জামালপুরে জ্বালানি তেল বিক্রয় তদারকিতে অভিযান, খোলা ডিজেল বিক্রিতে জরিমানা , ২৩ মার্চ ২০২৬ জামালপুর সদর উপজেলা জ্বালানি তেলের মজুদ, বিক্রয় পরিস্থিতি ও সরকারি নির্দেশনা প্রতিপালন নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে প্রশাসন। সোমবার (২৩ মার্চ) পরিচালিত এ অভিযানে একটি ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন এবং অবৈধভাবে খোলা ডিজেল বিক্রির দায়ে এক ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে উপজেলার মেসার্স মুমু মিথি ফিলিং স্টেশনে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের বিদ্যমান মজুদ সরেজমিনে যাচাই করা হয়। এ সময় জ্বালানি তেলের বিক্রয় কার্যক্রম, মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) কর্তৃক প্রণীত নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্টেশন কর্তৃপক্ষকে নিয়মনীতি মেনে ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।পরে দরিপাড়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে লাল মিয়া নামীয় এক ব্যক্তিকে খোলা অবস্থায় অবৈধভাবে ডিজেল তেল বিক্রয় করতে দেখা যায়। এ অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা আদায় করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়। অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অনিয়মিত বিক্রয় রোধে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেননিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকলে জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং ভোক্তারা ন্যায্য দামে জ্বালানি পেতে সক্ষম
সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল জেলাতেও ফিলিং স্টেশনগুলো হঠাৎ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলো ২৩ মার্চ ২০২৬সোমবার—সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলা-এর ফিলিং স্টেশনগুলোতে বিরাজ করছে এক অস্বাভাবিক নীরবতা যেন কোলাহলপূর্ণ স্থানগুলো মুহূর্তেই পরিণত হয়েছে ভুতুড়ে পরিবেশে। সকাল থেকে বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে শত শতমোটরসাইকেল চালক ও অন্যান্য যানবাহনের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও আশানুরূপ জ্বালানি না পেয়ে অনেকেই হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এতে করে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল না পাওয়ায় তাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। কেউ কেউ খালি হাতে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার কেউ জরুরি কাজেও যেতে পারছেন না।ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা কোনো ধরনের জ্বালানি মজুদ করেননি। ডিপো থেকে সীমিত সরবরাহ পাওয়ায় দ্রুতই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। তবে সরবরাহ পাওয়া মাত্রই গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তারা জানান।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলা প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর-এর সমন্বয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে দফায় দফায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, অতি শীঘ্রই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেও যেখানে পেট্রোল পাম্পগুলো ছিল কোলাহলপূর্ণ ও উৎসবমুখর, সেখানে এখন বিরাজ করছে নিস্তব্ধতা। সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই, তবুও মাঠপর্যায়ের এই চিত্র সাধারণ মানুষের মধ্যে সৃষ্টি করছে হতাশা ও ক্ষোভ। বিশেষ করে ঈদুল ফিতর সামনে রেখে যখন মানুষের মধ্যে থাকার কথা আনন্দ ও উৎসবের আমেজ তখন জ্বালানি সংকটের এই বাস্তবতা অনেকের জন্য সেই আনন্দকে বিষাদে পরিণত করেছে। হাজারো মানুষ পড়েছেন অনিশ্চয়তার মধ্যে—দেখার যেন কেউ নেই, বলারও নেই দেশ যেন চোখের সামনে জ্বালানি সংকটে সম্পূর্ণ অচল হয়ে যাচ্ছে এই দায়ভার কার কে নিবে জানতে চায় দেশের জনগণ!!
