নুরানী তালিমুল কুরআন বোর্ড বাংলাদেশ কর্তৃক মাদরাসার উস্তাদদের জন্য শিক্ষাদান পদ্ধতি বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার মাদারিয়া এলাকায় অবস্থিত ইমাম আলী বাইতুল কুরআন বালক-বালিকা মাদরাসার হলরুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আব্দুস সাত্তার কাসেমী। প্রশিক্ষক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ইমরান আহমেদ ও হাফেজ হোসাইন আহমেদ। এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা নুরুল ইসলাম, শেখ মাহদী হাসান শিবলী, মাওলানা সানোয়ার এবং মুফতি রবিউল ইসলাম। কর্মশালায় বিভিন্ন এলাকার ১৫টি মাদরাসা থেকে মোট ১২০ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে নুরানী শিক্ষাব্যবস্থায় আধুনিক ও কার্যকর পাঠদান কৌশল, শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং মানসম্মত কুরআন শিক্ষার বিভিন্ন দিক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়। আয়োজকরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শিক্ষকদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং এর মাধ্যমে নুরানী শিক্ষার মান আরও সমৃদ্ধ হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
টাঙ্গাইলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলার ৮টি সংসদীয় আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শরীফা হক। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। সভায় বক্তারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচনকালীন সময়ের সার্বিক প্রস্তুতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ভোটারদের নিরাপত্তা এবং আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় পুলিশ সুপার মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বলেন নির্বাচনকালীন সময়ে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা জনগণের জানমালসহ সর্বোচ্চ জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রার্থী রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইন মেনে দায়িত্বশীল আচরণ করার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। মতবিনিময় সভা শেষে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ জেলার ৮টি সংসদীয় আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে, ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামালের পক্ষে প্রচারণা শুরু হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারী) বিকেলে দুর্গাপুর ইউনিয়নের থাউশালাপাড়া এলাকার আদিবাসী পল্লীতে এক উঠান বৈঠকের মাধ্যমে এ প্রচারণা চালানো হয়। ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন দুর্গাপুর উপজেলা কমিটির আয়োজনে উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন, ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন উপজেলা কমিটির ভাইসচেয়ারম্যান বিশাকা রাংসা, সাধারণ সম্পাদক নীরেশ রুরাম, সম্মানীত সদস্য সেবিনা মারাক, তালিম মারাক, মৃনাল কান্তি বানাই, অর্জুন রাংসা সহ আরো অনেকেই। বক্তার বলেন, আদিবাসীদের জীবন মান উন্নয়নের স্বার্থে আমরা সকলে মিলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবো। তিনি আমাদের এলাকার গর্ব ও অনুপ্রেরণা। তিনি এমপি নির্বাচিত না হয়েও উপজেলার সাধারণ মানুষের জন্য যে কাজ গুলো করে গেছেন তা সত্যিই অতুলনীয়। আদিবাসী এক অভিভাবক বলেন, তারুণ্যের শক্তিতে পরিবর্তনের লক্ষে, আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আমরা এবার ধানের শীষে ভোটপ দেবো। আদিবাসীদের প্রতিটি ঘরে ঘরে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এসেছেন। আমাদের সুখ-দুঃখের কথা শুনেছেন। বিগত ২০ বছরেও এভাবে আমাদের কেউ খোঁজ করেনি। আমরা আমাদের অস্তিত্ব রক্ষায় করতেই সকলে মিলে ধানেষ শীষে ভোট দিবো।
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের জোরালো অভিযানে ২৮ জন গ্রেপ্তার ৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ইং,টাঙ্গাইল জেলায় মাদক সন্ত্রাস ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে জেলা পুলিশের চলমান বিশেষ ও নিয়মিত অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত একাধিক অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের মাঠে থেকে কঠোর ও সমন্বিত অভিযান পরিচালনার নির্দেশ প্রদান করেন। তারই আলোকে জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট একযোগে অপরাধবিরোধী অভিযান জোরদার করে। অভিযান চলাকালে প্রিভেন্টিভ আইনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি নিয়মিত মামলার আসামি আদালতের পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি এবং মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হয়। এর অংশ হিসেবে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৩,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং এ ঘটনায় ১ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায় উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে আদালতের মাধ্যমে তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ আরও জানায় মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জেলার প্রতিটি থানা এলাকায় অপরাধী ও অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।কোনো অপরাধ বা অপরাধীর বিষয়ে তথ্য জানা থাকলে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ অথবা জেলা পুলিশের নির্ধারিত মাধ্যমে তথ্য প্রদান করার জন্য।
