নলিনের ছোট্ট সাদি নিখোঁজ সন্ধান চায় পরিবার, এলাকাজুড়ে উদ্বেগ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নলিন এলাকার ১১ বছর বয়সী শিশু সাদিক জোয়াদ্দার নিখোঁজ হয়েছে। পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা তাকে খুঁজে পেতে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন। নিখোঁজ সাদিককে সবাই “সাদি” নামে চেনে।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাদি গোপালপুর উপজেলার নলিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। মাগরিবের নামাজের পর অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় সে। এরপর থেকে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাননি।নিখোঁজের সময় সাদির পরনে ছিল একটি হাফ প্যান্ট। গায়ে কোনো জামা ছিল না এবং সে খালি পায়ে ছিল বলে জানিয়েছে পরিবার।সাদির বাবা নূরনবী জোয়াদ্দার জানান, ছেলেকে খুঁজে পেতে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ করা হচ্ছে। কিন্তু কোথাও তার সন্ধান মিলছে না। সন্তানকে ফিরে পেতে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে পরিবারের।এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। ছোট্ট সাদিকে দ্রুত পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে মানবিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি সাদির সন্ধান পেয়ে থাকেন বা কোথাও দেখে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে নিচের নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে—যোগাযোগ: 📞 01799-132658 📞 01646-377543 পরিবারের একটাই আকুতি— ছোট্ট সাদি যেন নিরাপদে আবার মায়ের বুকে ফিরে আসে।
ভুয়াপুর-তারাকান্দি মহাসড়কে খড়, গোবর ও গাছের ডালপালা ফেলে প্রতিবন্ধকতাবাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর-তারাকান্দি মহাসড়কে এক শ্রেণির অসচেতন মানুষের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ পথচারী ও যানবাহন চালকরা। মহাসড়কের ওপর খড় শুকানো, গোবর ও বিভিন্ন বর্জ্য ফেলে রাখা এবং রাস্তার ওপর গাছের ডালপালা ও গুঁড়ি রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কারণে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। এতে জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কের দুই পাশে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা ও বাড়ির আঙিনা থাকা সত্ত্বেও কিছু ব্যক্তি সরাসরি সড়কের ওপর খড় বিছিয়ে শুকাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ গরুর গোবরসহ বিভিন্ন বর্জ্য ফেলে রাখছেন। শুধু তাই নয়, রাস্তার বড় একটি অংশ জুড়ে গাছের ডালপালা ও গুঁড়ি ফেলে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ফলে দ্রুতগতির যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।বিশেষ করে রাতে ও ভোরবেলায় চলাচলকারী যানবাহনের চালকদের জন্য পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। অনেক সময় দূর থেকে এসব প্রতিবন্ধকতা দেখা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ছোটখাটো দুর্ঘটনাও ঘটেছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করতে গেলে কিছু অসচেতন ব্যক্তি উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠছেন। কেউ কেউ প্রতিবাদকারীদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন এবং নানাভাবে হয়রানি করারও অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি মহাসড়ক শুধু যান চলাচলের পথ নয়, এটি একটি এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা ও শৃঙ্খলার প্রতীক। সেখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু সড়কের সৌন্দর্য নষ্ট করছে না, মানুষের জীবনকেও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলছে।এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তারা বলছেন, মহাসড়কে খড় শুকানো বর্জ্য ফেলা ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ভবিষ্যতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।বিশ্লেষকদের মতে, জনসচেতনতার পাশাপাশি নিয়মিত মনিটরিং ও প্রশাসনিক কঠোরতা ছাড়া এ ধরনের অনিয়ম বন্ধ করা সম্ভব নয়। তাই জননিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য আয়োজন টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আজ শুক্রবার (৮ মে ২০২৬) ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি টাঙ্গাইল জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। কবিগুরুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে আলোচনা সভা, রবীন্দ্রসংগীত আবৃত্তি, নৃত্য ও নাট্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বিশ্বকবির কর্মময় জীবন, সাহিত্যকীর্তি ও মানবতাবাদী দর্শন তুলে ধরা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেবল বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের কবি নন তিনি বিশ্বমানবতার প্রতীক। তাঁর সাহিত্য গান ও দর্শন যুগে যুগে বাঙালির চেতনা সংস্কৃতি ও স্বাধীনতার প্রেরণা জুগিয়েছে। বর্তমান প্রজন্মকে অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে রবীন্দ্রচর্চার কোনো বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেনপ্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে নতুন প্রজন্মকে বই সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী করে তুলতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও সংগীত মানুষের হৃদয়ে সৌন্দর্যবোধ দেশপ্রেম ও মানবিকতা জাগ্রত করে। তাই তাঁর আদর্শ ও সৃষ্টিকে ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। অনুষ্ঠানে জেলার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সাহিত্যিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ অংশগ্রহণ করেন শিল্পীরা পর্যায়ক্রমে পরিবেশন করেন রবীন্দ্রসংগীত কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্যনাট্য। প্রতিটি পরিবেশনায় দর্শকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।এদিকে রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষ্যে শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণ বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়। পুরোআয়োজনজুড়ে ছিল বাঙালির ঐতিহ্য সংস্কৃতি ও আবেগের এক অপূর্ব মেলবন্ধনঅনুষ্ঠানের শেষাংশে সম্মিলিত কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে আয়োজনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
দুর্গাপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানের সেচ্ছাসেবক (গোরখোদক) ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিস হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে এক অবস্থান কর্মসুচী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (০৮ মে) বাদ জুম্মা তেরীবাজার এলাকাবাসীর আয়োজনে এ কর্মসুচী অনুষ্ঠিত হয়। নিহত কেলিস ওই এলাকার মৃত আব্দুল মৃধার ছেলে। ঘন্টাব্যাপী কর্মসুচীতে বক্তারা বলেন, গত শনিবার রাত ১১টার দিকে তেরী বাজার এলাকায়, ঠুনকো বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নূর মোহাম্মদ নামের এক যুবক কেলিসকে ছুরিকাঘাত করে। পরবর্তিতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ময়মনসিংহ নেয়ার পথে মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তিতে দুর্গাপুর থানা পুলিশ রাতেই ঘাতক নূর মোহাম্মদের মা ও তার বোন জামাই কে আটক করে এবং পরদিন ভোরে নেত্রকোণা শহরের মালনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘাতক নূর মোহাম্মদকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে। পরে নিহতের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার বাদী হয়ে দুর্গাপুর থানায় মামলা দায়ের করে। কেলিস মৃত্যুর পর, তার স্ত্রী দুই সন্তান ও তার শ্বাশুড়িকে নিয়ে চরম অর্থকষ্টে ভোগছে। আমরা এলাকাবাসী এই ঘাতকের ফাঁসী চাই। অবস্থান কর্মসুচীতে বক্তব্য রাখেন, তেরি বাজার বড় মসজিদের নায়েবে মুহতামিম মুফতি আশরাফুর রহমান আনসারী, সাংবাদিক শফিকুল আলম সজীব, ব্যাবসায়ী ফারুক মড়ল, রফিকুল ইসলাম শাখাওয়াত হোসেন সজীব, হাজী সুমন মিয়া, মোশারফ সরকার, মীর ফরিদ মিন্টু, মাহমুদুল হাসান সুজন, রামিন প্রমুখ
নলিনের ছোট্ট সাদি নিখোঁজ সন্ধান চায় পরিবার, এলাকাজুড়ে উদ্বেগ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নলিন এলাকার ১১ বছর বয়সী শিশু সাদিক জোয়াদ্দার নিখোঁজ হয়েছে। পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা তাকে খুঁজে পেতে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন। নিখোঁজ সাদিককে সবাই “সাদি” নামে চেনে।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাদি গোপালপুর উপজেলার নলিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। মাগরিবের নামাজের পর অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় সে। এরপর থেকে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাননি।নিখোঁজের সময় সাদির পরনে ছিল একটি হাফ প্যান্ট। গায়ে কোনো জামা ছিল না এবং সে খালি পায়ে ছিল বলে জানিয়েছে পরিবার।সাদির বাবা নূরনবী জোয়াদ্দার জানান, ছেলেকে খুঁজে পেতে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ করা হচ্ছে। কিন্তু কোথাও তার সন্ধান মিলছে না। সন্তানকে ফিরে পেতে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে পরিবারের।এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। ছোট্ট সাদিকে দ্রুত পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে মানবিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি সাদির সন্ধান পেয়ে থাকেন বা কোথাও দেখে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে নিচের নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে—যোগাযোগ: 📞 01799-132658 📞 01646-377543 পরিবারের একটাই আকুতি— ছোট্ট সাদি যেন নিরাপদে আবার মায়ের বুকে ফিরে আসে।
