টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় নজিরবিহীন বিদ্যুৎ ও ডিজেল সংকটে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। সেচের পানির অভাবে বোরো ধানের জমিতে ভয়াবহ সংকট দেখা দিয়েছে। থোড় ও শীষ বের হওয়া ধান রোদে পুড়ে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাবে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর সিসি ক্যামেরা পরিচালনাও ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে গোপালপুর উপজেলায় মোট ১৩ হাজার ৮৯০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রিড ৪ হাজার ১৫০ হেক্টর এবং উফসী ৯ হাজার ৭৪০ হেক্টর। সেচের জন্য উপজেলায় মোট ৫ হাজার ৩০১টি নলকূপ রয়েছে, যার মধ্যে ৩ হাজার ৩৭৮টি বিদ্যুৎচালিত। উপজেলা কৃষি অফিসার শামীমা আক্তার জানান, বর্তমানে হাইব্রিড জাতের ধানে থোড় বা শীষ বের হয়েছে এবং উফসী ধানে দুধ আসার গুরুত্বপূর্ণ সময় চলছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে তীব্র খরা বিরাজ করছে, বৃষ্টিপাতও হচ্ছে না। এ অবস্থায় ভালো ফলনের জন্য জমিতে অন্তত দুই ইঞ্চি পানি থাকা জরুরি। কিন্তু বিদ্যুৎ ও ডিজেল সংকটের কারণে সেচ পাম্প চালানো যাচ্ছে না। ফলে উঠতি বোরো ধান মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছে। তিনি আরও জানান, কৃষকদের ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ৯০৫ জন কৃষককে ফুয়েল কার্ড দেওয়া হয়েছে। তবে ডিজেল নিতে গিয়ে কৃষকদের পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-০১-এর গোপালপুর জোনাল ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেন বলেন, গোপালপুর উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা ২৩ থেকে ২৪ মেগাওয়াট, অথচ ঘাটাইল পিডিবির গ্রিড সাবস্টেশন থেকে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৬ মেগাওয়াট। চাহিদার এক চতুর্থাংশ বিদ্যুৎ দিয়ে পৌরসভাসহ ৭টি ইউনিয়নে সরবরাহ করতে গিয়ে ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ২ থেকে ৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ফলে বিদ্যুৎচালিত সেচযন্ত্র দীর্ঘ সময় অচল থাকছে। এতে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা বিদ্যুতের দাবিতে অফিসে এসে অভিযোগ করছেন। উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক হাতেম আলী বলেন, “বিদ্যুৎ ও ডিজেল সংকটের কারণে বোরো ফসল পুড়ে যাচ্ছে। কৃষকরা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছে।” এদিকে বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব পড়েছে শিক্ষাক্ষেত্রেও। আজ থেকে শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষায় উপজেলায় স্থাপিত ৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭টি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা পরিচালনা বিঘ্নিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিল্লুর রহমান বলেন, “এখানে ডিজেলের তেমন কোনো সংকট নেই, তবে বিদ্যুতের সংকট প্রকট। এ সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য ঘাটাইল পিডিবির গ্রিড সাবস্টেশন থেকে গোপালপুর পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি পৃথক সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হলে বিদ্যুৎ সংকট অনেকটাই নিরসন সম্ভব হবে।” বিদ্যুৎ ও সেচ সংকট দ্রুত সমাধান না হলে কৃষি উৎপাদন ও শিক্ষা ব্যবস্থায় আরও বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)। শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ সীমান্ত এলাকায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পাথর বোঝাই একটি ভারতীয় ট্রাকসহ ৫,৯৩৫ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ করেছে বিজিবি। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১১:০০ ঘটিকায় মহানন্দা ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক সেখ মনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে সোনামসজিদ বিওপির একটি চৌকস টহল দল এই অভিযান চালায়। সীমান্ত পিলার ১৮৫/২-এস হতে প্রায় ৭০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শাহাবাজপুর ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রামস্থ 'আলম ট্রেডার্স' এর স্টোন ইয়ার্ডে পার্কিং করা একটি ভারতীয় ট্রাকে (WB65-D-8924) তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিকালে ট্রাকের পাথরের স্তূপের নিচে বিশেষভাবে ত্রিপল দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ২০টি বস্তা পাওয়া যায়। বস্তাগুলো থেকে ফেন্সিডিলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ নেশাজাতীয় সিরাপ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের তালিকায় রয়েছে: Eskuf DX সিরাপ: ৩,৮৯৭ বোতল Fairdyl সিরাপ: ২,০৩৮ বোতল মোট: ৫,৯৩৫ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ। মাদক বহনের দায়ে পাথরসহ ভারতীয় ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় ট্রাকের চালক উপস্থিত না থাকায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে জব্দকৃত মালামাল ও মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিজিবিএম, বিজিওএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দেশের যুবসমাজ ও আগামী প্রজন্মকে মাদকের মরণব্যাধি থেকে রক্ষা করতে বিজিবি সর্বদা তৎপর।
