আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: নড়াইলে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নড়াইল জেলায় গ্রহণ করা হয়েছে কঠোর ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে জেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন নড়াইলের পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার।১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় গড়ে তোলা হয়েছে শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয়। ভোটের আগের রাতে পুলিশ সুপার স্বয়ং মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে কেন্দ্রগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন কেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য, আনসার ও গ্রাম পুলিশ, মোবাইল টিম এবং স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ সতর্কতা,পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।পুলিশ সুপার বলেন,নির্বাচনকে ঘিরে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং সাধারণ ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন সে বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল সালাম,আর্মি ক্যাম্প নড়াইলের লেঃ কর্নেল (সিও) মোঃ মাসুদ রানা, বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল খন্দকার আবু সহল আব্দুল্লা,জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আব্দুস ছালেক,জেলা কমান্ড্যান্ট (আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী) মোঃ আল-আমিন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ কামরুজ্জামানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রস্তুতি ও সক্রিয় তৎপরতায় নড়াইলে একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে টাঙ্গাইলে র্যাবের বিশেষ টহল ও রোবাস্ট পেট্রোল জোরদার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলায় ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করেছে র্যাব-১৪। জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, নোডাল পয়েন্ট ও সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ টহল ও রোবাস্ট পেট্রোল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনায় সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইলের একাধিক বিশেষ টহল দল মাঠে কাজ করছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধ এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।জানা গেছে, টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। রাবনা বাইপাস,আশেকপুর বাইপাস,ঘারিন্দা বাইপাস,করটিয়া বাইপাস,পাকুল্ল্যা বাইপাস,মির্জাপুর বাইপাস, বাসাইল বাইপাসসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও বাহিরমুখে রোবাস্ট পেট্রোল পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন থানা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ টহল জোরদার করা হয়েছে।র্যাব সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের নাশকতা, ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড কিংবা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে। এ লক্ষ্যে র্যাবের টহল টিম রোবাস্ট পেট্রোল টিম ও গোয়েন্দা ইউনিট সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে। সন্দেহজনক চলাচল, অবৈধ সমাবেশ কিংবা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। র্যাব ফোর্সেসের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কেউ যাতে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বাহিনীটি। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং সাধারণ ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এদিকে মধুপুর এলাকায় নির্বাচন ডিউটি উপলক্ষে একটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করেছে র্যাব। সেখান থেকেও টহল ও নজরদারি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নির্বাচনের আগে ও ভোটগ্রহণের দিন বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় এ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।র্যাব-১৪,টাঙ্গাইল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক ও সহিংসতামুক্ত রাখতে তাদের অভিযান ও টহল কার্যক্রম নির্বাচনকালীন পুরো সময়জুড়ে অব্যাহত থাকবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও চোরাচালান প্রতিরোধে তৎপরতা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এরই ধারাবাহিকতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর অধীন মাসুদপুর বিওপির টহলদলের অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দের বিষয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিজিবির মহাপরিচালকের নির্দেশনায় সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে মাসুদপুর বিওপির একটি চৌকস টহলদল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন মনাকষা ইউনিয়নের ঠুঠাপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। সীমান্ত থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পরিচালিত ওই অভিযানে ০২টি বিদেশি পিস্তল, ০৪টি ম্যাগজিন ও ০৩ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। তিনি আরও জানান, সাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ কর্তৃক ৩৪টি পিস্তল, ০২টি রাইফেল, ৩৮টি ম্যাগজিন, ৬৪৫ রাউন্ড গুলি, ০২টি মর্টার শেল, ০১টি ককটেল, ০৪টি হ্যান্ড গ্রেনেড, ২০ কেজি গান পাউডারসহ মোট ৫৪টি বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) কর্তৃক ০১ জন আসামিসহ ৯.