আইন-অপরাধ

খাগড়াছড়ি থেকে ইমন হত্যা মামলার দুই আসামি গ্রেফতার করেছে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ

reporter-icon
নিজস্ব প্রতিবেদক: অনলাইন
অক্টোবর ২৩, ২০২৫ | 0

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চোর ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে নিহত ইমন মিয়া (২২) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারনামীয় দুই আসামিকে খাগড়াছড়ি জেলা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নারায়ণগঞ্জ।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর ২০২৫) সকালে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন রনির নেতৃত্বে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ইসলামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামি আল মাহাবুব (৩৭) ও তার পিতা দিল মোহাম্মদ (৬৫)-কে গ্রেফতার করা হয়।

পিবিআই জানায়, গত ৫ অক্টোবর রাতে আড়াইহাজার উপজেলার মারুয়াদী এলাকায় অটোরিকশা চুরির অভিযোগে একজনকে আটক করলে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে ইমন মিয়া গুরুতর আহত হন এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

গ্রেফতারকৃত দুই আসামি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। বুধবার (২২ অক্টোবর) তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত চার দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা কর্তৃপক্ষ জানায়, “ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন ও বাকি আসামীদের গ্রেফতারে পিবিআই-এর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

আইন-অপরাধ

আরও পড়ুন
আতঙ্কে কেঁপে উঠছে ধর্ষণের শিকার শিশুটি, ঈদ কাটল আইসিইউতে

আতঙ্কে কেঁপে উঠছে ধর্ষণের শিকার শিশুটি, ঈদ কাটল আইসিইউতে ২৪ মার্চ নির্যাতনের শিকার কুষ্টিয়ার মাদ্রাসার সেই শিশুশিক্ষার্থীর (১০) ঈদ কেটেছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ)। প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় শিশুটিকে যৌন নির্যাতন করার আলামত পেয়েছেন চিকিৎসকেরা। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।ঈদেও আইসিইউতে শিশু অবস্থা জটিলঈদের আনন্দের দিনটিও কাটছে না নির্যাতিত শিশুটির। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি থাকা এই শিশুটি শারীরিক ও মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। এক দিনের জন্য শিশুটিকে আইসিইউ থেকে ওসিসিতে নেওয়া হলে অবস্থার অবনতি হয়। দ্রুত তাকে আবার আইসিইউতে ফিরিয়ে আনা হয়। আইসিইউ ইনচার্জ আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান শিশুটির বুকে বড় আঘাত রয়েছে, যে কারণে তার কাশির সঙ্গে রক্ত বের হচ্ছিল। তাকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে কাশির সঙ্গে রক্ত আসা বন্ধ হয়েছেবাকিন্তু তার স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লাগবে। তিনি আরও জানান শিশুটির চেতনা আছে। তবে পাশে দাঁড়িয়ে তার বিষয়ে কথা বললেই সে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে কেঁপে উঠছে।শিশুটির বাবা জানান, তার মেয়ের শরীরের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। গায়ে জ্বর। রাতে মাথায় পানি দেওয়ার জন্য তার মাকে ভেতরে ডেকে নেওয়া হয়। শিশুটির মা বলেন কয়েক দিন থেকেই তাঁর মেয়ের জ্বর আসছে। রাতে অনেক জ্বর ছিল। এ জন্য মাথায় পানি দিতে হয়েছে, গা মুছে দিতে হয়েছে। শিশুটি ঘুমাতে পারছিল না।ধর্ষণের স্পষ্ট প্রমাণ সতীচ্ছদ পর্দা ক্ষতিগ্রস্তশিশুটিকে গত ১৬ মার্চ সকালে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার একটি মাদ্রাসা থেকে সংকটাপন্ন অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার শিশুটিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক অবস্থায় যৌন নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানান হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কে বিশ্বাস।গাইনি পরীক্ষার প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে শিশুটির সতীচ্ছদ পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিকিৎসকরা নিশ্চিত হয়েছেন যে শিশুটি যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। নিশ্চিতকরণের জন্য ইতিমধ্যে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।শিশুটির মায়ের ভাষ্য, মেয়েকে ভর্তির পরই তিনি খবর পেয়েছিলেন মাদ্রাসায় শিশুদের নির্যাতন করা হয়। তাই দুই-তিন মাস আগে মেয়ের ভর্তি বাতিল করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু মাদ্রাসার পরিচালকের স্ত্রী তাঁকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে সেখানেই মেয়ে ভালো থাকবে, আর কোনো ঝামেলা হবে না। আশ্বাস পেয়ে তিনি মেয়েকে রেখে আসেন।গত শুক্রবার সন্ধ্যায় মেয়ের সঙ্গে তাঁর শেষ কথা হয়। মেয়ে জানিয়েছিল ঈদের ছুটিতে তাকে মাদ্রাসা থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। রোববার মেয়েকে আনতে মাদ্রাসায় গিয়ে তিনি দেখেন মেয়ের অবস্থা সংকটাপন্ন পেট ফুলে গেছে। কোনো এক আঘাতের কারণে বাঁ পাও ফুলে গেছে। এ বিষয়ে তাঁরা তাঁকে কিছুই জানাননি। মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে যেতে চাইলে মাদ্রাসার পরিচালকের স্ত্রী বলেন আপনার মেয়ের কিছুই হয়নি, বাড়িতে নিয়ে যান।৭-৮ মাস আগে মাদ্রাসায় ভর্তি করেছিলেনশিশুমেয়েটিকে সাত-আট মাস আগে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার একটি কওমি মাদ্রাসায় ভর্তি করেছিল পরিবার। ওই মাদ্রাসার নিচতলায় পরিচালক তাঁর পরিবার নিয়ে থাকেন। আর দোতলায় মাদ্রাসার শিশুশিক্ষার্থীদের রাখা হয়। খাওয়াদাওয়ার জন্য তাদের নিচে আনা হয়। নিরাপত্তার নামে এই ব্যবস্থা শেষ পর্যন্ত নির্যাতনের আস্তানায় পরিণত হয়েছিল।৩ জন গ্রেপ্তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিএ ঘটনায় শিশুটির মা ভেড়ামাড়া থানায় মামলা করেন। মামলায় মাদ্রাসার পরিচালক (সুপার) সাইদুর রহমান, তার সহযোগী হিসেবে তাঁর স্ত্রী ও একজন নারী শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ মূল আসামিরা যাতে পালিয়ে যেতে না পারে সেদিকে নজর রাখতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনের ঘটনা খুব কমই আলোচনায় আসে। অথচ এমন ঘটনা কমছেই না। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের একাধিক ঘটনা সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভিযোগ দমিয়ে রাখতে প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব প্রভাব ব্যবহার করা হয়।সংশ্লিষ্ট মহল বলছেন এসব ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর আইন ও মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো।নির্যাতিত শিশুটির শারীরিক ও মানসিক অবস্থা চিকিৎসকদের বক্তব্য, মায়ের বর্ণনা মামলার বর্তমান অবস্থা এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাচ্ছে। শিশুটির আইসিইউতে চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন মানসিকভাবে সুস্থ হতে তার দীর্ঘ সময় লাগবে। শিশুটির মা জানান তিনি মেয়ের বিচার চান। সমাজের সর্বস্তরে এখন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জোরালো হয়েছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলে পুলিশের অভিযানে ১২ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার ইয়াবা ও গাঁজা