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
নলিনের ছোট্ট সাদি নিখোঁজ সন্ধান চায় পরিবার, এলাকাজুড়ে উদ্বেগ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নলিন এলাকার ১১ বছর বয়সী শিশু সাদিক জোয়াদ্দার নিখোঁজ হয়েছে। পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা তাকে খুঁজে পেতে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন। নিখোঁজ সাদিককে সবাই “সাদি” নামে চেনে।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাদি গোপালপুর উপজেলার নলিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। মাগরিবের নামাজের পর অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় সে। এরপর থেকে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাননি।নিখোঁজের সময় সাদির পরনে ছিল একটি হাফ প্যান্ট। গায়ে কোনো জামা ছিল না এবং সে খালি পায়ে ছিল বলে জানিয়েছে পরিবার।সাদির বাবা নূরনবী জোয়াদ্দার জানান, ছেলেকে খুঁজে পেতে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ করা হচ্ছে। কিন্তু কোথাও তার সন্ধান মিলছে না। সন্তানকে ফিরে পেতে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে পরিবারের।এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। ছোট্ট সাদিকে দ্রুত পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে মানবিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি সাদির সন্ধান পেয়ে থাকেন বা কোথাও দেখে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে নিচের নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে—যোগাযোগ: 📞 01799-132658 📞 01646-377543 পরিবারের একটাই আকুতি— ছোট্ট সাদি যেন নিরাপদে আবার মায়ের বুকে ফিরে আসে।
ভুয়াপুর-তারাকান্দি মহাসড়কে খড়, গোবর ও গাছের ডালপালা ফেলে প্রতিবন্ধকতাবাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর-তারাকান্দি মহাসড়কে এক শ্রেণির অসচেতন মানুষের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ পথচারী ও যানবাহন চালকরা। মহাসড়কের ওপর খড় শুকানো, গোবর ও বিভিন্ন বর্জ্য ফেলে রাখা এবং রাস্তার ওপর গাছের ডালপালা ও গুঁড়ি রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কারণে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। এতে জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কের দুই পাশে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা ও বাড়ির আঙিনা থাকা সত্ত্বেও কিছু ব্যক্তি সরাসরি সড়কের ওপর খড় বিছিয়ে শুকাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ গরুর গোবরসহ বিভিন্ন বর্জ্য ফেলে রাখছেন। শুধু তাই নয়, রাস্তার বড় একটি অংশ জুড়ে গাছের ডালপালা ও গুঁড়ি ফেলে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ফলে দ্রুতগতির যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।বিশেষ করে রাতে ও ভোরবেলায় চলাচলকারী যানবাহনের চালকদের জন্য পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। অনেক সময় দূর থেকে এসব প্রতিবন্ধকতা দেখা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ছোটখাটো দুর্ঘটনাও ঘটেছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করতে গেলে কিছু অসচেতন ব্যক্তি উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠছেন। কেউ কেউ প্রতিবাদকারীদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন এবং নানাভাবে হয়রানি করারও অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি মহাসড়ক শুধু যান চলাচলের পথ নয়, এটি একটি এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা ও শৃঙ্খলার প্রতীক। সেখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু সড়কের সৌন্দর্য নষ্ট করছে না, মানুষের জীবনকেও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলছে।এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তারা বলছেন, মহাসড়কে খড় শুকানো বর্জ্য ফেলা ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ভবিষ্যতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।বিশ্লেষকদের মতে, জনসচেতনতার পাশাপাশি নিয়মিত মনিটরিং ও প্রশাসনিক কঠোরতা ছাড়া এ ধরনের অনিয়ম বন্ধ করা সম্ভব নয়। তাই জননিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