৩ কেজি বিস্ফোরক, ০৬টি বিদেশি পিস্তল, ১৩টি ম্যাগজিন ও ২৯ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়েছে। বিজিবি জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দুষ্কৃতকারীরা যাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বড় ধরনের নাশকতার পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ চোরাচালান রোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিতকরণসহ সব ধরনের চোরাচালান ও অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে সীমান্ত এলাকায় টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।”
পৃথক অভিযানে হত্যা মামলার ৩ আসামিসহ ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার সিপিসি-৩ র্যাব-১৪ টাঙ্গাইল কর্তৃক পৃথক পৃথক অভিযানে একটি হত্যা মামলার তিনজন এজাহারনামীয় আসামি এবং একটি ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।মামলার বিবরণে জানা যায় নিহত কোরপান আলী (৭০) তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে একই গ্রামে পাশাপাশি বসবাস করতেন। নিহতের স্ত্রী মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. কোরপান আলী ও তার স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে স্ত্রী মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় বাড়ির বাইরে কাঁচা রাস্তায় অবস্থান নেন। আনুমানিক বিকাল ৫টার দিকে কোরপান আলী তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে গেলে বিবাদীগণ তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।পরবর্তীতে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে গত ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোঃ মিজানুর রহমান (২২) বাদী হয়ে সখিপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১৫(০১)২৫ তারিখ-২৫/০১/২০২৬ খ্রি.ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড)।মামলাটি রুজুর পর তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে র্যাব-১৪ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্প গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।এরই ধারাবাহিকতায় ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি.সকাল ১০:৪০ ঘটিকায় টাঙ্গাইল সদর থানাধীন ছোট কালিবাড়ি বিশ্বাস বেতকা এলাকা থেকে ৪নং আসামি রাসেল মিয়া (৩৭),দুপুর ১২:৫০ ঘটিকায় টাঙ্গাইল সদর থানাধীন করোটিয়া এলাকা থেকে ৫নং আসামি মর্জিনা বেগম (৩২)এবংএকই দিন বিকাল ৩:২০ ঘটিকায় গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানাধীন মাওনা চকপাড়া এলাকা থেকে এজাহারনামীয় ১নং আসামি মোহাম্মদ আলী (৬০)কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব।মামলার বিবরণে জানা যায়,ধৃত আসামি মিলন (৩৫) অন্যান্য সহযোগীদের সহায়তায় ভিকটিমের নগ্ন ছবি ও ভিডিও কৌশলে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বিভিন্ন সময়ে এক লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করে। একই সঙ্গে ভিকটিমকে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোনে নিয়মিত হুমকি প্রদান করতে থাকে।গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খ্রি. সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে ভিকটিম তার সন্তানদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়ার পথে আসামি মিলন ও তার সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে গিয়ে ছুরি দিয়ে হত্যার হুমকি প্রদর্শন করে শারীরিক নির্যাতনের মাধ্যমে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং পুরো ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করে।পরবর্তীতে ভিডিওটি ব্যবহার করে ভিকটিমকে পুনরায় ধর্ষণ ও হয়রানির হুমকি দেওয়া হলে ভিকটিম বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-৩৮(১০)২৫, তারিখ-১৮/১০/২০২৫ খ্রি.; ধারা- ৮(১)/৮(২) পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২; নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(১)/৯(৪)(খ); তৎসহ ৩২৩/৩০৭ পেনাল কোড)।মামলাটি রুজুর পর ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. রাত ৩:০০ ঘটিকায় র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্প টাঙ্গাইল সদর থানাধীন গালুটিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মিলন (৩৫) কে গ্রেফতার করে।গ্রেফতারকৃত সকল আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: নড়াইলে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নড়াইল জেলায় গ্রহণ করা হয়েছে কঠোর ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে জেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন নড়াইলের পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার।১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় গড়ে তোলা হয়েছে শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয়। ভোটের আগের রাতে পুলিশ সুপার স্বয়ং মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে কেন্দ্রগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন কেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য, আনসার ও গ্রাম পুলিশ, মোবাইল টিম এবং স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ সতর্কতা,পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।