প্রতি বছরের মতো পবিত্র রমজান মাসের শুরুতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা আবারও দেখা দিয়েছে বাজারে। গেল বছর তুলনামূলকভাবে বাজার কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও এবার পুরোনো চিত্রই ফিরে এসেছে। রোজার শুরুতেই লেবুসহ বিভিন্ন সবজি, মুরগি ও গরুর মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির পাশাপাশি আমিষজাত পণ্যের দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বাজারে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে লেবু। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে লেবুর দাম দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। গেল সপ্তাহে বাজারে প্রতি হালি লেবু ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৪০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৬০ থেকে ৮০ টাকায় পৌঁছেছে। কিছু ক্ষেত্রে পাকা লেবু ১০০ টাকা হালিতেও বিক্রি হচ্ছে। দেশি কাগজি লেবুর তুলনায় এলাচি লেবুর দাম বেশি দেখা গেছে। টাঙ্গাইল পার্ক বাজারের সবজি বিক্রেতা শাহজাহান জানান, “একদাম ৮০ টাকা হালি। কেনার দামই বেশি, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।” একই বাজারের আরেক বিক্রেতা জসিম বলেন, রোজা উপলক্ষে লেবুর চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে। ইফতারিতে শরবত, মুড়িমাখা, হালিমসহ বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে লেবুর ব্যবহার বেশি হওয়ায় পাইকারি বাজারেও দাম বেড়েছে। লেবুর দাম বাড়াকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে আলোচনা-সমালোচনা ও হাস্যরস। কেউ লিখছেন, “আপনার এলাকায় লেবুর ভরি কত?” আবার কেউ মজা করে বলছেন, “এবার মনে হয় লেবু ছাড়া শরবত বানাতে হবে।” বেসরকারি চাকরিজীবী সামিন খান বলেন, “মনে হচ্ছে এই দুদিনে লেবুতে ভিটামিনের পরিমাণ বেড়ে গেছে। ৮০ টাকা হালি দিয়ে কিনে অন্তত তাই মনে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য এটা কষ্টকর।”শুধু লেবু নয়, বাজারে মুরগির দামও বেড়েছে। গেল সপ্তাহে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ২০০-২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। সোনালি মুরগি সপ্তাহের ব্যবধানে ৩০-৪০ টাকা বেড়ে ৩৫০-৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির দাম ৬০০-৬৫০ টাকা থেকে বেড়ে বর্তমানে ৭০০-৭২০ টাকায় পৌঁছেছে।গরুর মাংসের বাজারেও দাম কিছুটা বেড়েছে। গেল সপ্তাহে প্রতি কেজি ৭৫০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৭৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কমে যাওয়া ও চাহিদা বাড়ার কারণে দাম বেড়েছে।ক্রেতাদের অভিযোগ, রোজা এলেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দেন। তারা বাজার মনিটরিং জোরদার ও প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রমজান মাসে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো জরুরি, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে কেনাকাটা করতে পারে।
পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বাজার এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পরিচালিত এ অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ৩টি পৃথক মামলায় মোট ৩০ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। অভিযান চলাকালে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পণ্যের মূল্য তালিকা যথাযথভাবে প্রদর্শন করা হচ্ছে কি না, নির্ধারিত দামের অতিরিক্ত মূল্য নেওয়া হচ্ছে কি না, মজুতদারি কিংবা কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে কি না—এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি, ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক আচরণ থেকে বিরত থাকা এবং বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সতর্ক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম। তিনি জানান, রমজান মাসে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলবে। কেউ আইন অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন। তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের লক্ষ্য হচ্ছে বাজারে ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষা করা। এজন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠন ও সাধারণ জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ক্রেতাদেরও প্রতারণা সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পবিত্র রমজান মাস জুড়ে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন বাজারে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করতে পারেন।
কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, সরকারের ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিভিন্ন খাতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় রাখতে নিয়মিত মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের ফলে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের প্রোটিন চাহিদা পূরণে রাজধানী ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ ২৫টি স্থানে ন্যায্যমূল্যে মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রির কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হবে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থাও স্থিতিশীল থাকবে বলে তিনি আশা করেন। রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের বাড়তি চাহিদা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে সব ধরনের পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং কোথাও কোনো ঘাটতি নেই। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও তদারকির মাধ্যমে বাজার স্বাভাবিক রাখা হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন তিনি। এছাড়া টাঙ্গাইল জেলায় মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ সমাজ গড়তে সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সঞ্জয় কুমার মহন্তসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রশাসন ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাই একযোগে কাজ করলে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নত হবে।
শহিদ মিনারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা:ভাষা শহিদদের স্মরণে সিক্ত জাতি ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারাদেশে পালিত হচ্ছে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় যারা প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন, সেই ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে অমর একুশের প্রথম প্রহরে রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে মানুষের ঢল নামে। একুশের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদন রাত ১২টা ১ মিনিটে ঘড়ির কাঁটা ছোঁয়ার সাথে সাথে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহিদ মিনারের মূল বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। উল্লেখ্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেঐতিহাসিক বিজয়ের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই তার প্রথম শ্রদ্ধা নিবেদন উপস্থিত ব্যক্তিবর্গপ্রধানমন্ত্রীর সাথে এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবগঠিত মন্ত্রিসভার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং অন্যান্য মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও উপদেষ্টাগণ। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তারা ভাষা আন্দোলনের মহান ত্যাগকে স্মরণ করে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর পক্ষ থেকেও দলীয় প্রধান হিসেবে তারেক রহমান পৃথকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।দেশব্যাপী রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিদিবসটি উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি আধা-সরকারি ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে । রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় একুশের প্রভাতফেরি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও বাংলা একাডেমিতে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে । নিরাপত্তা ব্যবস্থা অমর একুশের এই আয়োজনকে ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (DMP) ও র্যাব সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ট্রাফিক বিভাগ থেকে বিশেষ রুট ম্যাপ কার্যকর করা হয়েছে।ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য আজ দিনব্যাপী শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে সর্বস্তরের মানুষের পদচারণা অব্যাহত থাকবে।
প্রতি বছরের মতো পবিত্র রমজান মাসের শুরুতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা আবারও দেখা দিয়েছে বাজারে। গেল বছর তুলনামূলকভাবে বাজার কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও এবার পুরোনো চিত্রই ফিরে এসেছে। রোজার শুরুতেই লেবুসহ বিভিন্ন সবজি, মুরগি ও গরুর মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির পাশাপাশি আমিষজাত পণ্যের দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বাজারে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে লেবু। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে লেবুর দাম দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। গেল সপ্তাহে বাজারে প্রতি হালি লেবু ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৪০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৬০ থেকে ৮০ টাকায় পৌঁছেছে। কিছু ক্ষেত্রে পাকা লেবু ১০০ টাকা হালিতেও বিক্রি হচ্ছে। দেশি কাগজি লেবুর তুলনায় এলাচি লেবুর দাম বেশি দেখা গেছে। টাঙ্গাইল পার্ক বাজারের সবজি বিক্রেতা শাহজাহান জানান, “একদাম ৮০ টাকা হালি। কেনার দামই বেশি, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।” একই বাজারের আরেক বিক্রেতা জসিম বলেন, রোজা উপলক্ষে লেবুর চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে। ইফতারিতে শরবত, মুড়িমাখা, হালিমসহ বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে লেবুর ব্যবহার বেশি হওয়ায় পাইকারি বাজারেও দাম বেড়েছে। লেবুর দাম বাড়াকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে আলোচনা-সমালোচনা ও হাস্যরস। কেউ লিখছেন, “আপনার এলাকায় লেবুর ভরি কত?” আবার কেউ মজা করে বলছেন, “এবার মনে হয় লেবু ছাড়া শরবত বানাতে হবে।” বেসরকারি চাকরিজীবী সামিন খান বলেন, “মনে হচ্ছে এই দুদিনে লেবুতে ভিটামিনের পরিমাণ বেড়ে গেছে। ৮০ টাকা হালি দিয়ে কিনে অন্তত তাই মনে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য এটা কষ্টকর।”