বৃহত্তর ময়মনসিংহের ১৮৬ বছরের পুরোনো কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরীর অবস্থান সুসঙ্গ দুর্গাপুরে। সুসঙ্গ পরগনার শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে সুসঙ্গ দুর্গাপুরের মহারাজা ভূপেন্দ্র চন্দ্র সিংহ শর্ম্মা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরী। পাঠাগারের কার্যক্রম কোন রকমে চললেও কালের বিবর্তনে পাঠাগারের জায়গা গুলো বে-দখল হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে দুর্গাপুর উপজেলার সর্বস্তরের জনগনের আয়োজনে প্রাচীণতম এই পাঠাগারের জায়গা উদ্ধারে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (০৭ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ঘন্টাব্যাপি এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার শত শত মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বে-দখল হওয়া জায়গা উদ্ধার এবং বাউন্ডারী ওয়াল নির্মান সহ পাঠাগারটি পুনঃ চালু করার জন্য গত ০৫ এপ্রিল উক্ত লাইব্রেরী পরিদর্শনে আসেন এবং পাঠাগারটিকে পুনরায় চালু করে এখানে স্থানীয় যুবকদের জন্য উদ্দ্যোগ নিয়েছেন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা- ১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। ইতোমধ্যে একটি বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে ১০ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন তিনি। এনিয়ে আদিবাসী নেত্রী বিশাকা রাংসা বলেন, বৃহত্তর ময়মনসিংহের অনেক আইনজীবী, জ্ঞানীগুনী, সাহিত্যিক সকলেই এই লাইব্রেরীতে আসতেন বই পড়তে। ঐতিহ্যবাহী লাইব্রেরিটি এখন অযত্ন অবহেলায় পরে থাকার কারনে স্থানীয় ভূমি খেকোরা পাঠাগারের অধিকাংশ জায়গা বে-দখল করে নিয়েছে। বাউন্ডারী দেয়াল না থাকায় অবকাঠামোগত ক্ষতি হচ্ছে। আসবাবপত্র, চাহিদা মোতাবেক বইক্রয় সহ পাঠাগারের আয়-বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয়া হলে অচিরেই হারিয়ে যাবে পাঠাগারটি। বেদখলকৃত জায়গা উদ্ধার করতে জোর দাবী জানাচ্ছি। কবি লোকান্ত শাওন বলেন, পাঠাগারকে বলা হয় শিক্ষার বাতিঘর। এই পাঠাগারটি যদি আবার সচল হয় তাহলে, স্থানীয় যুবসমাজ উপকৃত হবে। মাদক ছেড়ে বই হাতে নিবে। বাড়বে সাংস্কৃতিক চর্চা। দুর্গাপুর তথা কলমাকান্দা উপজেলার আদিবাসী সম্প্রদায় সহ সকল শ্রেনীপেশার হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হবে। সাহিত্যপাঠকদের কথা ভেবে নিভু নিভু অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকা পাঠারগারটিকে জাগিয়ে তুলতে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল যেভাবে এগিয়ে এসেছেন এর জন্য দুর্গাপুরবাসীর পক্ষ থেকে ওনাকে ধন্যবাদ জানাই। দুর্গাপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. মোহন মিয়া বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে পাঠাগারের বিকল্প নেই। জ্ঞান অর্জনের উৎস হলো বই। বর্তমান মানুষের চিন্তা, চেতনা, গবেষণা জমা হয়ে রয়েছে বইয়ের পাতায় পাতায়। আর বইয়ের সু-শৃঙ্খল সমাবেশ স্থানই হলো পাঠাগার। দুর্গাপুর উপজেলার ১৮৬বছর পুরনো কুমার পাবলিক দ্বীজেন্দ্র লাইব্রেরীর বেদখল হওয়া জায়গা উদ্ধার করে পাঠাগারের প্রাণ সঞ্চার করার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ সাদাত সাংবাদিকদের বলেন, আমি অত্র উপজেলায় সদ্য যোগ্যদান করেছি। এই পাঠাগারটি খুবই প্রাচীণতম, ইতোমধ্যে পাঠাগার পরিদর্শন করেছি এবং পরিচালনা কমিটির সদস্য, সাংবাদিক ও সুশিল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা করেছি। পাঠাগারের জায়গাও পুনরায় চিহ্নিত করা হয়েছে। এনিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), জেলা প্রশাসক ও মাননীয় ডেপুটি স্পীকার স্যারের সাথে কথা বলে জরুরী ভিত্তিতে বেদখল হওয়া জায়গা উদ্ধার করে লাইব্রেরী সচল করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত হলেন টাঙ্গাইলের শরীফা হক টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। সম্প্রতি ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের স্বাক্ষরিত এক সরকারি পত্রে এ তথ্য জানানো হয়ছে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শরীফা হক সততা দক্ষতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। বিসিএস ২৫তম ব্যাচের এই কর্মকর্তা টাঙ্গাইল জেলার দ্বিতীয় নারী জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তাঁর নেতৃত্বে জেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়েছে।জেলায় দায়িত্ব পালনকালে তিনি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিতকরণ বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নয়ন এবং শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে তাঁর বিভিন্ন উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনকারী এই প্রশাসক সবসময় জনসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর মতে জনগণের আস্থা অর্জনই একজন প্রশাসকের সবচেয়ে বড় সাফল্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি স্বচ্ছতাএজবাবদিহিতা ও মানবিক প্রশাসন প্রতিষ্ঠার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। শরীফা হক মনে করেন সরকারি সেবা এমন হওয়া উচিত যাতে সাধারণ মানুষ অনুভব করে—রাষ্ট্র তাদের পাশে রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে তাঁর গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি ভবিষ্যতে সারাদেশে বিস্তৃত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক হিসেবে তাঁর এই স্বীকৃতি টাঙ্গাইলবাসীর জন্যও গর্বের বিষয় বলে মনে করছেন জেলার সচেতন মহল।
