সৌদি আরবের যাকাত, ট্যাক্স ও কাস্টমস অথরিটি দুটি পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক চোরা–চালানের চেষ্টা ব্যর্থ করেছে। আলদুরা এবং এমটি কোয়ার্টার—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত ক্রসিংয়ে অভিযানে মোট ৩ হাজার ৩৫৪টি ক্যাপটাগন পিল এবং ২১ কেজির বেশি মেথামফিটামিন (সাবু) জব্দ করা হয়। অথরিটির মুখপাত্র হামুদ আল হারবি জানান, প্রথম ঘটনাটি ঘটে আলদুরা ক্রসিংয়ে। সেখানে একটি গাড়ির জ্বালানি ট্যাংকের ভেতরে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে লুকানো অবস্থায় ক্যাপটাগন পিলগুলো পাওয়া যায়। দ্বিতীয় অভিযানটি পরিচালিত হয় এমটি কোয়ার্টার ক্রসিংয়ে, যেখানে রাজ্যে প্রবেশকারী একটি ট্রাক থেকে জব্দ করা হয় ২১ কেজিরও বেশি সাবু। তিনি বলেন, মাদক ও অন্যান্য নিষিদ্ধ পদার্থের প্রবেশ ঠেকাতে সংস্থাটি সর্বোচ্চ সতর্ক আছে এবং কাস্টমস নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। চোরা–চালান দমন ও জাতীয় অর্থনীতি রক্ষায় জনসাধারণের সহযোগিতাও কামনা করেছে কর্তৃপক্ষ। যে কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ নিরাপত্তা হটলাইন বা ইমেইলে জানানো হলে তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে। সঠিক তথ্য প্রমাণিত হলে দেওয়া হবে আর্থিক পুরস্কারও।
কুয়ালালামপুর: মালয়েশিয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো দেশের নতুন জরুরি কল সিস্টেম Next Generation Emergency Services (NG999)। রোববার (১৬ নভেম্বর) থেকে এটি পূর্বের Malaysian Emergency Responses 999 (MERS999) সিস্টেমের সম্পূর্ণ বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। শনিবার (১৫ নভেম্বর) থেকে জনসাধারণকে পাঠানো এসএমএস বার্তায় NG999 ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, দ্রুত ও সঠিকভাবে জরুরি তথ্য প্রেরণের জন্য অ্যাপস্টোর বা গুগল প্লে থেকে “SaveME999” অ্যাপটি ডাউনলোড করতে। বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়, জরুরি লাইনের অপব্যবহার থেকে বিরত থাকার জন্য। NG999 একটি সমন্বিত ডিজিটাল সিস্টেম, যা জরুরি কল সেন্টার এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য ও সম্পদ ভাগাভাগি আরও উন্নত করে। ফলে জরুরি সেবার কার্যক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক বাড়বে। গত বছরের ১ জুলাই, ডেপুটি কমিউনিকেশনস মন্ত্রী তেও নি চিং জানান, নতুন এই সিস্টেমে ওয়েব-ভিত্তিক ডিজিটাল ম্যাপিং, কলার আইডি, জিওলোকেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং স্মার্ট মোবাইল অ্যাপসহ আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে দেশের যেকোনো স্থানে আরও কার্যকর জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তিনি আরও জানান, MERS999-এর তুলনায় NG999-এর কভারেজ দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়ে এখন সারাদেশে ৮০০–রও বেশি স্থানে সম্প্রসারিত হয়েছে। — বারনামা
আজ সকাল ০৬টার সময় কুমিল্লা নগরীর সহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দানব খ্যাত সাবেক এমপি বাহারের ও তার মেয়ে, মেয়র সূচিত ২৯ কর্মী সহ ৪৪ জন ছাত্রলীগের কর্মী গ্রেফতার। কুমিল্লা জেলা সুপার,কুমিল্লার দিক নির্দেশনায় কুমিল্লার আইন শৃঙ্খলা ও জন জীবন স্বাভাবিক রাখতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লায় অরাজকতা, আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নের উদ্দেশ্যে বাহারের মেয়ে সূচনার টাকায় শহরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতি : ব্যানার, লাঠি, গ্যাসলাইট সহ টমছট ব্রীজ এলাকায় ও বাদুরতলা এলাকায় অভিযান করে মোট ২৯ জন আটক। এছাড়া কুমিল্লা জেলা বিভিন্ন জায়গায় থেকে আরো ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান
নতুন লৌহবর্ণের ইউনিফর্মে মাঠে দেখা গেল বাংলাদেশ পুলিশের মহানগর ও বিশেষায়িত ইউনিটের সদস্যদের। শনিবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা এই নতুন পোশাকে নজর কেড়েছেন। সাধারণ মানুষের চোখে পড়েছে নতুন পোশাকের দৃশ্যমান পরিবর্তন, যা মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। কেউ ইউনিফর্মের প্রশংসা করছেন আধুনিক, দৃঢ় ও শক্তিময় বলে, আবার অনেকে সমালোচনা করেছেন। কারো মতে রংটি অতিরিক্ত গাঢ়, কারো মতে আগের পোশাকে ছিল আলাদা মাধুর্য। ডিএমপি মিডিয়া বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মোঃ তালেবুর রহমান জানান, শনিবার থেকে ডিএমপির সদস্যরা নতুন পোশাক পড়ে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। এটি একদিনের সিদ্ধান্ত নয়; গত বছর জুলাইয়ের গণভবনের পর থেকে পুলিশের সংস্কারের দাবি ওঠে। জনগণের প্রত্যাশা ছিল অনিয়ম, দুর্নীতি ও কাঠামোগত অচলায়তনের পাশাপাশি বাহিনীর চেহারাতেও বড় পরিবর্তন আনা। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে পুলিশ, র্যাব এবং আনসারের পোশাক নতুনভাবে আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে বদলানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন ইউনিফর্মের প্রতীকী অর্থ হলো শক্তি, দায়িত্ববোধ এবং দৃঢ়তা। তবে প্রশ্ন থেকে যায়, শুধু ইউনিফর্ম বদলালে কি আচরণেও আসবে প্রত্যাশিত পরিবর্তন? দেশজুড়ে নতুন এই ইউনিফর্ম নিয়ে আলোচনা এখনও তুঙ্গে।
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার ৪৮ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সজীব হোসেনকে সভাপতি ও নবাব আলীকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাতে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামীন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসানের স্বাক্ষরিত প্যাডে আগামী এক বছরের জন্য এ কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কমিটির অন্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আরাফাত অনিম, রেজাউল হান্নান, মাহমুদুল হাসান মিলন, আল আমিন উদয়, সুলতান খান, অনিক হাসান, এস এ শিশির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু হাসেম, আমির হামজা, তামান্না ইসলাম তরী, আল আমিন, সজীব হাসান, রাসেল রানা, শামীম পারভেজ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক কায়ছার আহমেদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম মেহেদী, রনি, রবিউল ইসলাম মোছা: সাজিয়া আক্তার, মমিনুর রহমান, পলাশ আহমেদ, নাজমুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক নাসির উদ্দিন, সহ দপ্তর সম্পাদক জুবায়দুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম নিলয়, সহ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মাসরুফ মইন উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক মাহাতাব আহমদ মাহি, সহ অর্থ সম্পাদক মাহীম তালুকদার, সমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক ফামিম হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সজীব সিকদার, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক আরিয়ান ইসলাম আশা, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রনি ইসলাম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক নাঈমুল রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাজমুন নাহার শিখা, ক্রীড়া সম্পাদক ইমরুল হাসান পারভেজ, রাজনৈতিক শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হামিদ, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি সংরক্ষণ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম, সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদ বিন মুজিব, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক শাহীন আল মামুন। কার্যকরী সদস্যরা হলেন- আসাদুল ইসলাম, শাহীন শাহ, কালাম শেখ, এনামুল হক, সাব্বির আহমেদ, আবদুল আওয়াল। এ ব্যাপারে নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক নবাব আলী বলেন, আজ আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দ্বিতীয়বার দায়িত্ব পাওয়া আমার জীবনের এক বিশেষ সম্মান। এই দায়িত্ব আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়-এটি আপনাদের সকলের বিশ্বাস, ভালোবাসা ও ত্যাগের ফসল। আমি বিশ্বাস করি, ছাত্র অধিকার পরিষদের শক্তি হলো সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা, এবং সাধারণ শিক্ষার্থীর ন্যায্য অধিকারের জন্য আন্দোলন গড়ে তোলা। আমরা কখনো ক্ষমতার লোভে কাজ করি না; আমরা কাজ করি নীতি, আদর্শ ও দেশপ্রেমকে আঁকড়ে ধরে। আমি দলের ঐক্য, শৃঙ্খলা ও সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করব। যে অন্যায়, দুর্নীতি, অবহেলা ও স্বেচ্ছাচারের বিরুদ্ধে আগের মতোই অবিচল থাকব।
