রাজনীতি

টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের সম্পদচিত্র

reporter-icon
স্টাফ রিপোর্টার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
জানুয়ারী ১৭, ২০২৬ | 0
টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের সম্পদচিত্র
টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের সম্পদচিত্র
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া টাঙ্গাইল জেলার আটটি সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে সাতজনই কোটিপতি। অপর একটি আসনের প্রার্থী নিজে কোটিপতি না হলেও তাঁর স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ অন্য সব প্রার্থীর তুলনায় বেশি। এছাড়া টাঙ্গাইলে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া দুই ভাইস চেয়ারম্যানসহ তিনজন কেন্দ্রীয় নেতার ক্ষেত্রে দেখা গেছে—স্ত্রীদের আয় ও সম্পদ স্বামীদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। টাঙ্গাইলের আটটি আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন— টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী): কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন। টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর): কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু। টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল): কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এস এম ওবায়দুল হক নাসির। টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী): কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য লুৎফর রহমান মতিন। টাঙ্গাইল-৫ (টাঙ্গাইল সদর): কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার): কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রবিউল আওয়াল লাভলু। টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর): কেন্দ্রীয় বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী। টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল): বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান। ফকির মাহবুব আনাম স্বপন (টাঙ্গাইল-১) সম্পদ: ৩ কোটি ৯২ লাখ ৬৫ হাজার ৩৪২ টাকা বাৎসরিক আয়: ২২ লাখ ৭৭ হাজার ৮৫০ টাকা তাঁর স্ত্রী রেশমা আনামের— সম্পদ: ২ কোটি ৫৮ লাখ ৮ হাজার ১৮৬ টাকা বাৎসরিক আয়: ১৩ লাখ ১১ হাজার ২৫০ টাকা। আবদুস সালাম পিন্টু (টাঙ্গাইল-২) কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টুর ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৪৫ লাখ ২০ হাজার ৬২৬ টাকা। তাঁর বাৎসরিক আয় দেখানো হয়েছে মাত্র ১৭ হাজার ৭৫৫ টাকা। অন্যদিকে তাঁর স্ত্রী, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বিলকিস