দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় ইউকে জিয়া পরিষদের উদ্বেগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। ••••••••••••••••• বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল/ বিএনপির চেয়ারপার্সন ও তিনবারের নির্বাচিত সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী, মাদার অফ ডেমোক্রেসি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় জিয়া পরিষদ যুক্তরাজ্যের উদ্যোগে এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এর আয়োজন করা হয়, ১লা ডিসেম্বর ২০২৫, সমবার লন্ডন সময় বিকাল ৫ টায় ও বাংলাদেশ সময় রাত ১১ টায় জুম লিংকে ও 172 Cranbrook road ilford IG1 4LX । সভাপতিত্ব করেন ,বাংলাদেশ থেকে জুম লিংকের মাধ্যমে প্রফেসর ড. সাইফুল আলম চৌধুরী। দোয়া পরিচালনা করেন : কেন্দ্রীয় জিয়া পরিষদের সদস্য, ও সর্ব ইউরোপের সমন্বয়ক,কবি-কাওসার হোসাইন ,পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত-এর মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। জুম লিংকের এর মাধ্যমে ,বিভিন্ন দেশ থেকে অংশ গ্রহণ করেছেন ,সৌদি আরব ,দুবাই , ইউকে ,ইতালি স্পেন ,সুইডেন ,নেদারল্যান্ড,বাংলাদেশ সহ- আরো অন্যান্য দেশের নেতৃবৃন্দ , এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, এম এ জলিল খান ,আন্তর্জাতিক সম্পাদক জিয়া পরিষদ কেন্দ্রীয় নিবার্হী কমিটি , জনাব মঞ্জুর হাসান পল্টু সাধারণ সম্পাদক ইউকে জিয়া পরিষদ। এ ছাড়াও উপস্থপিত ছিলেন ইউকে জিয়া পরিষদের সহ- -সভাপতি ,মোল্লা ফিরোজ, রানা সাগর, ব্যারিস্টার রেজাউল করিম, মনোয়ার হোসেন ক্লার্ক ,আবুবক্কর পটুয়াখালী মো: ইয়াকুব মিয়া, সভাপতি গাজীপুর জেলা জিয়া পরিষদ,জয় ইসলাম ,, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুবুর রহমান, নুর রহমান, মুহিবুর রহমান , শেখ এমদাদুর রহমান অপু,, মনোয়ার হুসেন কাজল, মো: রাইভেন, মান্নান খান , সাব্বীর চৌধুরী, শেখ ফকরুল ইসলাম, রিপন মজুমদার, শাহরিয়ার ,সাবেক ছাত্রনেতা এম আর পিতম প্রমুখ । দোয়া মাহফিলে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া করেন,আহসান উদ্দিন মানিক হাই,সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়া পরিষদ ইউকে । যুগ্ম সম্পাদক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এ সময় বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি প্রাণ ও প্রানভিক্ষা চেয়ে ,মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে বিশেষ দোয়া করা হয়। উপস্থিত সবাই মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে প্রার্থনা করেন মেডাম মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে ও গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন। মহান আল্লাহ যেন সেই গনতন্ত্রের প্রথম সূর্যোদয় ,নেক হায়াতের মধ্য দিয়েদেখে যেতে পারেন ।
সাজিদ পিয়াল:সরকারি সা'দত কলেজে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষকে বিদায় সংবর্ধনা এবং বিএনসিসি কর্তৃক গার্ড অব অনার প্রদান। টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী সরকারি সা'দত কলেজ শিক্ষক পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ মনিরুজ্জামান মিয়া এবং উপাধ্যক্ষ প্রফেসর সুব্রত কুমার সাহা স্যারের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিএনসিসি প্লাটুনের ক্যাডেটরা দুই গুণী শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ–এর মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন উইং–এর পরিচালক প্রফেসর কাজী মোঃ আবু কাইয়ুম। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে দীর্ঘদিন ধরে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ দু'জনই অসাধারণ দায়িত্বশীলতা, সৎ নেতৃত্ব ও আন্তরিকতার পরিচয় দিয়েছেন। তাঁদের বিদায় কলেজের জন্য এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি করবে, তবে তাঁদের রেখে যাওয়া শিক্ষা ও আদর্শ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে। শিক্ষক পরিষদের নেতৃবৃন্দ, কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা–কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আবেগঘন এই বিদায় অনুষ্ঠানে প্রফেসর মোঃ মনিরুজ্জামান মিয়া ও প্রফেসর সুব্রত কুমার সাহা কলেজের প্রতি নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন এবং সকলের কাছে দোয়া ও শুভকামনা কামনা করেন। অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্মারক উপহার প্রদান এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে বিদায় সংবর্ধনা শেষ হয়।
সাজিদ পিয়াল: টাঙ্গাইলে ব্যাটারি রিকশার সাথে ধাক্কা লাগায় অটোচালককে খুরদিয়ে আঘাতে হত্যার চেষ্টা, রিকশাচালক আটক। টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়ে রিকশা ও অটোর মধ্যকার সামান্য ধাক্কাকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটি রিকশা ও চলন্ত অটোর মধ্যে হালকা ধাক্কা লাগলে প্রথমে দু’পক্ষের মাঝে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে রিকশাচালক ক্ষুব্ধ হয়ে হাতে থাকা খুর দিয়ে অটোচালকের গলায় আঘাত করেন। এতে অটোচালক গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রিকশাচালককে আটক করে গণধোলাই দেন। পরে তাঁকে পুলিশ এসে হেফাজতে নেয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আটক ব্যক্তির নাম-ঠিকানা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ জানায়, বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দোকানদার গফুর আলীর মর্মান্তিক মৃত্যু। দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে গফুর আলী (৬০) নামে এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর করুণ মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের কাগুজিপাড়া বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত গফুর আলী কোকডহরা ইউনিয়নের দত্তগ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং হবিবুর রহমানের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতোই গফুর আলী তার তেলের দোকানে কাজ করছিলেন। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে হঠাৎ দোকানের ভেতর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়। আগুনের তীব্রতায় দোকানের ভেতর আটকা পড়ে যান গফুর আলী। স্থানীয়রা মরিয়া হয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও আগুনের দাপটে কাছে যাওয়া সম্ভব হয়নি। প্রত্যক্ষদর্শী বাজার ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম বলেন, “আমরা প্রথমে ধোঁয়া দেখতে পাই। দ্রুত দৌড়ে গিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। কিন্তু আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে গফুর ভাই বের হতে পারেননি। চোখের সামনে মানুষের মৃত্যু দেখতে হল, কিছুই করতে পারলাম না।” বাজার কমিটির সভাপতি মো. ফজলু তালুকদার জানান, “আগুন লাগার পর মুহূর্তেই দোকানটি জ্বলতে থাকে। আমরা চিৎকার করে সবাইকে খবর দেই। কিন্তু গফুর ভাই আটকা পড়ে ছিলেন। ফায়ার সার্ভিস এসে ১০ মিনিট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তখনো সব শেষ।” খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কালিহাতী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। স্টেশন কর্মকর্তা রাসেল মিয়া জানান, “দোকানের ভেতরে আটকে পড়েই গফুর আলী দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে অন্য কোনো দোকানের ক্ষতি হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত।” ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আগুনে গফুর আলীর দোকানের দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। দোকানটি সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেছে বলে স্থানীয়রা নিশ্চিত করেছেন। হঠাৎ এ মৃত্যুর ঘটনায় কাগুজিপাড়া বাজার ও আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে বাজারে ব্যবসা করে আসা গফুর আলী সকলের কাছে একজন সৎ ও পরিশ্রমী মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার মৃত্যুতে সহকর্মী ব্যবসায়ীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের দাবি, বাজারে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় এমন দুর্ঘটনা বড় আকার ধারণ করেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা এড়াতে বাজারগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য থানায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার এলাসিন বাজার এলাকায় এই সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে টাঙ্গাইল-৬ আসনে জুয়েল সরকারকে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে এলাসিন বাজারে মানববন্ধন আয়োজন করেন জুয়েল সরকারের সমর্থকরা। মানববন্ধন শেষে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। একই সময়ে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন পাওয়া রবিউল আউয়াল লাভলুর সমর্থকেরা তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণে একটি মিছিল বের করেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মিছিল মুখোমুখি হলে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হন এবং একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এলাসিন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াজ সিকদার অভিযোগ করে বলেন, “খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল শেষে আমরা শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করি। মিছিল বের হওয়ার পর লাভলুর সমর্থকেরা অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমাদের সাতজন আহত হয়েছে। আমরা দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি চাই।” অন্যদিকে লাভলুর সমর্থিত ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রুবেল মোল্লা বলেন, “দলের মনোনীত প্রার্থী লাভলুর সমর্থনে লিফলেট বিতরণ চলছিল। এসময় জুয়েল সমর্থকরা আমাদের ওপর হামলা চালায় ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। আমাদের কয়েকজন আহত হয়েছে।” দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোয়েব খান বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
টাঙ্গাইলের মধুপুরে সিজারিয়ান অপারেশনের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে খাদিজা খাতুন (২০) নামে এক তরুণীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। সিজারের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া নবজাতকটি বেঁচে গেলেও তরুণীর মৃত্যু কেন্দ্রীক ক্ষোভে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে রাতের মীমাংসা বৈঠকে ৩ লাখ টাকায় বিষয়টি রফাদফা করার তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে মধুপুর হাসপাতাল রোডের প্রাইভেট ক্লিনিক এশিয়া হাসপাতালে। মৃত খাদিজা ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার কেশোরগঞ্জ এলাকার বাকতা গ্রামের সৌদি প্রবাসী শাহীন মিয়ার স্ত্রী। এটি ছিল তার দ্বিতীয় সিজার। স্বজনরা জানান, সিজার সম্পন্ন হওয়ার পরপরই খাদিজার শরীরে প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এ সময় দুই ব্যাগ রক্ত দেওয়া হলেও তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। পরিবার অভিযোগ করে,অপারেশনের পর দীর্ঘ সময় রোগীর কাছে কাউকে যেতে দেওয়া হয়নি,চিকিৎসকদের অবহেলার কারণেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে।অবস্থার অবনতি হলেও সময়মতো অন্যত্র রেফার করা হয়নি।