লাইভ আপডেট খবর
রামিসা হত্যার প্রতিবাদেদুর্গাপুরে বিক্ষোভ

রাজধানীর মিরপুরে পপুলার মডেল হাই স্কুলের শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সিপিবি দুর্গাপুর উপজেলা কমিটি। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। শনিবার (২৩ মে) দুপুরে রামিসার দুর্গাপুর প্রেসক্লাব মোড়ে ঘন্টাব্যাপি এ কর্মসুচী অনুষ্ঠিত হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে এবং তিনি দায় স্বীকার করেছেন বলেও জানা গেছে। কিন্ত আমরা চাই দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হউক। রামিসার সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস ঘটনায় আমরা সংহতি জানাচ্ছি। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো শিশু এমন ঘটনার শিকার না হয়, সে জন্য খুনি বা ধর্ষনকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অভিভাবকগণ তাদের শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সারাদেশে এর আগেও একাধিক শিশু নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়নি। আমরা এই হত্যা কান্ডের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করছি। বক্তারা বলেন, বিচার দীর্ঘায়িত হলে অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়বে এবং অনেকেই সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে ভয় পাবেন। তাই দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এ ঘটনার নিষ্পত্তির দাবি জানাই। দেশের ৬৫ হাজার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও এই ঘটনার বিচার দাবি করছে। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সিপিবি দুর্গাপুর উপজেলা কামিটি সভাপতি আলকাছ উদ্দীন মীর, সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম, সিপিবি নেতা নজরুল ইসলাম, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি শামছুল আলম খান, হাজং নেতা অবনি কান্ত হাজং, নারীনেত্রী তাসলিমা বেগম, ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি আহাদ মিয়া প্রমুখ।

৬ ঘন্টা আগে
ঘর-বাড়ি ভাংচুর, জমি দখল ও নানা বিষয়ের প্রতিকারেডেপুটি স্পীকারের হস্তক্ষেপ কামনা

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের পলাশকান্দি গ্রামে জোরপুর্বক জমি দখল, ঘর-বাড়ি ভাংচুর, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও প্রাণ নাশের হুমকীসহ নানা বিষয়ের প্রতিকার চেয়ে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ওই গ্রামের ভুক্তভোগী পরিবার। শনিবার (২৩ মে) দুপুরে দুর্গাপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তাদের ওপর ঘটে যাওয়া নির্যাতনের বর্ননা দেন কৃষক সুরুজ আলী মুন্সি ও আব্দুল হেকিমের পরিবার। সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে সুরুজ আলী মুন্সি বলেন, পারিবারিক ভাবে বন্টন হওয়া জমির মধ্যে ৪০শতক জমি ওনার আত্মীয় দিনমজুর আব্দুল হেকিমের কাছে বিক্রি করেন। বিক্রির পর থেকে বিরিশিরি ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীগণ আমার ভাইয়ের পরিবার ও ভাগ্নিদের সহায়তায় জমি বাটোয়ারা হয়নি মর্মে নানাভাবে হয়রানী করে আসছে। শালিসের মনগড়া সিদ্ধান্ত মোতাবেক চলতে না পারার কারনে গত দুইবছর যাবৎ এক একর ধানের জমি জোরপুর্বক দখল করে নিয়ে চাষাবাদ শুরু করছে দলীয় নেতাকর্মীরা। এ ব্যপারে আমি কিছু বলতে গেলে, নানা ধরনের হুমকী সহ থানায় আমার নামে নানা ধরনের মামলা দিয়ে হয়রানী শুরু করে এমনকি বাড়ীর পাশে পুকুরের মাছ গুলো ধরে নিয়ে যায়। আব্দুল হেকিম বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী ঢাকায় ইট খলায় শ্রমিকের কাজ করি। অভাবের মাঝেও টাকা জমিয়ে ওই এলাকায় বাড়ি করার জন্য গত পাঁচ বছর আগে সুরুজ আলী মুন্সির কাছ থেকে ৪০শতক জমি ক্রয় করি। গত তিন-চার মাস আগ থেকে ওই জমিতে বসতঘর নির্মানের কাজ করতে গেলে নানা অজুহাতে আমার কাজ বন্ধ করে দেন ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীরা। গত কয়েকদিন আগে আমার বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে ঘর নির্মানের কাজ বন্ধ করে দেয়। বৃষ্টিতে ভিজে আমার সকল মালামাল নষ্ট হচ্ছে। এ বিষয়ে নেতাকর্মীদের দ্বারে-দ্বারে ঘুরেও কোন সুরাহা পাইনি। সাংবাদিকদের সাথে অভিযোগ কালে অন্যদের মাঝে, মো. সুরুজ আলী মুন্সী, আব্দুল হেকিম, আবুল কালাম, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুর রশীদ, বেগম আক্তার, মোহাম্মদ আলী, সেলিনা আক্তার, জামেনা খাতুন উপস্থিত ছিলেন। এ ব্যাপারে, দুর্গাপুর-কলমাকান্দার মানবিক নেতা, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি মহোদয়কে সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানাতে চাই, আমাদের জান-মালের কোন নিরাপত্তা নাই। প্রায়ই আমাদের প্রাণ নাশের হুমকী দিচ্ছে। আপনি আমাদের বাঁচান, দোষীদের বিচার করুন। এ নিয়ে দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, ঘরের কাজ বন্ধ করে দেয়ার বিষয়টি ঠিক নয়। তবে দুই পক্ষের মাঝে মারামারি হতে পারে বিধায় নির্মান কাজ বন্ধ রাখের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দুই পক্ষকে নিয়ে বসে সমাধান করার চেষ্ট করবো।