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশকে সামনে রেখে একটি সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, দুর্গাপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদী, পাহাড়ঘেরা জনপদ এবং পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এ অঞ্চলকে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করা সম্ভব। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলার মতো কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, দুর্যোগে ভবন ধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। তাই জনগণের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে নদী ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রেখে বিজ্ঞানভিত্তিক ও বৈধ উপায়ে বালু উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হবে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা পাবে, অন্যদিকে তেমনি অর্থনৈতিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে। তিনি আরও বলেন, দুর্গাপুরের অপার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে কুল্লাগড়া, দুর্গাপুর সদর, লেংগুরা, খারনৈ এবং রংছাতি—এই পাঁচটি ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে একটি আধুনিক ‘ট্যুরিজম হাব’ বা পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, পরিবহন খাত, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসা এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র-বৃহৎ ব্যবসায়ীরা এর মাধ্যমে সরাসরি উপকৃত হবেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা দুর্গাপুরের নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এ অঞ্চলে আসবেন। এর ফলে দুর্গাপুরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে। একই সঙ্গে আধুনিক হাসপাতাল, উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, আবাসন সুবিধা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক নাগরিক সেবারও প্রসার ঘটবে। ফলে দুর্গাপুর শুধু একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবেই নয়, বরং একটি আধুনিক, সম্ভাবনাময় ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে উঠবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুখময় সরকার, পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফরোজা আফসানা এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবক ড. দিবালোক সিংহ। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্বপালনকারী গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সবার উপস্থিতিতে দুর্গাপুরের সম্ভাবনা, পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন এবং পর্যটন খাতের বিস্তার নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। স্থানীয়দের মতে, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে দুর্গাপুরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন খাতকে বিকশিত করা গেলে এই অঞ্চল শুধু নেত্রকোনাতেই নয়, সারাদেশের কাছে একটি অনন্য মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
টাঙ্গাইল বিসিকে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা গুরুতর আহত এক ব্যক্তি টাঙ্গাইল জেলার বিসিক শিল্প এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। রবিবার (২২ মার্চ) জেলার তারুটিয়া এলাকায় হঠাৎ করেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায় একটি দ্রুতগামী মোটরসাইকেল ও একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের তীব্রতায় মোটরসাইকেল আরোহী মারাত্মকভাবে আহত হন। দুর্ঘটনার পরপরই সিএনজি চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহত ব্যক্তির অবস্থা আশঙ্কাজনক।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তার পরিবারের সন্ধান পেতে স্থানীয়রা সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন। আহত ব্যক্তির সঙ্গে থাকা একজন সহায়তাকারীর মোবাইল নম্বর ০১৭৩৩-১৩৬৪৭৬ উল্লেখ করে দ্রুত যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানা গেছে।
জামালপুরে জ্বালানি তেল বিক্রয় তদারকিতে অভিযান, খোলা ডিজেল বিক্রিতে জরিমানা , ২৩ মার্চ ২০২৬ জামালপুর সদর উপজেলা জ্বালানি তেলের মজুদ, বিক্রয় পরিস্থিতি ও সরকারি নির্দেশনা প্রতিপালন নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে প্রশাসন। সোমবার (২৩ মার্চ) পরিচালিত এ অভিযানে একটি ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন এবং অবৈধভাবে খোলা ডিজেল বিক্রির দায়ে এক ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে উপজেলার মেসার্স মুমু মিথি ফিলিং স্টেশনে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের বিদ্যমান মজুদ সরেজমিনে যাচাই করা হয়। এ সময় জ্বালানি তেলের বিক্রয় কার্যক্রম, মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) কর্তৃক প্রণীত নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্টেশন কর্তৃপক্ষকে নিয়মনীতি মেনে ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।