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পারিবারিক বিরোধে পিতাকে হত্যা: পলাতক ছেলে গ্রেফতার

টাঙ্গাইল বিসিকে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা গুরুতর আহত এক ব্যক্তি

ঈদের জামাতের টাকা তোলা নিয়ে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সংঘর্ষ আহত কয়েকজন

ঈদের জামাতের টাকা তোলা নিয়ে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সংঘর্ষ আহত কয়েকজন। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় ঈদের নামাজেরআয়োজনকে কেন্দ্র করে টাকা তোলাকে ঘিরে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২১ মার্চ) উপজেলার কাজিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আসন্ন ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত আয়োজনকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে আগে থেকেই মতবিরোধ চলছিল। বিশেষ করে ঈদের নামাজ উপলক্ষে অর্থ সংগ্রহ এবং ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন নিয়ে দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিন ধরে বিরাজ করছিল।শনিবার সকালে ঈদের জামাত আদায় শেষে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে বলে জানা যায়।সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদেরনাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।ঘটনার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা করে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের মতে সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে এমনঅনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এলাকায় উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।বর্তমানে এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।টাঙ্গাইলে ঈদগা মাঠে দুপক্ষে মারামারী টাঙ্গাইলে ঈদগাহ মাঠে দুপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে শনিবার (২১মার্চ) সকালে ঈদের নামাজের শেষে কাজীপাড়া ঈদগাহ মাঠে এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর মো. ইব্রাহিম। জানা যায়,জেলার কালিহাতী উপজেলায় নারান্দিয়া ইউনিয়নের কাজীপাড়া বেপারী সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি ঈদগাহ মাঠ রয়েছে। সেই মাঠে সকালে ঈদের নামাজ হয়। নামাজ শেষে স্থানীয়দের মধ্যে ঈদের মাঠকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। হাতাহাতির করতে করতে ঈদগাহ মাঠের পাশে একটি পুকুরে একে অপরকে পুকুরের পানিতে চুবাতে থাকে। নারান্দিয়া ঈদগা মাঠের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হাসান জানান ঈদের মাঠে ইমামের টাকা তুলতে এই ঘটনা ঘটে। ঈদগাহ মাঠের সভাপতি সেক্রেটারি নির্দেশনা আসে ঈদের মাঠে ইমামের জন্য টাকা তুলতে। সে টাকা অপরপক্ষ ( ইয়াদ আলীর) লোকজন তুলতে নিষেধ করেন। ভেরি একপর্যায়ে টাকা তোলাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি হাতাহাতি শেষ পর্যায়ে বড় ধরনের মারামারিতে রূপ নেয়। তিনি আরো জানান ইয়াদ আলীর লোকজন তারা বলতে থাকে আমাদের বেপারী সম্প্রদায়ের লোকজন অসচ্ছল। তাই তারা টাকা তুলতে নিষেধ করেন। এছাড়াও এক পর্যায়ে মাঠের সামিয়ানাকে কেন্দ্র করে অনেক কথাই উত্থাপন করেন। স্থানীয়রা জানান,জানা আছে বৃষ্টি হতে পারে সে উপলক্ষে সামিয়ানা ভালোভাবে ভালো মানে সামিয়ানা দিয়ে ঈদগা মাঠটি সাজানোর কথা রয়েছে। তাহলে কেন নিম্নমানের সামিয়ানা লাগান হলো। এদিকে আবার ইমামের টাকা তুলতে হবে। এত টাকা বেপারী সম্প্রদায়ের লোকজনের দেওয়া কষ্ট। এ সমস্ত কথা কাটাকাটি শুরু হয়। প্রথমে ইয়াদ আলীর ছেলে কথাগুলো বলতে থাকেন। সে কথার প্রতি উত্তর দেন আফাজ উদ্দিন এর ছেলে। এভাবেই একে অপরের সাথে ঝগড়া লেগে যায়। সে ঝগড়ায় রুপ নেয় স্থানীয় দুটি পক্ষের মধ্যে। দুটি পক্ষই বেপারী সম্প্রদায়। ঈদগাহ মাঠের সভাপতি গোলাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই খোকন। তারা ঈদগাহ মাঠের হুজুরের