পুলিশ সুপার বলেন,নির্বাচনকে ঘিরে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং সাধারণ ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন সে বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল সালাম,আর্মি ক্যাম্প নড়াইলের লেঃ কর্নেল (সিও) মোঃ মাসুদ রানা, বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল খন্দকার আবু সহল আব্দুল্লা,জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আব্দুস ছালেক,জেলা কমান্ড্যান্ট (আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী) মোঃ আল-আমিন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ কামরুজ্জামানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রস্তুতি ও সক্রিয় তৎপরতায় নড়াইলে একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
৪৬তম বিসিএসে শিক্ষাক্যাডারে দেশসেরা শিপন রানাঅধ্যবসায়ত্যাগ ও বিশ্বাসে গড়া অনন্য সাফল্যের গল্প বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) প্রকাশিত ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষার ফলাফলে শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম স্থান অর্জন করে দেশব্যাপী গৌরবের নজির গড়েছেন শিপন রানা। টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার এই কৃতি সন্তান শিক্ষা ক্যাডারে সর্বোচ্চ মেধার স্বাক্ষর রেখে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। শিপন রানা ঘাটাইল উপজেলার চান্দশী গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. মজিবুর রহমানের সন্তান। শৈশব থেকেই মেধা ও শৃঙ্খলার পরিচয় দেওয়া শিপন কুশারিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। এইচএসসি পরীক্ষায় তিনি বোর্ড বৃত্তি অর্জন করেন, যা তার মেধার প্রাথমিক প্রমাণ বহন করে।উচ্চশিক্ষায় তিনি ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন (ফিলোসফি) বিভাগে। সেখান থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি বিসিএসকে জীবনের লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করেন। জানা গেছে, স্নাতকোত্তর পরীক্ষার সময়ও তিনি বিসিএস প্রস্তুতিতে প্রতিদিন ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন অধ্যয়ন চালিয়ে যান।গত তিন থেকে চার বছর ছিল তার জীবনের সবচেয়ে সংযমী ও কঠিন সময়। বিনোদন, সামাজিক আড্ডা এমনকি খেলাধুলা থেকেও নিজেকে দূরে রাখেন তিনি। মোবাইল ফোন ব্যবহার সীমিত করে পড়াশোনায় পুরো মনোযোগ দেন। ঈদের ছুটিতেও পরিবারে না গিয়ে হলে অবস্থান করে প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার ঘটনা তার দৃঢ় প্রত্যয়েরই প্রমাণ। ২০২৫ সালের জুন মাসে গোপালপুর উপজেলার ব্যবসায়ী মো.মোফাজ্জল হোসেন (বাবলু)-এর কন্যা ইশরাত নাদিয়া মীমের সঙ্গে শিপন রানার বিবাহ সম্পন্ন হয়। মীম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার কারণে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ও সময়সূচি পিছিয়ে দিতে হয় বলে জানা গেছে।শিপন রানা জানান,তার সাফল্যের পেছনে স্ত্রীর অবদান ছিল অসামান্য। প্রস্তুতির পুরো সময়ে মানসিক সমর্থন অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনা দিয়ে পাশে থেকেছেন ইশরাত নাদিয়া মীম। পরিকল্পিত পড়াশোনা ও ভাইভা প্রস্তুতিতেও তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখেন।ধর্মীয় অনুশাসনের বিষয়ে শিপন রানা নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় ও তাহাজ্জুদে অভ্যস্ত। তিনি বলেন,এই সাফল্য একান্তই মহান আল্লাহর রহমত। বাবা-মা,স্ত্রী,শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীদের দোয়া ও সহযোগিতা ছাড়া এ অর্জন সম্ভব হতো না। শিপন রানার এই গৌরবজনক সাফল্যে ঘাটাইলসহ পুরো টাঙ্গাইল জেলায় আনন্দ ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ি-১৪১) সংসদীয় আসনের নির্বাচনী মাঠে ধানের শীষের প্রার্থী জনাব ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম সক্রিয়ভাবে ভোটারদের সাথে সংযোগ স্থাপন করে চলেছেন। সরিষাবাড়ির প্রতিটি গ্রামে তিনি ভোটারদের কাছে পৌঁছে তাদের হৃদয় জয় করেছেন। জনাব শামীম নির্বাচনী প্রচারণার সময় বলেন, "আমার লক্ষ্য সরিষাবাড়িকে শাসক নয়, সেবক হিসাবে আধুনিক ও উন্নত শহরে পরিণত করা।" তিনি সাধারণ জনগণকে কেবলই নয়, আসনের সকল নির্বাচনী প্রার্থীদের সঙ্গে হাত মেলিয়ে কাজ করারও অঙ্গীকার করেছেন। তিনি এবং তার সমর্থকরা এই শপথবাক্য ঘোষণা করেছেন: ১২ তারিখের পর সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা হবে। নতুন, সমৃদ্ধ ও ন্যায়বিচারভিত্তিক দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি। ভেদাভেদ নয়, হিংসা নয়, আমাদের শক্তি হবে ঐক্য। সকলের প্রচেষ্টায় পথ হবে উন্নয়ন। ন্যায় ও ইনছাবভিত্তিক সমাজ গড়ার চেষ্টা। জামালপুরের মধ্যে সরিষাবাড়িকে উন্নয়নের সর্বোচ্চ শীর্ষে পৌঁছানোর প্রত্যয়। সরিষাবাড়ির সাধারণ জনগণ জানিয়েছেন, জনাব শামীম তাদের কাছে এক নয়নের মনি হয়ে উঠেছেন। তার উদার মানবতা এবং সেবামূলক মনোভাবের কারণে জনগণ তাকে গভীর শ্রদ্ধা ও সমর্থন প্রদান করছেন। অনেক ভোটার আশা প্রকাশ করেছেন, তার নেতৃত্বে সরিষাবাড়ি দেশের উন্নয়নের একটি রোল মডেল হয়ে উঠবে।
