ফরিদপুরের মধুখালীতে গ্রামীণ ব্যাংকের একটি শাখা কার্যালয়ের পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের মাঝখানদি এলাকার রায়পুর শাখায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মধুখালী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংকের রায়পুর শাখার ব্যবস্থাপক নবিনা নুরুল পিয়া বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাত ৩ টার মধ্যে দুর্বৃত্তরা ব্যাংকের দরজায় পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ভিতরে কোন ক্ষতি হয়নি। দরজার সামনে কালো ধোঁয়া দেখা যায়। এ সময় দরজার সামনে পেট্রোলের খালি বোতল ও ন্যাকড়া পাওয়া যায়। এ ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে। মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনার স্থল প্রদর্শন করেছে। কে বা কাহারা আগুন লাগিয়েছে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানেন
টাঙ্গাইলের বাসাইলে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০০ মিটার চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার কাশিল বটতলা এলাকায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে অবৈধ জাল বিরোধী এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে মাছ শিকার করছে একটি চক্র। পরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার কাশিল বটতলা এলাকায় অবৈধ জাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য দপ্তর। এসময় প্রায় ৫০০ মিটার দীর্ঘ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। যার বাজার মূল্য আনুমানিক দেড় লাখ টাকা। অভিযানের সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নেয়ামত উল্ল্যা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাসিবুল ইসলামসহ বাসাইল থানার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং মৎস্য দপ্তরের কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাসিবুল ইসলাম বলেন, ‘চায়না জাল দিয়ে মাছ শিকার করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। ছোট মাছ, মা মাছ রক্ষার্থে এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী অবৈধ এ ধরণের জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মাদকসেবনের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত এক ব্যক্তিকে এক বছর ১১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। গত (৫ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার আনুমানিক রাত ১০টা দিকে, গোপালপুর পৌর এলাকার ডুবাইল গাঙ্গাপাড়া এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় এক ব্যক্তিকে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পরে “মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮” এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে ০১ (এক) বছর ১১ (এগার) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর থানার এসআই নাসির আহম্মেদ ও পুলিশ সদস্যবৃন্দ। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে এবং সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে
টাংগাইল জেলার ০৪/১১/২০২৫ তারিখ কালিহাতি উপজেলার থানাঘাট সংলগ্ন এলাকায় আনুমানিক রাত ১১:৩০ টার সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহ স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত এক অভিযানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টাকালে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী ৫০০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়। এই অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ সহ পুলিশ প্রশাসন বিশেষ ভূমিকা পালন করেন জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে ।
টাংগাইলের সখিপুরে বিভিন্ন কসমেটিক এবং নিত্য প্রয়োজনীয় প্রসাধনীর দোকানগুলোতে এক যোগে অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। ০৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সখিপুর উপজেলার সখিপুর বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল কর্তৃক পরিচালিত এক অভিযানে অবৈধ ও নিষিদ্ধ প্রসাধন সামগ্রী বিক্রয়ের অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী এক প্রতিষ্ঠানকে ১,০০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক নকল প্রসাধন সামগ্রী জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে। তাঁরা নিয়মিত ভাবে মনিটরিং করবে ।জনস্বার্থে সমগ্র জেলায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে ।
আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা হিউম্যান কনসার্ন ইন্টারন্যাশনাল (এইচসিআই) এর অর্থায়নে এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুশীলন এর বাস্তবায়নে চাইল্ড স্পন্সরশিপ প্রোগ্রামের -এর আওতায় কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪ এর সিআইসি অফিস দরবার হলে, বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বেলা ১২টায় রোহিঙ্গা শিশুদের মাঝে পুষ্টিকর খাদ্য ও বিভিন্ন পোশাক বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মসূচিতে মোট ২৩৯ জন শিশুর মাঝে পুষ্টিকর খাদ্য বিতরণ, ৭৪ জন কণ্যা শিশুর মাঝে স্যানিটারি ন্যাপকিন, ১৪৫ জন শিশুর মাঝে শার্ট-প্যান্ট, ৪১ জন শিশুর মাঝে থ্রি-পিস, ৯৪ জন শিশুর মাঝে ওড়না, ৫৩ জন শিশুর মাঝে ফ্রগ ও পায়জামা এবং ২৩৯ জন শিশুর মাঝে জুতা বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সুরাইয়া আক্তার সুইটি, ডেপুটি সেক্রেটারি ও ক্যাম্প ইনচার্জ, ক্যাম্প-৪। এ সময় সাইট ম্যানেজমেন্ট সাপোর্ট -এর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। সুশীলনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ আরিফুল ইসলাম, ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর আঁখি পারভিন, সোবহান আলী এবং জাহিদুল হক। নতুন পোশাক ও পুষ্টিকর খাবার পেয়ে শিশুদের মাঝে আনন্দ ও উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়। তারা সুশীলন ও এইচসিআই-এর প্রতি তাদের অব্যাহত সহযোগিতা ও সহমর্মিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে
ঝাওয়াইল দারুল উলুম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার গভার্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মো. রফিকুল ইসলাম মাদ্রাসাটি পরিদর্শন, বৃক্ষরোপণ এবং আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বেলা ৩টায় তিনি মাদ্রাসায় পৌঁছালে মাদ্রাসার সুপার ও কমিটির সদস্য সচিব মো. ওয়াহিদুজ্জামান তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। পরে তিনি মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে একটি ফুলের চারা রোপণ করেন এবং মাদ্রাসার হল রুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় যোগ দেন। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা এর চেয়ারম্যানের নির্দেশক্রমে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ছালেহ আহমদ কর্তৃক গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ডা. মো. রফিকুল ইসলামকে সভাপতি এবং মাদ্রাসার সুপারকে সদস্য সচিব করে ১০ সদস্য বিশিষ্ট ম্যানেজিং কমিটি অনুমোদন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন অভিভাবক সদস্য মো. মমিনুর রহমান, মো. ছানোয়ার হোসেন, আল আলামিনুল হক, মো. মোজাম্মেল হক; সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক সদস্য আনোয়ারা পারভীন; সাধারণ শিক্ষক সদস্য মো. নজরুল ইসলাম, মো. বেলায়েত হোসেন এবং সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক সদস্য চামেলী আক্তার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঝাওয়াইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান চৌধুরী, সম্পাদক কায়ী খসরু, নগদা শিমলা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, কমিটির সদস্য, মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) স্বাধীনতা কমপ্লেক্স হল রুমে ভূঞাপুর পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাজিব হোসেনের সভাপতিত্বে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে প্রায় ২০০ জন চালককে বিনামূল্যে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ ও বৈধ লাইসেন্স কার্ড প্রদান করা হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা সড়ক নিরাপত্তা, ট্রাফিক আইন, যানবাহন রক্ষণাবেক্ষণ ও যাত্রী সেবার নীতিমালা বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল বিআরটি'র মোটরযান পরিদর্শক এনামুল হক ইয়ন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রফিকুল ইসলাম, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হাদী চকদার, প্রেসক্লাব সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক আসাদুল ইসলাম বাবুল, অধ্যাপক ও সাংবাদিক আখতার হোসেন খান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা লুৎফর রহমান, ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার জাহাঙ্গীর হোসেন (হৃদয়) প্রমুখ। পৌর প্রশাসক রাজিব হোসেন বলেন, “চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। এতে পৌর শহরের যানজট ও দুর্ঘটনা কমবে। এ উদ্যোগটি নিয়মিতভাবে চালু রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
