২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার পল্টনে সংঘটিত লগি-বৈঠার তাণ্ডব ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা থানা চত্বরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আমির অধ্যক্ষ মো. হাবিবুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের জামায়াত মনোনীত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা হুমায়ুন কবির। সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা ইদ্রিস হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা রাফিউল আলম রুমু, উপজেলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আব্দুল মান্নান এবং উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক উবাইদুল্লাহ। ফরহাদ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি উপজেলা বাজার ও প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়। বক্তারা বলেন, “২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের পল্টন হত্যাযজ্ঞ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কলঙ্কিত অধ্যায়। আমরা সেই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার চাই এবং দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।” সমাবেশে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের জামায়াতে ইসলামি ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের অসংখ্য নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার আজ (বুধবার) কক্সবাজারে ব্র্যাক কর্তৃক বাস্তবায়িত এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত ‘PLEASE (Plastic Waste Recycling for Livelihood, Environment and Sustainability Enhancement)’ প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির বিশেষ সহকারী ও গবেষক ড. সাইমুম পারভেজ। PLEASE প্রকল্পটি বাংলাদেশের অন্যতম উদ্ভাবনী পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ, যার লক্ষ্য প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে টেকসই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে রূপান্তর করা। প্রকল্পটি নাগরিকদের সচেতন করে বর্জ্য পৃথকীকরণে উৎসাহিত করছে, নিরাপদ সংগ্রহ ও নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করছে এবং সংগৃহীত প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার করে তৈরি করছে মানসম্মত ও জলবায়ু সহনশীল আসবাবপত্র। এই উদ্যোগ কেবল পরিবেশ সুরক্ষাই নয়, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পরিদর্শন শেষে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, “বিএনপি তার ৩১ দফা রাষ্ট্র মেরামতের এজেন্ডায় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলাকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়েছে। এর অন্যতম প্রতিশ্রুতি হলো—দেশব্যাপী বর্জ্য সংগ্রহ, পৃথকীকরণ, নিরাপদ নিষ্পত্তি ও পুনর্ব্যবহারের একটি সমন্বিত জাতীয় ব্যবস্থা গঠন।” তিনি আরও বলেন, “বর্তমান বাংলাদেশে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রায় অদৃশ্য—রাস্তাঘাট, নদী ও খালের পাশে অগণিত বর্জ্য ফেলায় পরিবেশ দূষণ বাড়ছে, রোগবালাই ছড়াচ্ছে, আর অর্থনীতি হারাচ্ছে তার উৎপাদনশীল শক্তি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি এই অচলাবস্থা ভেঙে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে নাগরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করা হবে।” তিনি প্রকল্পে কর্মরত নারী ও তরুণ কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাঁদের কাজের প্রশংসা করে বলেন, “এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণ, বিশেষ করে নারী ও তরুণরা বিকল্প আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন। একদিকে পরিবেশ রক্ষা হচ্ছে, অন্যদিকে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে—এটাই টেকসই উন্নয়নের প্রকৃত রূপ।” ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে ড. হায়দার বলেন, “বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রতিটি পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে, যেখানে স্থানীয় সরকার, বেসরকারি খাত ও জনগণ একসঙ্গে কাজ করবে। এভাবেই আমরা ‘Green Bangladesh’ গড়ে তুলব—যেখানে পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক হবে।” তিনি আরও বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতের এজেন্ডা শুধু রাজনৈতিক সংস্কার নয়—এটি একটি সমন্বিত জাতীয় পুনর্জাগরণের রূপরেখা, যেখানে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য, পরিবেশ, কর্মসংস্থান এবং ডিজিটাল রূপান্তর একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। আমরা মাঠে নেমে সফল মডেলগুলো পর্যবেক্ষণ করছি, যাতে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিকল্পনায় এগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা যায়।” ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “যদি রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রযুক্তি, স্থানীয় উদ্ভাবন ও জনগণের অংশগ্রহণ একসঙ্গে কাজ করে, তবে বাংলাদেশ একদিন দক্ষিণ এশিয়ার পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মডেল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। স্বাস্থ্যসম্মত ও টেকসই বাংলাদেশ গড়াই এখন আমাদের জাতীয় অঙ্গীকার।”