টাঙ্গাইল, আজ: আজ টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্টাফ রিপোর্ট : এস কে শিপন নির্ধারিত সময়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এ প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানভাবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) পদপ্রার্থী ডক্টর আব্দুল্লাহ কাফি। এছাড়াও টাঙ্গাইল-২ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা হুমায়ুন কবির অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এদিকে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের এমপি পদপ্রার্থী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর টাঙ্গাইল জেলা শাখার নায়েবে আমির অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন সংসদীয় আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। তাঁরা প্রতীক বরাদ্দকে কেন্দ্র করে দলের সাংগঠনিক প্রস্তুতি, আগামীর রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং নির্বাচনকেন্দ্রিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন। নেতৃবৃন্দ এ সময় বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের সমর্থন ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামী দিনের রাজনীতিতে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারবে। উল্লেখ্য, আজকের এই প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে ঘাটাইল আসন ব্যতীত টাঙ্গাইল জেলার অন্যান্য আসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও বিভিন্ন এলাকায় তাদের অনুসারী ও আত্মীয়স্বজনদের প্রভাব এখনো সক্রিয় রয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নে। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তনের মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি এখন বিএনপির অঙ্গসংগঠন ছাত্রদলের ব্যানারে প্রভাব বিস্তার করছেন। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সোলায়মান আকন্দ। স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের একাধিক নেতা-কর্মীর ভাষ্যমতে, সোলায়মান আকন্দ দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি অতীতে ছাত্রলীগের পদ পেতে ব্যর্থ হয়ে পরে ছাত্রদলে যোগ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্টের পর ঢাকা বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন সোলায়মান আকন্দ। যমুনা নদী তীরবর্তী বাণিজ্যিক এলাকায়—বিশেষ করে বালুর ঘাট, গাড়ি পারাপার ও লোড-আনলোড পয়েন্টগুলোতে—চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এ কাজে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব এম এ বাতেন ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ঝলকের সহযোগিতার কথাও অভিযোগে উঠে এসেছে। এছাড়া, সোলায়মান আকন্দের পরিবারের সদস্য ও আওয়ামী লীগ-সমর্থিত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল হাই আকন্দ বেনজির আহমেদ টিটুর নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় অবস্থিত প্রায় ১২টি বালু উত্তোলন পয়েন্ট থেকে মাসিক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন, আবদুল মোনায়েম লিমিটেডের বালু পরিবহনের রাস্তা বন্ধ করে প্রায় ১০ লাখ টাকা আদায় করা হয়। এসব ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা থানা ও ডিবিতে ১০ থেকে ১২টি অভিযোগ দায়ের করলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাদের। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। এরই মধ্যে গোহালিয়াবাড়ীতে নতুন একটি প্রভাববলয় গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নতুন নেতৃত্ব হিসেবে আলোচনায় এসেছেন লুৎফর রহমান মতিনপন্থী আলম আকন্দ। স্থানীয় বিএনপির সিনিয়র নেতারা জানান, আলম আকন্দের অতীতে বিএনপির সঙ্গে যুক্ত থাকার কোনো প্রামাণ্য তথ্য তাদের জানা নেই। এতসব অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো দলীয় ও প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের প্রবীণ বিএনপি নেতারা বলেন, “আমাদের জানামতে এসব ব্যক্তি আগে কখনো বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। হঠাৎ করেই তাদের আবির্ভাব ঘটেছে।” এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পাওয়া যায়নি। দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি , যুবদল ও ছাত্রদলের একাংশ।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল জেলা শাখার পাঁচজন নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত নেতারা হলেন— টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ রাকিব হোসেন ও মোঃ রানা আহমেদ এবং সদস্য সাজ্জাত হোসেন রিফাত, ইব্রাহিম বাদশা ও আল হেলাল। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। একইসঙ্গে ছাত্রদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বহিষ্কৃতদের সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ও আদর্শ রক্ষায় আপসহীন অবস্থান থেকেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না বলেও জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের নীতি, আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ছাত্রদল সর্বদা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সংসদ কঠোর নজরদারি অব্যাহত রাখবে।
টাঙ্গাইলে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে বিএনপিতে যোগদান শতাধিক নেতাকর্মীর টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর হাত ধরে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন।মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল অ্যাডভোকেট বার সমিতি মিলনায়তনে এই যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় তাদের বরণ করে নেন বিএনপি নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের চরপৌলী গ্রামের শাহাদত খান ফিরোজ আতোয়ার খান গোলাপ খান মহির খান নজরুল মেম্বার, আবু বক্কর সিদ্দিকীসহ শতাধিক নেতাকর্মী এ সময় বিএনপিতে যোগদান করেন। নেতাকর্মীরা জানান দীর্ঘদিন ধরে তারা গামছা প্রতীকের পক্ষে কাজ করেছেন। এবার সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর প্রতি আস্থা রেখে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে বিজয়ী করতে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন বলেও অঙ্গীকার করেন।যোগদান অনুষ্ঠানে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নবাগতদের স্বাগত জানিয়ে বলেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে তিনি সন্ত্রাস মাদক চাঁদাবাজিমুক্ত কিশোর গ্যাংমুক্ত নিরাপদ ও আধুনিক টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে কাজ করবেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুর আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