টাকা তুলতে বলেন। অপরদিকে আফাজ উদ্দিন এর লোকজন হুজুরের টাকা তুলতে নিষেধ করেন। ঈদগাহ মাঠের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক এবং আফাস উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাদেরকে কাউকে পাওয়া যায়নি এ বিষয়ে নারান্দা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মো. ইব্রাহিম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমার ৬ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি জানান কাজীপাড়া ঈদগাহ মাঠে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। তিনি আরো জানান ঈদগাহ মাঠে ডেকোরেশনে অর্থাৎ মাঠের উপরে সামিয়ানা দেওয়া হয়। সেই সামিয়ানায় বৃষ্টি রোধ করতে না পারায় দু এক জন বলতে থাকেন সামিয়ানা ভালো হয়নি। এরই একপর্যায়ে অপর আরো দুয়েকজন সে সেই কথার উপর সমর্থন জানায়। এভাবেই কথা কাটাকাটি শুরু হয়। মেম্বার ইব্রাহিম জানান, এ বিষয়ে বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে বিষয়টি নিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান মোহর আলীর সঙ্গে কথা হয়েছে তিনি আগামী সোমবার বিষয়টি মীমাংসার জন্য দুপক্ষকে ডাকা হয়েছে।

মার্চ ২১, ২০২৬ 0

কাবারিয়াবাড়ীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন: ইমামসহ সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ, কঠোর পদক্ষেপের দাবি

ধর্ষণের অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর বিপি ইমরান গ্রেপ্তার

সরিষাবাড়ীর কাবারিয়াবাড়ীতে মাদকবিরোধী অভিযান: লিফলেট বিতরণ ও পোস্টারিং, মাদক নির্মূলে গ্রামবাসীর জোর দাবি

টাঙ্গাইলে ‘ব্লোমিং বিউটি বাই মুন’-এ ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান

টাঙ্গাইলে ‘ব্লোমিং বিউটি বাই মুন’-এ ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান নকল পণ্য ও অনিয়মের অভিযোগে জরিমানাটাঙ্গাইল শহরের রেজিস্ট্রিপাড়া এলাকায় অবস্থিত অনলাইনভিত্তিক কসমেটিকস প্রতিষ্ঠান ব্লোমিং বিউটি বাই মুন-এ অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে নকল ও অনিয়মিত কসমেটিকস পণ্য বিক্রির অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করা হয়েছে।ভোক্তা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কসমেটিকস পণ্যের মধ্যে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। কিছু দেশীয় পণ্যের গায়ে বিদেশি ব্র্যান্ডের স্টিকার লাগিয়ে বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠে। এছাড়া বেশ কিছু পণ্যের বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। অভিযানের সময় দেখা যায়, কয়েকটি কসমেটিকস পণ্য নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছিল। এ ধরনের অনিয়ম ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের পরিপন্থী হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল। এ সময় তিনি বলেন বাজারে নকল ও ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো প্রতিষ্ঠান ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ভোক্তা অধিদপ্তর আরও জানায় বাজারে নকল বা অনিয়মিত পণ্য বিক্রির তথ্য পেলে সাধারণ মানুষকে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে বাজারে নকল ও নিম্নমানের পণ্যের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমে আসবে এবং ভোক্তারা নিরাপদ পণ্য ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

মার্চ ১৪, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ ২৬ জন গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলে পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ গ্রেপ্তার ২৪

টাঙ্গাইলে নকল পণ্য বিক্রির অভিযোগে বন্ড, টপটেন ও মেঘামার্টকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা

টাঙ্গাইলে নকল পণ্য বিক্রির অভিযোগে বন্ড, টপটেন ও মেঘামার্টকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা

0 মন্তব্য