ময়মনসিংহ রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার নির্বাচিত শেরপুরের এসপি মো. কামরুল ইসলাম ময়মনসিংহ রেঞ্জের জেলাগুলোর মধ্যে সামগ্রিক কর্মদক্ষতা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, আভিযানিক সাফল্য ও জনসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে শেরপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম ‘শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার’ নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টায় ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ফেব্রুয়ারি-২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের সম্মানিত ডিআইজি মোহাম্মদ আতাউল কিবরিয়া।সভায় রেঞ্জাধীন বিভিন্ন জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অপরাধ দমন কার্যক্রম অভিযানের সাফল্য এবং জনমুখী পুলিশিং কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে বিস্তারিত মূল্যায়ন করা হয়। এ মূল্যায়নে সার্বিকভাবে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করায় শেরপুর জেলা পুলিশকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।পরে ডিআইজি মহোদয়ের নিকট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন শেরপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম। এ সময় রেঞ্জের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারগণ উপস্থিত ছিলেন।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ বাহিনীর মধ্যে পেশাগত উৎকর্ষতা ও সেবার মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নাগরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: অবৈধ ইটভাটায় ১২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে ইট প্রস্তুতের দায়ে চারটি ইটভাটাকে মোট ১২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩১ মার্চ ২০২৬) তারিখে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ নাজমুস সাকিব। অভিযানে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত) অনুযায়ী এই অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।অভিযান সূত্রে জানা যায়, সংশ্লিষ্টইটভাটাগুলো দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে ইট প্রস্তুত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছিল। এ অবস্থায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে চারটি ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।এসময় অভিযানে জেলা পুলিশের প্রতিনিধি এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এ অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিবেশ রক্ষা ও জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর মডেল থানাধীন আলীনগর ভূতপুকুর ও হাজিরমোড় এলাকায় মাদকবিরোধী পথসভা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ ) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। এ সময় স্থানীয় জনগণের মাঝে মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পথসভা অনুষ্ঠিত হয় এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়। পথসভায় উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক (সি সার্কেল) মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপপরিদর্শক মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান, উপপরিদর্শক মামুনুর রশিদ, সহকারী উপপরিদর্শক মোঃ আরিফুল ইসলাম, এএনএম হাসান, আহমেদ শোভা ও মোঃ আল-আমিনসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। বক্তারা বলেন, মাদক শুধু ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। তাই মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এ সময় স্থানীয় জনগণ মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। আয়োজকরা জানান, মাদকবিরোধী সচেতনতা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং পর্যায়ক্রমে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে।
টাঙ্গাইল জেলার ঐতিহ্যবাহী হেমনগর রেল স্টেশনটি এক যুগেরও বেশি সময় ধরে আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কার্যত পরিত্যক্ত স্থাপনায় পরিণত হয়েছে। একসময় যাত্রীদের পদচারণায় মুখর এই স্টেশন আজ নীরবতা ও অবহেলার দীর্ঘ ছায়ায় ঢাকা। যাত্রীশূন্য প্ল্যাটফর্ম, বন্ধ টিকিট কাউন্টার এবং মরিচা ধরা সাইনবোর্ড—সব মিলিয়ে স্টেশনজুড়ে জমে উঠেছে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার করুণ চিত্র।অবহেলা ও রক্ষণাবেক্ষণের সংকটরেলওয়ের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং দীর্ঘদিনের অবহেলায় স্টেশনটিতে সংরক্ষিত কোটি টাকার সরকারি আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম নষ্ট হওয়ার পথে। অপেক্ষমান কক্ষের চেয়ার–টেবিল, বিভিন্ন অফিস ইকুইপমেন্ট, ইলেকট্রনিক সামগ্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ উপকরণগুলো ধুলোয় ঢেকে পড়ে আছে। অনেক স্থানের দরজা-জানালা ভাঙাচোরা থাকায় রাতের বেলায় অনাধিকার প্রবেশের ঘটনাও ঘটছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এতে করে মূল্যবান সরকারি সম্পদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।যাত্রীসেবা ও অর্থনৈতিক প্রভাবদীর্ঘদিন ধরে আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীসেবার মারাত্মক ঘাটতি তৈরি হয়েছে। স্টেশনকেন্দ্রিক ক্ষুদ্র ব্যবসা, পরিবহন সেবা এবং আশপাশের এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে গেছে এবং এলাকার সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থাও দুর্বল হয়ে পড়েছে।পুনরায় চালুর দাবিস্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহলের দাবি—হেমনগর রেল স্টেশনটি দ্রুত পুনরায় চালু করা হোক। পাশাপাশি অবহেলায় পড়ে থাকা সরকারি সম্পদকে রক্ষণাবেক্ষণের আওতায় এনে নিরাপত্তা জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়েছে। তাদের মতে, আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস পুনরায় চালু হলে যাত্রীসেবা উন্নত হবে, যোগাযোগ ব্যবস্থায় গতি আসবে এবং এলাকায় নতুন করে অর্থনৈতিক প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে।হেমনগর রেল স্টেশন শুধু একটি অবকাঠামো নয়—এটি এলাকার যোগাযোগ, অর্থনীতি ও ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। যথাযথ উদ্যোগ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে স্টেশনটির পুনর্জাগরণ সম্ভব হলে সরকারিভাবে সংরক্ষিত সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে এবং সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাও পূরণ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ময়মনসিংহ রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার নির্বাচিত শেরপুরের এসপি মো. কামরুল ইসলাম ময়মনসিংহ রেঞ্জের জেলাগুলোর মধ্যে সামগ্রিক কর্মদক্ষতা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, আভিযানিক সাফল্য ও জনসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে শেরপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম ‘শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার’ নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টায় ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ফেব্রুয়ারি-২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের সম্মানিত ডিআইজি মোহাম্মদ আতাউল কিবরিয়া।সভায় রেঞ্জাধীন বিভিন্ন জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অপরাধ দমন কার্যক্রম অভিযানের সাফল্য এবং জনমুখী পুলিশিং কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে বিস্তারিত মূল্যায়ন করা হয়। এ মূল্যায়নে সার্বিকভাবে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করায় শেরপুর জেলা পুলিশকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।পরে ডিআইজি মহোদয়ের নিকট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন শেরপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম। এ সময় রেঞ্জের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারগণ উপস্থিত ছিলেন।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ বাহিনীর মধ্যে পেশাগত উৎকর্ষতা ও সেবার মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে আপনার জ্ঞান চর্চার নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
ময়মনসিংহ রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার নির্বাচিত শেরপুরের এসপি মো. কামরুল ইসলাম ময়মনসিংহ রেঞ্জের জেলাগুলোর মধ্যে সামগ্রিক কর্মদক্ষতা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, আভিযানিক সাফল্য ও জনসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে শেরপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম ‘শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার’ নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টায় ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ফেব্রুয়ারি-২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের সম্মানিত ডিআইজি মোহাম্মদ আতাউল কিবরিয়া।সভায় রেঞ্জাধীন বিভিন্ন জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অপরাধ দমন কার্যক্রম অভিযানের সাফল্য এবং জনমুখী পুলিশিং কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে বিস্তারিত মূল্যায়ন করা হয়। এ মূল্যায়নে সার্বিকভাবে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করায় শেরপুর জেলা পুলিশকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।পরে ডিআইজি মহোদয়ের নিকট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন শেরপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম। এ সময় রেঞ্জের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারগণ উপস্থিত ছিলেন।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ বাহিনীর মধ্যে পেশাগত উৎকর্ষতা ও সেবার মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর মডেল থানাধীন আলীনগর ভূতপুকুর ও হাজিরমোড় এলাকায় মাদকবিরোধী পথসভা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ ) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। এ সময় স্থানীয় জনগণের মাঝে মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পথসভা অনুষ্ঠিত হয় এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়। পথসভায় উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক (সি সার্কেল) মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপপরিদর্শক মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান, উপপরিদর্শক মামুনুর রশিদ, সহকারী উপপরিদর্শক মোঃ আরিফুল ইসলাম, এএনএম হাসান, আহমেদ শোভা ও মোঃ আল-আমিনসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। বক্তারা বলেন, মাদক শুধু ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। তাই মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এ সময় স্থানীয় জনগণ মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। আয়োজকরা জানান, মাদকবিরোধী সচেতনতা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং পর্যায়ক্রমে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে।