গোপালপুরে সোনামুই দাওয়াতুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসায় জাঁকজমকপূর্ণ পাগড়ী প্রদান অনুষ্ঠান পবিত্র কোরআনের আলোকে আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রত্যয়ে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের সোনামুই দক্ষিণ পাড়ায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী দাওয়াতুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে কোরআনে হাফেজ সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের পাগড়ী প্রদান অনুষ্ঠান অত্যন্ত ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ১০টা থেকে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে এলাকাবাসী অভিভাবক ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো প্রাঙ্গণ পরিণত হয় এক পবিত্র মিলনমেলায়। দীর্ঘ সময় ধরে কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হওয়া শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদানই ছিল এ আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রমের শুভ সূচনা করা হয়। এরপর একে একে ইসলামিক নসিহত কোরআন ও হাদিসের আলোকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা এবং দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করা হয়। আলোচনায় বক্তারা বলেন কোরআনের হাফেজরা শুধু ব্যক্তি হিসেবে সম্মানিত নন তারা সমাজ ও জাতির জন্য এক অনন্য সম্পদ। কোরআন বুকে ধারণকারীরা আল্লাহ তায়ালার বিশেষ অনুগ্রহপ্রাপ্ত বান্দা এবং তারা কিয়ামতের দিনও বিশেষ মর্যাদার অধিকারী হবেন। বক্তারা আরও বলেন বর্তমান সমাজে নৈতিক অবক্ষয় ও মূল্যবোধের সংকট থেকে উত্তরণের জন্য কোরআনি শিক্ষার বিকল্প নেই। হাফেজে কোরআনরা তাদের জীবনাচরণ ও চরিত্রের মাধ্যমে সমাজে সততা ন্যায়পরায়ণতা ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই কোরআনের শিক্ষা শুধু মুখস্থের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব জীবনে প্রতিফলনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। হাফেজ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তারা বলেন কোরআনের আলোকে নিজেদের জীবন পরিচালনা করতে হবে এবং সমাজের সর্বস্তরে ইসলামের সৌন্দর্য তুলে ধরতে হবে। একজন হাফেজ যেন আদর্শ মানুষ হিসেবে সমাজে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে—এটাই হওয়া উচিত তাদের জীবনের মূল লক্ষ্য। অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার মুহতামিম শিক্ষকবৃন্দ স্থানীয় আলেম-ওলামা মসজিদের খতিব এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি অভিভাবকবৃন্দ এবং বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত ছিল হাফেজ শিক্ষার্থীদের মাথায় পাগড়ী পরিয়ে দেওয়ার আনুষ্ঠানিক পর্ব। এ সময় অভিভাবকদের চোখে আনন্দাশ্রু এবং উপস্থিত মুসল্লিদের মাঝে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। অনুষ্ঠান শেষে দেশ জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন মাদ্রাসার একজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষক ও আলেম। মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য দেশের শান্তি ও তরুণ প্রজন্মের হেদায়েত কামনা করা হয়। আয়োজকরা জানান ভবিষ্যতেও দাওয়াতুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার পক্ষ থেকে এ ধরনের ধর্মীয় শিক্ষামূলক ও নৈতিক মূল্যবোধভিত্তিক অনুষ্ঠান নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে কোরআনের আলোয় আলোকিত একটি আদর্শ ও নৈতিক সমাজ গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।
ভোট/গণভোট প্রচার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করলেন পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ ইং তারিখ সোমবার এ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে ভোট ও গণভোট প্রচার এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শরীফা হক এবং পুলিশ সুপার জনাব মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার। অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয় সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন নির্বাচন ও গণভোটে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করে। এ সময় তিনি ভোট ও গণভোট চলাকালীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা গুজব প্রতিরোধ সহিংসতা দমন এবং যেকোনো ধরনের অনিয়মমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের সার্বিক প্রস্তুতি ও প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন।অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয় নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ধরনের প্রচার কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোট ও গণভোট সম্পর্কে আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হচ্ছে। এ সময় টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাগণ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ অন্যান্য অফিসারবৃন্দ সামাজিক ব্যক্তিবর্গ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র্যাংক ব্যাজ পরিধান করালেন পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল বাংলাদেশ পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে র্যাংক ব্যাজ পরিধান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে কনস্টেবল/নায়েক পদ থেকে এএসআই (নিরস্ত্র) পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত মোট ১৫ (পনেরো) জন পুলিশ সদস্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। র্যাংক ব্যাজ পরিধান শেষে পুলিশ সুপার মহোদয় পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন পদোন্নতি শুধুমাত্র একটি স্বীকৃতি নয় বরং এটি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের ক্ষেত্রে আরও বেশি সততা নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব প্রদর্শনের অঙ্গীকার। তিনি নবপদোন্নত সদস্যদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের আস্থা অর্জনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।