ঘরে ঘরে জনে জনে মানবতার দীপ জ্বালাচ্ছেন কায়সার কামাল-জনকল্যাণের বার্তা নিয়ে তৃণমূলে ছুটে চলেছে উপজেলা যুবদল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর রাজনীতিকে মূল দর্শন হিসেবে সামনে রেখে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল—কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিবের সুদৃঢ় নির্দেশনায় নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা গাওকান্দিয়া ইউনিয়নে বিভিন্ন এলাকায় উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে চলছে ব্যাপক গণসংযোগ ও জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম। ঘরে ঘরে, জনে জনে—এই মানবিক ও হৃদয়ছোঁয়া স্লোগানকে ধারণ করে যুবদলের নেতাকর্মীরা প্রত্যেকটি ওয়ার্ড ও মহল্লায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। এ সময় তারা ব্যারিস্টার কায়সার কামালের মানবিক, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড তৃণমূল মানুষের সামনে তুলে ধরছেন। রাজনীতির সীমা ছাড়িয়ে একজন মানবদরদী অভিভাবক হিসেবে তিনি যে নিরবচ্ছিন্নভাবে মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে কাজ করে যাচ্ছেন—তা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। গণসংযোগকালে বিশেষভাবে তুলে ধরা হচ্ছে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের বহুমাত্রিক জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ। এর মধ্যে রয়েছে— সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা,ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প,হৃদরোগে আক্রান্ত অসহায় রোগীদের জন্য হার্টের চিকিৎসা ও চিকিৎসা সহায়তা, কিডনি রোগে আক্রান্ত দরিদ্র রোগীদের সহায়তা, হাজারেরও বেশি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের সফল চোখের অপারেশন, গৃহহীন ও অসহায় পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণ, গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কাঠের সেতু নির্মাণসহ নানা মানবিক ও উন্নয়নমূলক কাজ। এছাড়াও কৃষকবান্ধব কর্মসূচির অংশ হিসেবে কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালুর উদ্যোগ এবং নারীর ক্ষমতায়ন ও পারিবারিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহিলাদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড প্রবর্তনের পরিকল্পনার বিষয়টিও প্রচারণায় গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা এবং নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুরক্ষা জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।এই গণসংযোগ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন উপজেলা যুবদলের নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মোঃ হান্নান শাহ, মাহামুদুল হক সানি, কামরুল ইসলাম, বাদশা মিয়া ও রনি। পাশাপাশি গাওকান্দিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সার্বিক সহযোগিতায় আহ্বায়ক মোঃ ইমরান হোসেন সেলিম, যুগ্ম আহ্বায়ক তূষার ইমরান প্রান্ত, ইলিয়াস হোসেন,সিদ্দিক, নিজাম, তূষার, শামীম, শাকিল, জলিল, আলম, জবেদ এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা নিরলসভাবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। যুবদল নেতারা বলেন,ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন—তিনি মানবতার প্রতীক। কৃষক, শ্রমজীবী, অসহায় রোগী ও নারীদের উন্নয়ন নিশ্চিত করাই তার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। মানুষের দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে একটি ন্যায্য ও মানবিক সমাজ গড়ার বার্তা তৃণমূল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতেই এই প্রচার কার্যক্রম।
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকায় এক ১৩ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে তিন দিন ধরে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে জয় কুমার দাস ও লোকনাথ চন্দ্র দাশকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ভুক্তভোগীর পরিবার জানিয়েছে, অভিযুক্তরা মেয়েটিকে মেলায় ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ফুঁসলিয়ে অপহরণ করে এবং একটি বাসায় আটকে রেখে তিন দিন ধরে যৌন নির্যাতন চালায়। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা অপরাধ স্বীকার করেছে। মামলার তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশে শিশু ও নারীর প্রতি সহিংসতা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, সিলেট, পঞ্চগড়সহ বিভিন্ন এলাকায় নাবালিকা ও শিশু ধর্ষণ ও অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী পরিবার সামাজিক চাপ বা হুমকির কারণে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মানবাধিকার ও শিশু অধিকার সংস্থাগুলো বলছে, অপরাধীদের দ্রুত বিচার, ভুক্তভোগী শিশুদের মানসিক ও আইনি সহায়তা, এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন। তারা গণমাধ্যমকেও আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে উৎসাহিত করছে, যাতে এই ধরনের অপরাধের খবর দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছায়। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্তরা যেন সর্বোচ্চ শাস্তি পান এবং এই ধরনের অপরাধ প্রতিহত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের মাননীয় হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম, দেশটিতে অবস্থিত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াহিয়া হাসান আলকাহতানির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে দুই রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ, সৌদি আরব ও মালদ্বীপের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। তারা পরিবহন, আবাসন, স্বাস্থ্য, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, জনকূটনীতি ও অবকাঠামো উন্নয়নের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন। হাইকমিশনার ড. নাজমুল ইসলাম মালদ্বীপ ও সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের পরিশ্রম, দক্ষতা ও সততার প্রশংসা করে বলেন, “তারা বাংলাদেশের গর্ব।” জবাবে রাষ্ট্রদূত আলকাহতানি সৌদি আরবের উন্নয়নে বাংলাদেশের অবদান এবং প্রবাসীদের ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আলোচনার শেষে দুই পক্ষ ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের বন্ধন আরও মজবুত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: নড়াইলে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নড়াইল জেলায় গ্রহণ করা হয়েছে কঠোর ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে জেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন নড়াইলের পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার।১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় গড়ে তোলা হয়েছে শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয়। ভোটের আগের রাতে পুলিশ সুপার স্বয়ং মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে কেন্দ্রগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন কেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য, আনসার ও গ্রাম পুলিশ, মোবাইল টিম এবং স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ সতর্কতা,পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।পুলিশ সুপার বলেন,নির্বাচনকে ঘিরে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং সাধারণ ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন সে বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল সালাম,আর্মি ক্যাম্প নড়াইলের লেঃ কর্নেল (সিও) মোঃ মাসুদ রানা, বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল খন্দকার আবু সহল আব্দুল্লা,জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আব্দুস ছালেক,জেলা কমান্ড্যান্ট (আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী) মোঃ আল-আমিন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ কামরুজ্জামানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রস্তুতি ও সক্রিয় তৎপরতায় নড়াইলে একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে টাঙ্গাইলে র্যাবের বিশেষ টহল ও রোবাস্ট পেট্রোল জোরদার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলায় ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করেছে র্যাব-১৪। জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, নোডাল পয়েন্ট ও সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ টহল ও রোবাস্ট পেট্রোল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনায় সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইলের একাধিক বিশেষ টহল দল মাঠে কাজ করছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধ এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।জানা গেছে, টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। রাবনা বাইপাস,আশেকপুর বাইপাস,ঘারিন্দা বাইপাস,করটিয়া বাইপাস,পাকুল্ল্যা বাইপাস,মির্জাপুর বাইপাস, বাসাইল বাইপাসসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও বাহিরমুখে রোবাস্ট পেট্রোল পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন থানা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ টহল জোরদার করা হয়েছে।র্যাব সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের নাশকতা, ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড কিংবা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে। এ লক্ষ্যে র্যাবের টহল টিম রোবাস্ট পেট্রোল টিম ও গোয়েন্দা ইউনিট সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে। সন্দেহজনক চলাচল, অবৈধ সমাবেশ কিংবা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। র্যাব ফোর্সেসের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কেউ যাতে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বাহিনীটি। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং সাধারণ ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এদিকে মধুপুর এলাকায় নির্বাচন ডিউটি উপলক্ষে একটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করেছে র্যাব। সেখান থেকেও টহল ও নজরদারি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নির্বাচনের আগে ও ভোটগ্রহণের দিন বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় এ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।