বেগমের— সম্পদ: ২ কোটি ৭ লাখ ১ হাজার ৮৬০ টাকা বাৎসরিক আয়: ১৪ লাখ ২৯ হাজার ২৩ টাকা। এস এম ওবায়দুল হক নাসির (টাঙ্গাইল-৩) সম্পদ: ১ কোটি ৬০ লাখ ৭৬ হাজার ৯৩৯ টাকা বাৎসরিক আয়: ২৪ লাখ ৩০ হাজার ২০৭ টাকা তাঁর স্ত্রী রিনাত ফৌজিয়ার— সম্পদ: ১ কোটি ৫৫ লাখ ২০ হাজার ২০৭ টাকা বাৎসরিক আয়: ১৫ লাখ ১৭ হাজার ৯৯৭ টাকা। লুৎফর রহমান মতিন (টাঙ্গাইল-৪) সম্পদ: ৩ কোটি ৯৯ লাখ ৩৯ হাজার ৪২২ টাকা বাৎসরিক আয়: ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৬৭৯ টাকা তবে হলফনামা অনুযায়ী তাঁর নামে ২২ কোটি ৪০ লাখ ৩৮ হাজার টাকা ব্যাংক ঋণ রয়েছে। টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নগদ অর্থ, ব্যাংকে জমা ও স্থায়ী আমানতের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। তাঁর নগদ ও ব্যাংক আমানতের পরিমাণ ৫ কোটি ৩৪ লাখ ৯৮ হাজার ৬৮১ টাকা।বাৎসরিক আয়: ১ কোটি ৩৯ লাখ ৭৯ হাজার ৫১৭ টাকা ঘোষিত মোট সম্পদ: ২ কোটি ১৫ লাখ ২৪ হাজার ৪৯৬ টাকা অন্যদিকে তাঁর স্ত্রী সায়মা পারভীন সিম্মির— বাৎসরিক আয়: ৪৮ লাখ ২৭ হাজার ৬৮৮ টাকা মোট সম্পদ: ১ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার ৩২৫ টাকা। এছাড়া মামলার সংখ্যার দিক থেকেও তিনি শীর্ষে রয়েছেন। ২০১৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে ২৩৮টি মামলা থাকলেও সবগুলো থেকেই তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে। রবিউল আওয়াল লাভলু (টাঙ্গাইল-৬) বাৎসরিক আয়: ৪ লাখ ৬০ হাজার ৪২২ টাকা সম্পদ: ৫৯ লাখ ৮৬ হাজার ২৮২ টাকা অন্যদিকে তাঁর শিক্ষক স্ত্রী মনোয়ারা বেগমের— বাৎসরিক আয়: ২৪ লাখ ৫০ হাজার ২৪৪ টাকা সম্পদ: ২ কোটি ৫০ লাখ ৩৩ হাজার ৫৬৫ টাকা। আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (টাঙ্গাইল-৭) বাৎসরিক আয়: ৪৭ লাখ ৫৯ হাজার ৭১২ টাকা সম্পদ: ৫৮ লাখ ২৮ হাজার ৭৪৭ টাকা তাঁর স্ত্রী ফাতেমা আজাদের— বাৎসরিক আয়: ৯৯ লাখ ৩৫ হাজার ২৭৯ টাকা সম্পদ: ২ কোটি ৪৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫৪২ টাকা। আহমেদ আযম খান (টাঙ্গাইল-৮) সম্পদ: ১ কোটি ৬৮ লাখ ৬১ হাজার ১৩৯ টাকা বাৎসরিক আয়: ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৩৩৫ টাকা তাঁর স্ত্রী নার্গিস সিদ্দিকার— পেশা: কর্পোরেট চেম্বার প্র্যাকটিস সম্পদ: ২ কোটি ৪৮ লাখ ২৭ হাজার ৬৬২ টাকা বাৎসরিক আয়: ২৩ লাখ ৫ হাজার ২৭৬ টাকা। হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, টাঙ্গাইলের আটটি আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই বিপুল সম্পদের মালিক। পাশাপাশি একাধিক প্রার্থীর ক্ষেত্রে স্ত্রীদের আয় ও সম্পদ স্বামীদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি—যা এবারের নির্বাচনে টাঙ্গাইলের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