৬ ঘন্টা আগে
বাংলাদেশ কি সত্যিই স্বাধীন রাষ্ট্র? মানুষের জীবনের মূল্য কোথায় দাঁড়িয়েছে আজ?

বাংলাদেশ কি সত্যিই স্বাধীন রাষ্ট্র? মানুষের জীবনের মূল্য কোথায় দাঁড়িয়েছে আজ? বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এই স্বাধীনতা। সেই স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, মানবিক, নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা—যেখানে প্রতিটি মানুষ সম্মান নিয়ে বাঁচবে, নিরাপত্তা পাবে এবং আইনের সমান সুরক্ষা ভোগ করবে। কিন্তু স্বাধীনতার পাঁচ দশক পর আজ দেশের সাধারণ মানুষের মনে এক কঠিন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—এই দেশে মানুষের জীবনের প্রকৃত মূল্য কতটুকু? মানুষ কি সত্যিই নিরাপদ? নাকি অপরাধ, ভয়, অনিশ্চয়তা আর বিচারহীনতার কাছে সাধারণ মানুষ অসহায় হয়ে পড়ছে?বর্তমান সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধর্ষণ, হত্যা, ছিনতাই, ডাকাতি, কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসা, নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে আলোচনায় আসছে। প্রতিদিন সংবাদমাধ্যম খুললেই চোখে পড়ে নির্মম সব ঘটনার খবর। কোথাও শিশু ধর্ষণের পর হত্যা, কোথাও বৃদ্ধা নারীকে হত্যা, কোথাও প্রকাশ্যে কুপিয়ে মানুষ হত্যা, আবার কোথাও বাসা-বাড়িতে ডাকাতি কিংবা ছিনতাইয়ের ঘটনা। এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক বাড়ছে এবং প্রশ্ন উঠছে—রাষ্ট্র কি সত্যিই তার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে?বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে। পরিবারগুলো সন্তানদের নিয়ে শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, গণপরিবহন—কোথাও যেন পুরোপুরি নিরাপত্তার নিশ্চয়তা নেই। ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের ঘটনাগুলো সমাজকে শুধু ক্ষতবিক্ষতই করছে না, বরং মানবিক মূল্যবোধকেও ধ্বংস করছে। অনেক সময় দেখা যায়, এসব ঘটনায় দ্রুত বিচার না হওয়া কিংবা দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার কারণে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেতে বছরের পর বছর অপেক্ষা করে।অপরাধ বৃদ্ধির পেছনে বিভিন্ন কারণ বিশ্লেষণ করছেন সমাজবিজ্ঞানী ও আইন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, বিচারহীনতার সংস্কৃতি, রাজনৈতিক প্রভাব, সামাজিক অবক্ষয় বেকারত্ব, মাদক বিস্তার, প্রযুক্তির অপব্যবহার এবং নৈতিক শিক্ষার অভাব অপরাধ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। অনেক ক্ষেত্রে অপরাধীরা গ্রেফতার হলেও পরে জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনের প্রতি আস্থার সংকট তৈরি হচ্ছে।সাধারণ মানুষের অভিযোগ, অনেক সময় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব হয়। আবার কিছু ঘটনায় তদন্তের ধীরগতি কিংবা সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের দুর্বলতার কারণে বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘ হয়। ফলে অপরাধীরা আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। এতে সমাজে একটি ভয়ঙ্কর বার্তা ছড়িয়ে পড়ে—“অপরাধ করেও পার পাওয়া সম্ভব”। এই ধারণাই নতুন অপরাধীদের উৎসাহিত করে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।