চীন থেকে মাও জেদংয়ের উপহার পাওয়া ট্রাক্টর, টাইপরাইটারসহ মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে টাঙ্গাইলের সন্তোষে। অনেক সরঞ্জাম আবার নষ্টও হয়ে যাচ্ছে। এই সরঞ্জামগুলো ভালোভাবে সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ, পরিবারের সদস্য, ভক্ত ও অনুসারীরা। সরেজমিন দেখা যায়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের পশ্চিম পাশে একটি টিনশেডে রয়েছে ট্রাক্টর ও টাইপরাইটারটি। টিনশেডের চারপাশে স্বচ্ছ কাচ। ট্রাক্টর ও টাইপরাইটার মেশিনটিতে জমেছে ধুলার আস্তরণ। মওলানা ভাসানী ও চীনের কমিউনিস্ট বিপ্লবের নেতা মাও জেদংয়ের স্মৃতিবিজড়িত এই ট্রাক্টরের সামনের একটি চাকা নেই। এটি উচ্চতায় ৬ ফুট, লম্বায় ১০ ফুট। জানা যায়, মওলানা ভাসানী ১৯৬৩ সালে প্রথম এবং ১৯৬৪ সালে দ্বিতীয়বার চীন সফর করেন। ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে ‘মাও সে-তুঙ এর দেশে’ নামে একটি বইও লেখেন। ১৯৬৬ সালে মওলানা ভাসানী তৃতীয় ও শেষবার চীন সফর করেন। সে সময় চীনের নেতা মাও জেদং তাকে একটি ট্রাক্টর উপহার দেন। ১৯৬৭ সালে চীন থেকে ট্রাক্টরটি এ দেশে পাঠানো হয়। সমবায় পদ্ধতির কৃষিকাজে ট্রাক্টরটির সাহায্যে একসঙ্গে ৫০ একর জমি চাষ করা যেত। সে সময় মওলানা ভাসানীর কৃষিকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ড চলমান ছিল জয়পুরহাটের পাঁচবিবির মহীপুর এলাকায়। সেখানে ট্রাক্টরটি কিছুদিন কাজে লাগানো হয়। এরপর ১৯৭৪ সালে ট্রাক্টরটি টাঙ্গাইলের সন্তোষে নিয়ে আসা হয়। পরে মওলানা ভাসানী ট্রাক্টরটি বসিয়ে না রেখে কাজ করার জন্য বিএডিসিকে দিয়ে দেন। বিএডিসি সেটি জামালপুরে কিছুদিন কাজে লাগায়। জামালপুরে ট্রাক্টরটি একপর্যায়ে অকেজো অবস্থায় পড়ে থাকার পর বিক্রির কথা ওঠে। ১৯৯৫ সালে তৎকালীন সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ড ট্রাক্টরটি ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে আনে। বর্তমানে ট্রাক্টরটি মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগ শিক্ষার্থী আক্তারুজ্জামান সাজু বলেন, মওলানা ভাসানী দলমত নির্বিশেষে আমাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ; তিনি আছেন আদর্শ, স্মৃতি, ইতিহাস ও কবির কবিতায়। তিনি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদ ও জুলুমের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। এই বঙ্গীয় ‘ব’-দ্বীপে এক সাধারণ পরিবারে জন্ম নিয়েও যে বিশ্বরাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করা যায় মওলানা ভাসানী তার জ্বলন্ত উদাহরণ। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, তার রেখে যাওয়া স্মৃতিচিহ্ন ও প্রতিষ্ঠানগুলো আজ ধ্বংসের পথে। মজলুম জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর ‘হক কথা’ পত্রিকা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘শান্তি প্রেস’র ব্যবহার্য সরঞ্জামগুলো আজ অবহেলায় অযত্নে পড়ে আছে; এই স্মৃতি সংরক্ষণে সরকার কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কারও দায় নেই। মওলানা ভাসানী জাদুঘরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে তার স্মৃতি সংরক্ষণ করা এখন সময়ের দাবি। ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশনাল সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী সমাপ্তি খান বলেন, মওলানা ভাসানী ছিলেন কৃষক ও মেহনতি মানুষের নেতা। তার সংগ্রামী জীবন, চীন থেকে উপহার পাওয়া ট্রাক্টরসহ নানা স্মৃতি আজ আমাদের ইতিহাসের অমূল্য সম্পদ। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, এসব জিনিসপত্র অনেক জায়গায় অযত্ন ও অবহেলায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ভাসানীর ব্যবহৃত জিনিস, যেমন-ট্রাক্টর, পোশাক, দলিল, বই ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য একটি স্থায়ী ‘ভাসানী জাদুঘর’ করা উচিত। সরকার বা স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাজেট ও তদারকি টিম গঠন করা দরকার। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে তার জীবন ও আদর্শ পাঠক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। তার ভাষণ, চিঠিপত্র ও আলোকচিত্র ডিজিটাল আকারে সংরক্ষণ করে অনলাইনে উন্মুক্ত করলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সহজে জানতে পারবে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় বা স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে নিয়মিত মেরামত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা করতে হবে। মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক চেতনা তরুণদের মাঝে উজ্জীবিত করতে এসব পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
টাঙ্গাইলের মধুপুরে বিনিময় পরিবহনের একটি যাত্রীবাহি বাসের চাপায় এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাত সাতটার দিকে উপজেলার গোলাবাড়ি নামকস্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এসময় স্থানীয় জনতা ওই পরিবহনের অন্য আরেকটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেন। এসময় এই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তাৎক্ষনিকভাবে নিহত মোটরসাইকেল চালকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল কবির জানান, রাতে ধনবাড়ী থেকে ঢাকাগামী বিনিময় পরিবহনের একটি যাত্রীবাহি বাস মধুপুরের গোলাবাড়ি নামক স্থানে মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের চালক নিহত হন। পরে স্থানীয় জনতা টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। এসময় বিক্ষুব্ধ জনতা ধনবাড়ীগামী বিনিময় পরিবহনের অন্য একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে বাসটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। পরে খবর পেয়ে মধুপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। তবে এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে র্যাবের অভিযানে অভিনব পন্থায় পাচারের জন্য বহনকৃত বিপুল পরিমান নিষিদ্ধ অবৈধ মাদকদ্রব্য হেরোইনসহ এক মাদক কারবারী গ্রেফতার হয়েছে। গ্রেফতারকৃতের নাম মোঃ তোহর আলী (৬০)। সে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানার মৃত সোয়ব আলীর ছেলে। রোববার (১৬ নভেম্বর) ভোরে যমুনাসেতু-ঢাকা মহাসড়কের টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ৪৬০ গ্রাম নিষিদ্ধ অবৈধ মাদকদ্রব্য হেরোইন, একটি বাটন মোবাইল ফোন এবং নয়শত পঁয়ষট্রি টাকা উদ্ধার করা হয়। সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, রোববার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল ক্যাম্পে সংবাদ সম্মেলনে ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মোঃ কাওসার বাঁধন এ তথ্য জানান। তিনি জানান, সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের আভিযানিক দল নিয়মিত টহল ডিউটি ও মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা কালে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, চাপাইনবাবগঞ্জ হতে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী রিয়াজ পরিবহনে একজন মাদক কারবারি অবৈধ মাদক দ্রব্যসহ যাত্রীবেশে টাঙ্গাইল হয়ে ঢাকা যাচ্ছে। প্রাপ্ত গোপন সংবাদের সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য যমুনাসেতু-ঢাকা