পুলিশ সুপার মহোদয় আরও বলেন শৃঙ্খলা নৈতিকতা ও মানবিক আচরণই একজন পুলিশ সদস্যের প্রকৃত পরিচয়। জনসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্ব পালন করলে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে। তিনি সকলকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বাহিনীর ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বিভিন্ন ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দসহ অন্যান্য অফিসারগণ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত কর্মকর্তারা পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের অভিনন্দন জানান এবং তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করেন। উল্লেখ পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের এই র্যাংক ব্যাজ পরিধান অনুষ্ঠান জেলা পুলিশের মনোবল বৃদ্ধি ও পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
BRPOWA’র উদ্যোগে টাঙ্গাইলে কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও সনদপত্র বিতরণ বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতি (BRPOWA)-এর পৃষ্ঠপোষকতায় কৃতী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমে উৎসাহ প্রদান ও মেধাবীদের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে টাঙ্গাইলে শিক্ষাবৃত্তি ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পুলিশ লাইন্স আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় টাঙ্গাইল থেকে জিপিএ–৫ প্রাপ্ত তিনজন শিক্ষার্থীর হাতে এককালীন শিক্ষাবৃত্তি ও অভিনন্দন সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। এ শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয় মরহুম মহিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী–এম সহীদুল ইসলাম চৌধুরী এবং মরহুম মহিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী–মরহুমা নুরজাহান বেগম এডুকেশনাল ফান্ড শিক্ষাবৃত্তি’র আওতায়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষাবৃত্তি ও সনদপত্র প্রদান করেন টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। পুলিশ সুপার মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বলেন একটি জাতির টেকসই উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল চাবিকাঠি হলো শিক্ষা। শিক্ষার মাধ্যমে একজন মানুষ নৈতিকতা মানবিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেকে একজন আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। তিনি আরও বলেন শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষার ফলাফল নয় বরং নৈতিক মূল্যবোধ শৃঙ্খলা ও মানবিক গুণাবলিকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ধারণ করতে হবে।তিনি শিক্ষার্থীদের সততা অধ্যবসায় ও আত্মনিয়োগের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি তিনি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনসহ ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সর্বক্ষেত্রে সাফল্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ পুলিশ লাইন্স আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের অভিভাবকবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত বক্তারা BRPOWA’র এ ধরনের শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগকে প্রশংসনীয় আখ্যা দিয়ে বলেন এ ধরনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও শিক্ষায় আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।উল্লেখ্য বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতি (BRPOWA) দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সংস্থাটির এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান অব্যাহত আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ মাদক দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর নজরদারী ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন, মাদকের বিস্তার রোধ এবং সাধারণ জনগণের জন্য নিরাপদ নিরপেক্ষ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান অব্যাহত রয়েছে।টাঙ্গাইল জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার মহোদয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় একযোগে এ বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক থানা মোড় জেলা প্রবেশপথ বাসস্ট্যান্ড বাজার এলাকা ও জনবহুল স্থানে স্থাপিত চেকপোস্টে জেলা পুলিশের চৌকস সদস্যরা দিন ও রাতব্যাপী দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযান চলাকালে পুলিশ সদস্যরা মোটরসাইকেল প্রাইভেটকার ট্রাক বাস পিকআপ সিএনজি ও অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে নিবিড় তল্লাশি চালান। এ সময় যানবাহনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ড্রাইভিং লাইসেন্স রেজিস্ট্রেশন ফিটনেস হেলমেট ও নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহারের বিষয়গুলো যাচাই করা হয়। পাশাপাশি মাদক পরিবহন অবৈধ অস্ত্র বহন চোরাচালান ছিনতাই ও যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক তৎপরতা প্রতিরোধে পুলিশ সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এ বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে একদিকে আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে অন্যদিকে সাধারণ জনগণের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ জোরদার হচ্ছে। পুলিশের উপস্থিতি ও তৎপরতায় অপরাধপ্রবণ এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহে শৃঙ্খলা ও স্বাভাবিকতা ফিরে এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।বিশেষ চেকপোস্ট অভিযানের অংশ হিসেবে পরিচালিত তল্লাশি কার্যক্রমে মোট ৬৭৪টি যানবাহন পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৪১০টি মোটরসাইকেল তল্লাশি করা হয় এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আইনানুগ শর্ত পূরণ না করায় ০৪টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়। এছাড়া সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘনের দায়ে ০৪টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানিয়েছেওযেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে পুলিশ জনগণের সহযোগিতা কামনা করে আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা শুধু পুলিশের একক দায়িত্ব নয় বরং পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি নিরাপদ শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
