়মান হওয়ায় আহমেদ আযম খানের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়। অন্যদিকে, একই সংসদীয় আসনে সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক শরিফুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধেও একজন প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করার মাধ্যমে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত বিভিন্ন ছবি পর্যালোচনা করে কমিটি অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায়। সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার এ ধরনের কর্মকাণ্ড নির্বাচন আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থায় অভিযুক্ত বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খান ও প্রভাষক শরিফুল ইসলাম খান—উভয়কে টাঙ্গাইলের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে অবস্থিত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আদালতে হাজির হয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নাদিম তালুকদার জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0
সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ বিষ্ণুপুরে মরহুম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

মোস্তফা মাসুদ: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাদ মাগরিব বিষ্ণুপুর বাজার চত্বরে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সাবেক বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক জিএম রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ মোস্তফার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক, বারবার নির্বাচিত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শেখ এবাদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান পাড়,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফখরুল ইসলাম। কুশুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার হাসানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কাজী তৌহিদ হাসান, ইসলাম সাতক্ষীরা - ০৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন এর ছোট পুত্র কাজী আসিফুর রহমান রাজু।সাতক্ষীরা পলিটেকনিক্যাল কলেজের ছাত্রদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজান,বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শেখ আব্দুল করিম।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মারুফ বিল্লাহ ও রেজাউল করিম, প্রচার সম্পাদক আলতাফ হোসেন,ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ,১নং ওয়ার্ড বিএনপি'র সভাপতি গোলাম বারী,ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ফিরোজ ঢালী সহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।দোয়া মাহফিলে বক্তারা মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া করা হয়।

মোস্তফা মাসুদ জানুয়ারী ৬, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৪

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৪ মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ ও পরোয়ানাভুক্ত মামলায় ব্যাপক ধরপাকড় ৬ জানুয়ারি ২০২৬ ইং টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের নিয়মিত অভিযানে টাঙ্গাইল জেলার সকল উপজেলার চিহ্নিত মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ মাদক ব্যবসায়ী পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ৪৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল মহোদয়ের কঠোর নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে মাঠ পর্যায়ে জোরদার অভিযান পরিচালনা করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে অসংখ্য মাদকদ্রব্য এবং সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত নানান সরঞ্জাম এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন স্থানে একযোগে অভিযান চালিয়ে এই বিপুল সংখ্যক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই বিশেষ অভিযানে প্রিভেন্টিভ মামলা, নিয়মিত মামলা আদালতের পরোয়ানাভুক্ত মামলা এবং মাদক সংশ্লিষ্ট মামলার আসামিরা রয়েছে। জেলা পুলিশের এ কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য হলো অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে রাখা। পুলিশের বিশেষ টিমের অভিযানে টাঙ্গাইলের সকল উপজেলায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক মাদক এবং আসন্ন প্রয়োগ ১০ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির জন্য সন্ত্রাসমূলক বিভিন্ন কর্মকান্ড সৃষ্টি করার লক্ষ্যে পুলিশের নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে এই বিশেষ অভিযানটি পরিচালিত হয়। মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে পুলিশ ০১ (এক) কেজি গাঁজা উদ্ধার করে এবং এ ঘটনায় ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, টাঙ্গাইলকে একটি নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকেই কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। পুলিশ প্রশাসন অপরাধ দমনে সাধারণ জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছে এবং অপরাধ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দ্রুত নিকটস্থ থানা অথবা জেলা পুলিশকে জানাতে অনুরোধ করেছে।

মুক্তধ্বনি ডেক্স জানুয়ারী ৬, ২০২৬ 0
সরাইলে অবৈধ মাটি কাটা ও ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কাটা ও ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে এক ব্যক্তিকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং অবৈধ কাজে ব্যবহৃত মালামাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শনিবার (০৪ জানুয়ারি ২০২৫) সরাইল সদর ইউনিয়নের পশ্চিম কুট্টাপাড়া এলাকায় ফসলি জমির মাটি অবৈধভাবে কাটার সময় রুবেল মিয়া (৩২) নামের এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪ ও ৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়। আদালত অপরাধের দায়ে তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। একই দিনে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের আঁখিতারা গ্রাম এলাকায় ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন সেখানে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ড্রেজারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিনষ্ট করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবুবকর সরকার। তিনি বলেন, পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ মাটি কাটা ও বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। উপজেলা প্রশাসনের এই অভিযানে স্থানীয় এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানান।

মুক্তধ্বনি ডেক্স জানুয়ারী ৬, ২০২৬ 0
ঘাটাইলে কৃষিজমি থেকে অবৈধ মাটি কাটায় ইটভাটাকে দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা

ঘাটাইলে কৃষিজমি থেকে অবৈধ মাটি কাটায় ইটভাটাকে দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় কৃষি জমি রক্ষায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার বিরুদ্ধে পরিচালিত এক অভিযানে একটি ইটভাটাকে দেড় লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি ২০২৫) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট থেকে ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত উপজেলার দেউলাবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ খিলগাতী গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার প্রমাণ পাওয়া গেলে মেসার্স এস. আর. এন. ইটভাটার ম্যানেজারকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ইটভাটার কাঁচামাল সংগ্রহের জন্য ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে পরিবেশ ও কৃষি জমির মারাত্মক ক্ষতি করা হচ্ছিল। এ অপরাধে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত ইটভাটার ম্যানেজারকে ১,৫০,০০০ (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। উপজেলা প্রশাসন জানায়, কৃষি জমি দেশের খাদ্য নিরাপত্তার মূল ভিত্তি। অবৈধভাবে মাটি কেটে জমির উর্বরতা নষ্ট করা হলে তা ভবিষ্যতে ভয়াবহ প্রভাব ফেলবে। তাই এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অবৈধ ইটভাটা ও কৃষি জমি ধ্বংসকারী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

মো: সাজিদ পিয়াল জানুয়ারী ৬, ২০২৬ 0
অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডার  নাগরিকত্ব ত্যাগ করে নির্বাচনে  টাঙ্গাইল-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল
অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডার নাগরিকত্ব ত্যাগ করে নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী লাবিব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের নির্বাচন কমিশনে ২৪ ডিসেম্বর জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, তিনি নির্বাচনের আগে অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডার নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন। একসময় তিনি একই সঙ্গে বাংলাদেশের পাশাপাশি ওই দেশের নাগরিক ছিলেন। হলফনামায় উল্লেখ করা হয়, ৫০ বছর বয়সী এই ব্যবসায়ীর বার্ষিক আয় আট কোটি ৩৪ লাখ ৭৩ হাজার ৬২১ টাকা। তার নামে তিনটি মামলা থাকলেও একটি খারিজ, একটি থেকে অব্যাহতি এবং অপরটি উচ্চ আদালতে স্থগিত রয়েছে।সালাউদ্দিন আলমগীরের নিজের নামে কোনো গাড়ি নেই। তবে তার স্ত্রীর নামে তিন কোটি ২২ লাখ ৯০ হাজার টাকা দামের একটি গাড়ি রয়েছে। সম্পদের হিসাবে তার নগদ অর্থ, ব্যাংক আমানত, শেয়ার ও জমিসহ বিপুল সম্পদের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। বিএনপির মনোনয়ন না পাওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

নাদিম তালুকদার জানুয়ারী ৬, ২০২৬ 0
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতনের মামলা আদালতে"এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি

মোস্তফা মাসুদ: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে নির্মমভাবে নির্যাতন ও একাধিকবার হত্যাচেষ্টার অভিযোগে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক উজায়মারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে সরজমিনে ও মামলা সূত্রে জানা যায়" সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আমলী আদালত (নং–০২)-এ কালিগঞ্জ উপজেলার গনপতি গ্রামের শেখ সিরাজুল ইসলাম-এর কন্যা মোছাঃ সিনা আক্তার (৩১) বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় স্বামী মোঃ মনিরুল আলম (৪০), তার ভাই খায়রুল ইসলাম (৪৫) ও ভাবি সপ্না খাতুন (৩৫)-সহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এজাহার সূত্রে জানা যায়,২০১৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ইসলামী শরিয়ত ও দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা দেনমোহরে সিনা আক্তারের সঙ্গে মনিরুল আলমের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় অভিযুক্ত পক্ষ জোরপূর্বক নগদ টাকা, আসবাবপত্র,সেলাই মেশিন ,ধান ঝাড়ার মেশিন, একটি গরু ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার যৌতুক আদায় করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।বিয়ের পর দাম্পত্য জীবনে এক কন্যাসন্তানের জন্ম হলেও যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের মাত্রা দিন দিন বেড়ে যায় বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী,স্বামী মনিরুল আলম তার ভাই ও ভাবির প্ররোচনায় আরও ৩ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে দীর্ঘদিন ধরে বাদীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। মামলার বর্ণনায় বলা হয়, চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল দুপুরে মনিরুল আলমের বসতবাড়িতে ৩ লাখ টাকা যৌতুক আনতে অস্বীকৃতি জানালে বাদীকে কাঠ ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় সন্তানসহ তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়।পরবর্তীতে বাদীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়, যেখানে তিনি দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।এজাহারে আরও বলা হয়,গত( ৮ নভেম্বর) বাদীর পিত্রালয়ে মীমাংসার উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠক চলাকালে অভিযুক্তরা যৌতুক দাবি প্রত্যাহার না করে বরং পুনরায় মারধর ও হত্যার চেষ্টা চালায়। বাদীর চিৎকারে পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। বাদীর অভিযোগ, একাধিকবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে বিচার চেয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ না করে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। বাধ্য হয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।মামলাটি ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধিত–২০০৩) এর ১১(খ), ১১(গ) ও ৩০ ধারায় দায়ের করা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনাধীন রেখেছেন বলে জানা গেছে।ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য বিরাজ করছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মনিরুল ইসলামের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মোস্তফা মাসুদ জানুয়ারী ৬, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে, কৃষক শ্রমিক জনতালীগ থেকে  সাবেক মেয়র সজীবের পদত্যাগ
টাঙ্গাইল-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে, কৃষক শ্রমিক জনতালীগ থেকে সাবেক মেয়র সজীবের পদত্যাগ

টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির সখীপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীব। তিনি সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী (বীর উত্তম)-এর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান। পদত্যাগপত্রে সানোয়ার হোসেন সজীব শারীরিক ও পারিবারিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেন। একই রাতে তিনি পদত্যাগপত্রটি নিজের ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ করেন, যা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে। এর আগে কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দেয়। এমন প্রেক্ষাপটে রোববার রাতে সখীপুর উপজেলার সিলিমপুর এলাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহমেদ আযম খানের উপস্থিতিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সানোয়ার হোসেন সজীব প্রকাশ্যে তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য দেন। ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ দাবি করেন, তিনি কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তবে এসব দাবি নাকচ করে সানোয়ার হোসেন সজীব বলেন, তিনি শুধু কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ থেকে অব্যাহতি চেয়ে চিঠি প্রেরণ করেছেন।

নাদিম তালুকদার জানুয়ারী ৬, ২০২৬ 0
সর্বাধিক পঠিত
সখিপুরে দেবরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার

সখিপুরে দেবরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার র‍্যাব-১৪ এর অভিযানে তক্তারচলা বাজার এলাকা থেকে আটক। টাঙ্গাইলের সখিপুর থানায় দায়েরকৃত এক ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি দেবর হাসেম সিকদার (২৩)–কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্প। র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, ভিকটিমের সাথে পারিবারিক সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে এই নৃশংস ঘটনা সংঘটিত হয়। এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, ভিকটিম গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দে পিতার বাড়িতে বেড়াতে আসেন এবং ওইদিন একটি ওয়াজ মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। ওয়াজ মাহফিলে অভিযুক্ত দেবর হাসেম সিকদারের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে একসঙ্গে ফুচকা খাওয়ার পর ভিকটিম পিতার সঙ্গে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নেন। এ সময় অভিযুক্ত নিজেই ভিকটিমকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। ভিকটিম সরল বিশ্বাসে অভিযুক্তের কথায় রাজি হলে বাড়ি ফেরার পথিমধ্যে রাত আনুমানিক ২১:০০ ঘটিকায় অভিযুক্ত জোরপূর্বক একটি কাঠবাগানে নিয়ে গিয়ে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে।পরবর্তীতে ভিকটিম বাদী হয়ে ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দে টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলাটি সখিপুর থানার মামলা নং-১৪/২৫, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত) এর ৯(১) ধারায় রুজু হয়।মামলা দায়েরের পরপরই র‍্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্প ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।এরই ধারাবাহিকতায় ৭ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে সন্ধ্যা আনুমানিক ১৮:৪০ ঘটিকায় র‍্যাব-১৪ এর একটি আভিযানিক দল টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর থানাধীন তক্তারচলা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পলাতক ধর্ষক দেবর হাসেম সিকদার (২৩)–কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সখিপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র‍্যাব-১৪ জানায়, নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো ঘৃণ্য অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তারা সর্বদা তৎপর।

কসবা থানা পুলিশের অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার পলাতক ১

কসবা থানা পুলিশের অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার, পলাতক ১ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫০ (পঞ্চাশ) কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ দুই জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে কসবা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় আরও একজন মাদক কারবারি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে গেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল আনুমানিক ০৯টা ৩০ মিনিটে কসবা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে কসবা পৌরসভাস্থ গুরুহিত থেকে তালতলা গামী বীজনা নদীর ব্রিজের উপর সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ১০ (দশ) কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— ১) মোঃ ফারুক হোসেন (৫৩), পিতা- মৃত মোঃ শাজাহান, মাতা- পিয়ারা বেগম, সাং- মেরাশানী, থানা- বিজয়নগর এবং ২) মোঃ ফয়জুর রহমান প্রকাশ ফজর আলী (৩৫), পিতা- মৃত সামছু মিয়া, মাতা- সাজু বেগম, সাং- হাতুরাবাড়ী থানা- কসবা। উভয়ের জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। অপরদিকে, একই দিন রাত আনুমানিক ০২টা ৩০ মিনিটে কসবা থানা পুলিশের অপর একটি দল কায়েমপুর ইউনিয়নের কায়েমপুর পূর্ব উত্তর পাড়া এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। এ অভিযানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এক মাদক কারবারি পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে ৪০ (চল্লিশ) কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত গাঁজা বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়েছে। এ সংক্রান্তে কসবা থানায় পৃথক দুটি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।কসবা থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে তাদের অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে এবং মাদক কারবারিদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