বর্তমান সমাজে কিশোর গ্যাং সংস্কৃতিও বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অল্প বয়সী অনেক তরুণ মাদক, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার পারিবারিক অবহেলা এবং অসুস্থ সামাজিক প্রতিযোগিতা তরুণদের একাংশকে অপরাধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ফলে সমাজের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর দায় চাপিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্র—সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। শিশুদের ছোটবেলা থেকেই নৈতিক শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ শেখাতে হবে। একই সঙ্গে মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।বিশেষজ্ঞদের মতে অপরাধ দমনে কয়েকটি বিষয় অত্যন্ত জরুরি—দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবমুক্ত তদন্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহিতা বৃদ্ধি কর মাদক ও অবৈধ অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া নারী ও শিশু নিরাপত্তা জোরদার করা কিশোরদের জন্য ইতিবাচক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি কর প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক পুলিশিং ব্যবস্থা চালু করা সর্বস্তরে নৈতিক ও মানবিক শিক্ষা জোরদার করাএকটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার জনগণ। আর জনগণের সবচেয়ে বড় অধিকার হলো নিরাপদে বেঁচে থাকার অধিকার। যদি একজন মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদে ঘরে ফিরতে না পারে, যদি একজন নারী নিজের সম্মান নিয়ে আতঙ্কে থাকে, যদি একটি শিশু নিরাপদ শৈশব না পায়—তাহলে স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। বাংলাদেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে—এটি সত্য। অবকাঠামো অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও শিক্ষায় দেশ এগোচ্ছে। কিন্তু উন্নয়নের পাশাপাশি যদি মানুষের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হয়, তাহলে সেই উন্নয়ন পূর্ণতা পায় না। কারণ একটি রাষ্ট্রের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই হয়, যখন সেই রাষ্ট্রে প্রতিটি মানুষের জীবন সম্মান ও অধিকার সমানভাবে মূল্য পায়। আজ প্রয়োজন শুধু অপরাধীদের গ্রেফতার নয়, বরং এমন একটি সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা—যেখানে অপরাধ করার সাহসই কেউ না পায়। যেখানে আইনের শাসন বাস্তবিক অর্থে প্রতিষ্ঠিত হবে। যেখানে সাধারণ মানুষ ভয় নয় নিরাপত্তা নিয়ে বাঁচবে। যেখানে বিচারহীনতার সংস্কৃতি নয় ন্যায়বিচারের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হবে।স্বাধীনতার প্রকৃত চেতনা তখনই বাস্তবায়িত হবে যখন দেশের প্রতিটি নাগরিক বলতে পারবে—এই রাষ্ট্র আমার, এই দেশ আমাকে নিরাপত্তা দেয় আমার জীবনের মূল্য আছে।

২৩ ঘন্টা আগে
ঘাটাইলে বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম হত্যা মামলার মূল আসামি গ্রেফতার