টাঙ্গাইল জেলার ঐতিহ্যবাহী হেমনগর রেল স্টেশনটি এক যুগেরও বেশি সময় ধরে আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কার্যত পরিত্যক্ত স্থাপনায় পরিণত হয়েছে। একসময় যাত্রীদের পদচারণায় মুখর এই স্টেশন আজ নীরবতা ও অবহেলার দীর্ঘ ছায়ায় ঢাকা। যাত্রীশূন্য প্ল্যাটফর্ম, বন্ধ টিকিট কাউন্টার এবং মরিচা ধরা সাইনবোর্ড—সব মিলিয়ে স্টেশনজুড়ে জমে উঠেছে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার করুণ চিত্র।অবহেলা ও রক্ষণাবেক্ষণের সংকটরেলওয়ের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং দীর্ঘদিনের অবহেলায় স্টেশনটিতে সংরক্ষিত কোটি টাকার সরকারি আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম নষ্ট হওয়ার পথে। অপেক্ষমান কক্ষের চেয়ার–টেবিল, বিভিন্ন অফিস ইকুইপমেন্ট, ইলেকট্রনিক সামগ্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ উপকরণগুলো ধুলোয় ঢেকে পড়ে আছে। অনেক স্থানের দরজা-জানালা ভাঙাচোরা থাকায় রাতের বেলায় অনাধিকার প্রবেশের ঘটনাও ঘটছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এতে করে মূল্যবান সরকারি সম্পদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।যাত্রীসেবা ও অর্থনৈতিক প্রভাবদীর্ঘদিন ধরে আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীসেবার মারাত্মক ঘাটতি তৈরি হয়েছে। স্টেশনকেন্দ্রিক ক্ষুদ্র ব্যবসা, পরিবহন সেবা এবং আশপাশের এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে গেছে এবং এলাকার সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থাও দুর্বল হয়ে পড়েছে।পুনরায় চালুর দাবিস্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহলের দাবি—হেমনগর রেল স্টেশনটি দ্রুত পুনরায় চালু করা হোক। পাশাপাশি অবহেলায় পড়ে থাকা সরকারি সম্পদকে রক্ষণাবেক্ষণের আওতায় এনে নিরাপত্তা জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়েছে। তাদের মতে, আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস পুনরায় চালু হলে যাত্রীসেবা উন্নত হবে, যোগাযোগ ব্যবস্থায় গতি আসবে এবং এলাকায় নতুন করে অর্থনৈতিক প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে।হেমনগর রেল স্টেশন শুধু একটি অবকাঠামো নয়—এটি এলাকার যোগাযোগ, অর্থনীতি ও ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। যথাযথ উদ্যোগ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে স্টেশনটির পুনর্জাগরণ সম্ভব হলে সরকারিভাবে সংরক্ষিত সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে এবং সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাও পূরণ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নদী ভাঙনে বিপর্যস্ত কালিহাতীর মহেলা গ্রাম: বর্ষার আগেই শুরু তীব্র ভাঙন, চরম আতঙ্কে এলাকাবাসী টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের অন্তর্গত এলেঙ্গা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের মহেলা গ্রামটি বর্তমানে মারাত্মক নদী ভাঙনের মুখে পড়ে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হচ্ছে। প্রতিবছর বর্ষা এলেই এ গ্রামের মানুষের জীবনে নেমে আসে দুর্ভোগ আর আতঙ্কের ছায়া। নদীর অব্যাহত আগ্রাসনে একের পর এক বসতবাড়ি ফসলি জমি গাছপালা এবং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পাকা সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়গত কয়েক বছর ধরে ভাঙনের তীব্রতা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক পরিবার ইতোমধ্যে তাদের ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে এবং অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।কেউ কেউ আবার নদীর পাড়ে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছেন প্রতিনিয়ত ভাঙনের আতঙ্ক নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন।সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো চলতি বছর এখনো পূর্ণমাত্রায় বর্ষা শুরু না হলেও এরই মধ্যে নদী ভাঙন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা ভেঙে পড়ছে নদীতে। এতে করে স্থানীয় কৃষকরা তাদের আবাদি জমি হারিয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং খাদ্য উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। একই সঙ্গে ভেঙে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা, ফলে এলাকাবাসীর যাতায়াত ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা থাকলেও এখনো পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধান গ্রহণ করা হয়নি। মাঝে মাঝে অস্থায়ীভাবে কিছু জিও ব্যাগ ফেলা বা ছোটখাটো উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ভাঙন রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। ফলে প্রতি বছরই একই চিত্রের পুনরাবৃত্তি ঘটছে।এ অবস্থায় মহেলা গ্রামের সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন— জরুরি ভিত্তিতে নদী ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ,ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত জিও ব্যাগ ও বালুভর্তি বস্তা ফেলা,ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান,এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে নদী শাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন।এলাকাবাসী আরও জানান সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে মহেলা গ্রামের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়বে এবং হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হবে।তাই,জনস্বার্থে এবং মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ওজনপ্রতিনিধিদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। তাদের একটাই প্রত্যাশা—দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে কার্যকর ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা হোক।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
মহিলাদের ২৫০০-৩০০০, মাসোহারা প্রবীণদেরও, ফ্রি LPG, কেরলে ভোটের আগে কল্পতরু বিজেপি, পশ্চিমবঙ্গের জন্যও কি বড় ঘোষণা?
খরা কাটবে ! বুধেই উঠবে বাজার, গিফটি নিফটি দিচ্ছে গ্যাপ আপ ওপেনিংয়ের সঙ্কেত ?
টুর্নামেন্ট শুরু হতে না হতেই বিপত্তি! মৃত আইপিএল ব্রডকাস্টার, হোটেল থেকে উদ্ধার হল দেহ
দিনে ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করলেই পাবেন দ্বিগুণ পারিশ্রমিক!
চুরির অভিযোগে ডিপ ফ্রিজারে বন্দি শিশু! তারপর...শিউরে ওঠা ঘটনা ঘটল কোথায়?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন মন্তব্যকে হাতিয়ার করে কমিশনে BJP ? কী বলেছেন ? জানালেন শুভেন্দু
রাহুল অরুণোদয়ের মৃত্যু, দায় কার? সরাসরি জানালেন অভিনেত্রী অঞ্জনা বসু!
‘আমার ধারেকাছে কোনও ভারতীয় বোলার আছে!’ অবসর-প্রসঙ্গ উঠতেই ভারতীয় নির্বাচকমণ্ডলীকে আক্রমণ শামির