টাঙ্গাইলে র্যাবের পৃথক অভিযানে ১৫ কেজি গাঁজা, ৬০০ ইনজেকশন ও ৩৫ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার গ্রেফতার ৫ টাঙ্গাইলের মধুপুরে র্যাব-১৪ এর পৃথক তিনটি মাদকবিরোধী অভিযানে ১৫ কেজি গাঁজা, ৬০০ পিস বুপ্রেনোরফাইন ইনজেকশন ও ৩৫ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে র্যাব-১৪, ময়মনসিংহের টাঙ্গাইল ক্যাম্প। র্যাবের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মধুপুর উপজেলার পঁচিশ মাইল বাজার এলাকায় একটি সিএনজি তল্লাশি করে সেলিম (৩৫), নাজমা বেগম (৪৮) ও আনোয়ারা বেগম (৪৭) নামে তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় তিনটি মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ জব্দ করা হয়।একই দিন রাত ৯টার দিকে পঁচিশ মাইল বাজার জামে মসজিদের সামনে প্রান্তিক সুপার পরিবহনের একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে ইয়াজদুল হক (৪৬) নামে একজনকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৬০০ পিস বুপ্রেনোরফাইন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি একটি মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ জব্দ করা হয়।রাত ১০টার দিকে মধুপুর থানা সংলগ্ন সেতুর ওপর এমডি সুপার পরিবহনের একটি বাসে অভিযান চালিয়ে প্রান্ত পাল (২০) নামে একজনকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৩৫ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার এবং একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। র্যাব জানায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে।গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধারকৃত আলামতসহ মধুপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে বাহিনীটি।
নেত্রকোণার দুর্গাপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে এক কিশোরীকে ভারতে পাচারের সময় কথিত পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় পাচারের শিকার হওয়া ওই কিশোরীকেও উদ্ধার করা হয়। শনিবার (৬ জুন) সকালে নেত্রকোণা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি) থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, বর্তমান সময়ে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশ-ইনের বিভিন্ন প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সকাল আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটের সময় নেত্রকোণা ব্যাটালিয়নের ভবানীপুর বিওপির একটি টহল দল সীমান্তের মেইন পিলার ১১৫৬/৮-এস এর নিকটবর্তী ফারংপাড়া গ্রামের বটতলা এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে আটক করে। আটককৃত ব্যাক্তি বাংলাদেশ থেকে এক কিশোরীকে ভারতে পাচারের চেষ্টা করছিলেন। আটককৃত ওই ব্যক্তির নাম সিলভার চাকমা (পিতা- মৃত এনফন্ট নকরেট), নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার ভরতপুর গ্রামের বাসিন্দা। উদ্ধার হওয়া কিশোরীর নাম রাত্রি সরকার (১৪)। তার বাড়িও দুর্গাপুর উপজেলার বরইগঞ্জ এলাকায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রাত্রি সরকারের অধিকাংশ আত্মীয়-স্বজন ভারতে বসবাস করেন। তাদের কাছে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি সিলভার চাকমার সহায়তা নেন। এ সময় অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করলে বিজিবির টহল দল তাদের আটক করে। আটক ব্যক্তি ও উদ্ধার হওয়া কিশোরীকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্গাপুর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নেত্রকোণা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী (পিএসসি) স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সীমান্ত এলাকায় মানবপাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবি ও স্থানীয়দের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহত্তর ময়মনসিংহের ১৮৬ বছরের পুরোনো কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরীর অবস্থান সুসঙ্গ দুর্গাপুরে। সুসঙ্গ পরগনার শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে সুসঙ্গ দুর্গাপুরের মহারাজা ভূপেন্দ্র চন্দ্র সিংহ শর্ম্মা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরী। পাঠাগারের কার্যক্রম কোন রকমে চললেও কালের বিবর্তনে পাঠাগারের জায়গা গুলো বে-দখল হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে দুর্গাপুর উপজেলার সর্বস্তরের জনগনের আয়োজনে প্রাচীণতম এই পাঠাগারের জায়গা উদ্ধারে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (০৭ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ঘন্টাব্যাপি এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার শত শত মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বে-দখল হওয়া জায়গা উদ্ধার এবং বাউন্ডারী ওয়াল নির্মান সহ পাঠাগারটি পুনঃ চালু করার জন্য গত ০৫ এপ্রিল উক্ত লাইব্রেরী পরিদর্শনে আসেন এবং পাঠাগারটিকে পুনরায় চালু করে এখানে স্থানীয় যুবকদের জন্য উদ্দ্যোগ নিয়েছেন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা- ১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। ইতোমধ্যে একটি বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে ১০ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন তিনি। এনিয়ে আদিবাসী নেত্রী বিশাকা রাংসা বলেন, বৃহত্তর ময়মনসিংহের অনেক আইনজীবী, জ্ঞানীগুনী, সাহিত্যিক সকলেই এই লাইব্রেরীতে আসতেন বই পড়তে। ঐতিহ্যবাহী লাইব্রেরিটি এখন অযত্ন অবহেলায় পরে থাকার কারনে স্থানীয় ভূমি খেকোরা পাঠাগারের অধিকাংশ জায়গা বে-দখল করে নিয়েছে। বাউন্ডারী দেয়াল না থাকায় অবকাঠামোগত ক্ষতি হচ্ছে। আসবাবপত্র, চাহিদা মোতাবেক বইক্রয় সহ পাঠাগারের আয়-বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয়া হলে অচিরেই হারিয়ে যাবে পাঠাগারটি। বেদখলকৃত জায়গা উদ্ধার করতে জোর দাবী জানাচ্ছি। কবি লোকান্ত শাওন বলেন, পাঠাগারকে বলা হয় শিক্ষার বাতিঘর। এই পাঠাগারটি যদি আবার সচল হয় তাহলে, স্থানীয় যুবসমাজ উপকৃত হবে। মাদক ছেড়ে বই হাতে নিবে। বাড়বে সাংস্কৃতিক চর্চা। দুর্গাপুর তথা কলমাকান্দা উপজেলার আদিবাসী সম্প্রদায় সহ সকল শ্রেনীপেশার হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হবে। সাহিত্যপাঠকদের কথা ভেবে নিভু নিভু অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকা পাঠারগারটিকে জাগিয়ে তুলতে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল যেভাবে এগিয়ে এসেছেন এর জন্য দুর্গাপুরবাসীর পক্ষ থেকে ওনাকে ধন্যবাদ জানাই। দুর্গাপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. মোহন মিয়া বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে পাঠাগারের বিকল্প নেই। জ্ঞান অর্জনের উৎস হলো বই। বর্তমান মানুষের চিন্তা, চেতনা, গবেষণা জমা হয়ে রয়েছে বইয়ের পাতায় পাতায়। আর বইয়ের সু-শৃঙ্খল সমাবেশ স্থানই হলো পাঠাগার। দুর্গাপুর উপজেলার ১৮৬বছর পুরনো কুমার পাবলিক দ্বীজেন্দ্র লাইব্রেরীর বেদখল হওয়া জায়গা উদ্ধার করে পাঠাগারের প্রাণ সঞ্চার করার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ সাদাত সাংবাদিকদের বলেন, আমি অত্র উপজেলায় সদ্য যোগ্যদান করেছি। এই পাঠাগারটি খুবই প্রাচীণতম, ইতোমধ্যে পাঠাগার পরিদর্শন করেছি এবং পরিচালনা কমিটির সদস্য, সাংবাদিক ও সুশিল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা করেছি। পাঠাগারের জায়গাও পুনরায় চিহ্নিত করা হয়েছে। এনিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), জেলা প্রশাসক ও মাননীয় ডেপুটি স্পীকার স্যারের সাথে কথা বলে জরুরী ভিত্তিতে বেদখল হওয়া জায়গা উদ্ধার করে লাইব্রেরী সচল করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সরাসরি দায়ী করেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স-এর বরাতে জানা গেছে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার-এর সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফোনালাপে আরাঘচি বলেন, চলমান সংকট শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর প্রভাব বিশ্বজুড়েও ছড়িয়ে পড়ছে। এ পরিস্থিতির জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নীতিকেই দায়ী করেন। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান তার সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় “সব ধরনের উপায়” অবলম্বন করতে প্রস্তুত এবং এ ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান অত্যন্ত দৃঢ়। অন্যদিকে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার চলমান সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি যুদ্ধরত পক্ষগুলোকে সামরিক উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি, এই লক্ষ্য অর্জনে সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন। এদিকে, পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অবস্থান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য সোমবার পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। অন্যথায় কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তবে তা বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