পরে দরিপাড়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে লাল মিয়া নামীয় এক ব্যক্তিকে খোলা অবস্থায় অবৈধভাবে ডিজেল তেল বিক্রয় করতে দেখা যায়। এ অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা আদায় করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়। অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অনিয়মিত বিক্রয় রোধে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেননিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকলে জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং ভোক্তারা ন্যায্য দামে জ্বালানি পেতে সক্ষম
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে আপনার জ্ঞান চর্চার নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
জামালপুরে জ্বালানি তেল বিক্রয় তদারকিতে অভিযান, খোলা ডিজেল বিক্রিতে জরিমানা , ২৩ মার্চ ২০২৬ জামালপুর সদর উপজেলা জ্বালানি তেলের মজুদ, বিক্রয় পরিস্থিতি ও সরকারি নির্দেশনা প্রতিপালন নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে প্রশাসন। সোমবার (২৩ মার্চ) পরিচালিত এ অভিযানে একটি ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন এবং অবৈধভাবে খোলা ডিজেল বিক্রির দায়ে এক ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে উপজেলার মেসার্স মুমু মিথি ফিলিং স্টেশনে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের বিদ্যমান মজুদ সরেজমিনে যাচাই করা হয়। এ সময় জ্বালানি তেলের বিক্রয় কার্যক্রম, মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) কর্তৃক প্রণীত নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্টেশন কর্তৃপক্ষকে নিয়মনীতি মেনে ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।পরে দরিপাড়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে লাল মিয়া নামীয় এক ব্যক্তিকে খোলা অবস্থায় অবৈধভাবে ডিজেল তেল বিক্রয় করতে দেখা যায়। এ অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা আদায় করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়। অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অনিয়মিত বিক্রয় রোধে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেননিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকলে জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং ভোক্তারা ন্যায্য দামে জ্বালানি পেতে সক্ষম
সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল জেলাতেও ফিলিং স্টেশনগুলো হঠাৎ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলো ২৩ মার্চ ২০২৬সোমবার—সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলা-এর ফিলিং স্টেশনগুলোতে বিরাজ করছে এক অস্বাভাবিক নীরবতা যেন কোলাহলপূর্ণ স্থানগুলো মুহূর্তেই পরিণত হয়েছে ভুতুড়ে পরিবেশে। সকাল থেকে বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে শত শতমোটরসাইকেল চালক ও অন্যান্য যানবাহনের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও আশানুরূপ জ্বালানি না পেয়ে অনেকেই হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এতে করে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল না পাওয়ায় তাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। কেউ কেউ খালি হাতে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার কেউ জরুরি কাজেও যেতে পারছেন না।ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা কোনো ধরনের জ্বালানি মজুদ করেননি। ডিপো থেকে সীমিত সরবরাহ পাওয়ায় দ্রুতই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। তবে সরবরাহ পাওয়া মাত্রই গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তারা জানান।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলা প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর-এর সমন্বয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে দফায় দফায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, অতি শীঘ্রই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেও যেখানে পেট্রোল পাম্পগুলো ছিল কোলাহলপূর্ণ ও উৎসবমুখর, সেখানে এখন বিরাজ করছে নিস্তব্ধতা। সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই, তবুও মাঠপর্যায়ের এই চিত্র সাধারণ মানুষের মধ্যে সৃষ্টি করছে হতাশা ও ক্ষোভ। বিশেষ করে ঈদুল ফিতর সামনে রেখে যখন মানুষের মধ্যে থাকার কথা আনন্দ ও উৎসবের আমেজ তখন জ্বালানি সংকটের এই বাস্তবতা অনেকের জন্য সেই আনন্দকে বিষাদে পরিণত করেছে। হাজারো মানুষ পড়েছেন অনিশ্চয়তার মধ্যে—দেখার যেন কেউ নেই, বলারও নেই দেশ যেন চোখের সামনে জ্বালানি সংকটে সম্পূর্ণ অচল হয়ে যাচ্ছে এই দায়ভার কার কে নিবে জানতে চায় দেশের জনগণ!!