ঘাটাইলে বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম হত্যা মামলার মূল আসামি গ্রেফতার টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের আলোচিত বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত মোঃ সাইফুল ইসলাম (৪২) কে গ্রেফতার করেছে ঘাটাইল থানা পুলিশ। গ্রেফতারেরপরআদালতেতিনিদোষস্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, স্বামীর মৃত্যুর পর দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়িতে একাই বসবাস করছিলেন ৭০ বছর বয়সী আনোয়ারা বেগম। ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল এবং পরিবারের সদস্যরা নিয়মিত তার খোঁজখবর নিতেন। তবে হঠাৎ করেই তিনি নিখোঁজ হয়ে গেলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। ঘটনার আগের দিন পর্যন্ত সন্তানদের সঙ্গে তার স্বাভাবিকভাবে কথা হয়েছিল বলে পরিবার জানায়।পরদিন সকাল থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়রা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বিষয়টি থানায় অবহিত করা হলে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয়দের সমন্বয়ে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানোর একপর্যায়ে ২৫ আগস্ট ২০২৫ বিকেলে দেউলাবাড়ি এলাকার একটি নির্জন বাঁশঝাড় সংলগ্ন পরিত্যক্ত কূপ থেকে আনোয়ারা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।ঘটনার পর থেকেই মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করে ঘাটাইল থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে ২২ মে ২০২৬ রাত আনুমানিক ১টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর হাতিঝিল থানা এলাকা থেকে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও পর্যাপ্ত প্রমাণও পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হলে তিনি দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।পুলিশ আরও জানায়, মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং এ সংক্রান্ত পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।এ ধরনের সংবাদ ভবিষ্যতে কোন স্টাইলে চাইলে সেটাও বলতে পারেন। আর আমাদের কথোপকথন থেকে ভবিষ্যতের জন্য মনে রাখার মতো কিছু থাকলে জানাতে পারেন।

২৩ ঘন্টা আগে
রামিসা হত্যার প্রতিবাদেদুর্গাপুরে বিক্ষোভ
সারা দেশ
রামিসা হত্যার প্রতিবাদেদুর্গাপুরে বিক্ষোভ

রাজধানীর মিরপুরে পপুলার মডেল হাই স্কুলের শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সিপিবি দুর্গাপুর উপজেলা কমিটি। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। শনিবার (২৩ মে) দুপুরে রামিসার দুর্গাপুর প্রেসক্লাব মোড়ে ঘন্টাব্যাপি এ কর্মসুচী অনুষ্ঠিত হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে এবং তিনি দায় স্বীকার করেছেন বলেও জানা গেছে। কিন্ত আমরা চাই দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হউক। রামিসার সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস ঘটনায় আমরা সংহতি জানাচ্ছি। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো শিশু এমন ঘটনার শিকার না হয়, সে জন্য খুনি বা ধর্ষনকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অভিভাবকগণ তাদের শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সারাদেশে এর আগেও একাধিক শিশু নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়নি। আমরা এই হত্যা কান্ডের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করছি। বক্তারা বলেন, বিচার দীর্ঘায়িত হলে অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়বে এবং অনেকেই সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে ভয় পাবেন। তাই দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এ ঘটনার নিষ্পত্তির দাবি জানাই। দেশের ৬৫ হাজার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও এই ঘটনার বিচার দাবি করছে। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সিপিবি দুর্গাপুর উপজেলা কামিটি সভাপতি আলকাছ উদ্দীন মীর, সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম, সিপিবি নেতা নজরুল ইসলাম, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি শামছুল আলম খান, হাজং নেতা অবনি কান্ত হাজং, নারীনেত্রী তাসলিমা বেগম, ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি আহাদ মিয়া প্রমুখ।

মে ২৩, ২০২৬ 0
News stories

ইসরাইল ইরান যুদ্ধ

নির্বাচিত খবর

মতামত

আপনার এলাকার খবর দেখুন

বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন

সারা দেশ

আরও পড়ুন
রামিসা হত্যার প্রতিবাদেদুর্গাপুরে বিক্ষোভ
মে ২৩, ২০২৬ 0

রাজধানীর মিরপুরে পপুলার মডেল হাই স্কুলের শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সিপিবি দুর্গাপুর উপজেলা কমিটি। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। শনিবার (২৩ মে) দুপুরে রামিসার দুর্গাপুর প্রেসক্লাব মোড়ে ঘন্টাব্যাপি এ কর্মসুচী অনুষ্ঠিত হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে এবং তিনি দায় স্বীকার করেছেন বলেও জানা গেছে। কিন্ত আমরা চাই দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হউক। রামিসার সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস ঘটনায় আমরা সংহতি জানাচ্ছি। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো শিশু এমন ঘটনার শিকার না হয়, সে জন্য খুনি বা ধর্ষনকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অভিভাবকগণ তাদের শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সারাদেশে এর আগেও একাধিক শিশু নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়নি। আমরা এই হত্যা কান্ডের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করছি। বক্তারা বলেন, বিচার দীর্ঘায়িত হলে অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়বে এবং অনেকেই সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে ভয় পাবেন। তাই দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এ ঘটনার নিষ্পত্তির দাবি জানাই। দেশের ৬৫ হাজার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও এই ঘটনার বিচার দাবি করছে। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সিপিবি দুর্গাপুর উপজেলা কামিটি সভাপতি আলকাছ উদ্দীন মীর, সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম, সিপিবি নেতা নজরুল ইসলাম, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি শামছুল আলম খান, হাজং নেতা অবনি কান্ত হাজং, নারীনেত্রী তাসলিমা বেগম, ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি আহাদ মিয়া প্রমুখ।