শুধু লেবু নয়, বাজারে মুরগির দামও বেড়েছে। গেল সপ্তাহে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ২০০-২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। সোনালি মুরগি সপ্তাহের ব্যবধানে ৩০-৪০ টাকা বেড়ে ৩৫০-৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির দাম ৬০০-৬৫০ টাকা থেকে বেড়ে বর্তমানে ৭০০-৭২০ টাকায় পৌঁছেছে।গরুর মাংসের বাজারেও দাম কিছুটা বেড়েছে। গেল সপ্তাহে প্রতি কেজি ৭৫০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৭৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কমে যাওয়া ও চাহিদা বাড়ার কারণে দাম বেড়েছে।ক্রেতাদের অভিযোগ, রোজা এলেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দেন। তারা বাজার মনিটরিং জোরদার ও প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রমজান মাসে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো জরুরি, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে কেনাকাটা করতে পারে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ টাকাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিজস্ব সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারে, (১৮ ফেব্রুয়ারি) বুধবার সকাল ৮টা থেকে ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ডিএনসির এক চৌকস টহল দলের পরিচালিত অভিযানে শিবগঞ্জ থানাধীন নয়ালাভাঙ্গা গ্রামের একটি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে মো: সুহেল রানা (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের নয়ালাভাঙ্গা গ্রামের মৃত ফজলার রহমানের ছেলে । এ সময় গ্রেফতারকৃত সুহের রানার কাছ থেকে ৪০০ (চারশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং নগদ ২,০২,১১০ (দুই লক্ষ দুই হাজার একশত দশ) টাকা বাংলাদেশী অর্থ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো: রফিকুল ইসলাম। তিনি বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ি-১৪১) সংসদীয় আসনের নির্বাচনী মাঠে ধানের শীষের প্রার্থী জনাব ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম সক্রিয়ভাবে ভোটারদের সাথে সংযোগ স্থাপন করে চলেছেন। সরিষাবাড়ির প্রতিটি গ্রামে তিনি ভোটারদের কাছে পৌঁছে তাদের হৃদয় জয় করেছেন। জনাব শামীম নির্বাচনী প্রচারণার সময় বলেন, "আমার লক্ষ্য সরিষাবাড়িকে শাসক নয়, সেবক হিসাবে আধুনিক ও উন্নত শহরে পরিণত করা।" তিনি সাধারণ জনগণকে কেবলই নয়, আসনের সকল নির্বাচনী প্রার্থীদের সঙ্গে হাত মেলিয়ে কাজ করারও অঙ্গীকার করেছেন। তিনি এবং তার সমর্থকরা এই শপথবাক্য ঘোষণা করেছেন: ১২ তারিখের পর সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা হবে। নতুন, সমৃদ্ধ ও ন্যায়বিচারভিত্তিক দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি। ভেদাভেদ নয়, হিংসা নয়, আমাদের শক্তি হবে ঐক্য। সকলের প্রচেষ্টায় পথ হবে উন্নয়ন। ন্যায় ও ইনছাবভিত্তিক সমাজ গড়ার চেষ্টা। জামালপুরের মধ্যে সরিষাবাড়িকে উন্নয়নের সর্বোচ্চ শীর্ষে পৌঁছানোর প্রত্যয়। সরিষাবাড়ির সাধারণ জনগণ জানিয়েছেন, জনাব শামীম তাদের কাছে এক নয়নের মনি হয়ে উঠেছেন। তার উদার মানবতা এবং সেবামূলক মনোভাবের কারণে জনগণ তাকে গভীর শ্রদ্ধা ও সমর্থন প্রদান করছেন। অনেক ভোটার আশা প্রকাশ করেছেন, তার নেতৃত্বে সরিষাবাড়ি দেশের উন্নয়নের একটি রোল মডেল হয়ে উঠবে।
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে আপনার জ্ঞান চর্চার নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
রমজান উপলক্ষে কালিহাতিতে বাজার মনিটরিং ৩ মামলায় ৩০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখেনিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলা এলাকায় বিশেষ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। আজ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) কালিহাতি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ০৩ (তিন)টি মামলায় মোট ৩০ হাজার ৫০০ (ত্রিশ হাজার পাঁচশত) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। ব্যবসায়ীদের মূল্য তালিকা প্রদর্শন অতিরিক্ত মূল্য আদায় এবং মজুত সংক্রান্ত অনিয়মের বিষয়ে সতর্ক করা হয়। এ সময় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সচেতন করতে সতর্কতামূলক প্রচারণা চালানো হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় রমজান মাসজুড়ে এ ধরনের বাজার মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।
রমজানকে সামনে রেখে দেশজুড়ে বিশেষ বাজার মনিটরিং শুরু মূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে দেশব্যাপী জোরদার করা হয়েছে বিশেষ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর এলাকার কাঁচাবাজার, পাইকারি বাজার এবং খুচরা বিপণিকেন্দ্রে একযোগে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রমজানজুড়ে চাল,ডাল,তেল,চিনি,ছোলা, খেজুর ডিম,মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে। বাজারে মূল্য তালিকা প্রদর্শন ক্রয় রসিদ সংরক্ষণ অতিরিক্ত মজুদ এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি রোধে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অভিযান চলাকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। মূল্য তালিকা না টাঙানো নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি ওজনে কারচুপি কিংবা ভেজাল পণ্য বিক্রির অভিযোগে কয়েকজন ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে ভবিষ্যতে আইন মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়।জেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি ভোক্তাদেরও সচেতন হতে হবে। কোনো অনিয়ম চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন বা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গেছে, রমজান মাসব্যাপী এ বিশেষ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারের লক্ষ্য—জনগণ যেন স্বস্তিতে ও ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করতে পারেন।
রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে টাঙ্গাইলে ১২ উপজেলায় একযোগে বিশেষ বাজার মনিটরিং ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ থেকে টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় একযোগে বিশেষ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে।জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, টাঙ্গাইল এর নির্দেশনায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে প্রতিটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বাজারে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। জানা গেছে, বাজার মনিটরিং টিম নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য—চাল, ডাল, তেল, চিনি, ছোলা, খেজুর, মাংস, ডিমসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের মূল্যতালিকা যাচাই, মজুত পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায় বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো রমজান মাসজুড়ে এ বিশেষ মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটিগুলোকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির আহ্বান জানিয়েছে এবং কোনো অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রাণিজ পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতেআলোচনা সভা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে দুধ ডিম ও মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।এ উপলক্ষে রাজধানীর মহাখালীতে সুলভ মূল্যে দুধ ডিম ও মাংস বিক্রয় কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।বুধবার রাজধানীর মহাখালীস্থ প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেনরমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যাতে সহনীয় পর্যায়ে থাকে এবং কোনো অসাধু চক্র যাতে বাজার অস্থিতিশীল করতে না পারে সে লক্ষ্যে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।প্রাণিজ আমিষের সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন সরকার উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমাতে চায়। এর ফলে একদিকে যেমন ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে পণ্য পাবেন অন্যদিকে খামারিরাও তাদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে পারবেন।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের বলেন রমজান মাসে বাড়তি চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা ও মহানগর পর্যায়েও এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি জানান।অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মশিউর রহমান সভাপতি বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) এবং মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন সভাপতি বাংলাদেশ ডেইরি এন্ড ফারমার্স এসোসিয়েশন (বিডিএফএফএ)। তারা বলেন খামারি পর্যায় থেকে সরাসরি পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে বাজারে স্থিতিশীলতা আনা সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো এ কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড.মো: আবু সুফিয়ান। তিনি বলেন প্রাণিসম্পদ খাত দেশের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। রমজান মাসে জনগণের চাহিদা পূরণে এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালু রাখা হবে। উদ্বোধনের পর অতিথিরা বিক্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং ক্রেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় নির্ধারিত বিক্রয় কেন্দ্রে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ দুধ ডিম ও মাংস সুলভ মূল্যে বিক্রি করা হবে যাতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো বিশেষভাবে উপকৃত হবে।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
বিরিয়ানি খেতে গিয়ে নগদে বিল মিটিয়েছিলেন? রেস্তরাঁ ব্যবসায় ৭০০০০ কোটি টাকার দুর্নীতির পর্দাফাঁস
কেন বোর্ডের পরীক্ষা দিল না বৈভব সূর্যবংশী? আসল কারণ জানালেন ক্রিকেটারের বাবা
ভাগ্নের বিয়েতে নাচতে নাচতে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন মামা! তারপর...
হোটেলের বিল মেটাতে বাসন মেজেছিলেন পাকিস্তানের খেলোয়াড়েরা! ইস্তফা হকি কর্তার
এখনও বাকি নথি যাচাই, ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়ে ধন্দ!
'কী ধরনের সংস্কৃতি আমরা তৈরি করছি ?' ভোটের আগে দান-খয়রাতির কড়া সমালোচনা সুপ্রিম কোর্টের
'ডর কা মহল, গব্বর সিং আছে কিছু বলা যাবে না', সেলিমের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন প্রতীক উর
মিমির বিরুদ্ধে ২০ লক্ষ টাকার মামলা তনয় শাস্ত্রীর, পাল্টা ২ কোটি টাকার মানহানির মামলা ঠুকলেন অভিনেত্রী!