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশকে সামনে রেখে একটি সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, দুর্গাপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদী, পাহাড়ঘেরা জনপদ এবং পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এ অঞ্চলকে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করা সম্ভব। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলার মতো কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, দুর্যোগে ভবন ধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। তাই জনগণের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে নদী ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রেখে বিজ্ঞানভিত্তিক ও বৈধ উপায়ে বালু উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হবে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা পাবে, অন্যদিকে তেমনি অর্থনৈতিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে। তিনি আরও বলেন, দুর্গাপুরের অপার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে কুল্লাগড়া, দুর্গাপুর সদর, লেংগুরা, খারনৈ এবং রংছাতি—এই পাঁচটি ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে একটি আধুনিক ‘ট্যুরিজম হাব’ বা পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, পরিবহন খাত, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসা এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র-বৃহৎ ব্যবসায়ীরা এর মাধ্যমে সরাসরি উপকৃত হবেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা দুর্গাপুরের নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এ অঞ্চলে আসবেন। এর ফলে দুর্গাপুরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে। একই সঙ্গে আধুনিক হাসপাতাল, উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, আবাসন সুবিধা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক নাগরিক সেবারও প্রসার ঘটবে। ফলে দুর্গাপুর শুধু একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবেই নয়, বরং একটি আধুনিক, সম্ভাবনাময় ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে উঠবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুখময় সরকার, পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফরোজা আফসানা এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবক ড. দিবালোক সিংহ। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্বপালনকারী গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সবার উপস্থিতিতে দুর্গাপুরের সম্ভাবনা, পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন এবং পর্যটন খাতের বিস্তার নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। স্থানীয়দের মতে, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে দুর্গাপুরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন খাতকে বিকশিত করা গেলে এই অঞ্চল শুধু নেত্রকোনাতেই নয়, সারাদেশের কাছে একটি অনন্য মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
গোপালপুরে ৪৩ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় সৌদি সরকারের উপহার খেজুর বিতরণ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় সৌদি আরব সরকারের উপহার হিসেবে প্রাপ্ত খেজুর উপজেলার ৪৩টি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে। পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে এসব খেজুর বিতরণ করা হয়।সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে গোপালপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রধানদের হাতে খেজুর তুলে দেওয়া হয়। সৌদি সরকারের পাঠানো মোট ২০ কার্টুন খেজুর (প্রায় ১৬০ কেজি) বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন,সৌদি আরব সরকার প্রতিবছর বাংলাদেশের ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এতিমখানাগুলোর পাশে দাঁড়াচ্ছে। এই সহায়তা রমজানের পবিত্রতা ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করে।”বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন এ ধরনের সহযোগিতা দরিদ্র ও এতিম শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।”অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান, গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলামসহ উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও শিক্ষকবৃন্দ এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা মাদ্রাসা প্রধানদের হাতে খেজুর তুলে দেন। খেজুর পেয়ে মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিনিধিরা সৌদি সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
হাঁটতে গেলে লাঠি ? বসতে গেলে ব্যথা ! ট্রাম্প এখন বসেন না যথা-তথা..., কী হাল স্বাস্থ্যের ?
আচ্ছে দিন অতীত', দুর্দিনের আশঙ্কা করছেন মোদি ? গ্রীষ্মকালটাই চ্যালেঞ্জ
'বেরোবার পথ নেই, ইরান যুদ্ধে ফেঁসে গেছেন ট্রাম্প ! আরও শক্তিশালী ইরান' এবার নিজের দেশেই তুলোধনা
শেয়ার বাজারে হাহাকার ! একদিনেই উধাও ১৪ লাখ কোটি টাকা, সব বেচে দেবেন ?
হু হু করে দাম পড়ছে দেখেই সোনা কিনছেন ? এই ৭ বিষয়ে না জানলে মারাত্মক ভুল করছেন !
আজ শেয়ার বাজারে হবে তোলপাড় ! RailTel থেকে Tata Capital এই সব স্টকে বড় খবর, কোনটা নেবেন ?
মারাত্মক ভুল করবেন ! ২০% পর্যন্ত পড়তে পারে IOC, BPCL, HPCL-এর শেয়ার, বলছে বিশেষজ্ঞরা
ভারতীয় সেনার গতিবিধিতে LIVE নজরদারি, CCTV বসিয়েছিল নাবালক ও মহিলা ! ভিডিয়ো পিছু পেত ১০ হাজার