সাজিদ পিয়াল: প্রিপেইড মিটার নিয়ে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ ও ভোগান্তি বেশ সাধারণ ঘটনা। এই ধরনের মিটার ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, যার কারণে অনেকেই মনে করেন এটি ভোগান্তির আরেক নাম। প্রিপেইড মিটারের সাথে সম্পর্কিত কিছু সাধারণ সমস্যা ও হঠাৎ ব্যালেন্স শেষ হয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া অনেক সময় ব্যবহারকারীরা খেয়াল করেন না বা ভুলে যান যে তাদের মিটারের ব্যালেন্স শেষ হয়ে আসছে। এর ফলে হঠাৎ করেই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যা দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত করে। বিশেষ করে রাতে বা ছুটির দিনে এমন হলে ভোগান্তি আরও বাড়ে, কারণ তৎক্ষণাৎ রিচার্জ করা কঠিন হতে পারে ।পোস্টপেইড মিটারে মাস শেষে বিল দেওয়ার সুযোগ থাকে, কিন্তু প্রিপেইড মিটারে নিয়মিতভাবে ব্যালেন্স চেক করতে হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রিচার্জ করতে হয়। অনেক সময় রিচার্জ সেন্টার খুঁজে পাওয়া বা অনলাইনে রিচার্জ প্রক্রিয়ায় সমস্যা দেখা দিতে পারে । অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন যে তাদের মিটার দ্রুত ব্যালেন্স শেষ করে দেয় বা অতিরিক্ত টাকা কেটে নেয়। যদিও এর পেছনে ব্যবহৃত বিদ্যুতের পরিমাণ দায়ী হতে পারে, তবুও এই ধারণা অনেকের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করে মিটারে বিভিন্ন সময় কারিগরি ত্রুটি দেখা দিতে পারে, যেমন ডিসপ্লে কাজ না করা বা রিচার্জের পর ব্যালেন্স যোগ না হওয়া। এসব ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ অফিসের সাথে যোগাযোগ করে সমস্যা সমাধান করা সময়সাপেক্ষ এবং ঝামেলার। অনেক সময় মনে হয় যে প্রিপেইড মিটার ব্যবহারের ফলে বিদ্যুৎ ব্যবহারের উপর সবসময় একটা নজর রাখতে হয়, যা মানসিক চাপের কারণ হতে পারে। যদিও প্রিপেইড মিটার বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়িতা আনতে সাহায্য করতে পারে এবং বিল নিয়ে বিতর্কের সুযোগ কমায়, কিন্তু উপরোক্ত সমস্যাগুলোর কারণে এটি অনেকের কাছে 'ভোগান্তির আরেক নাম' হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থাগুলো এই সমস্যাগুলো সমাধানে কাজ করছে, যেমন অনলাইনে বা মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে সহজে রিচার্জ করার সুবিধা চালু করা
টাঙ্গাইলে গ্রামীণ সড়ক কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর ২০২৫ ইং) সকাল ১১টায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদফতরের আয়োজনে সদর উপজেলা হল রুমে দিনব্যাপী এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামান। কর্মশালায় গ্রামীণ সড়ক কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণকরণ বিষয়ে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গ্রামীণ সড়ক মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন (জিআইএস) স্পেশালিস্ট প্রকৌশলী শিমুল কুমার কুন্ডু। কর্মশালায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কোর রোড হিসেবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮টি রাস্তা প্রশস্তকরণের লক্ষ্যে কর্মশালায় প্রস্তাব আকারে উপস্থাপন করা হয়। যা পরবর্তীতে আরো যাচাই-বাছাই করে রাস্তাগুলো প্রকল্প আকারে বাস্তবায়ন করা হবে বলে সভায় জানানো হয়। টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন মিয়ার সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মদ জাকির হোসেন, হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূর এ আলম, মাহমুদনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসলাম হোসেন, গালা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: নজরুল ইসলাম খান, জেলা গণসংহতি আন্দোলনের আহবায়ক মোখাখারুল ইসলাম প্রমুখ। কর্মশালায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সচিব, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে অবস্থিত এলেঙ্গা রিসোর্টটি বকেয়া ভাড়ার কারণে প্রশাসন সিলগালা করে দিয়েছে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ইজারা নেওয়া জমিতে রিসোর্টটি পরিচালিত হচ্ছিল, কিন্তু রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া পরিশোধ করছিল না। সিলগালা করার কারণ বকেয়া ভাড়া পরিশোধের জন্য সেতু কর্তৃপক্ষ বারবার নোটিশ দিলেও রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ তাতে সাড়া দেয়নি। প্রায় সোয়া কোটি টাকা ভাড়া বকেয়া থাকার পর বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর, ২০২৫) রিসোর্টটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। রিসোর্টটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেখানকার অনেক কর্মচারী অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। তাদের কয়েক মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে এবং এখন বেতন কে দেবে, সে বিষয়ে তারা কিছু জানেন না। উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হওয়ায় এলেঙ্গা রিসোর্টটি স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত। রিসোর্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।