মহাসড়কের টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে পাঁকা রাস্তার উপর চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল্লাশীকালে চাপাইনবাবগঞ্জ হতে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী রিয়াজ পরিবহনের বাসটি চেকপোস্টে আসা মাত্রই সিগনাল দিয়ে বাসটি থামিয়ে সন্দেহজনক মাদক কারবারি মোঃ তোহর আলী কে বাস হতে নামিয়ে দেহ তল্লাশী করা হয়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার হেফাজতে থাকা কালো রঙের ট্রাভেল ব্যাগের মধ্যে সেলাই করা অবস্থায় বিশেষভাবে রক্ষিত চার পুড়িয়া এবং একটি বস্তার মধ্যে রক্ষিত কাগজের কার্টুনের ভিতরে পেয়ারার নিচ হতে চারটি পলিথিনের প্যাকেটসহ সর্বমোট ৪৬০ গ্রাম কথিত অবৈধ মাদকদ্রব্য হেরোইন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত কথিত অবৈধ মাদকদ্রব্য হেরোইন এর অবৈধ বাজার মূল্যে ৪৬ লাখ টাকা। গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারি মোঃ তোহর আলী’র বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় চারটি মাদক মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি থানায় মামলা দায়ের পূর্বক আসামী এবং জব্দকৃত হেরোইন হস্তান্তর করা হয়েছে
বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশাকে ঘিরে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন এখন এক প্রাণচঞ্চল রাজনৈতিক শহরে পরিনত হয়েছে। প্রায় প্রতিদিন সকাল-বিকাল ও রাতে মিছিল, শোভাযাত্রা, পথসভা আর মোটরসাইকেল শোডাউনে সরব হয়ে উঠেছে পুরো সদর উপজেলা। ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুনে ঢেকে গেছে রাস্তাঘাট, মোড়, দোকানের ছাউনি, এমনকি গৃহস্থ বাড়ির দেয়ালও। স্থানীয়দের ভাষায়- ‘টাঙ্গাইল এখন সভা ও মিছিলের শহর’। দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল এবং জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক ও যুবদলের সাবেক সভাপতি খন্দকার আহমেদুল হক সাতিল। এ তিন নেতার পক্ষেই প্রতিদিন শহরজুড়ে চলছে কর্মী-সমর্থকদের শোডাউন। মিছিল, মানববন্ধন, দোয়া মাহফিল ও পথসভা এখন টাঙ্গাইলের নিত্যদিনের চিত্র হয়ে উঠেছে। টাঙ্গাইল শহরের নিরালার মোড়, শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান, প্রেসক্লাব চত্তর, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, কলেজ পাড়া, বেবিস্ট্যান্ড, আদালত পাড়া ও জেলা সদর মসজিদ রোড এলাকা এখন কার্যত রাজনীতির পোস্টার ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে। প্রতি রাতে দলীয় কর্মীরা পোস্টার লাগাচ্ছে, ভোর সকালে আবার অন্য প্রার্থীর সমর্থকরা নতুন পোস্টার সাটাচ্ছে। কেউ কেউ মজা করে বলছেন, ‘দেওয়ালই এখন ভোট চায়!’ শহরের বিভিন্ন জায়গায় মোটরসাইকেল মিছিল প্রতিদিনই চলছে। পোস্টার-ব্যানারে লেখা হচ্ছে ‘টাঙ্গাইলের প্রিয় মুখ টুকু ভাই- ধানের শীষের টিকিট চাই’, ‘মাঠের নেতা ফরহাদ ভাই- ত্যাগী নেতার মনোনয়ন চাই’, ‘যুবশক্তির বিকল্প নাই- সাতিল ভাইয়ের যোগ্য কেউ নাই’ ইত্যাদি ইত্যাদি নানা স্লোগান। দলীয় মনোনয়ন নিয়ে টাঙ্গাইলে বিএনপির রাজনীতিতে এখন তিনটি শিবিরে বিভিক্ত হয়ে পড়েছে। এরমধ্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক। তিনি জাতীয় রাজনীতির দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ। ছাত্রজীবনে তিনি ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি। পরে কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি হন। কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে তার পরিচিতি ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা তাঁকে প্রার্থী হিসেবে শক্ত অবস্থানে রেখেছে। তাঁর অনুসারীরা প্রতিদিন শহরের বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ, দোয়া মাহফিল ও পথসভার আয়োজন করছেন। সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে একই সঙ্গে নানা স্থানে কর্মসূচি পালন করছেন। টুকুর সমর্থকদের দাবি, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে অভিজ্ঞ এবং জনবান্ধব হিসেবে টুকুই এখন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের যোগ্য প্রার্থী। অন্যদিকে, অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল বর্তমানে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। ছাত্র জীবন থেকে তিনি জাতীয়তাবাদী শক্তির ধারক-বাহক। তাঁর পক্ষে শহরে ব্যাপক সাড়া দেখা যাচ্ছে। আইনজীবী হিসেবে পেশাগত পরিচিতির পাশাপাশি দলের দীর্ঘ সাংগঠনিক ভূমিকার কারণে তিনি মাঠে শক্ত অবস্থানে আছেন। শহর ছাড়াও সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে বিশেষ করে চরাঞ্চলে তাঁর জনপ্রিয়তা ঈর্ষণীয়। এরআগেও তিনি একাধিকবার দলীয় মনোনয়ন চেয়ে পাননি। কিন্তু দলের প্রার্থীর পক্ষে সরব থেকেছেন। বিগত ১৭ বছরে হামলা-মামলা ও শত নির্যাতন-কারাভোগ করেও তিনি দলীয় কর্মসূচি থেকে বিচ্যূত হননি। দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে তিনি পরীক্ষিত ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত। তাঁর সমর্থকরা প্রতিদিন মিছিল, ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করছেন। তাঁদের দাবি, ‘যাঁর ধ্যান-জ্ঞান-স্বপ্ন জাতীয়তাবাদী ঘরাণার রাজনীতি, তিনি দলীয় মনোনয়ন না পেলে মানুষ রাজনীতি করবে কেন? এবার ফরহাদ ইকবালই বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রথম পছন্দ বলে বিবেচিত হয়ে দলের মনোনয়ন পাবেন’। এদিকে, খন্দকার আহমেদুল হক সাতিল জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হিসেবে তরুণদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। তাঁর নেতৃত্বে মোটরসাইকেল শোডাউন শহরের মানুষের দৃষ্টি কেড়েছে। বিগত সময়ে তিনি জীবন বাঁচাতে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন। তাঁর সমর্থকদের দাবি, ‘সাতিল ভাই তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক, তিনিই পরিবর্তনের কণ্ঠস্বর’। টাঙ্গাইল শহর ঘুরে দেখা গেছে, এ তিন প্রার্থীর পক্ষে তাদের অনুসারীরা প্রতিদিনই শহরের বিভিন্ন এলাকায় শোভাযাত্রা, পথসভা ও মিছিল করছেন। শহরের প্রতিটি এলাকায় তিন মনোনয়ন প্রত্যাশীর পোস্টার, ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। দোকানের টিনের ছাউনি, দেয়াল, সেতু, এমনকি বৈদ্যুতিক খুঁটিও বাদ পড়েনি। শহরের বেবিস্ট্যান্ড মোড় থেকে নিরালার মোড় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় টানা ব্যানার-ফেস্টুনে অনেক দোকানের সাইনবোর্ডও আড়াল হয়ে গেছে। ব্যানার টানানো এবং মোটরসাইকেল শোডাউন এখন নিত্যদিনের চিত্র। শুধু শহরই নয়, সদর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম ও চরাঞ্চলেও শোভা পাচ্ছে পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন। এসব এলাকার প্রায় চা-স্টলেই চলছে পছন্দের প্রার্থীর গান আর সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত মিছিল-সমাবেশে প্রিয় নেতার দেওয়া বক্তব্য। সব মিলিয়ে বলা যায়, বিএনপির মনোনয়নকে ঘিরে টাঙ্গাইল এখন ব্যস্ত, উচ্ছ্বসিত ও উত্তপ্ত রাজনৈতিক মঞ্চে পরিণত হয়েছে। কে পাবেন দলীয় প্রতীক ধানের শীষ- এই প্রশ্নের উত্তর জানতে আগ্রহী শহর ও গ্রামাঞ্চলের প্রতিটি মানুষ। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আগে শহরের প্রতিটি দেয়াল, প্রতিটি স্লোগান যেন সাক্ষী হয়ে থাকছে- টাঙ্গাইল বিএনপির অভ্যন্তরীণ প্রাণ চাঞ্চল্যের। দলীয় মনোনয়ন ঘোষণার মধ্য দিয়ে বোঝা যাবে- মিছিলের এই শহর শেষ পর্যন্ত কার বিজয়ের হাসিতে মুখর হবে। টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, পুলিশের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনও প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে চলার বিষয়ে সতর্ক করছে। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। এখন পর্যন্ত কোনো সংঘর্ষ বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচারণা যাতে শান্তিপূর্ণ থাকে- সে বিষয়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত (৩ নভেম্বর) বিকালে কেন্দ্রীয় বিএনপির পক্ষ থেকে টাঙ্গাইলের ৮টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৭টিতে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। শুধুমাত্র টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে দলীয় মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়নি।