পুলিশ লাইন্স ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি-নির্বাপন মহড়া

পুলিশ লাইন্স ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি-নির্বাপন মহড়া অদ্য ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ জেলা পুলিশের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় ও কার্যকর করার লক্ষ্যে পুলিশ লাইন্স এবং পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স-এর আয়োজনে একটি অগ্নি-নির্বাপন মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।মহড়ার শুরুতে ফায়ার সার্ভিসের প্রশিক্ষিত সদস্যরা অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাব্য কারণ আগুন লাগার পূর্ব লক্ষণ এবং অগ্নিকাণ্ডের সময় তাৎক্ষণিক করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেন।পরবর্তীতে পুলিশ লাইন্স ও পুলিশ সুপারের কার্যালয় প্রাঙ্গণে আগুন নেভানোর বিভিন্ন কৌশল সরাসরি প্রদর্শন করা হয়। মহড়ায় অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্র (ফায়ার এক্সটিংগুইশার) সঠিকভাবে ব্যবহার বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটজনিত আগুন নিয়ন্ত্রণ ধোঁয়াচ্ছন্ন পরিবেশে নিরাপদে বেরিয়ে আসার পদ্ধতি এবং আহত ব্যক্তিকে দ্রুত উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়ে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।এ সময় জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যগণ মহড়ায় উপস্থিত থেকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। মহড়াটি পুলিশ সদস্যদের মধ্যে অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মত প্রকাশ করেন।ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ জানান সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরে এ ধরনের অগ্নি-নির্বাপন মহড়া নিয়মিত আয়োজন করা হলে অগ্নিকাণ্ডজনিত ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। জেলা পুলিশ কর্তৃপক্ষও ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রম নিয়মিতভাবে আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য অগ্নি দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও জনবলকে প্রস্তুত রাখতে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের এ ধরনের মহড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ২৬

টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের ধারাবাহিক ও সমন্বিত অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ মাদক ব্যবসায়ী পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ২৬ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ২৬। ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমনে পুলিশের নিয়মিত ও সমন্বিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ, মাদক ব্যবসায়ী পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।জেলা পুলিশের সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে মাঠপর্যায়ে কঠোর অভিযান পরিচালনার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল। তাঁর নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযানে প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা মাদক ও অন্যান্য উদ্ধারজনিত এবং পরোয়ানামূলে এসব গ্রেফতার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।মাদকদ্রব্য উদ্ধার মাদকবিরোধী অভিযানে উদ্ধার করা হয়—৯০ (নব্বই) গ্রাম হেরোইন ৫৫ (পঞ্চান্ন) পিস ইয়াবা১০০ গ্রাম গাঁজা সহ মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানায়, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল মহোদয়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী মাঠপর্যায়ে কঠোর নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হয় যার ফলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয় টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।

বিজয়নগরে থানা পুলিশের অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার

বিজয়নগরে থানা পুলিশের অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার। অটোরিক্সাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। এ সময় একটি অটোরিক্সাসহ তিনজন পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ভোর আনুমানিক ০৬টা ২০ মিনিটে বিজয়নগর থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে উপজেলার ০৭নং সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের সিঙ্গারবিল এলাকা থেকে একটি সন্দেহজনক অটোরিক্সা আটক করা হয়। পরবর্তীতে অটোরিক্সাটি তল্লাশি করে এর ভেতর থেকে ৩০ (ত্রিশ) কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক পরিবহনে জড়িত ০৩ জন মাদক কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজা ও ব্যবহৃত অটোরিক্সা বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের পরিচয়: ১. মোঃ মাসুক মিয়া (২৯) পিতা: মৃত আঃ লতিফ মাতা: আমেনা বেগম ২. মোঃ রাব্বি মিয়া (২৭) পিতা: মৃত মলাই মিয়া মাতা: জামেলা বেগম উভয়ের ঠিকানা: সাং- কাশিনগর, থানা- বিজয়নগর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৩. মোঃ খোকন মিয়া (৪৮) পিতা: মৃত নজির মিয়া মাতা: মৃত হামিদা বেগম ঠিকানা: সাং- রাজাপুর, থানা- আখাউড়া, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ জানায় গ্রেফতারকৃত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক পরিবহন ও কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় বিজয়নগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বিজয়নগর থানা পুলিশ মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

শীর্ষ সপ্তাহ

আইন-অপরাধ

সখিপুরে দেবরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার

জানুয়ারী ৮, ২০২৬