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসামান্য অবদান রাখা পেসার রুবেল হোসেন এবার পেয়েছেন বিশেষ সম্মাননা। তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাকে এই সম্মাননা প্রদান করে। সোমবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ শুরুর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে রুবেলের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে তার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিসিবি। কয়েকদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বার্তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন রুবেল। দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকার কারণে সরাসরি মাঠ থেকে বিদায় নিতে পারেননি তিনি। সেই শূন্যতা পূরণ করতেই বিসিবি এই সম্মাননা আয়োজন করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রুবেলকে শুভকামনা জানিয়েছেন বিসিবির সভাপতি তামিম ইকবাল। ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়ার পর রুবেল হোসেন বাংলাদেশের হয়ে দীর্ঘ সময় খেলেছেন। তিনি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে ১২৯টি, টেস্টে ৩৬টি এবং টি-টোয়েন্টিতে ২৮টি উইকেট শিকার করেছেন। টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিক—দুই ধরনেই রয়েছে তার একটি করে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেও, রুবেল হোসেন জানিয়েছেন যে তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা চালিয়ে যেতে চান।
টাঙ্গাইলে এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা শুরু ৪৬,৬০১ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন ৯৩ কেন্দ্র থেকে টাঙ্গাইল ২১ এপ্রিল ২০২৬ ইং আজ টাঙ্গাইল জেলায় এসএসসি দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার বিভিন্ন কেন্দ্রে পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। জেলার ৯৩টি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট ৪৬,৬০১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন।পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। তিনি কেন্দ্রগুলো ঘুরে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আসনবিন্যাস স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, পরীক্ষার সরঞ্জামের যথাযথ ব্যবস্থা এবং কেন্দ্রে সহায়ক কর্মকর্তাদের কার্যক্রম তদারকি করেন।জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের জানানপরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের সকল সুবিধা নিশ্চিত করা আমাদের অগ্রাধিকার কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। আমরা চাই এই পরীক্ষা স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হোক।শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন পরীক্ষার পরিবেশ ভালো,শিক্ষক ও কর্মকর্তারা সাহায্যের জন্য সবসময় প্রস্তুত। এদিকে অভিভাবকরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন যে প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে।জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এবার টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরীক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় নজিরবিহীন বিদ্যুৎ ও ডিজেল সংকটে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। সেচের পানির অভাবে বোরো ধানের জমিতে ভয়াবহ সংকট দেখা দিয়েছে। থোড় ও শীষ বের হওয়া ধান রোদে পুড়ে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাবে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর সিসি ক্যামেরা পরিচালনাও ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে গোপালপুর উপজেলায় মোট ১৩ হাজার ৮৯০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রিড ৪ হাজার ১৫০ হেক্টর এবং উফসী ৯ হাজার ৭৪০ হেক্টর। সেচের জন্য উপজেলায় মোট ৫ হাজার ৩০১টি নলকূপ রয়েছে, যার মধ্যে ৩ হাজার ৩৭৮টি বিদ্যুৎচালিত। উপজেলা কৃষি অফিসার শামীমা আক্তার জানান, বর্তমানে হাইব্রিড জাতের ধানে থোড় বা শীষ বের হয়েছে এবং উফসী ধানে দুধ আসার গুরুত্বপূর্ণ সময় চলছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে তীব্র খরা বিরাজ করছে, বৃষ্টিপাতও হচ্ছে না। এ অবস্থায় ভালো ফলনের জন্য জমিতে অন্তত দুই ইঞ্চি পানি থাকা জরুরি। কিন্তু বিদ্যুৎ ও ডিজেল সংকটের কারণে সেচ পাম্প চালানো যাচ্ছে না। ফলে উঠতি বোরো ধান মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছে। তিনি আরও জানান, কৃষকদের ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ৯০৫ জন কৃষককে ফুয়েল কার্ড দেওয়া হয়েছে। তবে ডিজেল নিতে গিয়ে কৃষকদের পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-০১-এর গোপালপুর জোনাল ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেন বলেন, গোপালপুর উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা ২৩ থেকে ২৪ মেগাওয়াট, অথচ ঘাটাইল পিডিবির গ্রিড সাবস্টেশন থেকে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৬ মেগাওয়াট। চাহিদার এক চতুর্থাংশ বিদ্যুৎ দিয়ে পৌরসভাসহ ৭টি ইউনিয়নে সরবরাহ করতে গিয়ে ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ২ থেকে ৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ফলে বিদ্যুৎচালিত সেচযন্ত্র দীর্ঘ সময় অচল থাকছে। এতে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা বিদ্যুতের দাবিতে অফিসে এসে অভিযোগ করছেন। উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক হাতেম আলী বলেন, “বিদ্যুৎ ও ডিজেল সংকটের কারণে বোরো ফসল পুড়ে যাচ্ছে। কৃষকরা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছে।” এদিকে বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব পড়েছে শিক্ষাক্ষেত্রেও। আজ থেকে শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষায় উপজেলায় স্থাপিত ৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭টি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা পরিচালনা বিঘ্নিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিল্লুর রহমান বলেন, “এখানে ডিজেলের তেমন কোনো সংকট নেই, তবে বিদ্যুতের সংকট প্রকট। এ সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য ঘাটাইল পিডিবির গ্রিড সাবস্টেশন থেকে গোপালপুর পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি পৃথক সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হলে বিদ্যুৎ সংকট অনেকটাই নিরসন সম্ভব হবে।” বিদ্যুৎ ও সেচ সংকট দ্রুত সমাধান না হলে কৃষি উৎপাদন ও শিক্ষা ব্যবস্থায় আরও বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
টাঙ্গাইলে এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা শুরু ৪৬,৬০১ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন ৯৩ কেন্দ্র থেকে টাঙ্গাইল ২১ এপ্রিল ২০২৬ ইং আজ টাঙ্গাইল জেলায় এসএসসি দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার বিভিন্ন কেন্দ্রে পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। জেলার ৯৩টি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট ৪৬,৬০১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন।পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। তিনি কেন্দ্রগুলো ঘুরে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আসনবিন্যাস স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, পরীক্ষার সরঞ্জামের যথাযথ ব্যবস্থা এবং কেন্দ্রে সহায়ক কর্মকর্তাদের কার্যক্রম তদারকি করেন।জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের জানানপরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের সকল সুবিধা নিশ্চিত করা আমাদের অগ্রাধিকার কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। আমরা চাই এই পরীক্ষা স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হোক।শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন পরীক্ষার পরিবেশ ভালো,শিক্ষক ও কর্মকর্তারা সাহায্যের জন্য সবসময় প্রস্তুত। এদিকে অভিভাবকরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন যে প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে।জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এবার টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরীক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় হাম-রুবেলা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক টিকাদান ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে বিরিশিরি ওয়াইডব্লিউসি নার্সারী স্কুল প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রম শুরু হয়। আন্তর্জাতিক সংস্থা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. এ এস এম তানজিরুল ইসলাম রায়হান। উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ওয়াইডব্লিউসি’র সভানেত্রী লুদিয়া রুমা সাংমার সভাপতিত্বে এবং এফপিআই দ্বীন মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন দুর্গাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি তোবারক হোসেন খোকন, মেডিকেল অফিসার ডা. মিজানুর রহমান, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিশ্বজিৎ সাহা, সাংবাদিক ধ্রুব সরকারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্বাস্থ্যকর্মী ও সুধীজন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এবং মারাত্মক সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে টিকাদানের বিকল্প নেই। হাম ও রুবেলা