সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল সদরেও চালু হচ্ছে স্মার্ট ফুয়েল কার্ড টাঙ্গাইল, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ইং টাঙ্গাইল সদরসহ সারাদেশে আগামী ১৮ এপ্রিল ২০২৬ থেকে স্মার্ট ফুয়েল কার্ড কার্যকর করা হবে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই ব্যবস্থার আওতায় মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে হলে কার্ড ব্যতীত তেল দেওয়া হবে না। ফুয়েল কার্ড সিস্টেম চালু করার মূল উদ্দেশ্য হলো তেল বিতরণ নিয়ন্ত্রণ ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা। এই নতুন নিয়ম অনুসারে তেল সংগ্রহের সময় বৈধ কাগজপত্র দেখানো বাধ্যতামূলক। কার্ড ছাড়া কোনও মোটরসাইকেলে তেল দেওয়া হবে না, যা সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনও ধরনের সমস্যা এড়াতে সাহায্য করবে। জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যেই মোটরসাইকেল মালিকদের স্মার্ট ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশনা জারি করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্ড সংগ্রহ করবেন না, তারা তেল সরবরাহে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। এছাড়াও, জেলা প্রশাসন সকল ফিলিং স্টেশন ও এজেন্সিকে কার্ড যাচাই ও নিয়মিত রিপোর্টিং নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রদান করেছে। ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে জ্বালানি তেলের বিতরণ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত রাখা সম্ভব হবে।জেলা প্রশাসন ও পুলিশ জানিয়েছে, তারা জনসাধারণের নিরাপত্তা ও সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় তেলের চাহিদা নিশ্চিত করা হবে এবং অযথা তেল হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রতারনা বা অনিয়ম রোধ করা সম্ভব হবে।
সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ বাঘাবাড়ী অয়েল ডিপো থেকে উত্তরবঙ্গমুখী জ্বালানি তেল সরবরাহে নিরাপত্তা নিশ্চিত করলো ১০ এপ্রিল ২০২৬ ইং সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ আজ শুক্রবার বাঘাবাড়ী অয়েল ডিপো থেকে উত্তরবঙ্গমুখী জ্বালানি তেল সরবরাহের সময় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। রাজশাহী, রংপুর এবং পার্শ্ববর্তী ১৯টি জেলায় বিতরণের জন্য ২২৫টি ট্যাংকলরি (পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল) নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য পুলিশ এসকর্ট প্রদান করা হয়েছে।এদিনের অভিযান ২৪৮টি পয়েন্টে (ফিলিং স্টেশন ও এজেন্সি) জ্বালানি সরবরাহ কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে। জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা জানান,জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনগুরুত্বপূর্ণ সেবা যেমন জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখা তাদের অগ্রাধিকার।সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ বলেছে,“আমাদের লক্ষ্য জনগণের নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ সেবা কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা।এমন উদ্যোগের মাধ্যমে জেলার প্রতিটি জেলায় তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনও প্রকার ব্যাঘাত সৃষ্টি না হয় তা নিশ্চিত করা হয়েছে।অধিকন্তু, জেলার বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যরা ট্যাংকলরি গুলোকে সড়ক পথে সুরক্ষিতভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিনিয়ত নজরদারি করেছেন। পুলিশ এসকর্টের সময় যেকোনো সম্ভাব্য ঝুঁকি বা নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সর্বদা জনগণের সেবা ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর, এবং এই ধরনের নিরাপত্তা উদ্যোগ নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।