দুর্গাপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানের সেচ্ছাসেবক (গোরখোদক) ওয়াহিদুল ইসলাম কেলিস হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে এক অবস্থান কর্মসুচী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (০৮ মে) বাদ জুম্মা তেরীবাজার এলাকাবাসীর আয়োজনে এ কর্মসুচী অনুষ্ঠিত হয়। নিহত কেলিস ওই এলাকার মৃত আব্দুল মৃধার ছেলে। ঘন্টাব্যাপী কর্মসুচীতে বক্তারা বলেন, গত শনিবার রাত ১১টার দিকে তেরী বাজার এলাকায়, ঠুনকো বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নূর মোহাম্মদ নামের এক যুবক কেলিসকে ছুরিকাঘাত করে। পরবর্তিতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ময়মনসিংহ নেয়ার পথে মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তিতে দুর্গাপুর থানা পুলিশ রাতেই ঘাতক নূর মোহাম্মদের মা ও তার বোন জামাই কে আটক করে এবং পরদিন ভোরে নেত্রকোণা শহরের মালনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘাতক নূর মোহাম্মদকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে। পরে নিহতের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার বাদী হয়ে দুর্গাপুর থানায় মামলা দায়ের করে। কেলিস মৃত্যুর পর, তার স্ত্রী দুই সন্তান ও তার শ্বাশুড়িকে নিয়ে চরম অর্থকষ্টে ভোগছে। আমরা এলাকাবাসী এই ঘাতকের ফাঁসী চাই। অবস্থান কর্মসুচীতে বক্তব্য রাখেন, তেরি বাজার বড় মসজিদের নায়েবে মুহতামিম মুফতি আশরাফুর রহমান আনসারী, সাংবাদিক শফিকুল আলম সজীব, ব্যাবসায়ী ফারুক মড়ল, রফিকুল ইসলাম শাখাওয়াত হোসেন সজীব, হাজী সুমন মিয়া, মোশারফ সরকার, মীর ফরিদ মিন্টু, মাহমুদুল হাসান সুজন, রামিন প্রমুখ
প্রায় চার বছর আগে টিকটকের মাধ্যমে পরিচয়। এরপর শুরু হয় প্রেমের সম্পর্ক। পরে দীর্ঘ দুই বছর বিয়ে ছাড়াই একসঙ্গে সংসার করেন তারা। তবে ধর্মীয় ভিন্নতা ও ব্যক্তিগত নানা বিষয় নিয়ে এক পর্যায়ে তাদের প্রেমের সম্পর্কে বিচ্ছেদ ঘটে। পরবর্তিতে বিয়ের দাবিতে হিন্দু যুবকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন মিতু আক্তার (৩২) নামে এক মুসলিম নারী। এ নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের পূর্ব কাকৈরগড়া গ্রামে। ওই গ্রামের বাসিন্দা অসিত চক্রবর্তীর বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন ফরিদপুরের রাজবাড়ী জেলার দুলদী লক্ষীপুর গ্রামের বাসিন্দা মিতু আক্তার। প্রেমিক অন্তু চক্রবর্তী অশিত চক্রবর্তীর ছেলে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসুক মানুষ ওই বাড়িতে ভিড় জমিয়েছেন। এ নিয়ে শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার থেকেই ওই বাড়িতে অবস্থান করছেন মিতু আক্তার। তিনি জানান, ২০২২ সালে টিকটকের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। পরে কথাবার্তার একপর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সে সময় অন্তু চক্রবর্তী সাভারের একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। ২০২৪ সালে মিতু আক্তার সেখানে গেলে তারা একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন। মিতু আক্তার আরও জানান, এর আগে তার একটি সংসার ছিল এবং সেখানে এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। তবে প্রেমের টানে তিনি অন্তুর কাছে চলে আসেন। তার দাবি, অন্তু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়েছিলেন। পরে তার আগের বিয়ের বিষয়টি অন্তুর এক বান্ধবীর মাধ্যমে জানাজানি হলে তাদের মধ্যে দূরত্ব ও বিরোধ তৈরি হয়। মিতু আক্তার বলেন, আমি তাকে আগেই বলেছিলাম আমার স্বামী-সন্তান আছে। তখন সে বলেছিল, এসব তার সমস্যা না। আমার ১০টা সন্তান থাকলেও সে আমাকে নিয়েই থাকবে। সে কখনও আমার ধর্ম নিয়েও আপত্তি করেনি। আমি নামাজ পড়তাম, কোরআন পড়তাম, সেও শুনতো। আমার টিকটক ও ইমু আইডিতেও ‘মিতু আক্তার’ নামই ছিল। এই নাম কি হিন্দুর হতে পারে? আমি এখন তার বাড়িতে এসেছি। সে আমাকে বিয়ে না করলে আমি এখানেই মরবো। এদিকে অন্তু চক্রবর্তী দাবি করেন, তিনি জানতেন না মিতু আক্তার মুসলিম ও বিবাহিত। হিন্দু পরিচয়ে তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক হয়েছিল। পরে জানতে পারি সে বিবাহিত এবং তার সন্তানও আছে। এসব জানার পর আমি সম্পর্ক থেকে সরে আসি। এখন সে বাড়িতে এসে বিয়ের দাবি করছে। কিন্তু আমি তাকে বিয়ে করবো না। সে মুসলিম, আমি হিন্দু। তার আগের স্বামী-সন্তান ছেড়ে আসতে পেরেছে, সে আমাকেও ছেড়ে যেতে পারবে। অন্তু চক্রবর্তীর বাবা অশিত চক্রবর্তী জানান, ছেলে চাকুরী করতে গিয়েছিল সাভারে। ওইখানে মুসলিম মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি আমি জানতাম না। স্থানীয় বাসিন্দা এরশাদ মিয়া বলেন, এ ধরনের ঘটনা সমাজের জন্য ভালো নয়। আমরা সুষ্ঠু সমাধান চাই। যেহেতু তারা দীর্ঘদিন একসঙ্গে ছিল, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন বলেন, বিষয়টি নিয়ে আইনগত এবং এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”