রোগ শিশুদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, যা সময়মতো টিকা গ্রহণের মাধ্যমে সহজেই প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই এ ধরনের জাতীয় কর্মসূচিতে অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. এ এস এম তানজিরুল ইসলাম রায়হান বলেন, এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে এক ডোজ করে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা প্রদান করা হবে। তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে পর্যায়ক্রমে এই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তিনি বলেন, “এই টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দুর্গাপুর এলাকায় হাম-রুবেলা সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস পাবে। পাশাপাশি শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, যা তাদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” এসময় তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নিকটস্থ টিকাকেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ধরনের গুজব বা ভ্রান্ত ধারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতা করারও অনুরোধ জানান তিনি। আলোচনা সভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে শিশুদের মাঝে টিকা প্রয়োগের মাধ্যমে ক্যাম্পেইনের কার্যক্রম শুরু করা হয়। উদ্বোধনী দিনে বেশ কয়েকজন শিশুকে
পাঠে পাঠে আত্মজাগরণ’ এই প্রতিপাদ্যে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের অংশগ্রহনে জলসিঁড়ি পাঠাগারের গ্রীষ্মকালীন অধ্যয়নসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিরিশিরি ইউনিয়নের গাভিনা গ্রামে নজরুল অধ্যয়ন কেন্দ্রে তিন গুণীজনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে। জলসিড়ি পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা দীপক সরকারের সঞ্চালনায়, সাংবাদিক নির্মলেন্দু সরকারের সভাপতিত্বে আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন, বিশিষ্ট শিক্ষাব্রতী অধ্যক্ষ শহীদুল্লাহ্ খান এবং কবি তানভির জাহান চৌধুরী। এছাড়া প্রকাশিত বই নিয়ে আলোচনা করেন অধ্যাপক হারাধণ সাহা, শিক্ষক শফিউল আলম স্বপন, কবি লোকান্ত শাওন। আবৃত্তি করেন শিল্পী ভট্রাচার্য, পুরবী সম্মানীত, কবি বিদ্যুৎ সরকার, কবি অনার্য শান্ত। এছাড়া অন্যদের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচালার একাডেমির পরিচালক কবি পরাগ রিছিল, প্রেসক্লাব সভাপতি তোবারক হোসেন খোকন, সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ্ সহ সাংবাদিক, রাজনৈতিক, কবি, শিক্ষক, প্রভাষক স্থানীয় গন্যমান ব্যাক্তিগণ সহ স্কুল-কলেজের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। আলোচনা শেষে, কবি ও মানসিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. ইমদাদুল হক তালুকদার, বাচিক শিল্পী আনোয়ারুল হক লাভলু ও বাচিক শিল্পী সৈয়দ ফয়সাল আহমেদকে নজরুল স্মারক সম্মাননা প্রদান করা হয়। আলোচনায় অতিথিরা বলেন, একটি সমাজের রূপরেখা বদলে দিতে পারে একটি সমৃদ্ধ পাঠাগার। জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখছে জলসিঁড়ি পাঠাগার। পাঠকরা খুব সহজেই এই পাঠাগারে এসে সমসাময়িক বিষয়ে সম্যক ধারণা ও বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানচর্চা করতে পারছে। আজকের ছাত্ররাই আগামী দিনের জাতির কর্ণধার। পাঠাগারের বই-পুস্তক একজন শিক্ষার্থীকে স্বশিক্ষিত মানুষ তৈরিতে সহায়তা করে। তাই প্রতিটি গ্রামে-মহল্লায় জলসিড়ির মতো পাঠাগার গড়ে তোলা প্রয়োজন। প্রত্যন্ত গ্রামে দীপক সরকারের হাতে গড়ে ওঠা এই অধ্যায়ন কেন্দ্রটি, নতুন প্রজন্মের মাঝে কাজী নজরুল ইসলামের চেতনা ছড়িয়ে দিচ্ছে। গ্রামীণ জনপদের মানুষের মাঝে চেতনা জাগছে নজরুলকে জানার, বোঝার ও চর্চা করার। এই কাজে সহায়তা করতে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়।
মাননীয় মন্ত্রী রেলের বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় টাঙ্গাইল ১৯ এপ্রিল ২০২৬ আজ মাননীয় মন্ত্রী বাংলাদেশ রেলওয়ের CRB-এর আওতাধীন বিভিন্ন স্থাপনা ও কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক সম্মেলন কক্ষে সকল কর্মকর্তার সঙ্গে মতবিনিময় করেন।পরিদর্শনকালে মন্ত্রী রেলের সেবার মান উন্নয়নের বিষয়ে সকলকে দক্ষ কর্মঠ ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি আরও উল্লেখ করেন রেলের সেবার মান নিয়ে জনগণের মধ্যে যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে তা পরিবর্তন করা অপরিহার্য। মন্ত্রী বর্তমান সরকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। এছাড়া রেলের আয়ের তুলনায় ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন। রেলের সম্পত্তি যাতে কেউ অবৈধভাবে দখল করতে না পারে, সেই বিষয়েও তিনি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।মতবিনিময় শেষে মন্ত্রী সকলের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”