গ্রাম-গঞ্জ বকেয়া ভাড়ার কারনে এলেঙ্গা রিসোর্ট বন্ধ করল প্রশাসন জেলা প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল | বকেয়া ভাড়ার কারনে এলেঙ্গা রিসোর্ট বন্ধ করল প্রশাসন উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এলেঙ্গা রিসোর্ট (সাবেক বিরতি) বকেয়া ভাড়ার কারণে সিলগালা করেছে প্রশাসন। বুধবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে ১২ টায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে রিসোর্টটি সিলগালা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে এলেঙ্গা রিসোর্টটি যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের জায়গা ভাড়া নিয়ে পরিচালিত হচ্ছিল। তবে বেশ কয়েক মাসের ভাড়া পরিশোধ না করায় কর্তৃপক্ষ একাধিকবার নোটিশ দেওয়ার পরও কোনো সাড়া না পেয়ে শেষ পর্যন্ত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে রিসোর্টটিতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, এলেঙ্গা রিসোর্টের কাছে ৩০ মাসের ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা ভাড়া বকেয়া রয়েছে। সেতু বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আহসানুল কবীর পাভেল জানান, আমাদের স্টেট ডিপার্টমেন্ট দীর্ঘদিন তারা ভাড়া দেয়নি। এ বিষয়ে বড় ধরনের একটা অডিড আপত্তি হয়েছে। তারি প্রেক্ষিতে অফিসের নির্দেশনায় আমরা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে এলেঙ্গা রিসোর্ট সিলগালা করে দিচ্ছি। কালিহাতী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সায়েদা খানম লিজা জানান, এলেঙ্গা রিসোর্টটি মূলত বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মালিকানাধীন জমিতে প্রতিষ্ঠিত। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য রিসোর্ট পরিচালনার উদ্দেশ্যে জমিটি ইজারা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকার বকেয়া ইজারার অর্থ পরিশোধ না করায় সেতু কর্তৃপক্ষ একাধিকবার চিঠি ও নোটিশ প্রদান করলেও তারা তাতে সাড়া দেয়নি। যার কারণে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। রিসোর্টে কর্মরত কয়েকজন কর্মচারী জানান, এখানে ৫৪ জন লোক কাজ করি। আমাদের প্রায় ছয় মাসের বেতন বাকি। হঠাৎ করে রিসোর্ট বন্ধ হবে এটা আমরা কেউই জানতাম না। এখন বাড়ী যাবো আমাদের কাছে কোন টাকা পয়সা নাই, আমরা বেতনের দাবীতে রাস্তায় দাঁড়াবো। এখানকার মালিক বিদেশে থাকে তাকে আমরা পাইনা, এখন কে আমাদের দাবী পূরণ করবে। স্থানীয়দের মতে, এলেঙ্গা উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হওয়ায় এলাকায় বহু পর্যটক ও যাত্রী অবস্থান করেন। ফলে এই রিসোর্টটি ছিল বেশ পরিচিত একটি প্রতিষ্ঠান। তবে মালিকপক্ষের বকেয়া পরিশোধ না করায় প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য ৩ দালাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান আটক করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের সমস্যা এবং এ বিষয়ে প্রায়শই অভিযোগ পাওয়া যায়। এই দালাল চক্র হাসপাতালের রোগীদের উন্নত চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায়। এতে রোগী ও তাদের স্বজনরা আর্থিকভাবে প্রতারিত ও হয়রানির শিকার হন। এই দালালদের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে এবং অনেককে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। দালালরা সরকারি হাসপাতাল চত্বরেই ঘোরাফেরা করে এবং গ্রাম থেকে আসা সহজ-সরল রোগীদের টার্গেট করে। প্রয়োজনীয় বা অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে রোগীদের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যেতে বাধ্য করে। হাসপাতালের ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া বা জোরজবরদস্তি করার অভিযোগও রয়েছে। এদের কারণে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হয় এবং পরিবেশ নষ্ট হয়। টাংগাইলে হাসপাতালে ৩ জন দালাল আটক। মোবাইল কোটের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান। মারুফ ৩৫ পিতা- মৃত আইন উদ্দিন সাং- বিল ঘারিন্দা থানা ও জেলা টাংগাইল। ৭ (সাত) দিনের জেল। আমিনুর রহমান ৪০পিতা- মৃত সুমন আলী সাং- দাইন্যা, থানা ও জেলা টাংগাইল ১০ (দশ) দিনের জেল।বাবু ২২পিতা- আরজু মিয়া সাং- দিঘুলিয়া থানা ও জেলা টাংগাইল। ৫(পাঁচ) দিনের জেলা।
টাঙ্গাইলে ভারতীয় মথ ডালে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রং মিশিয়ে মুগ ডাল হিসেবে বিক্রির অপরাধে দুই অসাধু ব্যবসায়ীকে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর শহরের ছয়আনী বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিন মিয়া এবং জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল। জানা গেছে, বাজারের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মুগ ডালের নামে মথ ডাল বিক্রি করছে। এর পাশাপাশি ওই ডালে রং মিশিয়ে বাজারজাত করছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযানে নামেন উপজেলা প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে ছয়আনী বাজারের মা লক্ষ্মী এন্টারপ্রাইজ ও অনিক এন্টারপ্রাইজ নামের দুই দোকানে ভারতীয় মথ ডালে মানবদেহের ক্ষতিকর রং মিশিয়ে মুগ ডাল হিসেবে বিক্রির অভিযোগ হাতেনাতে প্রমানিত হয়। এ অপরাধে দুই দোকানের মালিককে ৫০ হাজার টাকা করে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল সাংবাদিকদের বলেন, মুগ ডাল বলে মথ ডাল বিক্রি করা এবং তাতে রং মেশানো স্পষ্ট প্রতারণা। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