স্বজনদের দাবি—সন্ধ্যার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর কথা বলে অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হলেও ততক্ষণে খাদিজা মারা গিয়েছিলেন। এশিয়া হাসপাতালের অন্যতম পরিচালক মানিক সাহা অভিযোগ অস্বীকার করে জানান— “অপারেশনের পর রোগীকে নিয়ম অনুযায়ী পোস্ট অপারেটিভ রুমে রাখা হয়। সেখানে কাউকে যেতে দেওয়া হয় না। খাদিজার আগে থেকেই শ্বাসকষ্ট ছিল। রক্তক্ষরণ ও শ্বাসকষ্টের কারণে তাকে আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি ঘটে।” তিনি আরও দাবি করেন, ময়মনসিংহ মেডিকেলে নিতে দেরি হওয়াতেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। খাদিজার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই হাসপাতালের সামনে স্বজন ও স্থানীয়রা বিক্ষোভ শুরু করেন। স্বজনরা চিকিৎসার কাগজপত্র চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। এসময় হাসপাতালজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, এমনকি সিজারের জন্য ভর্তি থাকা একাধিক রোগী হাসপাতাল ছাড়তে দেখা যায়। বিক্ষোভ ও চাপের মুখে রাতের দিকে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে হাসপাতাল প্রশাসন ও মৃতের পরিবারের মধ্যে মীমাংসা বৈঠক বসে। রাত ১১টা পর্যন্ত চলে এই বৈঠক। বৈঠকে তিন লাখ টাকায় রফাদফা করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্থানীয়রা। স্বজনদের দাবি—চিকিৎসার স্পষ্ট অবহেলাতেই খাদিজার মৃত্যু হয়েছে, যা অর্থ দিয়ে শেষ করার মতো নয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীর সমর্থনে সহস্রাধিক মোটরসাইকেলের শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে মধুপুর উপজেলা বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়ে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এই শোভাযাত্রা। স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা হাততালি, শ্লোগান ও মোটরসাইকেলের হর্নে মুখরিত হয়ে ওঠে। নেতাকর্মীরা বলেন—এই শোডাউনই প্রমাণ করে মধুপুর-ধনবাড়ীতে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীই তৃণমূলে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থী। শোভাযাত্রায় অংশ নেন—মধুপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন খান বাবল,সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদ সরকার, সদস্য আনোয়ার হোসেন,শোলাকুড়ি ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান হবিবর রহমান,পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ পান্না,উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক আব্দুল মান্নান, ধনবাড়ী উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শাজাহান আলী,মধুপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন অর রশীদ,মধুপুর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মানিক মিয়া। এছাড়াও দলীয় বিভিন্ন স্তরের হাজারো নেতাকর্মী শোভাযাত্রায় যোগ দেন।শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, “ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এই এলাকার সন্তান নন। তিনি শুধু নির্বাচনের সময়েই এলাকায় আসেন। দলের মনোনয়ন পেয়ে দুইবার নির্বাচনে অংশ নিয়েও পরাজিত হয়েছেন।” বক্তারা বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় টাঙ্গাইল-১ আসনে বিজয় নিশ্চিত করতে হলে স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য ও পরীক্ষিত নেতা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীকেই মনোনয়ন দিতে হবে। এজন্য তারা দলীয় হাইকমান্ডের কাছে স্বপন ফকিরের পরিবর্তে মোহাম্মদ আলীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ার জোর দাবি জানান।সমাবেশে আরও বলা হয়—অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি তৃণমূলে শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তুলেছেন। তার নেতৃত্বে মধুপুর-ধনবাড়ীতে বিএনপি সুসংগঠিত হয়েছে। ফলে আসন্ন নির্বাচনে এ আসন পুনরুদ্ধারের জন্য তিনিই সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী।
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বৃহৎ পরিসরে গণদোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে গোহালিয়াবাড়ী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অনুষ্ঠিত এ গণদোয়ায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে দলে দলে নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত হয়ে অংশ নেন। গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে এবং বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজীর আহমেদ টিটোর পক্ষ থেকে আয়োজন করা এ অনুষ্ঠানে এলাকাজুড়ে ছিল স্বতঃস্ফূর্ততার ছাপ। সরাসরি উপস্থিত থাকতে না পারলেও বেনজীর আহমেদ টিটো মুঠোফোনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে গণদোয়ায় অংশগ্রহণকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য আমাদের সম্মিলিত দোয়া অত্যন্ত জরুরি। সবাই তাঁর আরোগ্যের জন্য আন্তরিকভাবে প্রার্থনা করবেন।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কালিহাতী উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম শোভা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মজনু মিয়া, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম (ভিপি রফিক), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান বালা ও শামীম প্রামাণিক, সাংগঠনিক সম্পাদক আতোয়ার রহমান তালুকদার লিটন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন মোল্লা, ভারপ্রাপ্ত সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব হাসমত আলী রেজা। এছাড়াও গণদোয়ায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির দক্ষিণ আফ্রিকা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী লিটন, প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক লুৎফর রহমান লেলিন, কালিহাতী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ওয়াদুদ তৌহিদ, এলেঙ্গা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মিনু, পাইকড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা আজ দেশে গণমানুষের প্রত্যাশা। তাঁকে ভালোবাসেন দেশের আপামর জনতা। তাই তাঁর রোগমুক্তি কামনায় আজকের এই গণদোয়া মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধারই প্রতিফলন। তারা আরও বলেন, দলের নেত্রী সুস্থ হয়ে আবার রাজপথে ফিরে আসবেন—এটাই সবার কামনা। গণদোয়া ও মোনাজাতে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি, দেশের শান্তি ও কল্যাণ কামনা করা হয়। পরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দোয়া মাহফিলের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী বরকত উল্লাহ বুলু। এইসময় রোগমুক্তির জন্য মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মোনাজাত করেন চৌমুহনী কাচারি বাড়ি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা কবির আহমেদ। এই সময় তিনি জাতির ক্লান্তি লগ্নে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিভিন্ন কর্মকান্ড সামনে এনে আল্লাহর কাছে তার রোগ মুক্তি হয়ে জাতির নেতৃত্বে আবার এসে সুন্দর বাংলাদেশ উপহার দেওয়ার জন্য দোয়া করেন। আজ দুপুরে বেগমগঞ্জের সেন্টাল কমিউনিটি সেন্টার এ দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন বেগমগঞ্জ ১৬ইউনিয়ন ও চৌমুহনী পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এইসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য শামীমা বরকত লাকী। চৌমুহনী পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক জহির উদ্দিন হারুন এর সভাপতিত্বে ও যুবদলের আহবায়ক রুস্তম আলী সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামাখ্যা চন্দ্র দাস, বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ মাহফুজুল হক আবেদ, যুগ্ম-আহবায়ক নাজমুল গনি চৌধুরী (মান্না), যুগ্ম আহবায়ক মীর জুমলা (মিঠু)। চৌমুহনী পৌরসভা বিএনপি সদস্য সচিব মোঃ মহসিন আলম, যুগ্ম-আহবায়ক ইসমাইল হোসেন দুলাল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বেগমগঞ্জ উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক কাজী মাওলানা আবদুল আলী ও সদস্য সচিব মাকসুদুর রহমান। বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমিন, সেচ্চাসেবক দলের আহ্বায়ক সুমন এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বেগমগঞ্জ উপজেলা, চৌমুহনী পৌরসভার বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ
সারাদেশে ন্যায় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবীতে কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে। রবিবার সকাল ০৯টা হতে ১১টা পর্যন্ত (২ ঘণ্টা) কর্মবিরতি পালন করছে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। বাংলাদেশ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট দশম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদ পক্ষে এই কর্মবিরতি পালন করা হয়। কর্মবিরতি কারণে উপজেলা চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ব্যাপক ভীড় ও উত্তেজনা দেখা যায়। সঠিক সময় চিকিৎসা না পাওয়া অনেকে ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এছাড়াও আজকের কর্মবিরতির পূর্বের কোন নির্দেশনা না থাকায় ভোগান্তির শিকার হয়েছে অনেকে। কর্মবিরতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা দশম গ্রেড বাস্তবায়ন করে তাদের মানবেতর জীবন থেকে মুক্তি দিয়ে সচ্ছল জীবন যাপন করার সুযোগ পাওয়ার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সমাবেশে নোয়াখালীর নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন টেকনোলজিস্ট নুরুল করিম নোমান, ফার্মাসিস্ট আনোয়ার হোসেন। টেকনোলজিস্ট শফিউল্ল্যাহ রাসেল সহ আরো অনেকেই। পরে তাদের দাবী নিয়ে পুনরায় স্মারকলিপি দেন বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ হাসান খায়ের চৌধুরী কাছে। তিনি তাদের দাবীর সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে সবরকম সহায়তায় করার আশ্বাস দেন এবং স্মারকলিপি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেন।
পর্তুগাল বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ও পোস্টাল ভোটিং সম্পর্কে পর্তুগাল প্রবাসীদের মধ্যে জনসচেতনা বৃদ্ধি করতে আলোচনা সভা ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। ৩০ শে নভেম্বর পর্তুগালের টেস্টি অব লিসবনে পর্তুগাল সময় রাত ৮:৩০ ঘটিকায় এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। উক্ত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পাদক জনাব, আনোয়ার হোসেন খোকন। সভাপতিত্ব করবেন পর্তুগাল বিএনপির আহ্বায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার ও সঞ্চালনায় থাকবেন পর্তুগাল বিএনপির সদস্য সচিব ছায়েফ আহেমদ সুইট সহ পর্তুগাল বিএনপি ও এর অঙ্গসংঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন। এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল নিয়ে পর্তুগাল বিএনপির আহব্বায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার ও সদস্য সচিব ছায়েফ আহমেদ সুইট জানান, "আজকের এই আলোচনা সভায় প্রবাসীদের মধ্যে পোস্টাল ভোটিং সম্পর্কে জনসচেতনা কে প্রাধান্য দেওয়া হবে এবং দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ নেত্রীর দ্রুত রোগমুক্তির জন্য দোয়া মাহফিলেরও আয়োজন করা হয়েছে এবং তারা পর্তুগাল বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীদের এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানান"।
চমচম, টমটম ও শাড়ি’—এই তিনেই টাঙ্গাইলের পরিচয়। সময়ের বিবর্তনে টমটম প্রায় হারিয়ে গেলেও দেশ-বিদেশে এখনও সমান জনপ্রিয় টাঙ্গাইলের শাড়ি আর পোড়াবাড়ীর চমচম। তবে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, দেশি গাভির দুধের স্বল্পতা, উপকরণের সংকট ও নকল চমচমের ছড়াছড়ির কারণে অস্তিত্ব সংকটে পড়ছে এই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি। জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) স্বীকৃতি পাওয়া পোড়াবাড়ীর চমচমের সুনাম আজ অনেক জায়গায় ব্যবহার করা হলেও বেশিরভাগই আসল নয় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। পোড়াবাড়ীর চমচমের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে প্রায় দুই শতকের ইতিহাস। স্থানীয় প্রবীণদের মতে, ব্রিটিশ আমলে আসাম থেকে আগত দশরথ গৌড় প্রথম ধলেশ্বরী নদীর পানি ও স্থানীয় গাভির দুধ দিয়ে চমচম তৈরি শুরু করেন। পরে তিনি মিষ্টির দোকান গড়ে তোলেন। আরেক মতে, বাঙালি চন্দ্র গৌড় নামের একজন ছিলেন এ মিষ্টির প্রকৃত উদ্যোক্তা। তার বংশধরেরাই এখনও পোড়াবাড়ীর প্রাচীন চমচমের স্বাদ ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। কিছু ইতিহাসবিদ আবার বলেন, ১৬০৮ সালে ধলেশ্বরীর তীরে গড়ে ওঠা পোড়াবাড়ী নদীবন্দরের জমজমাট বাজারেই প্রথম জনপ্রিয় হয় চমচম। তখন বড় বড় সওদাগরি নৌকা, লঞ্চ ও স্টিমার ভিড়ত এই ঘাটে। সেখানকার ব্যস্ত বাজারে যুক্ত হয় চমচমের সুমিষ্ট খ্যাতি। ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে অর্ধশতাধিক কারখানা। পোড়াবাড়ীর চমচম লম্বাটে আকৃতির। হালকা আঁচে পোড় খাওয়া বলে এর রং হয় গাঢ় বাদামি—কিছুটা পোড়া ইটের মতো। বাইরে শক্ত হলেও ভেতরটা নরম, রসে ভরা এবং লালচে আভাযুক্ত। প্রতিটি অংশে থাকে ঘন রস, এলাচের ঘ্রাণ আর ছানার টাটকা স্বাদ। চমচম তৈরির উপাদানও একেবারেই সহজ—দুধ, চিনি, পানি, সামান্য ময়দা ও এলাচ দানা। স্বাদ, গন্ধ ও রঙের এই ব্যতিক্রমী সমন্বয়ের কারণেই পোড়াবাড়ীর চমচমকে বলা হয় ‘মিষ্টির রাজা’। বিয়ে-শাদী, উৎসব, পূজা, জন্মদিন, পরীক্ষার ফল প্রকাশ—পোড়াবাড়ীর চমচম প্রায় সব উপলক্ষেই প্রথম পছন্দ। শহরের পাঁচআনি বাজারে প্রায় অর্ধশত দোকানে প্রতিদিন তৈরি হয় হাজার হাজার চমচম। অনেক দোকানই নিজেদের তৈরি চমচম বিক্রি করে থাকে। ৭৫ বছর বয়সী স্থানীয় বাসিন্দা এক বাসিন্দা স্মৃতিচারণ করে বলেন— > “আমরা ছোটবেলায় দেখেছি, মাত্র ১০ পয়সায় ১ সের দুধ, আর সে দুধ থেকে তৈরি চমচম ২ টাকা সের দামে বিক্রি হতো। এখন দুধ ৮০–১০০ টাকা কেজি, আর চমচম ৩২০–৩৫০ টাকা।”তিনি আরও বলেন, আগে গরুকে খাওয়ানো হতো দুর্বা ঘাস। এখন কৃত্রিম ফিড ও কীটনাশকে উৎপাদিত ঘাস খাওয়ানো হচ্ছে, ফলে আগের মতো খাঁটি দুধ পাওয়া যায় না। আগে ১ মন দুধ থেকে ৭–৮ কেজি ছানা পাওয়া যেত, এখন সর্বোচ্চ ৬ কেজি। স্থানীয়দের দাবি—সরকারি নজরদারি ও সুরক্ষা দরকার ব্যবসায়ী, বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয়দের মতে—দুধ উৎপাদনে মানোন্নয়ন,জিআই মার্ক কঠোরভাবে প্রয়োগ,চমচমের বিরুদ্ধে অভিযান কারিগরদের প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনা।এসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে টাঙ্গাইলের এই মিষ্টি শিল্প আবারও পুরোনো জৌলুস ফিরে পাবে।
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা তাদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন। রবিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টার এই কর্মবিরতির মধ্য দিয়ে আন্দোলন শুরু হয়। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছেন, তবে এখন পর্যন্ত যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এই কারণে তারা তৎক্ষণাৎ দাবি মেনে নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ৩ ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অর্ধদিবস এবং ৪ ডিসেম্বর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করা হবে। আন্দোলনকারীরা সতর্ক করেছেন যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের দাবি মেনে না নিলে আরও কঠোর কর্মসূচির অংশ হিসেবে লাগাতার শাটডাউন অনুষ্ঠিত হতে পারে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদের ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। তবে রোগীরা যাতে কোনো ভোগান্তিতে না পড়েন, সেদিকে খেয়াল রেখে জরুরি সেবা চালু রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মীদের অধিকার নিশ্চিত করা দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। তাই তারা আশা করছেন, কর্তৃপক্ষ তাদের দাবির প্রতি দৃষ্টি দেবেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সড়ক দুর্ঘটনা — মোটরসাইকেল চালক নিহত টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর–তারাকান্দী সড়কের টেপিবাড়ী মলাদহ এলাকায় মিনি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। শনিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যোগ করা যাবে) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মোটরসাইকেল চালক ভূঞাপুর থেকে তারাকান্দীর দিকে যাচ্ছিলেন। পথে টেপিবাড়ী মলাদহ এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী মিনি ট্রাকের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ভূঞাপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনার পর মিনি ট্রাকটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা, অতিরিক্ত গতির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ জানায়, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দুর্ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।
টাঙ্গাইলে দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে বাসাইলে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছেন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত টানা দুই ঘণ্টা তারা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৈষম্য দূরীকরণ ও দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসলেও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে এই কর্মসূচি পালন করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য খাতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকা সত্ত্বেও এখনো তারা প্রাপ্য গ্রেড ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। বিভিন্ন দফতরে দাবি জানানো হলেও বাস্তবায়নের কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। এ অবস্থায় দাবি আদায়ের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজকের এই কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে। কর্মবিরতির ফলে হাসপাতালের নিয়মিত সেবা আংশিকভাবে বিঘ্নিত হলেও জরুরি বিভাগ স্বাভাবিক ছিল বলে জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তারা বলেন, রোগীদের ভোগান্তি কমিয়ে আনতে জরুরি সেবা ছাড়া অন্যান্য কার্যক্রম সীমিত ছিল। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা সতর্ক করে বলেন, দ্রুত দাবি পূরণের সিদ্ধান্ত না হলে তারা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন। তাদের দাবি—দশম গ্রেড বাস্তবায়ন, বেতন বৈষম্য দূরীকরণ এবং পদোন্নতির কাঠামোতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। সরকারের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা। এদিকে স্থানীয়রা জানান, স্বাস্থ্য সেবায় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাদের দাবি বাস্তবসম্মত উল্লেখ করে সাধারণ মানুষও দ্রুত সমস্যার সমাধান চেয়েছেন। দশম গ্রেড বাস্তবায়নসহ যৌক্তিক দাবি পূরণে সংশ্লিষ্ট দফতর দ্রুত উদ্যোগ নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন কর্মবিরতিতে অংশ নেওয়া স্বাস্থ্যকর্মীরা।
বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় টাঙ্গাইলে খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় টাঙ্গাইল শহর বিএনপির উদ্যোগে খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৩০ নভেম্বর ২০২৫) সকাল থেকে কেন্দ্রীয় গোরস্থানস্থ জামিয়া ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা মাঠে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া শহর বিএনপি, থানা বিএনপি, পৌর বিএনপি এবং বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য, সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। মাহফিল শেষে অসুস্থ নেত্রীর শিগগির সুস্থতা প্রত্যাশা করে সবাইকে দোয়া চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
টাঙ্গাইলে তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষ্যে বহুল প্রতীক্ষিত আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫ এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এ ক্রীড়াযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ক্রীড়াবিদ, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ক্রীড়া সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, “তারুণ্যকে সুস্থ ও উদ্দীপনাময় পথে এগিয়ে নিতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। ফুটবল জেলা টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য—এ টুর্নামেন্ট শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, দলীয় মনোভাব ও ক্রীড়া নৈতিকতা শেখাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” তিনি আরও জানান, নতুন প্রজন্মকে প্রযুক্তির আসক্তি থেকে দূরে রেখে মাঠমুখী করতে জেলা প্রশাসন সবসময়ই ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে। টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে জেলার কলেজগুলোতে চলছে উৎসাহ-উদ্দীপনা। দলগুলো নিজেদের সেরা প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামছে। শিক্ষার্থীদের মাঝে দেখা যাচ্ছে বাড়তি উৎসাহ; গ্যালারিতেও ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিযোগিতার উত্তাপ। এবারের আয়োজনে টাঙ্গাইল সদর, ভূঞাপুর, নাগরপুর, সখীপুর, দেলদুয়ার, মধুপুরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার কলেজগুলো অংশগ্রহণ করছে। প্রতিদিন বিভিন্ন দলের মধ্যকার নকআউট ও লিগ ভিত্তিক খেলা অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকদের আশা, পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে জেলাজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের ঢল নামবে। আয়োজক কমিটির সদস্যরা জানান, ফুটবল টাঙ্গাইলের প্রাণের খেলা। এই টুর্নামেন্ট তরুণদের মাঝে ক্রীড়া চেতনা, সুস্থ প্রতিযোগিতা এবং সমৃদ্ধ ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি দলীয় বন্ধন, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশেও এটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। আগামী এক সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন ধাপে খেলা অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসন সার্বিকভাবে টুর্নামেন্ট সফল করতে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। টাঙ্গাইলে ক্রীড়া প্রাণের স্রোত এনে দেওয়া এ আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫ এবারও নতুন উদ্দীপনা ছড়িয়ে দিয়েছে ফুটবলপাগল তরুণদের মাঝে।
সারা দেশে মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ: ব্যবসায়ীদের ঘোষিত আল্টিমেটাম ৩০ নভেম্বর ২০২৫—হঠাৎ করেই সারা দেশে মোবাইল ফোনের দোকানগুলো বন্ধ রয়েছে। সকাল থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ সকল বিভাগীয় শহর, জেলা ও উপজেলা শহরের মোবাইল মার্কেটগুলোতে ঝাঁপ ফেলা দেখা যায়। এতে ভোক্তাদের মধ্যে ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী সমিতি জানিয়েছে, সরকার ঘোষিত নতুন ট্যাক্স ও রেজিস্ট্রেশন নীতিমালার প্রতিবাদে আজ সারাদিন প্রতীকীভাবে দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের অভিযোগ—নতুন নিয়মে মোবাইল সেট আমদানি, রেজিস্ট্রেশন ও বিক্রি আরও ব্যয়বহুল এবং জটিল হয়ে পড়ছে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে। ঢাকার মৌলভী বাজার, বসুন্ধরা সিটি, চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ, রাজশাহীর সাহেববাজারসহ সব প্রধান মার্কেটে দোকানদাররা জানান, “আমরা ব্যবসা চালাতে চাই। কিন্তু বর্তমান নীতিতে তা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। তাই বাধ্য হয়ে দোকান বন্ধ রাখতে হয়েছে।” এদিকে মোবাইল কেনা-বেচা, রিপেয়ার, সিম রিপ্লেসমেন্ট, ফ্ল্যাশিং ও সার্ভিসিংয়ের জন্য দোকানে আসা গ্রাহকরা ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন। অনেক ক্রেতা জানান, “আগে থেকে কোনো ঘোষণা না থাকায় আমরা বিপাকে পড়েছি। জরুরি প্রয়োজনে মোবাইল কিনতে এসে বন্ধ দেখতে হলো।” সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার ইঙ্গিত দেওয়া হলেও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে— দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে। দিনের শেষে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কি না—এ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
সাজিদ পিয়াল: টাঙ্গাইলে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান: ভেজাল ওষুধ বিক্রির দায়ে লাজফার্মাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা। রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫ টাঙ্গাইল জেলা সদরের আকুরটাকুর পাড়া এলাকায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আজ রবিবার দুপুরে পরিচালিত এই অভিযানে ভেজাল, মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনবিহীন ওষুধ মজুত ও বিক্রির অভিযোগে লাজফার্মাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বেশ কিছু ওষুধের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ার পরও সেগুলো ফার্মেসিতে মজুত রাখা এবং বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। পাশাপাশি অনুমোদনবিহীন ওষুধ রাখার অভিযোগও সত্য প্রমাণিত হয়। এসব অপরাধ ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন কর্মকর্তারা। অভিযান চলাকালে ফার্মেসির দায়িত্বশীলদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয় এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অনিয়ম আর না ঘটে সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় নিয়মনীতি মেনে চলার পরামর্শও প্রদান করা হয়। অভিযানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা অংশ নেন এবং পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করেন। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বাজারে ভেজাল ওষুধসহ বিভিন্ন অনিয়ম প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাই তাদের প্রধান লক্ষ্য বলেও মন্তব্য করেন তারা। প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে ভেজাল ও অনিয়ম প্রতিরোধে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