রাজধানীর ব্যস্ত এলাকা বাংলামোটরে নির্মিত হয়েছে লন্ডন স্টাইলের একটি দৃষ্টিনন্দন ভবন, যা ইতোমধ্যেই নগরবাসীর আগ্রহ ও প্রশংসা কুড়াচ্ছে। আধুনিক নকশা ও ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীর সমন্বয়ে তৈরি এ ভবনটি এলাকার সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন এক নগর নান্দনিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ভবনটির বাইরের অংশে ব্যবহার করা হয়েছে ক্লাসিক ব্রিটিশ ডিজাইনের উপাদান, যেমন নান্দনিক বারান্দা, বড় আকারের জানালা এবং আকর্ষণীয় রঙের সমন্বয়। বিশেষ করে এর ফ্যাসাড ডিজাইন পথচারীদের সহজেই আকৃষ্ট করছে এবং অনেকেই ভবনটির সামনে ছবি তুলতে ভিড় করছেন। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের স্থাপত্য রাজধানীর প্রচলিত ভবন ডিজাইনের বাইরে গিয়ে নতুনত্ব নিয়ে এসেছে। এতে করে এলাকাটির সামগ্রিক সৌন্দর্য যেমন বেড়েছে, তেমনি আধুনিক নগর পরিকল্পনার দিক থেকেও এটি একটি ইতিবাচক সংযোজন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক মানের স্থাপত্যশৈলী অনুসরণ করে এ ধরনের ভবন নির্মাণ শহরের নান্দনিকতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পর্যটন সম্ভাবনাও বাড়াতে পারে। সব মিলিয়ে, বাংলামোটরের এই লন্ডন স্টাইলের ভবনটি এখন শুধু একটি স্থাপনা নয়, বরং নগরবাসীর জন্য এক নতুন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি ও সরকারি ভাবে সরবরাহে ঘাটতির কারণে দেশে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। যার ফলে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত একটি মাত্র পেট্রোল পাম্পে অনিশ্চয়তা নিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ক্লান্ত হচ্ছেন অনেকে। তবুও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর মিলছে না চাহিদা মতো পেট্রোল, অনেকে ফিরছেন প্রয়োজনীয় তেল না পেয়েই। এনিয়ে দুর্গাপুর উপজেলার একমাত্র পাম্প মেসার্স খোরশেদ খান ফিলিং স্টেশন সহ বিভিন্ন এলাকার ছোট-খাটো সাব-ডিলার পয়েন্ট গিয়ে দেখা গেছে একই অবস্থা। কোথাও কোথাও মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের লাইন কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হয়েছে। কেউ কেউ পাম্প থেকে সাব-ডিলার পয়েন্টে গিয়েও তেল পাচ্ছেন না। এতে দৈনন্দিন কাজ, যথাসময়ে অফিস যাতায়াত ও জীবিকা নির্বাহে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, একটি অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। কোথাও কোথাও তেল মজুত রেখেও বিক্রি বন্ধ রাখা হচ্ছে বলে মনে করেন তারা। তবে পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম নয়, তবে হঠাৎ অতিরিক্ত চাহিদা ও মটরবাইকে ফুল ট্যাংক’ করার প্রবণতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। অনেক জায়গায় সীমিত পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারে নির্দিষ্ট হারে তেল দেয়ার পরেও নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাচ্ছে। থানার পুলিশ ও সরকারি ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে বিক্রি হচ্ছে তেল। এ নিয়ে কথা হয় মোটরসাইকেল চালক এমদাদুল হক জানান, বাইকের চাকা ঘুরলে আমার ইনকাম, না ঘুরলে না খেয়ে থাকার মতো অবস্থা হয়। এ অবস্থায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলে দিনের প্রায় অর্ধেক সময় চলে যায়। অনেকেই এখান থেকে তেল নিয়ে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছে। অপর এক চালক রুহুল আমীন বলেন, তেলের সংকট যতটা দেখা যাচ্ছে ততটা নয়। তেল হয়ত প্রয়োজনের তুলনায় কিছুটা কম, তবে অনেকে অবৈধভাবে তেল মজুত করার কারণে সংকট প্রকট হচ্ছে। সকালে পাম্প খোলার আগে থেকেই তেলের জন্য লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে সকাল ১১টার দিয়ে ২লিটার তেল পেয়েছি। দিনের অনেকটা সময় তেল সংগ্রহে চলে গেছে, এমন অবস্থা থাকলে ভাড়ায় বাইক চালানো বন্ধ হয়ে যাবে। প্রেসক্লাব মোড়ে অবস্থিত সাব-ডিলার পয়েন্টে এক এনজিও এলিসন ঘাগ্রা বলেন, তেলের জন্য দীর্ঘসময় ধরে দাঁড়িয়ে আছি। আজ তেল নিতেই হবে যত সময়ই লাগুক। কেননা আগামীকাল (শনিবার) অফিসের জরুরী মিটিং আছে। তখন যদি লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করি তাহলে অফিসে দেরি হবে। পাম্পে সরকারি ভাবে নিযুক্ত ট্যাগ অফিসার পাম্প মুহাম্মদ নাসির উদ্দীন জানান এই পাম্পে যতক্ষণ তেল মজুদ থাকে সরকারি দামেই গ্রাহকদের সরবরাহ করা হয়। ডিপো থেকে প্রতিদিন সাড়ে চার হাজার লিটার তেল দেওয়া হয়। এর আগে এই পাম্প থেকে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই হাজার লিটার তেলা বিক্রি হতো। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ৬টি পয়েন্টে সাব-ডিলার ছিলো। কিন্তু এখন প্রতিদিন সাড়ে চার হাজার লিটারেও চাহিদা মিটছে না। গাড়ীর কাগজ, ড্রাইভিং লাইসেন্স চেকিং করে তেল দেয়ার পরেও চাহিদা মিটছে না। স্থানীয়রা মনে করেন, একটা চক্র তেল মজুত করছে। সামনে তেলের আরো সংকট হবে মর্মে সাধারণ মানুষও তেল মজুত করছেন। ফলে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে। স্থানীয়রা ছাড়া বাহিরের বাইক চালকগনও তেল নিতে আসছে এই পাম্পে। তেল মজুদ রোধে এ বিষয় গুলো খতিয়ে দেখে, চেকিংয়ের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিয়ে তেল সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জোর দাবী জানিয়েছেন তারা।
সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল সদরেও চালু হচ্ছে স্মার্ট ফুয়েল কার্ড টাঙ্গাইল, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ইং টাঙ্গাইল সদরসহ সারাদেশে আগামী ১৮ এপ্রিল ২০২৬ থেকে স্মার্ট ফুয়েল কার্ড কার্যকর করা হবে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই ব্যবস্থার আওতায় মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে হলে কার্ড ব্যতীত তেল দেওয়া হবে না। ফুয়েল কার্ড সিস্টেম চালু করার মূল উদ্দেশ্য হলো তেল বিতরণ নিয়ন্ত্রণ ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা। এই নতুন নিয়ম অনুসারে তেল সংগ্রহের সময় বৈধ কাগজপত্র দেখানো বাধ্যতামূলক। কার্ড ছাড়া কোনও মোটরসাইকেলে তেল দেওয়া হবে না, যা সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনও ধরনের সমস্যা এড়াতে সাহায্য করবে। জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যেই মোটরসাইকেল মালিকদের স্মার্ট ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশনা জারি করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্ড সংগ্রহ করবেন না, তারা তেল সরবরাহে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। এছাড়াও, জেলা প্রশাসন সকল ফিলিং স্টেশন ও এজেন্সিকে কার্ড যাচাই ও নিয়মিত রিপোর্টিং নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রদান করেছে। ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে জ্বালানি তেলের বিতরণ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত রাখা সম্ভব হবে।জেলা প্রশাসন ও পুলিশ জানিয়েছে, তারা জনসাধারণের নিরাপত্তা ও সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় তেলের চাহিদা নিশ্চিত করা হবে এবং অযথা তেল হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রতারনা বা অনিয়ম রোধ করা সম্ভব হবে।
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল সদরেও চালু হচ্ছে স্মার্ট ফুয়েল কার্ড টাঙ্গাইল, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ইং টাঙ্গাইল সদরসহ সারাদেশে আগামী ১৮ এপ্রিল ২০২৬ থেকে স্মার্ট ফুয়েল কার্ড কার্যকর করা হবে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই ব্যবস্থার আওতায় মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে হলে কার্ড ব্যতীত তেল দেওয়া হবে না। ফুয়েল কার্ড সিস্টেম চালু করার মূল উদ্দেশ্য হলো তেল বিতরণ নিয়ন্ত্রণ ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা। এই নতুন নিয়ম অনুসারে তেল সংগ্রহের সময় বৈধ কাগজপত্র দেখানো বাধ্যতামূলক। কার্ড ছাড়া কোনও মোটরসাইকেলে তেল দেওয়া হবে না, যা সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনও ধরনের সমস্যা এড়াতে সাহায্য করবে। জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যেই মোটরসাইকেল মালিকদের স্মার্ট ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশনা জারি করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্ড সংগ্রহ করবেন না, তারা তেল সরবরাহে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। এছাড়াও, জেলা প্রশাসন সকল ফিলিং স্টেশন ও এজেন্সিকে কার্ড যাচাই ও নিয়মিত রিপোর্টিং নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রদান করেছে। ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে জ্বালানি তেলের বিতরণ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত রাখা সম্ভব হবে।জেলা প্রশাসন ও পুলিশ জানিয়েছে, তারা জনসাধারণের নিরাপত্তা ও সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় তেলের চাহিদা নিশ্চিত করা হবে এবং অযথা তেল হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রতারনা বা অনিয়ম রোধ করা সম্ভব হবে।
সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ বাঘাবাড়ী অয়েল ডিপো থেকে উত্তরবঙ্গমুখী জ্বালানি তেল সরবরাহে নিরাপত্তা নিশ্চিত করলো ১০ এপ্রিল ২০২৬ ইং সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ আজ শুক্রবার বাঘাবাড়ী অয়েল ডিপো থেকে উত্তরবঙ্গমুখী জ্বালানি তেল সরবরাহের সময় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। রাজশাহী, রংপুর এবং পার্শ্ববর্তী ১৯টি জেলায় বিতরণের জন্য ২২৫টি ট্যাংকলরি (পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল) নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য পুলিশ এসকর্ট প্রদান করা হয়েছে।এদিনের অভিযান ২৪৮টি পয়েন্টে (ফিলিং স্টেশন ও এজেন্সি) জ্বালানি সরবরাহ কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে। জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা জানান,জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনগুরুত্বপূর্ণ সেবা যেমন জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখা তাদের অগ্রাধিকার।সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ বলেছে,“আমাদের লক্ষ্য জনগণের নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ সেবা কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা।এমন উদ্যোগের মাধ্যমে জেলার প্রতিটি জেলায় তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনও প্রকার ব্যাঘাত সৃষ্টি না হয় তা নিশ্চিত করা হয়েছে।অধিকন্তু, জেলার বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যরা ট্যাংকলরি গুলোকে সড়ক পথে সুরক্ষিতভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিনিয়ত নজরদারি করেছেন। পুলিশ এসকর্টের সময় যেকোনো সম্ভাব্য ঝুঁকি বা নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সর্বদা জনগণের সেবা ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর, এবং এই ধরনের নিরাপত্তা উদ্যোগ নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।
রাজধানীর ব্যস্ত এলাকা বাংলামোটরে নির্মিত হয়েছে লন্ডন স্টাইলের একটি দৃষ্টিনন্দন ভবন, যা ইতোমধ্যেই নগরবাসীর আগ্রহ ও প্রশংসা কুড়াচ্ছে। আধুনিক নকশা ও ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীর সমন্বয়ে তৈরি এ ভবনটি এলাকার সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন এক নগর নান্দনিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ভবনটির বাইরের অংশে ব্যবহার করা হয়েছে ক্লাসিক ব্রিটিশ ডিজাইনের উপাদান, যেমন নান্দনিক বারান্দা, বড় আকারের জানালা এবং আকর্ষণীয় রঙের সমন্বয়। বিশেষ করে এর ফ্যাসাড ডিজাইন পথচারীদের সহজেই আকৃষ্ট করছে এবং অনেকেই ভবনটির সামনে ছবি তুলতে ভিড় করছেন। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের স্থাপত্য রাজধানীর প্রচলিত ভবন ডিজাইনের বাইরে গিয়ে নতুনত্ব নিয়ে এসেছে। এতে করে এলাকাটির সামগ্রিক সৌন্দর্য যেমন বেড়েছে, তেমনি আধুনিক নগর পরিকল্পনার দিক থেকেও এটি একটি ইতিবাচক সংযোজন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক মানের স্থাপত্যশৈলী অনুসরণ করে এ ধরনের ভবন নির্মাণ শহরের নান্দনিকতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পর্যটন সম্ভাবনাও বাড়াতে পারে। সব মিলিয়ে, বাংলামোটরের এই লন্ডন স্টাইলের ভবনটি এখন শুধু একটি স্থাপনা নয়, বরং নগরবাসীর জন্য