ওয়াশিংটন ডিসি থেকে প্রতিবেদন—ইরানের ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। মার্কিন সরকারের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, গত রাতে ওই ক্রু সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাকে উদ্ধারে একটি সক্রিয় অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। জানা গেছে, উদ্ধার অভিযানের সময় তুমুল গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ওই ক্রু সদস্য এখনও ইরানের ভেতরেই অবস্থান করছেন এবং চলমান সংঘাতের কারণে তার নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মার্কিন সামরিক সূত্র জানায়, ‘এয়ারম্যান’ শব্দটি ব্যবহার করা হলেও এটি কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গ নির্দেশ করে না। ফলে নিখোঁজ ওই ব্যক্তির লিঙ্গ এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। এদিকে, উদ্ধারকারী দল এখনো তাকে নিরাপদে ইরানের বাইরে নিয়ে যেতে পারেনি। অভিযানটি এখনও চলমান এবং এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারেনি যে উদ্ধার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে কিনা। পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে আন্তর্জাতিক মহলেও এ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিন-সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে প্রতিবেদনে সাংবাদিক Zein Basravi জানান, যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছিল—তাদের ওপর কোনো হামলা হলে তারা এটিকে একটি আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থে আঘাত হানবে। সেই হুঁশিয়ারির বাস্তব প্রতিফলন এখন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান ইতোমধ্যে জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত হেনেছে, বিভিন্ন বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে এবং একাধিক দেশের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। এসব পদক্ষেপে উপসাগরীয় অঞ্চলের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা হঠাৎ করেই স্থবির হয়ে পড়েছে। আজও Gulf Cooperation Council-ভুক্ত শহরগুলোতে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার তীব্রতা ইরানের সরাসরি আক্রমণের মতো না হলেও, এর ধারাবাহিকতা ও প্রভাব স্থানীয় জনগণের দৈনন্দিন জীবনে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে একটি বিষয় স্পষ্ট—যুদ্ধের আরও সম্প্রসারণ কোনো পক্ষের জন্যই ইতিবাচক নয়। কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি সামরিক অভিযান আরও জোরদার করে, তাহলে এর সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরানের পাল্টা হামলাও বাড়বে। এদিকে, ইরানের সামরিক বাহিনী Islamic Revolutionary Guard Corps দাবি করেছে, তাদের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, মার্কিন ঊর্ধ্বতন কমান্ডার ও প্রশিক্ষক, একটি ইসরায়েলি বাণিজ্যিক জাহাজ, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটির হিমার্স আর্টিলারি অবস্থান, বাহরাইনে প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন স্থাপনা। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান Oracle Corporation-এর একটি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যেখানে ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ভবনের কিছু অংশ ভেঙে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের এই ধারাবাহিক হামলা তাদের একটি সুস্পষ্ট কৌশলের অংশ, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর সাম্প্রতিক হুমকিকে কেন্দ্র করে। তিনি ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার একটি আল্টিমেটাম দিয়ে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে দেশটির ওপর ‘ভয়াবহ বিপর্যয়’ নেমে আসবে। সোমবার শেষ হতে যাওয়া এই সময়সীমা মূলত ট্রাম্পের ধারাবাহিক কঠোর অবস্থানেরই অংশ, যেখানে তিনি একের পর এক ডেডলাইন ঘোষণা করে আসছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের আল্টিমেটাম পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলছে এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথকে সংকুচিত করছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে সাম্প্রতিক সামরিক ঘটনাপ্রবাহে। গত কয়েকদিন ধরে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার হাতে ভূপাতিত হওয়া এক মার্কিন পাইলটের সন্ধান চলছে। তবে উদ্ধার অভিযান বাধাগ্রস্ত হয়েছে, কারণ অনুসন্ধান ও উদ্ধার কাজে নিয়োজিত দুটি হেলিকপ্টারও ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। যদিও ওই হেলিকপ্টারের ক্রুদের নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশল নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে, সম্প্রতি মোতায়েন করা বি-৫২ বোমারু বিমান নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে ওয়াশিংটনকে। ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছিল, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যত অকার্যকর হয়ে গেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনায় সেই দাবির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, তেমনি কূটনৈতিক সমাধানের পথও ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। হরমুজ প্রণালী, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট, সেটিকে ঘিরে উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারেও এর বড় প্রভাব পড়তে পারে। সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের নতুন আল্টিমেটাম মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতিকে আরও ঘনীভূত করেছে, আর বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে—এই সময়সীমা শেষ হলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”