টাঙ্গাইলে বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা বাংলা টিভি’র বাসাইল ও সখীপুর প্রতিনিধি রুবেল মিয়া সভাপতি, এশিয়ান টিভি’র বাসাইল প্রতিনিধি মাসুদ রানা সাধারণ সম্পাদক টাঙ্গাইলের বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটি নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করেছে। সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে রুবেল মিয়াকে সভাপতি এবং মাসুদ রানাকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে। নবনির্বাচিত সভাপতি রুবেল মিয়া সাংবাদিক সমাজের কল্যাণ, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং এলাকার সুনাম উজ্জ্বল রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন। সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা বলেন, সংগঠনকে আরও সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করতে সকল সাংবাদিকের সঙ্গে মিলিতভাবে কাজ করবেন। স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ নতুন নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়েছে এবং আশা প্রকাশ করেছে, নতুন কমিটি সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব ও সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে।
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় ইউকে জিয়া পরিষদের উদ্বেগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। ••••••••••••••••• বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল/ বিএনপির চেয়ারপার্সন ও তিনবারের নির্বাচিত সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী, মাদার অফ ডেমোক্রেসি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় জিয়া পরিষদ যুক্তরাজ্যের উদ্যোগে এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এর আয়োজন করা হয়, ১লা ডিসেম্বর ২০২৫, সমবার লন্ডন সময় বিকাল ৫ টায় ও বাংলাদেশ সময় রাত ১১ টায় জুম লিংকে ও 172 Cranbrook road ilford IG1 4LX । সভাপতিত্ব করেন ,বাংলাদেশ থেকে জুম লিংকের মাধ্যমে প্রফেসর ড. সাইফুল আলম চৌধুরী। দোয়া পরিচালনা করেন : কেন্দ্রীয় জিয়া পরিষদের সদস্য, ও সর্ব ইউরোপের সমন্বয়ক,কবি-কাওসার হোসাইন ,পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত-এর মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। জুম লিংকের এর মাধ্যমে ,বিভিন্ন দেশ থেকে অংশ গ্রহণ করেছেন ,সৌদি আরব ,দুবাই , ইউকে ,ইতালি স্পেন ,সুইডেন ,নেদারল্যান্ড,বাংলাদেশ সহ- আরো অন্যান্য দেশের নেতৃবৃন্দ , এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, এম এ জলিল খান ,আন্তর্জাতিক সম্পাদক জিয়া পরিষদ কেন্দ্রীয় নিবার্হী কমিটি , জনাব মঞ্জুর হাসান পল্টু সাধারণ সম্পাদক ইউকে জিয়া পরিষদ। এ ছাড়াও উপস্থপিত ছিলেন ইউকে জিয়া পরিষদের সহ- -সভাপতি ,মোল্লা ফিরোজ, রানা সাগর, ব্যারিস্টার রেজাউল করিম, মনোয়ার হোসেন ক্লার্ক ,আবুবক্কর পটুয়াখালী মো: ইয়াকুব মিয়া, সভাপতি গাজীপুর জেলা জিয়া পরিষদ,জয় ইসলাম ,, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুবুর রহমান, নুর রহমান, মুহিবুর রহমান , শেখ এমদাদুর রহমান অপু,, মনোয়ার হুসেন কাজল, মো: রাইভেন, মান্নান খান , সাব্বীর চৌধুরী, শেখ ফকরুল ইসলাম, রিপন মজুমদার, শাহরিয়ার ,সাবেক ছাত্রনেতা এম আর পিতম প্রমুখ । দোয়া মাহফিলে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া করেন,আহসান উদ্দিন মানিক হাই,সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়া পরিষদ ইউকে । যুগ্ম সম্পাদক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এ সময় বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি প্রাণ ও প্রানভিক্ষা চেয়ে ,মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে বিশেষ দোয়া করা হয়। উপস্থিত সবাই মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে প্রার্থনা করেন মেডাম মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে ও গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন। মহান আল্লাহ যেন সেই গনতন্ত্রের প্রথম সূর্যোদয় ,নেক হায়াতের মধ্য দিয়েদেখে যেতে পারেন ।
সাজিদ পিয়াল:সরকারি সা'দত কলেজে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষকে বিদায় সংবর্ধনা এবং বিএনসিসি কর্তৃক গার্ড অব অনার প্রদান। টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী সরকারি সা'দত কলেজ শিক্ষক পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ মনিরুজ্জামান মিয়া এবং উপাধ্যক্ষ প্রফেসর সুব্রত কুমার সাহা স্যারের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিএনসিসি প্লাটুনের ক্যাডেটরা দুই গুণী শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ–এর মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন উইং–এর পরিচালক প্রফেসর কাজী মোঃ আবু কাইয়ুম। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে দীর্ঘদিন ধরে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ দু'জনই অসাধারণ দায়িত্বশীলতা, সৎ নেতৃত্ব ও আন্তরিকতার পরিচয় দিয়েছেন। তাঁদের বিদায় কলেজের জন্য এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি করবে, তবে তাঁদের রেখে যাওয়া শিক্ষা ও আদর্শ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে। শিক্ষক পরিষদের নেতৃবৃন্দ, কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা–কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আবেগঘন এই বিদায় অনুষ্ঠানে প্রফেসর মোঃ মনিরুজ্জামান মিয়া ও প্রফেসর সুব্রত কুমার সাহা কলেজের প্রতি নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন এবং সকলের কাছে দোয়া ও শুভকামনা কামনা করেন। অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্মারক উপহার প্রদান এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে বিদায় সংবর্ধনা শেষ হয়।