র্যাব-১৪,টাঙ্গাইল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক ও সহিংসতামুক্ত রাখতে তাদের অভিযান ও টহল কার্যক্রম নির্বাচনকালীন পুরো সময়জুড়ে অব্যাহত থাকবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও চোরাচালান প্রতিরোধে তৎপরতা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এরই ধারাবাহিকতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর অধীন মাসুদপুর বিওপির টহলদলের অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দের বিষয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিজিবির মহাপরিচালকের নির্দেশনায় সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে মাসুদপুর বিওপির একটি চৌকস টহলদল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন মনাকষা ইউনিয়নের ঠুঠাপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। সীমান্ত থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পরিচালিত ওই অভিযানে ০২টি বিদেশি পিস্তল, ০৪টি ম্যাগজিন ও ০৩ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। তিনি আরও জানান, সাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ কর্তৃক ৩৪টি পিস্তল, ০২টি রাইফেল, ৩৮টি ম্যাগজিন, ৬৪৫ রাউন্ড গুলি, ০২টি মর্টার শেল, ০১টি ককটেল, ০৪টি হ্যান্ড গ্রেনেড, ২০ কেজি গান পাউডারসহ মোট ৫৪টি বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) কর্তৃক ০১ জন আসামিসহ ৯.৩ কেজি বিস্ফোরক, ০৬টি বিদেশি পিস্তল, ১৩টি ম্যাগজিন ও ২৯ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়েছে। বিজিবি জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দুষ্কৃতকারীরা যাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বড় ধরনের নাশকতার পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ চোরাচালান রোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিতকরণসহ সব ধরনের চোরাচালান ও অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে সীমান্ত এলাকায় টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।”
গোপালপুরে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জনসমাবেশ ও আখেরি মিছিল অনুষ্ঠিত স্টাফ রিপোর্টার :এস কে শিপন গোপালপুর (টাঙ্গাইল), ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক বিশাল জনসমাবেশ ও আখেরি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪ ঘটিকার সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মোঃ হুমায়ুন কবির-এর নেতৃত্বে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির শুরুতে গোপালপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গোহাট ময়দানে একটি জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ও প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মোঃ হুমায়ুন কবির। তিনি তার বক্তব্যে ইসলামী আদর্শভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, সুশাসন নিশ্চিতকরণ, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গঠন এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, “দেশের মানুষ আজ পরিবর্তন চায়। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক। জনগণ যদি আমাদের ওপর আস্থা রাখে, তাহলে ইনশাআল্লাহ একটি কল্যাণরাষ্ট্র উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।” বক্তব্য শেষে জনসমাবেশ থেকে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় নির্বাচনীয় প্রচারের আখেরি গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি গোহাট ময়দান থেকে শুরু হয়ে গোপালপুর উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় গোহাট ময়দানে এসে শেষ হয়। মিছিলে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। উক্ত কর্মসূচিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। মিছিল চলাকালে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষে ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে বিভিন্ন স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই জনসমাবেশ ও আখেরি মিছিল গোপালপুর উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনীয় কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
বিশ্বকাপে নেমেই ৩ উইকেট, ভারতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জের নাম তারিক, উসমান বোলিং অ্যাকশন কি আদৌ বৈধ?
হাসপাতালে ভর্তি হওয়া অভিষেক এখন কেমন আছেন? বুমরা কি নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলবেন? জানালেন তিলক বর্মা
ট্রাকের ধাক্কায় তৃণমূল নেতার মৃত্যু, গুরুতর জখম তাঁর ১৪ বছরের মেয়ে, রণক্ষেত্র জলপাইগুড়ির গোশালা মোড় এলাকা
অধিনায়কের অনুপস্থিতিতেও আয়ার্ল্যান্ডকে দুরমুশ করে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল অস্ট্রেলিয়া
আহত অধিনায়ক মিচেল মার্শ, তড়িঘড়ি শ্রীলঙ্কায় উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অজ়ি তারকা স্টিভ স্মিথকে
সংখ্যালঘু হিন্দুদের অধিকার রক্ষায় ব্রতী, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার কেন্দ্রে এবার প্রার্থী গোবিন্দ প্রামাণিক
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন কবে? ক'দফায় হবে ভোট? কবে হবে ঘোষণা?
গয়নাগাঁটি সব পড়ে, গায়েব শুধু তরুণী, ঘর থেকে মিলল সাপের খোলস! ইচ্ছেধারী? হইচই সোশ্যাল মিডিয়ায়