ঘর-বাড়ি ভাংচুর, জমি দখল ও নানা বিষয়ের প্রতিকারেডেপুটি স্পীকারের হস্তক্ষেপ কামনা
মে ২৩, ২০২৬ 0

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের পলাশকান্দি গ্রামে জোরপুর্বক জমি দখল, ঘর-বাড়ি ভাংচুর, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও প্রাণ নাশের হুমকীসহ নানা বিষয়ের প্রতিকার চেয়ে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ওই গ্রামের ভুক্তভোগী পরিবার। শনিবার (২৩ মে) দুপুরে দুর্গাপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তাদের ওপর ঘটে যাওয়া নির্যাতনের বর্ননা দেন কৃষক সুরুজ আলী মুন্সি ও আব্দুল হেকিমের পরিবার। সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে সুরুজ আলী মুন্সি বলেন, পারিবারিক ভাবে বন্টন হওয়া জমির মধ্যে ৪০শতক জমি ওনার আত্মীয় দিনমজুর আব্দুল হেকিমের কাছে বিক্রি করেন। বিক্রির পর থেকে বিরিশিরি ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীগণ আমার ভাইয়ের পরিবার ও ভাগ্নিদের সহায়তায় জমি বাটোয়ারা হয়নি মর্মে নানাভাবে হয়রানী করে আসছে। শালিসের মনগড়া সিদ্ধান্ত মোতাবেক চলতে না পারার কারনে গত দুইবছর যাবৎ এক একর ধানের জমি জোরপুর্বক দখল করে নিয়ে চাষাবাদ শুরু করছে দলীয় নেতাকর্মীরা। এ ব্যপারে আমি কিছু বলতে গেলে, নানা ধরনের হুমকী সহ থানায় আমার নামে নানা ধরনের মামলা দিয়ে হয়রানী শুরু করে এমনকি বাড়ীর পাশে পুকুরের মাছ গুলো ধরে নিয়ে যায়। আব্দুল হেকিম বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী ঢাকায় ইট খলায় শ্রমিকের কাজ করি। অভাবের মাঝেও টাকা জমিয়ে ওই এলাকায় বাড়ি করার জন্য গত পাঁচ বছর আগে সুরুজ আলী মুন্সির কাছ থেকে ৪০শতক জমি ক্রয় করি। গত তিন-চার মাস আগ থেকে ওই জমিতে বসতঘর নির্মানের কাজ করতে গেলে নানা অজুহাতে আমার কাজ বন্ধ করে দেন ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীরা। গত কয়েকদিন আগে আমার বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে ঘর নির্মানের কাজ বন্ধ করে দেয়। বৃষ্টিতে ভিজে আমার সকল মালামাল নষ্ট হচ্ছে। এ বিষয়ে নেতাকর্মীদের দ্বারে-দ্বারে ঘুরেও কোন সুরাহা পাইনি। সাংবাদিকদের সাথে অভিযোগ কালে অন্যদের মাঝে, মো. সুরুজ আলী মুন্সী, আব্দুল হেকিম, আবুল কালাম, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুর রশীদ, বেগম আক্তার, মোহাম্মদ আলী, সেলিনা আক্তার, জামেনা খাতুন উপস্থিত ছিলেন। এ ব্যাপারে, দুর্গাপুর-কলমাকান্দার মানবিক নেতা, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি মহোদয়কে সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানাতে চাই, আমাদের জান-মালের কোন নিরাপত্তা নাই। প্রায়ই আমাদের প্রাণ নাশের হুমকী দিচ্ছে। আপনি আমাদের বাঁচান, দোষীদের বিচার করুন। এ নিয়ে দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, ঘরের কাজ বন্ধ করে দেয়ার বিষয়টি ঠিক নয়। তবে দুই পক্ষের মাঝে মারামারি হতে পারে বিধায় নির্মান কাজ বন্ধ রাখের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দুই পক্ষকে নিয়ে বসে সমাধান করার চেষ্ট করবো।

ফেসবুকে পাঁচ দিনের পরিচয়, প্রেমের টানে প্রবাসীর বাড়িতে যুবক — অতঃপর এলাকাজুড়ে তোলপাড়
মে ২২, ২০২৬ 0

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ফেসবুকে মাত্র পাঁচ দিনের পরিচয় থেকে গড়ে ওঠা এক প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রেমের টানে প্রবাসী স্বামীর বাড়িতে ছুটে আসেন নীরব (২০) নামে এক যুবক। পরে স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। ঘटनাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২১ মে) দিবাগত গভীর রাতে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের গারোডোবা এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে এক গৃহবধূর সঙ্গে পরিচয় হয় নীরবের। পরিচয়ের একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। এরপর ওই গৃহবধূর সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যে রাতের আঁধারে তিনি সরিষাবাড়ীতে আসেন বলে এলাকাবাসীর দাবি। এলাকাবাসী আরও জানান, গভীর রাতে প্রবাসী স্বামীর বাড়িতে এক অপরিচিত যুবকের উপস্থিতি দেখে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে নীরবকে আটক করেন। এ সময় এলাকায় উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায় এবং ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। আটককৃত যুবক নীরব পার্শ্ববর্তী ধনবাড়ী উপজেলার বলিবদ্র ইউনিয়নের মুসুদ্দি উত্তরপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয় বলে কয়েকজন এলাকাবাসী জানিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঈদ সামনে রেখে জমজমাট ঐতিহ্যবাহী পিংনা গরুর হাট
মে ২২, ২০২৬ 0

ঈদ সামনে রেখে জমজমাট ঐতিহ্যবাহী পিংনা গরুর হাট সকাল থেকেই শুরু গরু কেনাবেচা, বিক্রি বেড়েছে প্রায় তিন গুণ স্টাফ রিপোর্টার : এস কে শিপন আজ শুক্রবার। আর মাত্র ছয় দিন পরই পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদকে সামনে রেখে আজ থেকেই জমে উঠেছে জামালপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী পিংনা গরুর হাট। অন্যান্য শুক্রবারের তুলনায় আজকের হাট ছিল ব্যতিক্রমী ও চোখে পড়ার মতো। সাধারণত প্রতি শুক্রবার সকালে হাট বসলেও গরু কেনাবেচা শুরু হয় দুপুরের পর থেকে। কিন্তু ঈদকে কেন্দ্র করে আজ সকাল থেকেই গরু কেনাবেচা শুরু হয়ে যায়। হাট খোলার পরপরই ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা হয়ে ওঠে উৎসবমুখর। আজকের হাটে শুধু আশপাশের এলাকার মানুষই নয়, বরং দূর-দূরান্ত থেকে আগত অসংখ্য ক্রেতা ও বিক্রেতার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। হাটে ছোট আকারের গরুর পাশাপাশি বড় ও মাঝারি আকারের কোরবানিযোগ্য গরুর সংখ্যাও ছিল উল্লেখযোগ্য। ফলে ক্রেতাদের পছন্দের পরিধিও ছিল অনেক বিস্তৃত। হাট সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অন্যান্য সাধারণ দিনের তুলনায় আজ গরু কেনাবেচা হয়েছে প্রায় তিন গুণ বেশি। সকাল থেকেই মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে এবং দুপুর গড়িয়ে বিকেল পর্যন্ত হাটে ছিল ব্যাপক ব্যস্ততা। দুপুরের পর বিকেল চারটা নাগাদ ঐতিহ্যবাহী পিংনা গরুর হাট পরিদর্শনে আসেন জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ফরিদুল কবির শামিন তালুকদার। তিনি হাটের সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই পিংনা গরুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতি আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, আগামী দিনগুলোতে এই ঐতিহ্যবাহী হাটে কেনাবেচা আরও বাড়বে এবং ঈদের আগে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত হাট থাকবে জমজমাট।

আমাদের ফলো করুন

ট্রেন্ডিং খবর

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

অক্টোবর ৩, ২০২৫
জাতীয়
আন্তর্জাতিক
আইন-অপরাধ
চাকরি

তথ্য-প্রযুক্তি
খেলাধুলা
মুসলিম বিশ্ব
কওমী অঙ্গন