সাজিদ পিয়াল: টাঙ্গাইলে ব্যাটারি রিকশার সাথে ধাক্কা লাগায় অটোচালককে খুরদিয়ে আঘাতে হত্যার চেষ্টা, রিকশাচালক আটক। টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়ে রিকশা ও অটোর মধ্যকার সামান্য ধাক্কাকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটি রিকশা ও চলন্ত অটোর মধ্যে হালকা ধাক্কা লাগলে প্রথমে দু’পক্ষের মাঝে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে রিকশাচালক ক্ষুব্ধ হয়ে হাতে থাকা খুর দিয়ে অটোচালকের গলায় আঘাত করেন। এতে অটোচালক গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রিকশাচালককে আটক করে গণধোলাই দেন। পরে তাঁকে পুলিশ এসে হেফাজতে নেয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আটক ব্যক্তির নাম-ঠিকানা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ জানায়, বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দোকানদার গফুর আলীর মর্মান্তিক মৃত্যু। দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে গফুর আলী (৬০) নামে এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর করুণ মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের কাগুজিপাড়া বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত গফুর আলী কোকডহরা ইউনিয়নের দত্তগ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং হবিবুর রহমানের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতোই গফুর আলী তার তেলের দোকানে কাজ করছিলেন। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে হঠাৎ দোকানের ভেতর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়। আগুনের তীব্রতায় দোকানের ভেতর আটকা পড়ে যান গফুর আলী। স্থানীয়রা মরিয়া হয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও আগুনের দাপটে কাছে যাওয়া সম্ভব হয়নি। প্রত্যক্ষদর্শী বাজার ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম বলেন, “আমরা প্রথমে ধোঁয়া দেখতে পাই। দ্রুত দৌড়ে গিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। কিন্তু আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে গফুর ভাই বের হতে পারেননি। চোখের সামনে মানুষের মৃত্যু দেখতে হল, কিছুই করতে পারলাম না।” বাজার কমিটির সভাপতি মো. ফজলু তালুকদার জানান, “আগুন লাগার পর মুহূর্তেই দোকানটি জ্বলতে থাকে। আমরা চিৎকার করে সবাইকে খবর দেই। কিন্তু গফুর ভাই আটকা পড়ে ছিলেন। ফায়ার সার্ভিস এসে ১০ মিনিট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তখনো সব শেষ।” খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কালিহাতী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। স্টেশন কর্মকর্তা রাসেল মিয়া জানান, “দোকানের ভেতরে আটকে পড়েই গফুর আলী দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে অন্য কোনো দোকানের ক্ষতি হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত।” ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আগুনে গফুর আলীর দোকানের দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। দোকানটি সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেছে বলে স্থানীয়রা নিশ্চিত করেছেন। হঠাৎ এ মৃত্যুর ঘটনায় কাগুজিপাড়া বাজার ও আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে বাজারে ব্যবসা করে আসা গফুর আলী সকলের কাছে একজন সৎ ও পরিশ্রমী মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার মৃত্যুতে সহকর্মী ব্যবসায়ীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের দাবি, বাজারে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় এমন দুর্ঘটনা বড় আকার ধারণ করেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা এড়াতে বাজারগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য থানায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার এলাসিন বাজার এলাকায় এই সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে টাঙ্গাইল-৬ আসনে জুয়েল সরকারকে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে এলাসিন বাজারে মানববন্ধন আয়োজন করেন জুয়েল সরকারের সমর্থকরা। মানববন্ধন শেষে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। একই সময়ে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন পাওয়া রবিউল আউয়াল লাভলুর সমর্থকেরা তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণে একটি মিছিল বের করেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মিছিল মুখোমুখি হলে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হন এবং একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এলাসিন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াজ সিকদার অভিযোগ করে বলেন, “খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল শেষে আমরা শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করি। মিছিল বের হওয়ার পর লাভলুর সমর্থকেরা অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমাদের সাতজন আহত হয়েছে। আমরা দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি চাই।” অন্যদিকে লাভলুর সমর্থিত ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রুবেল মোল্লা বলেন, “দলের মনোনীত প্রার্থী লাভলুর সমর্থনে লিফলেট বিতরণ চলছিল। এসময় জুয়েল সমর্থকরা আমাদের ওপর হামলা চালায় ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। আমাদের কয়েকজন আহত হয়েছে।” দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোয়েব খান বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”