টাঙ্গাইল-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মনোনয়ন বৈধ রাখলো ইসি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্রের বৈধতা বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশনের আপিল বোর্ড সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।এর আগে একই আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. লিয়াকত আলী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে আপিল আবেদন করেন। রিটার্নিং অফিসারের দেওয়া বৈধতার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে করা ওই আপিলে অভিযোগ করা হয়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ায় আবদুল লতিফ সিদ্দিকী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্য নন।শুনানিতে উত্থাপিত যুক্তি ও পাল্টা বক্তব্য আপিল শুনানিতে মো. লিয়াকত আলীর পক্ষে উপস্থিত আইনজীবী বলেন সরকার ঘোষিতভাবে একটি রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় সংশ্লিষ্ট দলের নেতৃত্বে থাকা কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না। এ কারণে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা উচিত বলে দাবি করা হয়।অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে আইনজীবীরা যুক্তি তুলে ধরে বলেন তিনি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন এবং নির্বাচন আইন অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। কোনো রাজনৈতিক দলের নিষেধাজ্ঞা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার হরণ করতে পারে না বলেও শুনানিতে উল্লেখ করা হয়।নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষণশুনানিকালে জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুল রহমানেল মাছউদ মাছউদ গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে বলেনসরকার একটি রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে কিন্তু কোনো ব্যক্তিকে নিষিদ্ধ করেনি। নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী ব্যক্তির যোগ্যতা বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।সব পক্ষের বক্তব্য দাখিলকৃত নথিপত্র এবং বিদ্যমান নির্বাচন আইন ও বিধিমালা পর্যালোচনা শেষে নির্বাচন কমিশন আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্রের বৈধতা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত দেয়।আপিল শুনানির প্রেক্ষাপটউল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আবেদনের শেষ দিনের শুনানি রোববার সকাল সোয়া ১০টার দিকে শুরু হয়। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়াম(বেজমেন্ট-২)-এ নির্বাচন কমিশনের আপিল বোর্ড এ শুনানি পরিচালনা করে।নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে নির্বাচনকে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করতে প্রতিটি আপিল আবেদন আইনানুগভাবে নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। কোনো ধরনের রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাব ছাড়াই নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বলেও সূত্রটি জানায়।রাজনৈতিক গুরুত্ব টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মনোনয়ন বহাল থাকায় এ আসনে নির্বাচনী প্রতিযোগিতা আরও জমবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
বাসাইলে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ ও অর্থ দাবি মামলার আসামি গ্রেফতার সিপিসি-৩, র্যাব-১৪ টাঙ্গাইলের অভিযানে ধরা পড়ল মোঃ রাসেল মিয়াটাঙ্গাইল জেলার বাসাইল থানায় দায়েরকৃত আপত্তিকর ভিডিও ধারণ ও অর্থ দাবির একটি মামলার অন্যতম আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইলের একটি আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মোঃ রাসেল মিয়া (২১) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।র্যাব সূত্রে জানা যায় মামলার এজাহার অনুযায়ী গত ৯ আগস্ট ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ আনুমানিক দুপুর ২টার দিকে ধৃত আসামিসহ অন্যান্য এজাহারনামীয় আসামিরা কৌশলে এক ভিকটিমের (৩০) গোসল করার সময় আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে। বিষয়টি টের পেয়ে ভিকটিম দ্রুত ভিডিও মুছে ফেলার অনুরোধ করেন এবং তার অভিভাবকদের বিষয়টি অবহিত করেন। সে সময় অভিযুক্তরা ভিডিও মুছে ফেলার আশ্বাস দিয়ে ভুল স্বীকার করলেও তাদের পরিবারের সদস্যরা বিষয়টিকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে ভিকটিম ও তার পরিবারকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়।পরবর্তীতে ধৃত আসামিসহ অন্যান্য আসামিরা ভিকটিমের ব্যবহৃত ইমু নাম্বারে যোগাযোগ করে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। দাবিকৃত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা ভিকটিমের আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় যা ভিকটিমের দৃষ্টিগোচর হয়।এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে বিজ্ঞ আদালতে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে ২৩ অক্টোবর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দে টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল থানায় মামলা নং-১৫ রুজু হয়। মামলায় ২০১২ সালের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন এর ৮(১), ৮(২), ৮(৩), ৮(৫)(খ) ও ৮(৭) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।মামলা রুজুর পর থেকেই সিপিসি-৩, র্যাব-১৪ টাঙ্গাইল ছায়াতদন্তের মাধ্যমে পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে তৎপরতা শুরু করে। এরধারাবাহিকতায় ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত সাড়ে ৭টার দিকে টাঙ্গাইল সদর থানাধীন নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ রাসেল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।র্যাব জানায় সাইবার অপরাধ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার রোধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।স্বাক্ষরিতসিনিয়র সহকারী পরিচালক মিডিয়া অফিসার অধিনায়কের পক্ষে