রাজনীতি

আরও পড়ুন
ধানের শীষের প্রচারণায় সিলেটে পর্তুগাল বিএনপির আহ্বায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার
ধানের শীষের প্রচারণায় সিলেটে পর্তুগাল বিএনপির আহ্বায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রচারণায় অংশ নিতে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান পর্তুগাল বিএনপির আহ্বায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার। এ সময় দেশে অবস্থানরত পর্তুগাল বিএনপির সদস্য সচিব সায়েফ আহমেদ সুইট, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক গিলমান চৌধুরীসহ দেশে অবস্থানরত দলীয় নেতাকর্মীরা তাঁকে ফুলেল অভ্যর্থনা জানান।

ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0

ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের নির্বাচনী প্রচারণা

টাঙ্গাইলকে ‘মডেল জেলা’ গড়তে টুকুর ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার

টাঙ্গাইল–৫ আসনে উন্নয়নের ২৩ দফা রূপরেখা তুলে ধরলেনবিএনপির প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

টাঙ্গাইল–৫ আসনে উন্নয়নের ২৩ দফা রূপরেখা তুলে ধরলেন বিএনপির প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে ৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াত আমীর ডা. শফিকুল রহমানের নির্বাচনী জনসভা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুল রহমান আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সফরে আসছেন। সফরসূচির অংশ হিসেবে তিনি নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার তিনটি আসনের ভোটারদের উদ্দেশ্যে এ নির্বাচনী জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে জনসভা আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। নির্বাচনী জনসভা সফল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সকল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান। দীর্ঘ ১৭ বছর পর জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে—এমন প্রেক্ষাপটে এবার যেন ভোটাররা নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, সে লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী সার্বক্ষণিকভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে সোমবার নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী নূরুল ইসলাম বুলবুল। মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আগামী ৫ ফেব্রুয়ারির বিশাল নির্বাচনী জনসভা সফল করতে মাঠের যাবতীয় কার্যক্রম আমরা সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারব বলে আশাবাদী। আমাদের এই জনসভায় জামায়াত আমীরসহ তাঁর সফরসঙ্গী কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।”তিনি আরও বলেন, “এই জনসভায় নারী ও পুরুষ উভয়ের অংশগ্রহণ থাকবে। নারীদের জন্য আলাদা অংশে সার্বিক নিরাপত্তাসহ বসার ব্যবস্থা করা হবে। জনসভা সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে জামায়াতে ইসলামীর স্বেচ্ছাসেবকরা সর্বত্র দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছি।”নূরুল ইসলাম বুলবুল আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে এ নির্বাচনী জনসভা জনসমুদ্রে রূপ নেবে এবং শান্তিপূর্ণ ও নজিরবিহীন একটি সমাবেশ উপহার দিতে পারবে জামায়াতে ইসলামী। মাঠ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর আবু গিফারী, জেলা সেক্রেটারি আবু বক্কর, জামায়াত নেতা ও পৌরসভার সাবেক মেয়র অধ্যাপক মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোখলেশুর রহমান, আব্দুল আলীমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0

জামায়াতে আমীর ৫ ই ফেব্রুয়ারী নির্বাচনী জনসভায় আগমনে সাংবাদিক সম্মেলন

ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে আজ দেশে আসছেন পর্তুগাল বিএনপির আহবায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার ও সদস্য সচিব সায়েফ আহমেদ সুইট।

জামায়াতের মাল্টিমিডিয়া বাস উদ্বোধন

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে লতিফ সিদ্দিকী–হালিম ইঞ্জিনিয়ার যোগসাজশে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন? বিএনপির ভেতরে তীব্র অস্বস্তি

কালিহাতী উপজেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হালিম ইঞ্জিনিয়ারের যোগসাজশে কালিহাতীতে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের অপচেষ্টা চলছে। সূত্র জানায়, কালিহাতীর বিভিন্ন ইউনিয়নে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা রাতের আঁধারে লতিফ সিদ্দিকীর সঙ্গে গোপন বৈঠকে মিলিত হচ্ছেন। এসব বৈঠকে স্থানীয় পর্যায়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পুনরায় সক্রিয় করার কৌশল নির্ধারণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ আরও রয়েছে, এই প্রক্রিয়ায় লতিফ সিদ্দিকী ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হালিম ইঞ্জিনিয়ারের মধ্যে একটি সমন্বিত যোগাযোগ ও সমঝোতা তৈরি হয়েছে। যার মাধ্যমে কালিহাতীতে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনের পথ তৈরি হচ্ছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কালিহাতী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক পদধারী এবং কয়েকজন ইউনিয়ন বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাও নীরবে এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দিনের বেলায় তারা প্রকাশ্যে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করলেও, রাতের অন্ধকারে ধানের শীষের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে ভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নে সক্রিয় থাকছেন। এ বিষয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বলেন, “দলের ভেতরে থেকে যারা সাংগঠনিক দায়িত্বে থেকেও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিষয়ে আমরা সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছি। তদন্ত করে দ্রুত তাদের শনাক্ত করা হবে এবং প্রমাণ সাপেক্ষে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এ ধরনের গোপন সমঝোতা ও দ্বিমুখী ভূমিকা কালিহাতীর রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতোমধ্যেই চরম ক্ষোভ ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

জানুয়ারী ২৯, ২০২৬ 0

জামালপুর-৪: আওনা ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণা ও আলোচনা সভা

ভুয়াপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিশাল রেলি ও নির্বাচনী প্রচারণা

টুকু নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে গণসংযোগ চালাচ্ছেন বিএনপির টুকু

0 মন্তব্য

শীর্ষ সপ্তাহ

শিক্ষাঙ্গন

ভূঞাপুরে ইমাম আলী বাইতুল কুরআন বালক বালিকা মাদ্রাসা (মাদারিয়া)-এর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

মুক্তধ্বনি ডেক্স ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0

ভোট জরিপ

নির্বাচনের দিন গণভোট আপনি সমর্থন করেন ?