টাঙ্গাইল জেলায় আসন্ন ২০২৬ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সদর ৫ আসন জুলাই সনদ এবং নানাবিধ কার্যকলাপ বাস্তবায়নের আদেশ জারি ও নভেম্বরের মধ্যেই গণভোটের আয়োজনসহ ৫ দফা দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে জেলা জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬ ইং) তারিখে শহরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সমাবেশ করে তারা। দাবিগুলো হলো, জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচনে PR পদ্ধতি চালু, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম-নির্যাতন ও দুর্নীতির বিচার এবং জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা। সমাবেশে টাঙ্গাইল জেলা আমির আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্ব করেন। টাঙ্গাইল জেলার জামায়াতী ইসলামে সদর ৫ আসনের প্রার্থী আহসান হাবীব মাসুদ বলেন,দেশ নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। হাজারো ছাত্র-জনতার জীবনের বিনিময়ে অর্জিত জুলাই বিপ্লবকে নস্যাৎ করার দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আমরা দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে জাতিকে সঠিক গন্তব্যে নিয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ। সদর উপজেলা আমির অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন বাদলের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নায়েবে আমির অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারি মাওলানা হুমায়ুন কবির, সহকারী সেক্রেটারি হোসনে মোবারক বাবুল, অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান, খেলাফত মজলিসের জেলা সহসভাপতি মুফতি আব্দুর রহমান মাদানি, খেলাফত মজলিসের জেলা সেক্রেটারি শহীদুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি শহীদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান, অধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান কোরায়েশী, শহর আমির অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ। এই বিক্ষোভ সমাবেশে সবাইকে ধৈর্য এবং শান্ত থাকার জন্য আহ্বান জানান এবং দেশের সকল নেতাকর্মীদের সঠিকভাবে কার্যকলাপ অংশগ্রহণ করতে আহ্বান জানান।
সাজিদ পিয়াল: গোপালপুর উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে ২৭/১০/২০২৬ইং তারিখে গোপালপুর উপজেলা ও পৌর মৎস্যজীবী দল এর উদ্যোগে বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশ নায়ক তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন উপলক্ষে লিফলেট বিতরণের প্রস্তুতি মিটিংয়ের আয়োজন করা হয়। উক্ত মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন মোঃ শফিকুল ইসলাম সভাপতি গোপালপুর উপজেলা মৎস্যজীবী দল সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজিম তালুকদার মোঃ দোলয়ার হোসেন সহ সভাপতি গোপালপুর উপজেলা মৎস্যজীবী দল যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল করিম মোঃমারুফ হোসেন সাধারণ সম্পাদক পৌর মৎস্যজীবী দল আরো উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর উপজেলার সকল ইউনিয়ন ওয়ার্ড মৎস্যজীবীদলের নেতৃবৃন্দ।
সাজিদ পিয়াল: কৃষকদের সুবিধার্থে একই দোকানে সার ও বীজ বিক্রয়ের অনুমতি প্রদানের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে টাংগাইল জেলা (BADC) বীজ ডিলাররা। ২৮ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (BADC) বীজ ডিলার টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এই মানববন্ধনে অংশ নেন টাংগাইল জেলার বিভিন্ন উপজেলার বীজ ডিলাররা। বক্তব্য রাখেন জেলা বীজ ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মো. আরিফুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক বিপ্লব হোসেন এবং সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি এবং তাঁদের দাবি পাঠানোর জন্য জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেন। উক্ত অনুষ্ঠানটিতে বক্তারা উল্লেখ্য করেন ২০১০ সালের নীতিমালা অনুযায়ী বীজ ডিলাররা এক বছর পর সার ডিলারে রূপান্তরিত হওয়ার সুযোগ পায়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেই ডিলারশিপ না পাওয়ায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। একই দোকান থেকে যেন সার ও বীজ বিক্রির সুযোগ পেলে কৃষকরা এক জায়গায় সব কৃষি উপকরণ সংগ্রহ করতে পারবেন। এতে সময় ও খরচ দুইটিই বাঁচবে। আরও বলেন, ‘কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী আমরা বিএডিসির মানসম্মত বীজ সরবরাহ করে আসছি। কৃষকের সুবিধার্থে বীজ ডিলারদের সার ডিলারশিপ দ্রুত বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানানো হয়।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অভিযান চালিয়ে চুরি,ছিনতাই, চাঁদাবাজি,ডাকাতি ও একাধিক মাদক মামলাসহ মোট ১৪ (চৌদ্দ) টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার অপরাধী জাহাঙ্গীর আলম ওরফে কসাই জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ (সিপিসি-৩) নোয়াখালী ক্যাম্পের সদস্যরা। রবিবার দুপুরে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানাধীন মিরওয়ারীশপুর ইউপির ১নং ওয়ার্ডস্থ রিয়াজ স্টোরের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন র্যাব-১১,নোয়াখালী ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মিঠুন কুন্ড । তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ থানায় ২০১৮ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় (মামলা নং-১৩,তারিখ-১৮/০৭/২০২৫ইং) বিচারকার্য চলাকালে পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এর ভিত্তিতে আজ তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি আরও জানান গ্রেফতারকৃত কসাই জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ থানায় উল্লেখিত মাদক মামলা ছাড়াও আরও ১৩টি মামলা রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে রয়েছে চুরি,ছিনতাই,চাঁদাবাজি, ডাকাতি এবং বিভিন্ন ধারার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একাধিক মামলা। দীর্ঘদিন ধরে সে গ্রেফতার এড়ানোর জন্য পলাতক ছিল। র্যাব-১১,সিপিসি-৩ এর চৌকস দল গোয়েন্দা কার্যক্রমের মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত করে এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি বলে স্বীকার করে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত কসাই জাহাঙ্গীরকে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে ঘুমের মধ্যে এক মাদরাসা ছাত্রকে বিভৎসভাবে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত ছাত্রকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম। এর আগে, রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডের বাটরা আল মাদরাসাতুল ইসলামিয়া মাখফুনুল উলুম মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো.নাজিম উদ্দিন (১৩) উপজেলার চাষীরহাট ইউনিয়নের জাহানাবাদ গ্রামের ওবায়েদ উল্ল্যার ছেলে। অপরদিকে, আটক আবু ছায়েদ (১৬) ময়মনসিংহ জেলার টেঙ্গাপাড়া গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাটরা আল মাদরাসাতুল ইসলামিয়া মাখফুনুল উলুম মাদরাসার আবাসিক বিভাগে থেকে নাজিম ২২ পারা ও ছায়েদ ২৩ পারা পবিত্র কোরআন হেফজ সম্পন্ন করে। গত ১০-১৫ দিন আগে টুপি পরা নিয়ে নাজিম ও আবু ছায়েদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে মাদরাসার এক শিক্ষক বিষয়টি জানতে পেরে তাদের মধ্যে মিটমাট করে দেয়। কিন্ত এ ঘটনার জের ধরে নাজিমের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে সোনাইমুড়ী বাজার থেকে ৩শত টাকা দিয়ে একটি ধারালো ছুরি কিনে নিয়ে আসে ছায়েদ। প্রতিদিনের ন্যায় রোববার রাতে মাদরাসার আবাসিক কক্ষে ঘুমিয়ে যায় ১৪জন ছাত্র ও একজন শিক্ষক। রাত আড়াইটার দিকে অন্য ছাত্রদের অগোচরে ছায়েদ ঘুম থেকে উঠে ঘুমের মধ্যে নাজিমকে জবাই করে দেয়। ওই সময় নাজিমের গলার গোঙরানির আওয়াজ শুনে একই কক্ষে থাকা ছাত্র-শিক্ষক ঘুম থেকে জেগে উঠে এ ঘটনা দেখতে পায়। সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, খবর পেয়ে ভোররাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। অভিযুক্ত ছাত্রকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি জব্দ করা হয়। টুপি পরা নিয়ে দুই ছাত্রের মধ্যে বিরোধের সূত্র ধরে এ হত্যাকান্ড ঘটে। লাশের সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ভুঞাপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে নবগঠিত কমিটির পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর ২০২৫) সকাল ১০টায় উপজেলার দেওয়ান বাড়ি বাহাতুন্নেসা হাফিজা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। তেলাওয়াত করেন হাফেজ ক্বারী মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ভুঞাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা মাহ্ফুজুর রহমান (দা.বা.)। সভায় প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল— সমাজে ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে করণীয়, আহলে হক উলামায়ে কেরামদের ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও সুসংগঠিত করার দিকনির্দেশনা। বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে ইসলামবিরোধী বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন “ইসকন”-এর আত্মঘাতী কর্মকাণ্ড থেকে মুসলিম সমাজকে রক্ষা করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তারা আরও বলেন, আলেম ওলামাদের হক কথা বলার ক্ষেত্রে বা মসজিদের খেদমতে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে হেফাজতে ইসলাম ভুঞাপুর উপজেলা শাখা যেন পাশে দাঁড়াতে পারে। সভায় বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুফতি শহিদুল ইসলাম ভূঞাপুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মুনজুরুল হাসান, সহ-আইনবিষয়ক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা সালিম আহমাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুফতি আল আমিন কাসেমী, সহ-সভাপতি হাফেজ মাওলানা শফিউর রহমান, সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুস সালাম, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা হযরত আলী, মুফতি আবু ইউসুফ, সহ-সভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুল কাদের, মাওলানা মাহদী হাসান শিবলী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল্লাহ আল হুসাইন, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মুফতি সোহাইল হাসান এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি সাব্বির আহমাদ প্রমুখ। সর্বশেষে নবগঠিত কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মুফতি শহীদুল্লাহ্ আন্দিপুরী (দা.বা.)। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন সভাপতি হাফেজ মাওলানা মাহ্ফুজুর রহমান (দা.বা.)।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন- আমাদের শাপলা প্রতীক না দেওয়ার কোনো প্রশ্নই নেই। যেহেতু আইনগত বাধা নেই। যখন একটা জিনিস আমার প্রাপ্য-এনসিপির প্রাপ্য যখন সেটা দেওয়া হবে না এইটা কেমন কথা অবশ্যই স্বেচ্ছাচারী আচরণের বিরুদ্ধে আমার লড়াই করতে হবে। এনসিপির যদি প্রয়োজন হয়, এনসিপি এই লড়াইটা রাজনৈতিকভাবে রাজপথে করবে। যদি প্রয়োজন হয় বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ৪৯৫টি উপজেলার এনসিপির অভ্যুত্থানের নেতৃবৃন্দ রাজপথে নেমে এই অধিকারের জন্য লড়াই করবে। আমরা শাপলা প্রতীক নিয়েই আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। (২৭ অক্টোবর ২০২৫ ) সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংগঠনের জেলা সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের সারজিস আলম এসব কথা বলেন। সারজিস আলম জুলাই সনদে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটি রাজনৈতিক দলের স্বাক্ষর নেই, সেই জুলাই সনদে অভ্যুত্থানে করে সামনের সারিতে থেকে অভ্যুত্থানকে সংগঠিত করেছে এবং নেতৃত্ব দিয়েছে তাদের প্রতিনিধিত্ব করা রাজনৈতিক দলের স্বাক্ষর নেই, আমরা মনে করি ওই অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের সামগ্রিক মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি। এই জুলাই অভ্যুত্থানের পরে এই জুলাই সনদ এখন পর্যন্ত অসম্পূর্ণ জুলাই সনদ। এই জুলাই সনদ দিয়ে দায়সারা ভাব নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হতে পারে না। তাদেরকে এই দায়বদ্ধতা পূরণ করে নির্বাচনের কথা চিন্তা করতে হবে।
ভয় আর আতঙ্কের দেশে আমাদের বেঁচে থাকা আজকের বাংলাদেশে বেঁচে থাকাটাই যেন এক ধরণের চ্যালেঞ্জ। চারপাশে অদ্ভুত এক আতঙ্ক— মনে হয়, যেকোনো সময় কিছু একটা ঘটে যেতে পারে। রাস্তায় বেরোলেই নিরাপত্তার অভাব, ঘরে বসেও শান্তি নেই। মানুষ যেন এক অনিশ্চয়তার দোলাচলে দিন কাটাচ্ছে। জীবনের কোনো গ্যারান্টি নেই— সকালে যে বেরিয়ে যায়, সে হয়তো আর ফিরে আসে না। অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে বিপদ, সত্য বললে শত্রু তৈরি হয়। এ যেন এমন এক সমাজ, যেখানে সততা দুর্বলতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে, আর মিথ্যা আর ক্ষমতার দম্ভই নিত্যদিনের নিয়ম। ভয়, আতঙ্ক, অবিশ্বাস— এগুলো এখন মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে। কখনও কখনও মনে হয়, আমরা স্বাধীন দেশে থেকেও এক অদৃশ্য বন্দিশালায় আটকে আছি। বিচার চাইলে হুমকি আসে, অধিকার চাইলে মামলা হয়। দুর্নীতি, মিথ্যাচার, প্রতারণা যেন এখন সমাজের চালিকাশক্তি। মানুষের মানবতা হারিয়ে যাচ্ছে— নিজের নিরাপত্তার জন্য অন্যের কষ্টকেও অনেকে উপেক্ষা করছে। তবুও, আমি এখনো আশাবাদী। কারণ এই দেশের মাটিতে এখনো সত্যিকারের সৎ মানুষ আছে— যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পায় না, যারা এখনও আল্লাহর ভয়ে অন্যের ক্ষতি করতে চায় না। তাদের হাতেই একদিন পরিবর্তনের সূচনা হবে। আমরা চাই এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে মানুষ ভয় নয়, ভালোবাসা নিয়ে বাঁচবে। যেখানে ন্যায়বিচার থাকবে সবার জন্য সমান, যেখানে সত্য কথা বলাই সাহস নয়, স্বাভাবিক অধিকার হবে। আমরা চাই এমন এক দেশ, যেখানে জীবনের গ্যারান্টি হবে নিরাপত্তা নয়— হবে শান্তি, হবে বিশ্বাস।