টাঙ্গাইলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা ও জনসমাবেশ গণভোটে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিতের আহ্বান মাননীয় উপদেষ্টার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল জেলায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি ২০২৬) অনুষ্ঠিত এই সভায় অংশ নেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। মতবিনিময় সভায় জেলা পর্যায় থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন জেলা প্রশাসক টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার টাঙ্গাইলসহ জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার সকল থানার অফিসার ইনচার্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসারবৃন্দ এবং জেলা প্রশাসন টাঙ্গাইলের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।সভায় আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে সার্বিক প্রস্তুতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচনকালীন প্রশাসনিক সমন্বয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় মাননীয় উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাকে নিরপেক্ষতা পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।তিনি বলেন গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এবং গণভোট। জনগণের আস্থা অর্জন করতে হলে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন কোনো প্রকার অনিয়ম বিশৃঙ্খলা বা আইনবহির্ভূত কার্যক্রম বরদাশত করা হবে না এবং এ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।মতবিনিময় সভা শেষে টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষে আয়োজিত এক বৃহৎ জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। জনসমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাধারণ ভোটাররা উপস্থিত ছিলেন।জনসমাবেশে মাননীয় উপদেষ্টা বলেন গণভোটে জনগণের সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। একটি শান্তিপূর্ণ স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক গণভোটই দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও শক্তিশালী করবে। তিনি ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে মতামত প্রদানের আহ্বান জানান এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান।তিনি আরও বলেন গণভোটে জনগণের মতামতই হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তি। তাই কোনো প্রকার বিভ্রান্তি বা অপপ্রচারে কান না দিয়ে সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সাধারণ জনগণ গণভোট ও নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের গৃহীত উদ্যোগের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ও রেলপথ মন্ত্রণালয়-এর মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান । উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকটাঙ্গাইল পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার টাঙ্গাইলসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল); অফিসার ইনচার্জ (সকল); উপজেলা নির্বাচন অফিসার (সকল) ও জেলা প্রশাসন টাঙ্গাইলের কর্মকর্তাবৃন্দ ।মতবিনিময় সভা শেষে টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশে বক্তব্য রাখেন মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান । তিনি গণভোটে জনগণের সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং একটি স্বচ্ছ শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক গণভোট আয়োজনের লক্ষ্যে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
রাজশাহীতে বিশেষ কল্যাণ সভায় আইজিপি পেশাদারিত্ব ও জনবান্ধব পুলিশিং জোরদারের আহ্বান ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) ও রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের যৌথ উদ্যোগে রাজশাহীতে একটি বিশেষ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুর ১টায় রাজশাহী পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) বাহারুল আলম বিপিএম। সভায় আইজিপি অফিসার ও ফোর্সদের বিভিন্ন আবেদন-নিবেদন মনোযোগসহকারে শোনেন এবং সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বলেন দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ জনগণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। আইজিপি আরও বলেন পুলিশকে আরও জনবান্ধব ও কার্যকর বাহিনীতে রূপান্তরের লক্ষ্যে পুলিশ সংস্কার কমিশন কাজ করছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন অসঙ্গতি দূরীকরণ এবং স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের পরিবেশ সৃষ্টির বিষয়ে কমিশনের কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশ সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে। তিনি একটি সুন্দর সুশৃঙ্খল ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পুলিশের প্রত্যেক সদস্যকে সততা ন্যায়পরায়ণতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের সকল ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান পিপিএম (বার) পিএইচডি এবং রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান। স্বাগত বক্তব্য দেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ড. মোঃ জিল্লুর রহমান। সভা সঞ্চালনা করেন হেলেনা আকতার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রাজশাহী। কল্যাণ সভায় রাজশাহী রেঞ্জ আরএমপি ও রাজশাহী বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ ও সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে সভার সমাপ্তি ঘটে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যশোরে পুলিশ সুপারের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে যশোর জেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন যশোরের পুলিশ সুপার মহোদয়। নির্বাচনকে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পুলিশ সুপার মহোদয় যশোর জেলার অভয়নগর ও মনিরামপুর থানাধীন বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি নির্বাচন সংক্রান্ত সার্বিক প্রস্তুতি ভোটকেন্দ্রের ভৌগোলিক অবস্থান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনকালে কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন পুলিশ সুপার মহোদয় এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জনাব আবুল বাশার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) যশোর জনাব মোঃ রাজিবুল ইসলাম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার “খ” সার্কেল যশোর জনাব মোঃ ইমদাদুল হক সহকারী পুলিশ সুপার মনিরামপুর সার্কেল যশোর; অভয়নগর ও মনিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জসহ জেলা পুলিশ যশোরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন পর্যায়ের অফিসার-ফোর্সবৃন্দ।পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন নির্বাচনের দিন ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদ পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন সে লক্ষ্যে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।
টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ রবিবার (১৮ জানুয়ারি) শুনানি শেষে কমিশন তার মনোনয়ন বহাল রাখার সিদ্ধান্ত দেয়। এর আগে একই আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. লিয়াকত আলী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মনোনয়ন বৈধতার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। আপিল আবেদনে তিনি দাবি করেন, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতা হওয়ায় আবদুল লতিফ সিদ্দিকী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্য নন। রবিবার সকালে অনুষ্ঠিত শুনানিতে লিয়াকত আলীর পক্ষে তার আইনজীবী এ যুক্তি তুলে ধরেন। তবে শুনানিকালে নির্বাচন কমিশনার মাছউদ আহমেদ বলেন, ‘সরকার একটি রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করেছে; কিন্তু কোনো ব্যক্তিকে নিষিদ্ধ করেনি। কোনো ব্যক্তি আইনের চোখে অযোগ্য প্রমাণিত না হলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।’ শুনানিতে উভয় পক্ষের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার পর নির্বাচন কমিশন আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বৈধ রাখার সিদ্ধান্ত দেয়। উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আবেদনের শুনানির শেষ দিন আজ রবিবার। এদিন সকাল সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়াম (বেজমেন্ট-২)-এ আপিল শুনানি শুরু হয়। এর মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পথ সুগম হলো বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ২ নম্বর হাদিরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের করিয়াটা গ্রামে জমি সংক্রান্ত চাঁদা আদায়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২ নম্বর হাদিরা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুমন (৩৫), পিতা সুজাত আলী এবং তার খালাতো ভাই সোহেল (৩০), পিতা তুতা মিয়া, মিলে গোপালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হেদায়েতুল্লাহ বাদশার বড় মেয়ের জামাতা ও ২ নম্বর হাদিরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম খালেক ভুঁইয়ার ভাগিনা দুদু মিয়া (৬০), তার ভাই মোঃ হাফিজ (৫০) এবং তাদের ভাগিনা, মোঃ সেলিম রেজা (২৮)-এর ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলার পর এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে মোঃ হাফিজের মাথায় একাধিক আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে ও মোঃ সেলিম রেজাকে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। পরে মোঃ হাফিজের অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সোহেল দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তার মামা রিপনের সঙ্গে মিলে এলাকায় চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। তারা গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত সুরুজের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিল বলেও দাবি করেছেন এলাকাবাসী। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্থানীয়রা অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি প্রশ্ন উঠেছে, রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে কীভাবে এসব অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে এলাকাবাসী প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।
নুরানী তালিমুল কুরআন বোর্ড বাংলাদেশ কর্তৃক মাদরাসার উস্তাদদের জন্য শিক্ষাদান পদ্ধতি বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার মাদারিয়া এলাকায় অবস্থিত ইমাম আলী বাইতুল কুরআন বালক-বালিকা মাদরাসার হলরুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আব্দুস সাত্তার কাসেমী। প্রশিক্ষক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ইমরান আহমেদ ও হাফেজ হোসাইন আহমেদ। এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা নুরুল ইসলাম, শেখ মাহদী হাসান শিবলী, মাওলানা সানোয়ার এবং মুফতি রবিউল ইসলাম। কর্মশালায় বিভিন্ন এলাকার ১৫টি মাদরাসা থেকে মোট ১২০ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে নুরানী শিক্ষাব্যবস্থায় আধুনিক ও কার্যকর পাঠদান কৌশল, শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং মানসম্মত কুরআন শিক্ষার বিভিন্ন দিক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়। আয়োজকরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শিক্ষকদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং এর মাধ্যমে নুরানী শিক্ষার মান আরও সমৃদ্ধ হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