০৫/১১/২০২৫ তারিখ টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক জনাব শরীফা হক উপস্থিতিতে জেলার সকল সরকারি কর্মকর্তা এবং ম্যাজিস্ট্রেট , উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বৃন্দ উপস্থিতি ছিলেন। উক্ত অনুষ্ঠানটিতে টাংগাইলের সুযোগ্য জেলা প্রশাসক জনাব শরীফা হক টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি ২০২৫-এর সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক, টাঙ্গাইল-এর কার্যালয়ে জেলা পর্যায়ের এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত সঞ্চালনা করেন এবং এক মাসব্যাপী এই টিকাদান কর্মসূচি চলবে শেষ হবে আগামী ১২ নভেম্বর, ২০২৫ ।
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে অবসরপ্রাপ্ত এক সরকারি কর্মকর্তা হত্যার পর বাড়ির পাশে জঙ্গলে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। ৫ নভেম্বর সকালে উপজেলার চারান উত্তরপাড়া গ্রামে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। নিহত ব্যক্তি একই এলাকার মৃত ওয়াজেদ আলী খানের ছেলে কামাল খান (৬৫)। স্থানীয়রা জানান, কামাল খান সরকারি একটি জাদুঘরে চাকরি করতেন। অবসরের পর পরিবারসহ ঢাকায় বসবাস করতেন। প্রায় এক সপ্তাহ আগে তিনি গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে যান জমি-জমা দেখাশোনার জন্য। মঙ্গলবার রাতে নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। বুধবার সকালে বাড়ির পাশের জঙ্গলে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।নিহত ব্যক্তি একই এলাকার মৃত ওয়াজেদ আলী খানের ছেলে কামাল খান (৬৫)। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, মরদেহের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে হত্যা করে জঙ্গলে ফেলে রাখা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
০২নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার কাইতকাই গ্রামে ঘটে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা। নিহত তোহা স্থানীয় মুক্তার আলী ও রুমি আক্তার দম্পতির কন্যা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুক্তার আলী প্রায় এক বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ছিলেন। পরিবার থেকে তাঁকে চিকিৎসার জন্য নানা জায়গায় নেওয়া হলেও খুব একটা উন্নতি হয়নি। ঘটনার রাতে হঠাৎ তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। নিঃশব্দ ঘরের মধ্যে ঘুমন্ত মেয়ের গায়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছুরি দিয়ে দুই জায়গায় আঘাত করেন। একটি বুকে, আরেকটি পেটে। মুহূর্তেই রক্তে ভেসে যায় ছোট্ট তোহার দেহ। তার ক্ষতবিক্ষত শরীর থেকে বেরিয়ে আসে নাড়িভুঁড়ি। এক বিভীষিকাময় দৃশ্য যা দেখে মূর্ছা যান মা রুমি আক্তার। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন, কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তোহা আর বেঁচে নেই। এদিকে শান্ত গ্রামের মানুষ এখনো বিশ্বাস করতে পারছে না, একজন বাবা এমন নিষ্ঠুর হতে পারে! তোহার নিথর দেহ ঘিরে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা রুমি আক্তার, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা। কেউ বলছেন, তোহার মুখের হাসিটা যেন এখনো চোখে ভাসে। কেউ আবার নিঃশব্দে তাকিয়ে আছে আকাশের দিকে যেন প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছে। একজন পিতা কীভাবে নিজের সন্তানের ঘাতক হতে পারে? ঘটনার পরই ঘাতক বাবা মুক্তার আলী পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘাটাইল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পলাতক বাবাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান শুরু করেছে। ঘাটাইল থানার তদন্ত অফিসার সজল খান বলেন, ঘটনাটি সত্যিই হৃদয়বিদারক। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মুক্তার আলী মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় শিশুটিকে হত্যা করেছে। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে।