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে কাভার্ড ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে বটগাছে ধাক্কা লেগে রাশেদ মিয়া (৩০) নামে এক চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে কালিহাতী থানার পশ্চিম পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বড় কাভার্ড ভ্যান হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি বিশাল বটগাছে সজোরে আঘাত হানে। এতে চালক রাশেদ মিয়া গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রাশেদ মিয়া নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানার নাউয়াপাড়া গ্রামের মোতাহের হোসেনের ছেলে। কালিহাতী হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মাহবুব হোসেন জানান, একটি সিমেন্টবোঝাই কাভার্ড ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে থানার পাশে গাছে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই চালক নিহত হন। মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য ওই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত কাভার্ড ভ্যানটি উদ্ধার করে নিয়ে গেছে।
সুনামগঞ্জ-৪(সদর ও বিশ^ম্ভরপুর) আসনের সর্বস্তরের সম্মানিত ভাই ও বোনেরা, আপনাদেরকে আমার সশ্রদ্ধ সালাম ও আদাব জানাচ্ছি। আমি আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৪(সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনে ধানের শীষের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে চাই। তাই আমি আপনাদের এক স্বজন,সন্তান,ভাই ও বন্ধু হিসেবে আপনাদের নিকট আমার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি এবং আগামীতে এই আসনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আমার পরিচিতি সম্পর্কে সর্ব প্রথমে আপনাদের কাছে উল্লেখ করতে চাই, আমি হোসেন পাঠান (বাচ্চু) সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গড়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা। আমার পিতা মরহুম (সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন) আব্দুল ওয়াদুদ পাঠান ও পরবর্তীতে চাকরি শেষে আমার পিতা মানুষের কল্যাণের স্পৃহায় অনুপ্রাণিত হয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে ভূমিকা রেখে ১৯৭০ সালে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন তৎকালীন সময়ে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এছাড়াও মানুষের কল্যাণের লক্ষ্যে একাধারে তিনবার লক্ষণশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হয়ে অত্যন্দত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করে গেছেন। আমার মাতা মরহুমা লিলি বেগম চৌধুরী সুনামগঞ্জ মহিলা সমিতির সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও তখনকার রাজনৈতিক শূন্যতায় ১৯৭৮ সালের শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিনি দেশে বহু দলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জনমত গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে গেছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠনে তৎকালীন সময়ে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে তিনি ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন। আমার চাচা মরহুম অধ্যক্ষ ডা. আব্দুর রাকিব ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ থাকাকালীন এলাকার মানুষের সু- চিকিৎসার দায়িত্ব পালনে যথেষ্ঠ সহযোগিতা প্রদান করে পরিচিত জনদের নিকট আজও স্বরণীয় হয়ে আছেন! আমার বাল্যজীবন ও শিক্ষা জীবন সুনামগঞ্জে সমাপ্ত করে ঢাকার নটরডেম কলেজে পড়াশোনা শেষে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার জন্য সেখানে অধ্যয়ন শেষে প্রবাসে কর্মজীবন শুরু করার পাশাপাশি বিএনপির নিউজার্সি ষ্টেট (নর্থ) ইউএসএ (য়ুক্তরাষ্ট্র)”র সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমার ছোট ভাই ফরিদ পাঠান শিক্ষা জীবন সম্পন্ন করে আমেরিকার সেনাবাহিনীতে ইঞ্জিনিয়ার পদে যোগদান করে যথেষ্ট সুখ্যাতি অর্জন করেন। উল্লেখ্য, দেশে থাকাকালীন সময়ে আমার পিতার সংস্পর্শে থাকার সুবাদে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া দল বিএনপি রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ি। পরবতীতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে আমেরিকা যাওয়ার আগে সিলেটে ও ঢাকায় ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে যাই। আমেরিকা এসে ও বিএনপির আদর্শিকতার রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়ে, পরবর্তীতে আর রাজনীতির নেশা থেকে আজ অবধি মুক্ত হতে পারেনি। বিগত এরশাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আমেরিকাতে জনমত সংগঠিত করার জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্মসূচি পালন করেছি। তাছাড়া ১/১১ মঈন ফখরের বিরুদ্ধে তৎকালীন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অধীনে সরকারের নিকট থেকে ক্ষমতা হাইজ্যাক করে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেয়া, এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের বিরুদ্ধে নির্যাতনের প্রতিবাদে বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছি। এছাড়াও স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ জালিম ও স্বৈরাচারী আওয়ামী ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে বহির্বিশ্বে সরকারের খুন, গুম ও আয়নাঘরের নির্মম নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। যার পরিপ্রেক্ষিতে আমি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী জালিম সরকারের রুদ্ররোষের শিকারে পড়ে বহু প্রতিকূল সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি। আমি আমেরিকাতে জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতি বিকশিত করার লক্ষ্যে লন্ডনে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সাথে দেখা করে দেশের রাজনীতি এবং আমাদের সুনামগঞ্জের বিভিন্ন সমস্যা বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করেছি। এছাড়াও প্রবাসী বাঙালিদের কল্যাণে বৃহত্তর সুনামগঞ্জবাসীর সহযোগিতায় সুনামগঞ্জ জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হয়ে সকলের মতামতের সাথে সম্পৃক্ত থেকে কাজ করে যাচ্ছি। আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, আমি হঠাৎ কেন নির্বাচনের প্রার্থী হলাম। আপনারা নিশ্চয়ই অবগত বিগত দুই দশক যাবৎ দেশে বিগত স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার মানুষের ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সহ অনেক মৌলিক অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে ছিল, দলীয়করণ, আত্মীয়করণ, বংশীয়করণের মাধ্যমে মেধা এবং যোগ্যতাকে পদদলিত করে তাদের দলীয় ও অযোগ্য ব্যক্তিদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিয়ে, মেধাবী ও যোগ্য মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়ে ছিল। অনুরূপভাবে দলীয়করণের কারণে আজ আমাদের এলাকার অনেক মেধাবী ছাত্র ছাত্রী নিজেদের যোগ্যতা থাকা সত্বে সরকারি চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছে। পড়াশোনা শেষ করে আজ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না থাকায় দারিদ্র্যের অভিশাপে শিক্ষিত যুবক যুবতীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। পূর্ন জেলার মর্যাদায় স্বীকৃতি পেয়ে ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আজ আমরা যথেষ্ট পিছিয়ে পড়েছি। শহরের রাস্তাঘাটের করুণ অবস্থা, খাবার পানি সংকট, কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকা, দরিদ্র মানুষের শিক্ষার ক্ষেত্রে নানাবিধ প্রতিবন্ধকতা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণে স্থায়ী সমাধান না করে, প্রতি বছর হরিলুটের কান্ড সুনামগঞ্জের নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়। সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহণ করে আমি সুনামগঞ্জের নাগরিক হিসেবে গর্ববোধ করছি! সর্বোপরি সুদুর প্রবাসে থাকলে ও সুনামগঞ্জের মাটি ও মানুষের সাথে আমার আত্মার সম্পর্ক। জীবনের স্মৃতি বিজড়িত সুনামগঞ্জের মাটি আমার খ্যাতি, প্রতিটি মানুষ আমার স্বজন, প্রতিটি ঘর আমার ঘর। তাই আমার এই পরিণত বয়সে অনেক শ্রদ্ধার মুরব্বীদের অনেকেই আজ জীবিত নেই! কিন্তু তাদের চেষ্টায় আমাদের এলাকা এখন জেলায় উন্নীত হয়েছে।সেই জন্য আমরা আমাদের প্রয়াত মুরুব্বিদের প্রতি সম্মান জানিয়ে আল্লাহতালার দরবারে প্রার্থনা করছি, মহান আল্লাহ পাক যেন, তাদেরকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করে নেন। আমার বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে, আমার মনে বদ্ধমূল আস্থা জন্মেছে, দলের নেতৃবৃন্দের সাথে, পরিচয়, সম্পর্ক ও আন্তরিকতার সুবাদে আপনারা যদি আমাকে সমর্থন করে আমার পক্ষে আপনাদের মতামত ব্যক্ত করেন, তবে আমি আমার এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করতে সক্ষম হবো! পরিশেষে আপনাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করে, আপনাদের সদয় সহানুভূতি কামনা করছি।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম এলাকায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোট ও পি.আর. পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে গণসংযোগ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণসংযোগে নেতৃত্ব দেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুয়াপুর) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশী ও উপজেলা আমীর অধ্যক্ষ মো: হাবিবুর রহমান তালুকদার। তিনি হেমনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পথসভা ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এসময় তিনি বলেন, “আগামীর বাংলাদেশ হবে নিরাপদ ও সুন্দর— ইনশাআল্লাহ, যদি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয় সৎ ও আল্লাহভীরু নেতৃত্বের হাতে।” এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর শহর জামায়াতের বিভিন্ন শাখার নেতা-কর্মীরা। গণসংযোগ শেষে অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান তালুকদার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট ও পি.আর. পদ্ধতির নির্বাচনের দাবিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
নেত্রকোণায় ‘ইতিহাস ঐতিহ্যের সুসঙ্গ দুর্গাপুর’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি বিরিশিরি এর আয়োজনে সোমবার (২৭ অক্টোবর) ওয়াইএমসিএ মিলনায়তনে এই সেমিনার আয়োজন করা হয়। সেমিনারের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও এডভোকেট এম এ জিন্নাহ। কালচারাল একাডেমির পরিচালক কবি পরাগ রিছিলের সভাপতিত্বে ও নৃত্য শিক্ষক মালা মার্থা আরেং এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রভাষক তোবারক হোসেন খোকন। এই আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন - সিনিয়র সাংবাদিক এস এম রফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব এম রফিকুল ইসলাম এবং একাডেমির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সন্ধ্যা রানী হাজং। সেমিনারে আলোচনাকালে বক্তারা বলেন, সুসঙ্গ দুর্গাপুর একটি ইতিহাস ঐতিহ্য সমৃদ্ধ উপজেলা। সুসঙ্গ দুর্গাপুরের শত শত বছরের প্রাচীন ইতিহাস রয়েছে। এটি নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপরূপ অঞ্চল। এখানকার পর্যটনের রয়েছে বহুমুখী সম্ভাবনা। সেই সম্ভাবনাকে আরো বেশি জাগিয়ে তুলতে হলে সকলের জায়গা থেকে কাজ করতে হবে। এজন্য নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে। এখানকার ইতিহাস-ঐতিহ্য লালন করে একটি সুখী সমৃদ্ধ আগামীর দুর্গাপুর গড়ে তুলতে হবে। এখানে রয়েছে বহু জাতিগোষ্ঠীর বসবাস। বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি এই দুর্গাপুরকে করেছে অনন্য। এই সেমিনারে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অর্ধশত শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাইমহাটি এলাকা থেকে গোলাপী বেগম (৩০) নামে তিন সন্তানের জননী রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছেন। তিনি গত ২৩ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। নিখোঁজ গোলাপী বেগমের স্বামী মোঃ আব্দুল কাদের টাঙ্গাইল নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, তার স্ত্রী নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো তথ্য পাননি। তিনি আরও জানান, তাদের তিন কন্যা সন্তান রয়েছে— বড় মেয়ে ১৪ বছর বয়সী (প্রতিবন্ধী), দ্বিতীয় মেয়ের বয়স ৫ বছর এবং ছোট মেয়েটির বয়স মাত্র ৫ মাস। স্ত্রীকে না পেয়ে এখন পুরো পরিবার গভীর উদ্বেগে রয়েছে। কেউ যদি নিখোঁজ গোলাপী বেগমের সন্ধান পান, তাহলে স্বামী মোঃ আব্দুল কাদেরের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। 📞 যোগাযোগ: ০১৮২৪-২৬৩৪৩৯