টাঙ্গাইলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলার ৮টি সংসদীয় আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শরীফা হক। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। সভায় বক্তারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচনকালীন সময়ের সার্বিক প্রস্তুতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ভোটারদের নিরাপত্তা এবং আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় পুলিশ সুপার মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বলেন নির্বাচনকালীন সময়ে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা জনগণের জানমালসহ সর্বোচ্চ জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রার্থী রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইন মেনে দায়িত্বশীল আচরণ করার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। মতবিনিময় সভা শেষে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ জেলার ৮টি সংসদীয় আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে, ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামালের পক্ষে প্রচারণা শুরু হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারী) বিকেলে দুর্গাপুর ইউনিয়নের থাউশালাপাড়া এলাকার আদিবাসী পল্লীতে এক উঠান বৈঠকের মাধ্যমে এ প্রচারণা চালানো হয়। ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন দুর্গাপুর উপজেলা কমিটির আয়োজনে উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন, ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন উপজেলা কমিটির ভাইসচেয়ারম্যান বিশাকা রাংসা, সাধারণ সম্পাদক নীরেশ রুরাম, সম্মানীত সদস্য সেবিনা মারাক, তালিম মারাক, মৃনাল কান্তি বানাই, অর্জুন রাংসা সহ আরো অনেকেই। বক্তার বলেন, আদিবাসীদের জীবন মান উন্নয়নের স্বার্থে আমরা সকলে মিলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবো। তিনি আমাদের এলাকার গর্ব ও অনুপ্রেরণা। তিনি এমপি নির্বাচিত না হয়েও উপজেলার সাধারণ মানুষের জন্য যে কাজ গুলো করে গেছেন তা সত্যিই অতুলনীয়। আদিবাসী এক অভিভাবক বলেন, তারুণ্যের শক্তিতে পরিবর্তনের লক্ষে, আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আমরা এবার ধানের শীষে ভোটপ দেবো। আদিবাসীদের প্রতিটি ঘরে ঘরে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এসেছেন। আমাদের সুখ-দুঃখের কথা শুনেছেন। বিগত ২০ বছরেও এভাবে আমাদের কেউ খোঁজ করেনি। আমরা আমাদের অস্তিত্ব রক্ষায় করতেই সকলে মিলে ধানেষ শীষে ভোট দিবো।
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের জোরালো অভিযানে ২৮ জন গ্রেপ্তার ৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ইং,টাঙ্গাইল জেলায় মাদক সন্ত্রাস ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে জেলা পুলিশের চলমান বিশেষ ও নিয়মিত অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত একাধিক অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের মাঠে থেকে কঠোর ও সমন্বিত অভিযান পরিচালনার নির্দেশ প্রদান করেন। তারই আলোকে জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট একযোগে অপরাধবিরোধী অভিযান জোরদার করে। অভিযান চলাকালে প্রিভেন্টিভ আইনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি নিয়মিত মামলার আসামি আদালতের পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি এবং মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হয়। এর অংশ হিসেবে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৩,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং এ ঘটনায় ১ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায় উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে আদালতের মাধ্যমে তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ আরও জানায় মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জেলার প্রতিটি থানা এলাকায় অপরাধী ও অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।কোনো অপরাধ বা অপরাধীর বিষয়ে তথ্য জানা থাকলে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ অথবা জেলা পুলিশের নির্ধারিত মাধ্যমে তথ্য প্রদান করার জন্য।
টাঙ্গাইল, আজ: আজ টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্টাফ রিপোর্ট : এস কে শিপন নির্ধারিত সময়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এ প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানভাবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) পদপ্রার্থী ডক্টর আব্দুল্লাহ কাফি। এছাড়াও টাঙ্গাইল-২ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা হুমায়ুন কবির অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এদিকে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের এমপি পদপ্রার্থী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর টাঙ্গাইল জেলা শাখার নায়েবে আমির অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন সংসদীয় আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। তাঁরা প্রতীক বরাদ্দকে কেন্দ্র করে দলের সাংগঠনিক প্রস্তুতি, আগামীর রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং নির্বাচনকেন্দ্রিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন। নেতৃবৃন্দ এ সময় বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের সমর্থন ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামী দিনের রাজনীতিতে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারবে। উল্লেখ্য, আজকের এই প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে ঘাটাইল আসন ব্যতীত টাঙ্গাইল জেলার অন্যান্য আসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।