০৩/১১/২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৬টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব লাবিবুজ্জামান মুস্তাবীন ও নুসরাত জাহান কর্তৃক পরিচালিত এক অভিযানে "মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮" এর আওতায় ০৭ জন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। টাঙ্গাইল সদর থানাধীন কান্দাপাড়া পতিতালয় ও হরিজন পল্লী সংলগ্ন এলাকায় পরিচালিত উক্ত অভিযানে সেনাবাহিনী, থানা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল এর সমন্বয়ে ৪০ সদস্যের একটি টিম অংশ নেয়। জনস্বার্থে সমগ্র জেলায় এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে । পতিতালয় ও মুচিপট্টিতে বিপুল মাদকদ্রব্য জব্দ, ৭ জন মাদক কারবাড়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ টাঙ্গাইলের কান্দাপাড়া পতিতালয় ও মুচিপট্টি এলাকায় মাদকবিরোধী যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ তৈরির উপকরণ, হেরোইনসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য জব্দ এবং সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।অভিযানে অংশ নেন টাঙ্গাইল সদর আর্মি ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন নাজমুস সাকিবের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি দল এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. সাইফুর রহমানসহ অধিদপ্তরের অন্যান্য সদস্যরা। অভিযানের সেনাবাহিনী, পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যদের তিন দলে বিভক্ত করা হয়। একটি দল কান্দাপাড়া পতিতালয়ে এবং দুটি দল মুচিপট্টির বিভিন্ন বাড়িতে অভিযান চালায়। মুচিপট্টির একটি বাড়ির আঙিনার মাটির নিচের সুরঙ্গ থেকে প্রায় ৩,০০০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণ (ওয়াশ) উদ্ধার ও ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ১০ লিটার চোলাই মদ এবং পাঁচ পুরিয়া হেরোইন জব্দ করা হয়। অভিযানে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় সাতজনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাদণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— রফিকুল ইসলাম (৩ মাস), আমিনুল ইসলাম (৭ দিন),উত্তম রবিদাস (৬ দিন),শামিম (৭ দিন),শাকিব ইসলাম (৭ দিন),সাব্বির (৭ দিন)। এছাড়া বাড়ির মালিক লাসিয়া রবিদাসের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ২০(গ) ধারায় টাঙ্গাইল সদর থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাবিবুজ্জামান মোস্তাবিন এবং পরিদর্শক মো. সাইফুর রহমান বলেন, “টাঙ্গাইলকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।
টাঙ্গাইলে ‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’ উপলক্ষে যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল, ০৪ নভেম্বর ২০২৫: ‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’ উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, টাঙ্গাইলের আয়োজনে আজ এক বর্ণাঢ্য যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক, টাঙ্গাইল। তিনি তাঁর বক্তব্যে তরুণ প্রজন্মকে আত্মবিশ্বাসী, পরিশ্রমী ও লক্ষ্যনিষ্ঠ হয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণে কাজ করার আহ্বান জানান। জেলা প্রশাসক বলেন, “তরুণ উদ্যোক্তারা দেশের অগ্রগতির চালিকাশক্তি। আত্মবিশ্বাস, আন্তরিকতা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে যেকোনো লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।” সমাবেশ শেষে প্রধান অতিথি ২৫ জন তরুণ উদ্যোক্তার মাঝে মোট ১২ লাখ ৭৫ হাজার টাকার চেক বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত যুব প্রতিনিধি, যুব সংগঠক, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে প্রশিক্ষণরত ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সফল উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করেন। এই আয়োজনে তরুণ উদ্যোক্তাদের সাফল্য তুলে ধরা হয় এবং ভবিষ্যতে তাদের আরও উদ্যোগী হতে অনুপ্রাণিত করা হয়। সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।
সাজিদ পিয়াল: ০৪ নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় অটোরিকশার চালক ও যাত্রী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা ১২ টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের দেওহাটা ওভারব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের রানাশাল গ্রামের আজিম উদ্দিনের ছেলে অটোচালক রহিজ সিকদার (৪৬) ও দেওহাটা গ্রামের আজগর আলীর ছেলে আব্দুল হামিদ (৬০)। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা টাঙ্গাইলগামী একটি যাত্রীবাহী বাস দেওহাটা ওভারব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারানো একটি অটোরিকশা হঠাৎ মহাসড়কে উঠে যায়। দ্রুতগতির বাসটি অটোরিকশাকে চাপা দিলে চালক ও যাত্রী গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল সারোয়ার জানান, অটোচালক উল্টো পথে ওভারব্রিজে উঠতে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের লাশ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি আটক ও চালককে শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল জেলাতেও শুরু হয়েছে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাদক বিরোধী অভিযান। এই অভিযানটি শুরু হয় ০২/১১/২০২৫ তারিখ টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি উপজেলা, সখিপুর উপজেলা ও সদর উপজেলায় সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পরিচালিত সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল এর সমন্বয়ে মাদকবিরোধী ৩টি ভিন্ন অভিযান পরিচালনা করে "মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮" এর আওতায় ৫ জন মাদকসেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জনস্বার্থে পুরো জেলায় এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ফরিদপুরের মধুখালীতে গ্রামীণ ব্যাংকের একটি শাখা কার্যালয়ের পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের মাঝখানদি এলাকার রায়পুর শাখায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মধুখালী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংকের রায়পুর শাখার ব্যবস্থাপক নবিনা নুরুল পিয়া বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাত ৩ টার মধ্যে দুর্বৃত্তরা ব্যাংকের দরজায় পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ভিতরে কোন ক্ষতি হয়নি। দরজার সামনে কালো ধোঁয়া দেখা যায়। এ সময় দরজার সামনে পেট্রোলের খালি বোতল ও ন্যাকড়া পাওয়া যায়। এ ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে। মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনার স্থল প্রদর্শন করেছে। কে বা কাহারা আগুন লাগিয়েছে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানেন
টাঙ্গাইলের বাসাইলে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০০ মিটার চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার কাশিল বটতলা এলাকায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে অবৈধ জাল বিরোধী এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে মাছ শিকার করছে একটি চক্র। পরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার কাশিল বটতলা এলাকায় অবৈধ জাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য দপ্তর। এসময় প্রায় ৫০০ মিটার দীর্ঘ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। যার বাজার মূল্য আনুমানিক দেড় লাখ টাকা। অভিযানের সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নেয়ামত উল্ল্যা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাসিবুল ইসলামসহ বাসাইল থানার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং মৎস্য দপ্তরের কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাসিবুল ইসলাম বলেন, ‘চায়না জাল দিয়ে মাছ শিকার করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। ছোট মাছ, মা মাছ রক্ষার্থে এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী অবৈধ এ ধরণের জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মাদকসেবনের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত এক ব্যক্তিকে এক বছর ১১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। গত (৫ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার আনুমানিক রাত ১০টা দিকে, গোপালপুর পৌর এলাকার ডুবাইল গাঙ্গাপাড়া এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় এক ব্যক্তিকে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পরে “মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮” এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে ০১ (এক) বছর ১১ (এগার) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর থানার এসআই নাসির আহম্মেদ ও পুলিশ সদস্যবৃন্দ। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে এবং সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে
টাংগাইল জেলার ০৪/১১/২০২৫ তারিখ কালিহাতি উপজেলার থানাঘাট সংলগ্ন এলাকায় আনুমানিক রাত ১১:৩০ টার সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহ স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত এক অভিযানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টাকালে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী ৫০০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়। এই অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ সহ পুলিশ প্রশাসন বিশেষ ভূমিকা পালন করেন জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে ।
টাংগাইলের সখিপুরে বিভিন্ন কসমেটিক এবং নিত্য প্রয়োজনীয় প্রসাধনীর দোকানগুলোতে এক যোগে অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। ০৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সখিপুর উপজেলার সখিপুর বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল কর্তৃক পরিচালিত এক অভিযানে অবৈধ ও নিষিদ্ধ প্রসাধন সামগ্রী বিক্রয়ের অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী এক প্রতিষ্ঠানকে ১,০০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক নকল প্রসাধন সামগ্রী জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে। তাঁরা নিয়মিত ভাবে মনিটরিং করবে ।জনস্বার্থে সমগ্র জেলায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে ।