নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় ভয়াবহ এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের নেতা ওয়াহিদুল মৃধা ওরফে কেলিস (৩৮)। শনিবার(৩মে) দিবাগত রাত পৌনে নয়টার দিকে দুর্গাপুর পৌর সদরে তেরি বাজার এলাকায় ঘটনায় এ নৃশংস ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। ঘাতক তেরী বাজার এলাকার লন্ড্রি ব্যবসায়ী মজিবুর রহমানের ছেলে নূর মোহাম্মদ (১৭)। সে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ও মাদক বিক্রির সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে জানান দাবী স্থানীয়দের। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক, ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুর্গাপুর পৌর বাজারের লন্ড্রি ব্যবসায়ী মজিবুর রহমানের ছেলে নূর মোহাম্মদ (১৭) যিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত হিসেবে পরিচিত। পূর্ব বিরোধের জেরে ওয়াহিদুল মৃধার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হসপিটালে রেফার্ড করলে পথিমধ্যে তিনি মারা যান। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এ ঘটনাকে ‘বর্বরোচিত ও জঘন্যতম অপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে দ্রুত দোষীর গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এদিকে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার পরপরই অভিযান শুরু করেছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয়রা এই ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, “এ ধরনের পাশবিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।” নিহত ওয়াহিদুল মৃধার পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তারা এই হত্যার বিচার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। এ ঘটনার সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে দুর্গাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাকের আহমেদ জানান,ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন ছিল। নিহতের ঘটনায় পুলিশ শক্ত স্থানে রয়েছে। অপরাধীকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।আশা করছি অপরাধীকে আইনের হাতে তুলে দিতে পারো।
একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত ফাইল হারানোর ঘটনায় টাঙ্গাইলের গোপালপুর এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। হারানো ফাইলটিতে শিক্ষাগত সনদপত্রসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল বলে জানা গেছে। 👤 নাম: মো: আফজাল হোসেন 👨👦 পিতা: মো: রেজাউল করিম 👩 মাতা: লাইলি 🏠 ঠিকানা: সাং- হরিষা, উপজেলা- গোপালপুর, জেলা- টাঙ্গাইল 📍 স্থান: গোপালপুর, টাঙ্গাইল 📅 তারিখ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ⏰ সময়: সকাল ১১:৩০ ভুক্তভোগী মো. আফজাল হোসেন জানান, গত ২৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গোপালপুর উপজেলার একটি এলাকায় চলাচলের সময় অসাবধানতাবশত তার বহনকৃত গুরুত্বপূর্ণ ফাইলটি হারিয়ে যায়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও ফাইলটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।আফজাল হোসেন গোপালপুর উপজেলার হরিষা গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতা মো. রেজাউল করিম এবং মাতা লাইলি। হারানো ফাইলটিতে তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট থাকায় তিনি চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।তিনি আরও বলেন ফাইলটিতে আমার জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিল। কেউ পেয়ে থাকলে দয়া করে ফেরত দিলে আমি কৃতজ্ঞ থাকব।এ ঘটনায় সহৃদয় ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি। কেউ ফাইলটির সন্ধান পেলে ০১৭২১-৬১৬৯১১ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। ফাইলটি উদ্ধার করতে পারলে উপযুক্ত পুরস্কার প্রদান করা হবে বলেও জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।এ বিষয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে দ্রুত ফাইলটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
টাঙ্গাইলের নারী প্রেমিকসহ গাজীপুরে বেড়াতে গিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার টাঙ্গাইল, ৩ মে ২০২৬ – টাঙ্গাইলের এক নারী প্রেমিকের সঙ্গে গাজীপুর বেড়াতে গিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে দুজনের নাম জানা গেছে। ভুক্তভোগীর জ্ঞান ফিরলে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী মির্জাপুর উপজেলার দেওহাটা এলাকার একটি কারখানায় চাকরি করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে তিনি তার প্রেমিক নুরুল হকের সঙ্গে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার একটি গ্রামে বেড়াতে যান। এ সময় তাদের সঙ্গে নুরুলের সহযোগী মালেক মিয়া ও একজন অজ্ঞাতপরিচয়ের ব্যক্তি ছিলেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পরে তারা একটি বাসায় পৌঁছালে ওই নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় নারীটি সন্ধ্যার আগে সিএনজিচালিত অটোরিকশা যোগে বাড়ি ফিরে আসেন। রক্তক্ষরণের কারণে প্রথমে তাকে কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর জ্ঞান ফেরার সঙ্গে সঙ্গে আমরা বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করব এবং সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এ ধরনের ঘটনায় সমাজে নিরাপত্তাহীনতা বেড়ে যায় এবং এ ধরনের নৃশংস অপরাধের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি জরুরি।
টাঙ্গাইলে ধলেশ্বরী-লৌহজং নদীর পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন সাজিদ পিয়াল, সিনিয়র রিপোর্টার দৈনিক মুক্তধ্বনি নিউজ, ২ মে ২০২৬ ইং টাঙ্গাইল জেলার আওতাধীন ধলেশ্বরী ও লৌহজং নদীর পুনঃখনন এবং টাঙ্গাইল পৌর এলাকার নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (২ মে) সকালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের নদ-নদীগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং ভাঙন রোধে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইলের গুরুত্বপূর্ণ দুই নদী ধলেশ্বরী নদী ও লৌহজং নদী-এর পুনঃখনন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নদী রক্ষা মানেই পরিবেশ রক্ষা এবং মানুষের জীবন-জীবিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করা। প্রকল্পটির আওতায় নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি, তীর সংরক্ষণ, ভাঙন প্রতিরোধ এবং জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ নদীতীরগুলোতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে, যা স্থানীয় জনগণের জানমাল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদীভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি আসবে। কৃষি, মৎস্য ও নৌ-পরিবহন খাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় ভয়াবহ এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের নেতা ওয়াহিদুল মৃধা ওরফে কেলিস (৩৮)। শনিবার(৩মে) দিবাগত রাত পৌনে নয়টার দিকে দুর্গাপুর পৌর সদরে তেরি বাজার এলাকায় ঘটনায় এ নৃশংস ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। ঘাতক তেরী বাজার এলাকার লন্ড্রি ব্যবসায়ী মজিবুর রহমানের ছেলে নূর মোহাম্মদ (১৭)। সে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ও মাদক বিক্রির সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে জানান দাবী স্থানীয়দের। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক, ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুর্গাপুর পৌর বাজারের লন্ড্রি ব্যবসায়ী মজিবুর রহমানের ছেলে নূর মোহাম্মদ (১৭) যিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত হিসেবে পরিচিত। পূর্ব বিরোধের জেরে ওয়াহিদুল মৃধার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হসপিটালে রেফার্ড করলে পথিমধ্যে তিনি মারা যান। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এ ঘটনাকে ‘বর্বরোচিত ও জঘন্যতম অপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে দ্রুত দোষীর গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এদিকে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার পরপরই অভিযান শুরু করেছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয়রা এই ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, “এ ধরনের পাশবিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।” নিহত ওয়াহিদুল মৃধার পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তারা এই হত্যার বিচার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। এ ঘটনার সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে দুর্গাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাকের আহমেদ জানান,ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন ছিল। নিহতের ঘটনায় পুলিশ শক্ত স্থানে রয়েছে। অপরাধীকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।আশা করছি অপরাধীকে আইনের হাতে তুলে দিতে পারো।
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় ভয়াবহ এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের নেতা ওয়াহিদুল মৃধা ওরফে কেলিস (৩৮)। শনিবার(৩মে) দিবাগত রাত পৌনে নয়টার দিকে দুর্গাপুর পৌর সদরে তেরি বাজার এলাকায় ঘটনায় এ নৃশংস ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। ঘাতক তেরী বাজার এলাকার লন্ড্রি ব্যবসায়ী মজিবুর রহমানের ছেলে নূর মোহাম্মদ (১৭)। সে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ও মাদক বিক্রির সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে জানান দাবী স্থানীয়দের। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক, ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুর্গাপুর পৌর বাজারের লন্ড্রি ব্যবসায়ী মজিবুর রহমানের ছেলে নূর মোহাম্মদ (১৭) যিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত হিসেবে পরিচিত। পূর্ব বিরোধের জেরে ওয়াহিদুল মৃধার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হসপিটালে রেফার্ড করলে পথিমধ্যে তিনি মারা যান। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এ ঘটনাকে ‘বর্বরোচিত ও জঘন্যতম অপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে দ্রুত দোষীর গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এদিকে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার পরপরই অভিযান শুরু করেছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয়রা এই ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, “এ ধরনের পাশবিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।” নিহত ওয়াহিদুল মৃধার পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তারা এই হত্যার বিচার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। এ ঘটনার সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে দুর্গাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাকের আহমেদ জানান,ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন ছিল। নিহতের ঘটনায় পুলিশ শক্ত স্থানে রয়েছে। অপরাধীকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।আশা করছি অপরাধীকে আইনের হাতে তুলে দিতে পারো।
টাঙ্গাইলে ধলেশ্বরী-লৌহজং নদীর পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন সাজিদ পিয়াল, সিনিয়র রিপোর্টার দৈনিক মুক্তধ্বনি নিউজ, ২ মে ২০২৬ ইং টাঙ্গাইল জেলার আওতাধীন ধলেশ্বরী ও লৌহজং নদীর পুনঃখনন এবং টাঙ্গাইল পৌর এলাকার নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (২ মে) সকালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের নদ-নদীগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং ভাঙন রোধে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইলের গুরুত্বপূর্ণ দুই নদী ধলেশ্বরী নদী ও লৌহজং নদী-এর পুনঃখনন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নদী রক্ষা মানেই পরিবেশ রক্ষা এবং মানুষের জীবন-জীবিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করা। প্রকল্পটির আওতায় নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি, তীর সংরক্ষণ, ভাঙন প্রতিরোধ এবং জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ নদীতীরগুলোতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে, যা স্থানীয় জনগণের জানমাল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদীভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি আসবে। কৃষি, মৎস্য ও নৌ-পরিবহন খাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গাইলে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’-এর জেলা পর্যায়ের কার্যক্রম উদ্বোধন ক্রীড়াকে পেশা ও জীবিকার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলে শুরু হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’-এর জেলা পর্যায়ের কার্যক্রম।শনিবার (০২ মে ২০২৬) সকালে সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইল জেলাতেও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সার্বিক সহযোগিতায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল জেলার সাতটি সংসদীয় আসনের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যগণ (এমপি) উপস্থিত থেকে ক্রীড়া উন্নয়ন ও প্রতিভা বিকাশে সরকারের নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন, শিশু-কিশোরদের মাঝে লুকিয়ে থাকা ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করে তা যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।বক্তারা আরও জানান, দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি করতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ তৈরি হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, ক্রীড়া সংগঠক, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পর বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন কার্যক্রমও শুরু হয়।
সংবাদ ও সাংবাদিকদের শ্রদ্ধা করে দীর্ঘ ২৬বছর ধরে পত্রিকা বিক্রি করছেন সুজিত সরকার। সংসারে নুন আনতে পানতা ফুরোনোর অবস্থা থাকলেও কারো কাছে হাত পাতেননি তিনি। পত্রিকা বিক্রি করেই স্বামী-স্ত্রী ও তিন সন্তানের ভরণ-পোষন করে পাঁচ জনের সংসার চালাতে হয় তাকে। বর্ষার দিনে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বৃষ্টিতে ভিজেই গ্রাহকদের কাছে পত্রিকা বিলিয়ে যায় সুজিত। একটি রেইনকোর্ট কেনার সামর্থ নেই তার। বৃষ্টিতে ভেজার কারনে মাঝে মধ্যে শরীর খারাপ হয়ে যায়। সংসারের কথা ভেবে খারাপ শরীর এবং জং ধরা সাইকেল নিয়েই বেরিয়ে পরেন পত্রিকা বিক্রির কাজে। এ সময় দুর্গাপুর প্রেসক্লাব সভাপতি তোবারক হোসেন খোকন, সাবেক সভাপতি নির্মলেন্দু সরকার বাবুল, এস এম রফিকুল ইসলাম রফিক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জামাল তালুকদার, ৭১ টেলিভেশনের প্রতিনিধি রাজেশ গৌড়, সাংবাদিক দিলোয়ার হোসেন তালুকদার, আল নোমান শান্ত, আবিদ হাসান বাপ্পি, শাহীন মিয়া সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন। পত্রিকা হকার সুজিত সরকার বলেন, দীর্ঘ ২৬বছর ধরে একটি পুরাতন সাইকেল দিয়ে পত্রিকা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছি। নি¤œআয়ের মাধ্যমে কোনরকম খেয়ে না খেয়ে সংসার চালিয়ে যাচ্ছি। টাকার অভাবে ছেলে মেয়ের পড়াশোনার খরচ জোগাতে পারছিনা। পুরাতন বই এবং বন্ধুদের কাছ থেকে বই ধার করে পড়াশোন করছে আমার ছেলে নীরব। আমার এই দৈন্যতার কথা শুনে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন মাননীয় ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্যার। আমি উনার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ আমাকে এই সহায়তা করার জন্য। ভগবানের কাছে উনার জন্য প্রার্থনা করি, উনি যেনো এভাবেই আমাদের মতো মানুষের ছায়া হয়ে বেঁচে থাকেন। সুজিত সরকারের ছেলে নীরব সরকার বলেন, আমার একসেট নতুন বই হবে এটা ভাবতেও অবাগ লাগছে। সময় মতো বই খাতা, কলম, পেন্সিল সহ অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ কিনে দেয়ার সামর্থ আমার পরিবারের নাই। অন্যের বই ধার নিয়ে পড়াশোনা করতে হতো। দারিদ্রতাই যেনো আমার নিত্য দিনের সাথী। আমাদের এমন খবর পেয়ে মাননীয় ডেপুটি স্পীকার স্যার যে সহায়তা করলেন আমরা উনার প্রতি কৃতজ্ঞ। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেনো এই দিনকে স্বরণে রেখে ভালো রিজাল্ট করতে পারি।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”