উচ্চ আদালতের জামিনে মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী রোববার (১৬ নভেম্বর) ঢাকার শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। ৮৬ বছর বয়সী লতিফ সিদ্দিকী এদিন ছোটভাই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আব্দুল কাদের সিদ্দিকীকে সঙ্গে নিয়ে আদালতে হাজির হন। তার আইনজীবী রেজাউল করিম হিরণ আদালতে আবেদন করে বলেন, ‘বয়স ও স্বাস্থ্যগত কারণে হাজিরা আইনজীবীর মাধ্যমে দেওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করছি।’ আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। ফলে লতিফ সিদ্দিকীকে আর সশরীরে হাজিরা দিতে হবে না। হাজিরা শেষে ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে তারা আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। মামলাটি ২৮ আগস্ট ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধান বিষয়ক এক আলোচনা সভায় ‘মব’ হামলার ঘটনায় দায়ের হয়। ওই দিন লতিফ সিদ্দিকী, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নাসহ ১৬ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়। পরদিন শাহবাগ থানায় তাদের বিরুদ্ধে ‘দেশকে অস্থিতিশীল করা ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়। প্রসঙ্গত, ৬ নভেম্বর হাই কোর্ট লতিফ সিদ্দিকী ও মঞ্জুরুল পান্নাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেয়। এরপর জামিনের নথি পৌঁছানোর পর ১২ নভেম্বর কেরাণীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। মামলায় আরও গ্রেপ্তার হয়েছেন সাবেক সচিব ভূঁইয়া সফিকুল ইসলাম ও আবু আলম শহীদ খান। অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন, মঞ্জুরুল আলম, কাজী এ টি এম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম, মো. জাকির হোসেন, মো. তৌছিফুল বারী খান, মো. আমির হোসেন সুমন, মো. আল আমিন, মো. নাজমুল আহসান, সৈয়দ শাহেদ হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, দেওয়ান মোহম্মদ আলী ও মো. আব্দুল্লাহীল কাইয়ুম।
শিশু-কিশোর প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি’র সংগীত বিভাগের ক গ্রুপে দেশসেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে টাঙ্গাইলের প্রেয়সী চক্রবর্তী। মাত্র আট বছর বয়সেই সংগীতে জাতীয় সেরা হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে পুরো টাঙ্গাইলকে গর্বিত করেছে সে। গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা মিলনায়তনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছ থেকে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ও ৩ লাখ টাকার পুরস্কার গ্রহণ করে প্রেয়সী। আকুর টাকুর পাড়া এলাকার সঞ্জয় চক্রবর্তী বাবুল ও রাখী চক্রবর্তী দম্পতির কনিষ্ঠ মেয়ে প্রেয়সী বর্তমানে শাহীন ক্যাডেট স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। সংগীতশিল্পে প্রেয়সীর এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে একটি সম্পূর্ণ সংগীত পরিবার। তার বড় বোন শ্রেয়সী চক্রবর্তী পাঁচবার জাতীয় সংগীত পুরস্কার জয় করে বর্তমানে আইসিসিআর স্কলারশিপে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্ল্যাসিক্যাল মিউজিক নিয়ে পড়াশোনা করছে। বাবা সঞ্জয় চক্রবর্তী বাবুল নিয়মিত বিভিন্ন চ্যানেলে সংগীত পরিবেশন করেন এবং মা রাখী চক্রবর্তীও একজন দক্ষ সংগীতশিল্পী। প্রেয়সীর অর্জনে টাঙ্গাইলের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আনন্দের জোয়ার বইছে। কন্যাদের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত বাবা সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, “আমার মেয়েরা একদিন সংগীতের মাধ্যমে সবার মন জয় করে কালজয়ী শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে—এটাই আমার স্বপ্ন।”
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ১নং আটগাও ইউনিয়ন পরিষদে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় এক ডিলারের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে ঘর নির্মাণ করে চাল বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা পরিচয়ে পরিচিত অভিযুক্ত ডিলার সালাম মিয়ার এই কর্মকান্ডে ডিলারশিপ অনুমোদন প্রক্রিয়া নিয়ে জনমনে তীব্র অসন্তোষ ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ডিলারশিপ পাওয়ার ক্ষেত্রে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি নীতিমালা-২০২৪-এর একাধিক মৌলিক শর্ত সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি নীতিমালা-২০২৪ অনুযায়ী, ডিলারকে ইউনিয়নের নির্ধারিত হাট/বাজারের নিজস্ব বা ভাড়ার দোকান থাকতে হবে এবং সেখানে কমপক্ষে ১৫ (পনের) মে. টন খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সুব্যবস্থা থাকতে হবে। কিন্তু সরেজমিন অনুসন্ধানে এই শর্তগুলোর মারাত্মক ব্যত্যয় লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডিলার সালাম মিয়া আটগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি জমিতে অবৈধভাবে একটি ঘর নির্মাণ করে সেখানেই তাঁর চাল বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। অভিযোগ রয়েছে, সাবেক মেম্বার কালাম মিয়া, ইউনূস মিয়া সহ আরও কয়েকজনের সহযোগিতায় প্রায় দুই মাস আগে এই অবৈধ স্থাপনাটি ঘর তোলা হয়েছে। নীতিমালায় বলা আছে ১৫মে. টন খাদ্যশস্য সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা থাকলেও, সরেজমিনে দেখা গেছে ডিলারের সরকারি ভূমিতে নির্মিত ঘরটিতে সর্বোচ্চ ৫ থেকে ৬ মে. টন খাদ্যশস্য মজুদ রাখা সম্ভব। নীতিমালা অনুযায়ী ভাড়ার দোকানের ক্ষেত্রে ৩০০/- টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে ভাড়ার চুক্তিপত্র জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। সরকারি জায়গা দখল করে নির্মিত একটি অবৈধ স্থাপনার জন্য কিভাবে বৈধ ভাড়ার চুক্তিপত্র তৈরি এবং তা ডিলারশিপের জন্য গৃহীত হলো, তা নিয়ে জনমনে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান,এই ডিলারশিপ অনুমোদনের পেছনে বড় ধরনের অনিয়ম থাকার সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। এদিকে, দাউদপুর বাজার কমিটির সহ-সভাপতি প্রেমতুষ দাস অভিযোগ করেন, ঘরটি যেখানে নির্মাণ করা হয়েছে, সেখানে পূর্বে গ্রামের শিব (বেন্নাথ) গাছ থাকায় তারা পূজা-পার্বণে প্রসাদ বিতরণ করতেন। তিনি বলেন, ডিলার ও চেয়ারম্যান তাদের বলেছিলেন 'কিছু দিনের জন্য চাল বিতরণ করা হবে, পরে ভেঙে ফেলা হবে'। কিন্তু এখন যেভাবে কার্যক্রম চলছে, তাতে স্পষ্টতই জায়গাটি দখল করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইউপি সদস্য বলেন, বিএনপি নেতা সালাম হঠাৎ করেই পরিষদের জায়গায় ২০/৪০ জন মানুষ নিয়ে এসে সিমেন্টের পিলার দিয়ে ঘর নির্মাণ করে। তাদের জিজ্ঞেস করলে তারা বলে এখানে খাদ্যবান্ধব চাল বিতরণের জন্য এটি নির্মাণ করা হয়েছে। এই বিষয়ে ইউএনও সাহেব অবগত আছেন বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা ডিলারশিপ নেওয়া সালাম মিয়ার ফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে অন্য একজন ফোন রিসিভ করে বলেন ডিলার সালাম ফোন চার্জে লাগিয়ে বাহিরে গেছেন। ফলে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে কোনকিছু জানা সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে আটঁগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আন-নোমান স্থাপনাটির অবৈধতা স্বীকার করে বলেন,"এটা আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের জায়গা না। এখানে পূর্বে বিআরডিবির অফিস ছিল। এখানে আমরা অস্থায়ী কার্যালয় করেছি। এই জায়গাটি সরকারি জমি স্থাপনাটি অবৈধ।" তবে তিনি দাবি করেন, ডিলার সালাম মিয়ার বাজারে দোকান থাকলেও জায়গা কম থাকায় এখানে এসে চাল বিতরণ করে থাকেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, "এই বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। সচেতন মহলের দাবি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং সরকারি ভূমি দখলের অভিযোগ একটি গুরুতর অপরাধ। স্থানীয়রা মনে করেন, অনতিবিলম্বে সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও জেলা কমিটির মাধ্যমে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে ডিলারশিপের শর্ত পূরণের নথি এবং স্থাপনার বৈধতা যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ডিলারের লাইসেন্স বাতিল, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
মালদ্বীপের হুলহুমালে’ সমুদ্রবন্দর থেকে চোরাচালানকৃত সিগারেটের দুটি কন্টেইনার চুরির ঘটনায় একজন বাংলাদেশি নাগরিক মো: আল আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, আজ ১৬ নভেম্বর, রবিবার এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া মোট সন্দেহভাজনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ জনে। পুলিশ জানায়, চুরি হওয়া সিগারেটের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ পিস, যার বাজারমূল্য অত্যন্ত বেশি। ঘটনাটিকে বড় ধরনের সংগঠিত অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করছে কর্তৃপক্ষ। গ্রেপ্তারকৃত বাংলাদেশি মো: আল আমিনকে বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে রাখা হবে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পুলিশ আরও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং পুরো চক্রকে শনাক্ত করার চেষ্টা করছে
সাজিদ পিয়াল: আজ ১৬ নভেম্বর) দুপুরে র্যাব-১৪-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর কাওসার বাঁধন আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। গ্রেফতারকৃত তোহর আলী (৬০) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানার সোয়েব আলীর পুত্র। মেজর কাওসার বাঁধন জানান, গতকাল (১৫ নভেম্বর) দিবাগত রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তোহর আলীকে সন্দেহ হলে র্যাব সদস্যরা তল্লাশি চালায়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি মাদক বহনের কথা স্বীকার করেন। পরে তার ব্যাগের সেলাই করা অংশ থেকে চার পুরিয়া হেরোইন এবং পেয়ারার বস্তা থেকে চারটি পলিথিন প্যাকেটে রাখা মোট ৪৬০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও জানান, আটক মাদক কারবারির বিরুদ্ধে কালিহাতী থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জব্দকৃত হেরোইন আইনি প্রক্রিয়ায় হস্তান্তর করা হবে। কালিহাতীতে ব্যাগ সেলাই করে ও পেয়ারার বস্তায় লুকিয়ে অবৈধ মাল বহন — দুই জন গ্রেফতার টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় অভিনব কায়দায় ব্যাগের ভেতর সেলাই করে এবং পেয়ারার বস্তার নিচে লুকিয়ে অবৈধ মালামাল বহনের সময় দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশিচৌকিতে অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল জব্দ করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালিহাতী পৌরসভার প্রবেশমুখে চেকপোস্ট বসানো হয়। তল্লাশির এক পর্যায়ে একটি ভ্যান থামানো হলে চালক ও সহযাত্রী অস্বাভাবিক আচরণ করলে সন্দেহ হয় পুলিশের। পরে ভ্যানের পেছনে রাখা দুইটি ব্যাগ ও একটি বড় পেয়ারার বস্তা পরীক্ষা করা হয়। তল্লাশি করতে গিয়ে দেখা যায়, ব্যাগ দুটির ভেতর বিশেষভাবে সেলাই করে গোপনে রাখা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মালামাল। সেলাই কেটে ভিতরে ঢোকানো ছিল ছোট প্যাকেট, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, কিছু নিষিদ্ধ দ্রব্য এবং সন্দেহজনক কাগজপত্র। পেয়ারার বস্তার নিচেও একইভাবে লুকানো ছিল আরও কিছু অবৈধ পণ্য। বস্তার উপরের স্তরে পেয়ারার মতো ফল সাজিয়ে রাখা হলেও নিচের অংশে গাদাগাদি করে রাখা ছিল নিষিদ্ধ সামগ্রী। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকেই দুই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় এসব অবৈধ মালামাল পাচার করছিল। তবে এ চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তাদের গন্তব্য কোথায় ছিল— সেসব বিষয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “অত্যন্ত চতুর উপায়ে অবৈধ পণ্য পরিবহনের চেষ্টা করা হয়েছিল। আমাদের নিয়মিত তল্লাশির কারণেই এটি ধরা পড়ে। জব্দ করা মালামালের সঠিক হিসাব ও ধরন যাচাই করা হচ্ছে। আটক দু’জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন।” পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত মালামাল থানায় রাখা হয়েছে এবং পুরো চক্র শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আপনি চাইলে উদ্ধারকৃত মালের নির্দিষ্ট ধরন, মোট মূল্য, আটক ব্যক্তিদের নাম, এবং তারিখ দিলে আমি এটি আরও নির্ভুল ও পোর্টাল-রেডি সংবাদের মতো সাজিয়ে দিতে পারব।
দশম গ্রেডে বেতনসহ ৩ দফার আন্দোলনে রাজধানীতে অসুস্থ হয়ে পড়া শিক্ষক ফাতেমা আক্তার মারা গেছেন। আজ রবিবার (১৬ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শিক্ষক নেতাদের অভিযোগ, ৮ নভেম্বর রাজধানীতে শিক্ষকদের পদযাত্রায় পুলিশের ছোড়া সাউন্ড গ্রেনেডে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর আজ শিক্ষক ফাতেমা আক্তারের মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (শাহিন-লিপি) সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপি গণমাধ্যমকে জানান, ৮ নভেম্বর আন্দোলনস্থলে সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের পর তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর কয়েক দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ মারা যান। ফাতেমা আক্তার চাঁদপুরের মতলব উত্তরের ৫ নম্বর ঝিনাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা এবং একই এলাকার বাসিন্দা ডি এম সোলেমানের স্ত্রী। ফাতেমা আক্তারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন শিক্ষক সংগঠনের নেতারা। প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক ও প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাছুদ ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘দশম গ্রেড আন্দোলনের এক সাহসী যোদ্ধাকে হারালাম। মতলব উত্তরের গর্ব ফাতেমা আক্তার আমাদের ছেড়ে গেলেন।’
সাজিদ পিয়াল: বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি সজীব হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক নবাব আলী। ১৬ নভেম্বর, ২০২৫, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার ৪৮ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সজীব হোসেনকে সভাপতি ও নবাব আলীকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামীন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসানের স্বাক্ষরিত প্যাডে আগামী এক বছরের জন্য এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিটির অন্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আরাফাত অনিম, রেজাউল হান্নান, মাহমুদুল হাসান মিলন, আল আমিন উদয়, সুলতান খান, অনিক হাসান, এস এ শিশির; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু হাসেম, আমির হামজা, তামান্না ইসলাম তরী, আল আমিন, সজীব হাসান, রাসেল রানা, শামীম পারভেজ খান। সাংগঠনিক সম্পাদক কায়ছার আহমেদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম মেহেদী, রনি, রবিউল ইসলাম মোছা: সাজিয়া আক্তার, মমিনুর রহমান, পলাশ আহমেদ, নাজমুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক নাসির উদ্দিন, সহ দপ্তর সম্পাদক জুবায়দুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম নিলয়, সহ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মাসরুফ মইন উদ্দিন এছাড়া অর্থ সম্পাদক মাহাতাব আহমদ মাহি, সহ অর্থ সম্পাদক মাহীম তালুকদার, সমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক ফামিম হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সজীব সিকদার, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক আরিয়ান ইসলাম আশা, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রনি ইসলাম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক নাঈমুল রহমান। সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাজমুন নাহার শিখা, ক্রীড়া সম্পাদক ইমরুল হাসান পারভেজ, রাজনৈতিক শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হামিদ, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি সংরক্ষণ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম, সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদ বিন মুজিব, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক শাহীন আল মামুন। কার্যকরী সদস্যরা হলেন-আসাদুল ইসলাম, শাহীন শাহ, কালাম শেখ, এনামুল হক, সাব্বির আহমেদ, আবদুলনতুন কমিটিতে জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, থানা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় ও ত্যাগী ছাত্রনেতাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা জানান, দীর্ঘদিন পর টাঙ্গাইল জেলায় সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে এ আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হলো। ছাত্র অধিকার আন্দোলনকে আরও সংগঠিত ও শক্তিশালী করতে এই কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। নতুন কমিটির নেতারা বলেন, শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, ক্যাম্পাসে বৈষম্য ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রাখা এবং শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার আদায়ে কাজ করাই হবে তাদের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি জেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। অন্যদিকে, নতুন কমিটি ঘোষণার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর জেলা সংগঠন এবং বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই নবগঠিত কমিটিকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি জানিয়েছে, খুব শিগগিরই টাঙ্গাইল জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে এবং উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
মোস্তফা মাসুদ: জুলাই–আগস্ট ২০২৪ সালে সংঘটিত সহিংস ঘটনাবলীর সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিচারের দাবিতে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে উপজেলা তাঁতীদলের উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবাদকারীরা এই ঘটনাগুলোকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে উল্লেখ করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।রবিবার (১৬ নভেম্বর ২০২৫) বিকালে আয়োজিত এই বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে তারালি চৌরাস্তা মোড় এলাকায় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ জড়ো হন।পরে উপজেলা তাঁতীদলের আহ্বায়ক শরীফ মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে মিছিলটি তারালি চৌরাস্তা মোড় থেকে শুরু হয়ে কাকশিয়ালী ব্রিজ পর্যন্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। বিভিন্ন মোড়ে স্লোগান, ব্যানার ও ফেস্টুনে পুরো এলাকা উত্তাল হয়ে ওঠে। কাকশিয়ালী ব্রিজ এলাকায় গিয়ে মিছিলটির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।মিছিলে অংশগ্রহণ করেন— কালিগঞ্জ উপজেলা তাঁতি দলের সদস্য সচিব ফারুক হোসেন,সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক সাইফুল ইসলাম,নুর ইসলাম,আবু হাসান,আব্দুল আলিম,এবাদুল ইসলাম, কালিগঞ্জ সরকারি কলেজের ছাত্রদলের আহ্বায়ক হৃদয় হোসেন , রতনপুর ইউনিয়ন তাঁতী দলের আহ্বায়ক ওয়াহেদুর রহমান মান্নান, সদস্য সচিব আনিসুর রহমান, দক্ষিণ শ্রীপুর তাঁতি দলের আহবায়ক শরিফুল ইসলাম মধু, সদস্য সচিব ফারুক হোসেন, মথুরেশপুর ইউনিয়নের আহ্বায়ক ফারুক হোসেন,সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর ইসলাম ছোট, ভাড়াসিমলা ইউনিয়ন ইউনিয়নের আহবায়ক মহিউদ্দিন গাজী ,সদস্য সচিব আলামিন হোসেন পুটু,ইব্রাহিম খলিল ও শাওন মুখার্জি প্রমূখ। বিক্ষোভকারীরা জুলাই–আগস্ট ২০২৪ সালের ঘটনাবলীর নিরপেক্ষ তদন্ত,নিহতদের পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। বক্তারা বলেন—“ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন ও বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব। এ ধরনের ঘটনায় বিচারহীনতা চলতে থাকলে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রশ্নবিদ্ধ হবে। এটি জাতির সামনে একটি বড় পরীক্ষা।”অঞ্চলের জনগণ দাবি জানায় যে, অনতিবিলম্বে স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে এবং প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “আমাদের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। ন্যায়বিচারের জন্য এই সংগ্রাম আমরা থামাবো না।
১৬ ডিসেম্বর থেকে অবৈধ ও অনিবন্ধিত মোবাইল বন্ধ: ব্যবহৃত সব ডিভাইস স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধনের ঘোষণা বিটিআরসির দেশের বাজারে অবৈধভাবে প্রবেশ করা ও অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। প্রতিষ্ঠানটি আগেই জানিয়েছিল, আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে অনিবন্ধিত ও অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট আর নেটওয়ার্কে চালু করা যাবে না। তবে ইতোমধ্যে ব্যবহৃত অনিবন্ধিত হ্যান্ডসেট ব্যবহারকারীদের জন্য এলো গুরুত্বপূর্ণ স্বস্তির খবর। ১৬ ডিসেম্বরের আগেই স্বয়ংক্রিয় নিবন্ধন রবিবার (১৬ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিটিআরসি জানায়, ১৬ ডিসেম্বরের আগে দেশের যেকোনো মোবাইল নেটওয়ার্কে সক্রিয়ভাবে ব্যবহৃত সব ধরনের হ্যান্ডসেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধন (Auto Registration) করা হবে। এর ফলে গ্রাহকদের আলাদা করে কোনো তথ্য পাঠানো বা নিবন্ধন করতে হবে না। যেসব ফোন ইতোমধ্যে নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে, সেগুলোই এই সুযোগের আওতায় আসবে। কোন কোন মোবাইল বন্ধ হয়ে যাবে? বিটিআরসি জানায়, যে মোবাইল হ্যান্ডসেট কখনোই দেশের নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়নি, অবৈধভাবে আনা এবং এনআইআইআর (NEIR) সিস্টেমে যাদের কোন তথ্য নেই, এবং ১৬ ডিসেম্বরের পর নতুনভাবে নেটওয়ার্কে যুক্ত করার চেষ্টা করা অনিবন্ধিত ডিভাইস— এগুলো আর কোনোভাবেই নেটওয়ার্কে চালু করা যাবে না। ব্যবহারকারীর স্বার্থে স্বয়ংক্রিয় নিবন্ধন বিটিআরসি বলেছে, গ্রাহকদের ভোগান্তি এড়াতে ও দেশে বৈধ মোবাইল আমদানি নিশ্চিত করতে এই স্বয়ংক্রিয় নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি স্পষ্ট করে জানায়, চলমান নিবন্ধনযোগ্য কোনো মোবাইল হঠাৎ বন্ধ হবে না। স্বাভাবিকভাবে ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় থাকা ডিভাইসগুলোই স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাবে। কেন এই উদ্যোগ? টিআরসির ভাষ্য অনুযায়ী— অবৈধ ও চোরাই মোবাইল আমদানি প্রতিরোধ, সরকারের রাজস্ব ক্ষতি কমানো, গ্রাহকের নিরাপত্তা ও ডিভাইস ট্র্যাকিং সক্ষমতা বৃদ্ধি, এবং বৈধ ব্যবসায়ীদের সুরক্ষা প্রদানের অংশ হিসেবেই এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এনইআইআর (NEIR) সিস্টেম কী? বাংলাদেশে ব্যবহৃত প্রতিটি ফোনের আইএমইআই (IMEI) নম্বর রেকর্ড করে বৈধতা যাচাইয়ের জন্য বিটিআরসি এনইআইআর—ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার—সিস্টেম চালু করেছে। এ সিস্টেমের মাধ্যমে: কোন ডিভাইস বৈধ, কোনটি আমদানি করা হয়েছে, কোনগুলো চুরি বা হারানো, এবং কোনগুলো অবৈধভাবে নেটওয়ার্কে আছে—সব তথ্য রাখা হয়। গ্রাহকদের জন্য বিটিআরসির পরামর্শ বিটিআরসি নাগরিকদের পরামর্শ দিয়েছে— কোনো ফোন ১৬ ডিসেম্বরের আগে অন্তত একবার যেকোনো মোবাইল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করে ব্যবহার করতে, নতুন ফোন কেনার সময় অবশ্যই বৈধ আমদানি নথিপত্র পরীক্ষা করতে, এবং * *#06# ডায়াল করে আইএমইআই মিলিয়ে দেখতে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে দেশে বন্ধ হয়ে যাবে সব ধরনের অবৈধ ও অনিবন্ধিত মোবাইল হ্যান্ডসেট—এমন ঘোষণা আগেই দিয়েছিল বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তবে চলমান প্রক্রিয়ায় ইতোমধ্যে ব্যবহৃত অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর দিয়েছে সংস্থাটি। রবিবার (১৬ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিটিআরসি জানায়, ১৬ ডিসেম্বরের আগে দেশের যেসব মোবাইল হ্যান্ডসেট মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়ে যাবে। ফলে ব্যবহারকারীদের অতিরিক্ত কোনো ঝামেলায় পড়তে হবে না। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অবৈধভাবে আমদানি করা ও নেটওয়ার্কে আগে কখনো যুক্ত হয়নি—এমন হ্যান্ডসেটগুলো ১৬ ডিসেম্বরের পর থেকে নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারবে না। তবে বর্তমানে ব্যবহৃত অনিবন্ধিত ডিভাইসগুলো নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকায় তা স্বয়ংক্রিয় নিবন্ধন প্রক্রিয়ার আওতায় আসবে। বিটিআরসি জানায়, দেশে বৈধভাবে আমদানি নিশ্চিত করা, কর ফাঁকি রোধ করা এবং নিরাপদ নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সংস্থাটি গ্রাহকদের আশ্বস্ত করে জানায়, বর্তমানে ব্যবহারযোগ্য কোনো মোবাইল ফোন হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাবে না, বরং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা নিজে থেকেই নিবন্ধিত হবে। দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেটের বৈধ আমদানি উৎসাহিত করা এবং কালোবাজারি প্রতিরোধে এনইআইআর (NEIR) সিস্টেম চালুর অংশ হিসেবে কয়েক মাস ধরেই নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করছে বিটিআরসি।
সাজিদ পিয়াল:টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল–সখীপুর) আসনে সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের প্রার্থীতা: নির্বাচনী মাঠে নতুন উত্তাপ। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল–সখীপুর) আসনে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন দেশের উদীয়মান শিল্পপতি, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সহ-সভাপতি ও লাবিব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল। ব্যবসা-বাণিজ্য, সামাজিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের সুনামের কারণে তিনি এলাকার পরিচিত মুখ। সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিতি পেয়েছেন ব্যবসা ও সমাজসেবার মাধ্যমে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্কুল-কলেজ উন্নয়ন, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তা, স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামোগত কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তার এই কর্মকাণ্ড স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। সম্প্রতি তিনি বিভিন্ন ইউনিয়ন ও হাট-বাজারে গণসংযোগ শুরু করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়, সমস্যা শোনা এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরার মাধ্যমে তিনি নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। বিশেষ করে যুব ও ছাত্র সমাজের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা পড়ার মতো। রাসেল এ আসনের জন্য যে উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন, তার মধ্যে রয়েছে— ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ যুব ও নারীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি শিক্ষার মান উন্নয়ন ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসার গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ কৃষি উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থার উন্নয়ন পানি, বিদ্যুৎ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নয়ন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ব্যবসায়িক পরিচয়ের পাশাপাশি মানুষের পাশে কাজ করার কারণে তিনি এ আসনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত। নির্বাচনী মাঠে তার সক্রিয়তা ও পরিকল্পনা নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “রাসেল সাহেব দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করে আসছেন। তার প্রার্থীতা নিয়ে আমরা আশাবাদী। আশা করি, তিনি এলাকার উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করবেন।” নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, টাঙ্গাইল-৮ আসনের ভোট রাজনীতিতেও উত্তাপ বাড়ছে। ভোটাররা নতুন নেতৃত্ব ও উন্নয়নমুখী কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে ভোটের প্রতিটি পদক্ষেপে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করছেন
সাজিদ পিয়াল: মাভাবিপ্রবির ভাসানী মেলা ২০২৫-এ সাংবাদিক প্রবেশে বাধা দিলেন আনসার সদস্যরা টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) চলমান ভাসানী মেলা ২০২৫ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দিয়েছে দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার সদস্যরা বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ভাসানী মেলা ২০২৫ অনুষ্ঠানটি সংবাদ সংগ্রহের জন্য (মুক্তধ্বনি) মাল্টিমিডিয়া এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার (সাজিদ পিয়াল) এবং স্টাফ রিপোর্টার (নাদিম তালুকদার) সংবাদ সংগ্রহের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে বাইক নিয়ে প্রবেশ মুখে কর্তব্যরত আনসার সদস্যদের বিনয়ের সাথে অনুরোধ করা হলে তারা কোনভাবে প্রবেশ করতে দেয়নি একপর্যায়ে পত্রিকার আইডি কার্ড দেখালে পরবর্তীতে তারা বলেন আপনারা সংবাদ সংগ্রহ করবেন ভালো কথা সাংবাদিক টাংবাদিক যেই হোন রাস্তায় গাড়ি রেখে যান গেটের কাছে রাখা যাবে না। আর না হলে পরিচিত কেউ থাকলে তাদের নিয়ে আসেন,, একপর্যায়ে আমরা তাদের বললাম আমরা তো সংবাদ সংগ্রহ করতে আসছি এখন যদি রাস্তায় বাইক রেখে যাই তাহলে বাইক চুরি হয়ে যেতে পারে আমরা তাহলে বাইকটি গেটের সাথে রাখি কিন্তু তারা আমাদের সাথে খুব বাজে ব্যবহার করে একপর্যায়ে আমরা তাদের সাথে তর্কে লিপ্ত হই এবং পরবর্তী ওই আনসার সদস্য বৃন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মহোদয়ের উপর ছেড়ে দেন তার নির্দেশ মতেই নাকি এরকম হয়েছে মিডিয়াকর্মী হোক গণমাধ্যম কর্মী হোক কাউকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হবে না।,কর্তব্যরত আনসার সদস্যরা তাঁদের প্রবেশে বাধা দেন। “আমরা প্রেস কার্ড দেখিয়েও ভিতরে ঢুকতে পারিনি। কর্তব্যরত আনসাররা বলেন, অনুমতি ছাড়া সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ।” অন্যদিকে, মেলা আয়োজক কমিটির এক সদস্য জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রবেশে কিছু সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছিল। তবে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়ার বিষয়টি “দুঃখজনক” বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সৌদি আরবের যাকাত, ট্যাক্স ও কাস্টমস অথরিটি দুটি পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক চোরা–চালানের চেষ্টা ব্যর্থ করেছে। আলদুরা এবং এমটি কোয়ার্টার—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত ক্রসিংয়ে অভিযানে মোট ৩ হাজার ৩৫৪টি ক্যাপটাগন পিল এবং ২১ কেজির বেশি মেথামফিটামিন (সাবু) জব্দ করা হয়। অথরিটির মুখপাত্র হামুদ আল হারবি জানান, প্রথম ঘটনাটি ঘটে আলদুরা ক্রসিংয়ে। সেখানে একটি গাড়ির জ্বালানি ট্যাংকের ভেতরে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে লুকানো অবস্থায় ক্যাপটাগন পিলগুলো পাওয়া যায়। দ্বিতীয় অভিযানটি পরিচালিত হয় এমটি কোয়ার্টার ক্রসিংয়ে, যেখানে রাজ্যে প্রবেশকারী একটি ট্রাক থেকে জব্দ করা হয় ২১ কেজিরও বেশি সাবু। তিনি বলেন, মাদক ও অন্যান্য নিষিদ্ধ পদার্থের প্রবেশ ঠেকাতে সংস্থাটি সর্বোচ্চ সতর্ক আছে এবং কাস্টমস নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। চোরা–চালান দমন ও জাতীয় অর্থনীতি রক্ষায় জনসাধারণের সহযোগিতাও কামনা করেছে কর্তৃপক্ষ। যে কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ নিরাপত্তা হটলাইন বা ইমেইলে জানানো হলে তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে। সঠিক তথ্য প্রমাণিত হলে দেওয়া হবে আর্থিক পুরস্কারও।
কুয়ালালামপুর: মালয়েশিয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো দেশের নতুন জরুরি কল সিস্টেম Next Generation Emergency Services (NG999)। রোববার (১৬ নভেম্বর) থেকে এটি পূর্বের Malaysian Emergency Responses 999 (MERS999) সিস্টেমের সম্পূর্ণ বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। শনিবার (১৫ নভেম্বর) থেকে জনসাধারণকে পাঠানো এসএমএস বার্তায় NG999 ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, দ্রুত ও সঠিকভাবে জরুরি তথ্য প্রেরণের জন্য অ্যাপস্টোর বা গুগল প্লে থেকে “SaveME999” অ্যাপটি ডাউনলোড করতে। বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়, জরুরি লাইনের অপব্যবহার থেকে বিরত থাকার জন্য। NG999 একটি সমন্বিত ডিজিটাল সিস্টেম, যা জরুরি কল সেন্টার এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য ও সম্পদ ভাগাভাগি আরও উন্নত করে। ফলে জরুরি সেবার কার্যক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক বাড়বে। গত বছরের ১ জুলাই, ডেপুটি কমিউনিকেশনস মন্ত্রী তেও নি চিং জানান, নতুন এই সিস্টেমে ওয়েব-ভিত্তিক ডিজিটাল ম্যাপিং, কলার আইডি, জিওলোকেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং স্মার্ট মোবাইল অ্যাপসহ আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে দেশের যেকোনো স্থানে আরও কার্যকর জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তিনি আরও জানান, MERS999-এর তুলনায় NG999-এর কভারেজ দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়ে এখন সারাদেশে ৮০০–রও বেশি স্থানে সম্প্রসারিত হয়েছে। — বারনামা
আজ সকাল ০৬টার সময় কুমিল্লা নগরীর সহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দানব খ্যাত সাবেক এমপি বাহারের ও তার মেয়ে, মেয়র সূচিত ২৯ কর্মী সহ ৪৪ জন ছাত্রলীগের কর্মী গ্রেফতার। কুমিল্লা জেলা সুপার,কুমিল্লার দিক নির্দেশনায় কুমিল্লার আইন শৃঙ্খলা ও জন জীবন স্বাভাবিক রাখতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লায় অরাজকতা, আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নের উদ্দেশ্যে বাহারের মেয়ে সূচনার টাকায় শহরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতি : ব্যানার, লাঠি, গ্যাসলাইট সহ টমছট ব্রীজ এলাকায় ও বাদুরতলা এলাকায় অভিযান করে মোট ২৯ জন আটক। এছাড়া কুমিল্লা জেলা বিভিন্ন জায়গায় থেকে আরো ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান
নতুন লৌহবর্ণের ইউনিফর্মে মাঠে দেখা গেল বাংলাদেশ পুলিশের মহানগর ও বিশেষায়িত ইউনিটের সদস্যদের। শনিবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা এই নতুন পোশাকে নজর কেড়েছেন। সাধারণ মানুষের চোখে পড়েছে নতুন পোশাকের দৃশ্যমান পরিবর্তন, যা মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। কেউ ইউনিফর্মের প্রশংসা করছেন আধুনিক, দৃঢ় ও শক্তিময় বলে, আবার অনেকে সমালোচনা করেছেন। কারো মতে রংটি অতিরিক্ত গাঢ়, কারো মতে আগের পোশাকে ছিল আলাদা মাধুর্য। ডিএমপি মিডিয়া বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মোঃ তালেবুর রহমান জানান, শনিবার থেকে ডিএমপির সদস্যরা নতুন পোশাক পড়ে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। এটি একদিনের সিদ্ধান্ত নয়; গত বছর জুলাইয়ের গণভবনের পর থেকে পুলিশের সংস্কারের দাবি ওঠে। জনগণের প্রত্যাশা ছিল অনিয়ম, দুর্নীতি ও কাঠামোগত অচলায়তনের পাশাপাশি বাহিনীর চেহারাতেও বড় পরিবর্তন আনা। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে পুলিশ, র্যাব এবং আনসারের পোশাক নতুনভাবে আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে বদলানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন ইউনিফর্মের প্রতীকী অর্থ হলো শক্তি, দায়িত্ববোধ এবং দৃঢ়তা। তবে প্রশ্ন থেকে যায়, শুধু ইউনিফর্ম বদলালে কি আচরণেও আসবে প্রত্যাশিত পরিবর্তন? দেশজুড়ে নতুন এই ইউনিফর্ম নিয়ে আলোচনা এখনও তুঙ্গে।
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার ৪৮ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সজীব হোসেনকে সভাপতি ও নবাব আলীকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাতে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামীন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসানের স্বাক্ষরিত প্যাডে আগামী এক বছরের জন্য এ কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কমিটির অন্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আরাফাত অনিম, রেজাউল হান্নান, মাহমুদুল হাসান মিলন, আল আমিন উদয়, সুলতান খান, অনিক হাসান, এস এ শিশির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু হাসেম, আমির হামজা, তামান্না ইসলাম তরী, আল আমিন, সজীব হাসান, রাসেল রানা, শামীম পারভেজ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক কায়ছার আহমেদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম মেহেদী, রনি, রবিউল ইসলাম মোছা: সাজিয়া আক্তার, মমিনুর রহমান, পলাশ আহমেদ, নাজমুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক নাসির উদ্দিন, সহ দপ্তর সম্পাদক জুবায়দুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম নিলয়, সহ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মাসরুফ মইন উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক মাহাতাব আহমদ মাহি, সহ অর্থ সম্পাদক মাহীম তালুকদার, সমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক ফামিম হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সজীব সিকদার, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক আরিয়ান ইসলাম আশা, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রনি ইসলাম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক নাঈমুল রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাজমুন নাহার শিখা, ক্রীড়া সম্পাদক ইমরুল হাসান পারভেজ, রাজনৈতিক শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হামিদ, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি সংরক্ষণ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম, সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদ বিন মুজিব, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক শাহীন আল মামুন। কার্যকরী সদস্যরা হলেন- আসাদুল ইসলাম, শাহীন শাহ, কালাম শেখ, এনামুল হক, সাব্বির আহমেদ, আবদুল আওয়াল। এ ব্যাপারে নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক নবাব আলী বলেন, আজ আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দ্বিতীয়বার দায়িত্ব পাওয়া আমার জীবনের এক বিশেষ সম্মান। এই দায়িত্ব আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়-এটি আপনাদের সকলের বিশ্বাস, ভালোবাসা ও ত্যাগের ফসল। আমি বিশ্বাস করি, ছাত্র অধিকার পরিষদের শক্তি হলো সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা, এবং সাধারণ শিক্ষার্থীর ন্যায্য অধিকারের জন্য আন্দোলন গড়ে তোলা। আমরা কখনো ক্ষমতার লোভে কাজ করি না; আমরা কাজ করি নীতি, আদর্শ ও দেশপ্রেমকে আঁকড়ে ধরে। আমি দলের ঐক্য, শৃঙ্খলা ও সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করব। যে অন্যায়, দুর্নীতি, অবহেলা ও স্বেচ্ছাচারের বিরুদ্ধে আগের মতোই অবিচল থাকব।