টাঙ্গাইলের সখীপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ ৬ হাজার ৪০০ টাকা সহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে সখীপুর থানা পুলিশ। শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে সখীপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গড়গোবিন্দপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। মাসুদ রানা (৩৮), পিতা সাহেদ আলী, মাতা মৃত বেহুলা, সাং শাহিন স্কুলের পাশে, ৭ নম্বর ওয়ার্ড, সখীপুর পৌরসভা।মোঃ নাজমুল হোসেন (২৫), পিতা মোঃ মোতালেব হোসেন, মাতা শাহানাজ বেগম, সাং প্রতিমাবংকী, ইউনিয়ন দাড়িয়াপুর। মোঃ আশিক মিয়া (২৮), পিতা আঃ রাজ্জাক, মাতা রত্না বেগম, সাং লাঙ্গুলিয়া বংশীবাড়ী, থানা সখীপুর।পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৬০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ ৬৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতা আহসান হাবীব মাসুদ। তিনি ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, মোটরসাইকেল শোডাউন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। স্থানীয় সূত্র বলছে, আহসান হাবীব মাসুদ দীর্ঘদিন ধরে টাঙ্গাইল সদর ও আশপাশের এলাকায় সংগঠনকে গতিশীল রাখতে কাজ করছেন। তার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত গণসংযোগ কর্মসূচি ও মানবিক কার্যক্রমে সাধারণ মানুষ ও জামায়াত সমর্থিত নেতাকর্মীদের মাঝে অন্যরকম আমেজ লক্ষ্যণীয়। অন্যদিকে, এই আসনে বিএনপি ও অন্যান্য দলের প্রার্থীরাও মাঠে সক্রিয়। ফলে আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বহুপ্রার্থীপূর্ণ ও প্রতীকভিত্তিক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আহসান হাবীব মাসুদের পক্ষে একটি দৃশ্যমান সংগঠনিক শক্তি গড়ে উঠলেও চূড়ান্ত সাফল্য নির্ভর করবে নির্বাচনী পরিস্থিতি, জোটসমন্বয় ও ভোটারদের মনোভাবের উপর। জামায়াতপন্থি নেতারা জানিয়েছেন, তাঁরা “ন্যায়ভিত্তিক পরিবর্তন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা লক্ষ্যে মাঠে নামবেন। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আহসান হাবীব মাসুদকে নিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখা যাচ্ছে কেউ তাঁকে তরুণ নেতৃত্বের বিকল্প হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাঁর সম্ভাবনাকে সীমিত মনে করছেন। টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনে এখন সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটি হয়ে উঠেছেন আহসান হাবীব মাসুদ।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে হাত,পা বাধা অবস্থায় অজ্ঞাত পরিচয় এক নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে মির্জাপুর থানার পাশে বারোখালি খাল থেকে এই লাশ উদ্ধার করেন এবং সেখানে উপস্থিত ছিলেন এলাকাবাসী এবং স্থানীয় থানার কর্মকর্তারা। তবে উদ্ধার হওয়া নারী তিনদিন আগে নিখোঁজ হওয়া থানার পাশের বাসিন্দা গোলাপী বেগমের বলে দাবি করেছেন তার স্বামী আব্দুল কাদের। তিন দিন আগে মির্জাপুরে নিখোঁজ হয়েছিলেন গোলাপি বেগম নামের একজন নারী। নদী থেকে লাশটি তোলার পরে তার পোশাক দেখে তার স্বামী আব্দুল কাদের তাকে সনাক্ত করেন যে এই সেই নিখোঁজ হওয়া তার স্ত্রী গোলাপি বেগম। লাশটি ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং মির্জাপুর থানা কর্মকর্তা তিনি এই বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন যেন দোষীরা দ্রুত গ্রেফতার হয় এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করবেন। তার সাথে এলাকাবাসী আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন প্রশাসনের নিকট।
টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার করটিয়া নামদার কুমিল্লি গ্রামে প্রেমের অভিযোগে কারাগারে থাকা যুবকের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে গ্রামবাসী। রোববার (২৬ অক্টোবর ২০২৫) করটিয়া ইউনিয়নের নামদার কুমিল্লি বাজারে এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এই মানববন্ধনে অংশ নেয় এলাকার শত শত মানুষ যেটি একটি অন্যরকম আলোড়নায় সৃষ্টি হয় এবং প্রশাসনকে উল্লেখ করে বলা হয় যে সোহাগের নামে যে মিথ্যা এবং অন্যায় ভাবে তাকে কারাগারে নির্যাতন করা হচ্ছে এর বিরুদ্ধে এলাকাবাসী সোচ্চার এবং তাকে ছেড়ে দেওয়া না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ার এলাকাবাসীর। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গ্রামের হিতৈষী ব্যক্তিবর্গ হাফিজ উদ্দিন ভুইয়া, খলিলুর রহমান, আশরাফ আলী মিঞা,ফরিদ মিঞা ,মজিবর রহমান মিঞা, আবুল কালাম আজাদ, মো. জাহিদ মিয়া ও ফরিদ মিয়া প্রমুখ। নামদার কুমল্লী গ্রামের মো. সহিদুল ইসলামের ছেলে মো. সোহাগ মিয়া (২৩) দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের মো. লোমান মিয়ার মেয়ে নাফিছা আক্তার লুবনার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। এই সম্পর্কের সূত্র ধরে লুবনা গত দুই বছরে একাধিকবার সোহাগের বাড়িতে গিয়েছিলেন। প্রতিবারই স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মেয়েটিকে বুঝিয়ে তার বাবার বাড়িতে পৌঁছে দেন। সম্প্রতি লুবনা আবারও প্রেমিক সোহাগের কাছে চলে এলে ক্ষিপ্ত হয়ে তার পিতা লোমান মিয়া সোহাগের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর—নারী ও শিশু ১৫৭/২৫। বর্তমানে ওই মামলায় সোহাগ চার মাস ধরে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে বন্দি আছেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, মেয়ের পিতা প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রেমের সম্পর্ককে ‘অপহরণ’ আখ্যা দিয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। তারা অবিলম্বে সোহাগের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন এবং মুক্তি না পেলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। মানববন্ধনে সোহাগের বাবা সহিদুল ইসলাম ও মা সুর্যভানু কান্নাজড়িত কণ্ঠে ছেলের মুক্তির আবেদন জানান। মানববন্ধন শেষে নামদার কুমিল্লি বাজার থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয় ডিপ্লোমেটিক এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় সাক্ষাৎপ্রার্থীদের অনুসারীসহ সেখানে না আসার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। রোববার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে পাঁচ সাংগঠনিক বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাথে বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন তারেক রহমান। বৈঠকে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। রংপুর, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম বিভাগে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাথে বৈঠক করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থিতা চূড়ান্তে ৫টি জরিপ ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের প্রতিবেদনের পর দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাথে সরাসরি বৈঠক শুরু করেছেন তিনি। তারেক রহমানের সাথে এই সাক্ষাৎকার ঘিরে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের অনেকে শোডাউন করে অনেক অনুসারীসহ গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে যান। এতে করে কার্যালয়ের সামনে ও আশপাশে নেতাকর্মীদের প্রচণ্ড ভিড় দেখা যায়। সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, আপনারা কেউ অনুসারীদের নিয়ে এখানে আসবেন না। এই এলাকা ডিপ্লোমেটিক জোন। তাই এখানে অহেতুক ভিড় করা যাবে না। সোমবার (২৭ অক্টোবর) একই স্থানে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাথে বৈঠক করবেন তারেক রহমান। বিএনপি অক্টোবর মাসের মধ্যেই ২০০ আসনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করে গ্রিন সিগন্যাল (সবুজ সংকেত) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেটি দলের একটি বড় অংশ দল গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার পল্টনে সংঘটিত লগি-বৈঠার তাণ্ডব ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা থানা চত্বরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আমির অধ্যক্ষ মো. হাবিবুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের জামায়াত মনোনীত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা হুমায়ুন কবির। সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা ইদ্রিস হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা রাফিউল আলম রুমু, উপজেলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আব্দুল মান্নান এবং উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক উবাইদুল্লাহ। ফরহাদ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি উপজেলা বাজার ও প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়। বক্তারা বলেন, “২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের পল্টন হত্যাযজ্ঞ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কলঙ্কিত অধ্যায়। আমরা সেই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার চাই এবং দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।” সমাবেশে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের জামায়াতে ইসলামি ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের অসংখ্য নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার আজ (বুধবার) কক্সবাজারে ব্র্যাক কর্তৃক বাস্তবায়িত এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত ‘PLEASE (Plastic Waste Recycling for Livelihood, Environment and Sustainability Enhancement)’ প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির বিশেষ সহকারী ও গবেষক ড. সাইমুম পারভেজ। PLEASE প্রকল্পটি বাংলাদেশের অন্যতম উদ্ভাবনী পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ, যার লক্ষ্য প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে টেকসই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে রূপান্তর করা। প্রকল্পটি নাগরিকদের সচেতন করে বর্জ্য পৃথকীকরণে উৎসাহিত করছে, নিরাপদ সংগ্রহ ও নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করছে এবং সংগৃহীত প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার করে তৈরি করছে মানসম্মত ও জলবায়ু সহনশীল আসবাবপত্র। এই উদ্যোগ কেবল পরিবেশ সুরক্ষাই নয়, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পরিদর্শন শেষে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, “বিএনপি তার ৩১ দফা রাষ্ট্র মেরামতের এজেন্ডায় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলাকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়েছে। এর অন্যতম প্রতিশ্রুতি হলো—দেশব্যাপী বর্জ্য সংগ্রহ, পৃথকীকরণ, নিরাপদ নিষ্পত্তি ও পুনর্ব্যবহারের একটি সমন্বিত জাতীয় ব্যবস্থা গঠন।” তিনি আরও বলেন, “বর্তমান বাংলাদেশে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রায় অদৃশ্য—রাস্তাঘাট, নদী ও খালের পাশে অগণিত বর্জ্য ফেলায় পরিবেশ দূষণ বাড়ছে, রোগবালাই ছড়াচ্ছে, আর অর্থনীতি হারাচ্ছে তার উৎপাদনশীল শক্তি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি এই অচলাবস্থা ভেঙে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে নাগরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করা হবে।” তিনি প্রকল্পে কর্মরত নারী ও তরুণ কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাঁদের কাজের প্রশংসা করে বলেন, “এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণ, বিশেষ করে নারী ও তরুণরা বিকল্প আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন। একদিকে পরিবেশ রক্ষা হচ্ছে, অন্যদিকে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে—এটাই টেকসই উন্নয়নের প্রকৃত রূপ।” ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে ড. হায়দার বলেন, “বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রতিটি পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে, যেখানে স্থানীয় সরকার, বেসরকারি খাত ও জনগণ একসঙ্গে কাজ করবে। এভাবেই আমরা ‘Green Bangladesh’ গড়ে তুলব—যেখানে পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক হবে।” তিনি আরও বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতের এজেন্ডা শুধু রাজনৈতিক সংস্কার নয়—এটি একটি সমন্বিত জাতীয় পুনর্জাগরণের রূপরেখা, যেখানে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য, পরিবেশ, কর্মসংস্থান এবং ডিজিটাল রূপান্তর একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। আমরা মাঠে নেমে সফল মডেলগুলো পর্যবেক্ষণ করছি, যাতে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিকল্পনায় এগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা যায়।” ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “যদি রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রযুক্তি, স্থানীয় উদ্ভাবন ও জনগণের অংশগ্রহণ একসঙ্গে কাজ করে, তবে বাংলাদেশ একদিন দক্ষিণ এশিয়ার পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মডেল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। স্বাস্থ্যসম্মত ও টেকসই বাংলাদেশ গড়াই এখন আমাদের জাতীয় অঙ্গীকার।”
টাঙ্গাইল জেলায় আসন্ন ২০২৬ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সদর ৫ আসন জুলাই সনদ এবং নানাবিধ কার্যকলাপ বাস্তবায়নের আদেশ জারি ও নভেম্বরের মধ্যেই গণভোটের আয়োজনসহ ৫ দফা দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে জেলা জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬ ইং) তারিখে শহরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সমাবেশ করে তারা। দাবিগুলো হলো, জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচনে PR পদ্ধতি চালু, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম-নির্যাতন ও দুর্নীতির বিচার এবং জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা। সমাবেশে টাঙ্গাইল জেলা আমির আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্ব করেন। টাঙ্গাইল জেলার জামায়াতী ইসলামে সদর ৫ আসনের প্রার্থী আহসান হাবীব মাসুদ বলেন,দেশ নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। হাজারো ছাত্র-জনতার জীবনের বিনিময়ে অর্জিত জুলাই বিপ্লবকে নস্যাৎ করার দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আমরা দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে জাতিকে সঠিক গন্তব্যে নিয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ। সদর উপজেলা আমির অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন বাদলের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নায়েবে আমির অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারি মাওলানা হুমায়ুন কবির, সহকারী সেক্রেটারি হোসনে মোবারক বাবুল, অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান, খেলাফত মজলিসের জেলা সহসভাপতি মুফতি আব্দুর রহমান মাদানি, খেলাফত মজলিসের জেলা সেক্রেটারি শহীদুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি শহীদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান, অধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান কোরায়েশী, শহর আমির অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ। এই বিক্ষোভ সমাবেশে সবাইকে ধৈর্য এবং শান্ত থাকার জন্য আহ্বান জানান এবং দেশের সকল নেতাকর্মীদের সঠিকভাবে কার্যকলাপ অংশগ্রহণ করতে আহ্বান জানান।
সাজিদ পিয়াল: গোপালপুর উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে ২৭/১০/২০২৬ইং তারিখে গোপালপুর উপজেলা ও পৌর মৎস্যজীবী দল এর উদ্যোগে বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশ নায়ক তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন উপলক্ষে লিফলেট বিতরণের প্রস্তুতি মিটিংয়ের আয়োজন করা হয়। উক্ত মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন মোঃ শফিকুল ইসলাম সভাপতি গোপালপুর উপজেলা মৎস্যজীবী দল সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজিম তালুকদার মোঃ দোলয়ার হোসেন সহ সভাপতি গোপালপুর উপজেলা মৎস্যজীবী দল যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল করিম মোঃমারুফ হোসেন সাধারণ সম্পাদক পৌর মৎস্যজীবী দল আরো উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর উপজেলার সকল ইউনিয়ন ওয়ার্ড মৎস্যজীবীদলের নেতৃবৃন্দ।
সাজিদ পিয়াল: কৃষকদের সুবিধার্থে একই দোকানে সার ও বীজ বিক্রয়ের অনুমতি প্রদানের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে টাংগাইল জেলা (BADC) বীজ ডিলাররা। ২৮ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (BADC) বীজ ডিলার টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এই মানববন্ধনে অংশ নেন টাংগাইল জেলার বিভিন্ন উপজেলার বীজ ডিলাররা। বক্তব্য রাখেন জেলা বীজ ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মো. আরিফুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক বিপ্লব হোসেন এবং সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি এবং তাঁদের দাবি পাঠানোর জন্য জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেন। উক্ত অনুষ্ঠানটিতে বক্তারা উল্লেখ্য করেন ২০১০ সালের নীতিমালা অনুযায়ী বীজ ডিলাররা এক বছর পর সার ডিলারে রূপান্তরিত হওয়ার সুযোগ পায়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেই ডিলারশিপ না পাওয়ায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। একই দোকান থেকে যেন সার ও বীজ বিক্রির সুযোগ পেলে কৃষকরা এক জায়গায় সব কৃষি উপকরণ সংগ্রহ করতে পারবেন। এতে সময় ও খরচ দুইটিই বাঁচবে। আরও বলেন, ‘কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী আমরা বিএডিসির মানসম্মত বীজ সরবরাহ করে আসছি। কৃষকের সুবিধার্থে বীজ ডিলারদের সার ডিলারশিপ দ্রুত বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানানো হয়।