এক নতুন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি ও সরকারি ভাবে সরবরাহে ঘাটতির কারণে দেশে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। যার ফলে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত একটি মাত্র পেট্রোল পাম্পে অনিশ্চয়তা নিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ক্লান্ত হচ্ছেন অনেকে। তবুও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর মিলছে না চাহিদা মতো পেট্রোল, অনেকে ফিরছেন প্রয়োজনীয় তেল না পেয়েই। এনিয়ে দুর্গাপুর উপজেলার একমাত্র পাম্প মেসার্স খোরশেদ খান ফিলিং স্টেশন সহ বিভিন্ন এলাকার ছোট-খাটো সাব-ডিলার পয়েন্ট গিয়ে দেখা গেছে একই অবস্থা। কোথাও কোথাও মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের লাইন কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হয়েছে। কেউ কেউ পাম্প থেকে সাব-ডিলার পয়েন্টে গিয়েও তেল পাচ্ছেন না। এতে দৈনন্দিন কাজ, যথাসময়ে অফিস যাতায়াত ও জীবিকা নির্বাহে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, একটি অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। কোথাও কোথাও তেল মজুত রেখেও বিক্রি বন্ধ রাখা হচ্ছে বলে মনে করেন তারা। তবে পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম নয়, তবে হঠাৎ অতিরিক্ত চাহিদা ও মটরবাইকে ফুল ট্যাংক’ করার প্রবণতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। অনেক জায়গায় সীমিত পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারে নির্দিষ্ট হারে তেল দেয়ার পরেও নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাচ্ছে। থানার পুলিশ ও সরকারি ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে বিক্রি হচ্ছে তেল। এ নিয়ে কথা হয় মোটরসাইকেল চালক এমদাদুল হক জানান, বাইকের চাকা ঘুরলে আমার ইনকাম, না ঘুরলে না খেয়ে থাকার মতো অবস্থা হয়। এ অবস্থায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলে দিনের প্রায় অর্ধেক সময় চলে যায়। অনেকেই এখান থেকে তেল নিয়ে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছে। অপর এক চালক রুহুল আমীন বলেন, তেলের সংকট যতটা দেখা যাচ্ছে ততটা নয়। তেল হয়ত প্রয়োজনের তুলনায় কিছুটা কম, তবে অনেকে অবৈধভাবে তেল মজুত করার কারণে সংকট প্রকট হচ্ছে। সকালে পাম্প খোলার আগে থেকেই তেলের জন্য লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে সকাল ১১টার দিয়ে ২লিটার তেল পেয়েছি। দিনের অনেকটা সময় তেল সংগ্রহে চলে গেছে, এমন অবস্থা থাকলে ভাড়ায় বাইক চালানো বন্ধ হয়ে যাবে। প্রেসক্লাব মোড়ে অবস্থিত সাব-ডিলার পয়েন্টে এক এনজিও এলিসন ঘাগ্রা বলেন, তেলের জন্য দীর্ঘসময় ধরে দাঁড়িয়ে আছি। আজ তেল নিতেই হবে যত সময়ই লাগুক। কেননা আগামীকাল (শনিবার) অফিসের জরুরী মিটিং আছে। তখন যদি লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করি তাহলে অফিসে দেরি হবে। পাম্পে সরকারি ভাবে নিযুক্ত ট্যাগ অফিসার পাম্প মুহাম্মদ নাসির উদ্দীন জানান এই পাম্পে যতক্ষণ তেল মজুদ থাকে সরকারি দামেই গ্রাহকদের সরবরাহ করা হয়। ডিপো থেকে প্রতিদিন সাড়ে চার হাজার লিটার তেল দেওয়া হয়। এর আগে এই পাম্প থেকে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই হাজার লিটার তেলা বিক্রি হতো। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ৬টি পয়েন্টে সাব-ডিলার ছিলো। কিন্তু এখন প্রতিদিন সাড়ে চার হাজার লিটারেও চাহিদা মিটছে না। গাড়ীর কাগজ, ড্রাইভিং লাইসেন্স চেকিং করে তেল দেয়ার পরেও চাহিদা মিটছে না। স্থানীয়রা মনে করেন, একটা চক্র তেল মজুত করছে। সামনে তেলের আরো সংকট হবে মর্মে সাধারণ মানুষও তেল মজুত করছেন। ফলে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে। স্থানীয়রা ছাড়া বাহিরের বাইক চালকগনও তেল নিতে আসছে এই পাম্পে। তেল মজুদ রোধে এ বিষয় গুলো খতিয়ে দেখে, চেকিংয়ের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিয়ে তেল সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জোর দাবী জানিয়েছেন তারা।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”