সারা দেশ

টাঙ্গাইলের মধুপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, হাসপাতাল-দোকানপাট ভাঙচুর

reporter-icon
নাদিম তালুকদার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
নভেম্বর ১৯, ২০২৫ | 0

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় একটি বেসরকারি ক্লিনিক ও বেশ কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করা হয়। বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার আনারস চত্বর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, বুধবার বিকেলে আনারস চত্বর এলাকায় বিএনপির মনোনয়ন না পাওয়া মোহাম্মদ আলীর সমর্থকরা সমাবেশ করছিলেন। এ সময় দলটির মনোনীত প্রার্থী মাহবুব আনাম স্বপন সমর্থকরা মিছিল নিয়ে সেখানে প্রবেশ করে। এতে দুইপক্ষের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। যা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ হয়। এ সময় একটি ক্লিনিকসহ সাত থেকে আটটি দোকান ভাঙচুর করা হয়। পরে খবর পেয়ে যৌথ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমরানুল কবির জানান, আনারস চত্বরে এক পক্ষের সমাবেশে অন্য পক্ষ প্রবেশ করলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশকয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল জেলাতেও ফিলিং স্টেশনগুলো হঠাৎ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলো

সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল জেলাতেও ফিলিং স্টেশনগুলো হঠাৎ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলো ২৩ মার্চ ২০২৬সোমবার—সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলা-এর ফিলিং স্টেশনগুলোতে বিরাজ করছে এক অস্বাভাবিক নীরবতা যেন কোলাহলপূর্ণ স্থানগুলো মুহূর্তেই পরিণত হয়েছে ভুতুড়ে পরিবেশে। সকাল থেকে বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে শত শতমোটরসাইকেল চালক ও অন্যান্য যানবাহনের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও আশানুরূপ জ্বালানি না পেয়ে অনেকেই হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এতে করে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল না পাওয়ায় তাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। কেউ কেউ খালি হাতে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার কেউ জরুরি কাজেও যেতে পারছেন না।ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা কোনো ধরনের জ্বালানি মজুদ করেননি। ডিপো থেকে সীমিত সরবরাহ পাওয়ায় দ্রুতই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। তবে সরবরাহ পাওয়া মাত্রই গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তারা জানান।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলা প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর-এর সমন্বয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে দফায় দফায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, অতি শীঘ্রই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেও যেখানে পেট্রোল পাম্পগুলো ছিল কোলাহলপূর্ণ ও উৎসবমুখর, সেখানে এখন বিরাজ করছে নিস্তব্ধতা। সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই, তবুও মাঠপর্যায়ের এই চিত্র সাধারণ মানুষের মধ্যে সৃষ্টি করছে হতাশা ও ক্ষোভ। বিশেষ করে ঈদুল ফিতর সামনে রেখে যখন মানুষের মধ্যে থাকার কথা আনন্দ ও উৎসবের আমেজ তখন জ্বালানি সংকটের এই বাস্তবতা অনেকের জন্য সেই আনন্দকে বিষাদে পরিণত করেছে। হাজারো মানুষ পড়েছেন অনিশ্চয়তার মধ্যে—দেখার যেন কেউ নেই, বলারও নেই দেশ যেন চোখের সামনে জ্বালানি সংকটে সম্পূর্ণ অচল হয়ে যাচ্ছে এই দায়ভার কার কে নিবে জানতে চায় দেশের জনগণ!!

মার্চ ২৩, ২০২৬ 0

প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা ও পর্যটন বিকাশে দুর্গাপুরকে ঘিরে বড় পরিকল্পনার কথা জানালেন কায়সার কামাল

গোপালপুরে ৪৩ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় সৌদি সরকারের উপহার খেজুর বিতরণ

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে পুলিশের নিরলস তৎপরতা

লঞ্চ দুর্ঘটনায় পিতা-পুত্রের মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

লঞ্চ দুর্ঘটনায় পিতা-পুত্রের মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া লঞ্চ দুর্ঘটনায় সোহেল ও তার পিতা মিরাজ ফকিরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একসঙ্গে পিতা-পুত্রের এমন হৃদয়বিদারক মৃত্যু স্থানীয়দের মাঝে গভীর বেদনা ও শোকের আবহ তৈরি করেছে।জানা যায়, আকস্মিক এ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই বা চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।স্থানীয়রা জানান, সোহেল ও তার পিতা মিরাজ ফকির ছিলেন অত্যন্ত ভদ্র ও সজ্জন মানুষ। তাদের অকাল মৃত্যুতে পরিবারটি যেমন অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে, তেমনি এলাকাবাসীও হারিয়েছে দুইজন প্রিয় মুখ।এদিকে, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তারা নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আল্লাহর দরবারে দোয়া করে বলেন, মহান আল্লাহ যেন সোহেল ও মিরাজ ফকিরকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন এবং তাদের পরিবারকে এই শোক সহ্য করার তৌফিক দেন।এ ঘটনায় এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। নিহতদের স্মরণে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোকবার্তা প্রকাশ করছেন এবং সবার কাছে তাদের জন্য দোয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬ 0

দেশের আকাশে তাণ্ডব: শক্তিশালী কালবৈশাখী ও বজ্রবৃষ্টিতে কাঁপছে দেশ

কাঁদায় নেমে গোপালপুরে খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী ও এমপি দুই ভাই

টাংগাইল মেডিকেলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর ১৮ মার্চ ২০২৬ ইং উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাত্রা নিশ্চিতকরতেঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট পরিদর্শন করেছেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।আজ ১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত এ পরিদর্শনে তিনি সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাকে সতর্কতা সমন্বয় এবং আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন। বিশেষ করে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে যানজট নিরসন সড়ক নিরাপত্তা জোরদার এবং যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন), ৯৮ কম্পোজিট ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর সড়ক বিভাগ টাঙ্গাইলের নির্বাহী প্রকৌশলী বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ-এর নির্বাহী প্রকৌশলী আনসার ও ভিডিপির জেলা কমান্ড্যান্ট সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী কালিহাতির সহকারী কমিশনার (ভূমি) এলেঙ্গা পৌরসভার প্রশাসক ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসারসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আসন্ন ঈদযাত্রা আরও নিরাপদ স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে অভিব্যক্ত করেন।

মার্চ ১৮, ২০২৬ 0

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়ক পরিদর্শন করেন

ইফতার মাহফিলে উত্তেজনা চেয়ারম্যানের প্রাইভেটকারে আগুন

সারাদেশের ন্যায় জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিং প্রত্যাহার

0 মন্তব্য