নেত্রকোনার কলমাকান্দায় পরিবারের সদস্যদের সামান্য অসতর্কতায় পুকুরের পানিতে ডুবে সায়ফা আক্তার নামে দেড় বছর বয়সী এক অবুঝ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) বিকেল প্রায় ৪টার দিকে উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের টেঙ্গা গ্রামে হৃদয়বিদারক এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু সায়ফা ওই গ্রামের শাহিন মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলের দিকে শিশু সায়ফা বাড়ির উঠানেই খেলাধুলা করছিল। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সেসময় দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এরই মাঝে সবার অজান্তে চোখের পলকেই শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর সন্তানকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজনের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে বাড়ির আশপাশে ও সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজনরা। একপর্যায়ে বসতঘরের আঙিনার পাশেই থাকা পুকুরের পানিতে শিশুটিকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান তারা। পুকুর থেকে দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন তাকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টায় কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. বনশ্রী বনিক চৈতি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশু সায়ফাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতাল চত্বরে স্বজনদের কান্নায় হৃদয়বিদারক এক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। আদরের সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় হয়ে পড়েন শিশুটির বাবা-মা। কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিদ্দিক হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং হৃদয়স্পর্শী। শিশুদের ক্ষেত্রে মুহূর্তের অসতর্কতাও যে কতটা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, এটি তারই একটি দৃষ্টান্ত।” এ সময় তিনি স্থানীয় অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “সামনেই বর্ষাকাল আসছে। এ সময় বাড়ির চারপাশের খাল-বিল ও পুকুরগুলো পানিতে ভরে যায়। তাই প্রতিটি পরিবারকে শিশুদের প্রতি আরও বেশি যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। শিশুদের কোনোভাবেই একা বাড়ির বাইরে বা জলাশয়ের ধারে যেতে দেওয়া যাবে না।” গ্রামাঞ্চলে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর হার কমাতে অভিভাবকদের সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত দিলুরা গ্রামের চার বছর বয়সী শিশু আতিফ দীর্ঘদিন ধরে জটিল স্নায়বিক রোগে ভুগছে। জীবনের কঠিন এই লড়াইয়ে অবশেষে পাশে দাঁড়িয়েছেন জাতীয় সংসদের মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ও কলমাকান্দা-দুর্গাপুর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তাঁর সার্বিক সহযোগিতায় আতিফকে ঢাকার বিশেষায়িত নিউরোসাইন্স হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, জন্মের মাত্র দুই মাস পর থেকেই আতিফ খিচুনিতে আক্রান্ত হয়। ধীরে ধীরে তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ব্যাহত হতে থাকে। বর্তমানে সে কথা বলতে পারে না, নিজে হাঁটতে পারে না, এমনকি নিজের ঘাড়ও সোজা করে রাখতে পারে না। প্রতিনিয়ত খিচুনির যন্ত্রণা তাকে কষ্ট দিয়ে যাচ্ছে, যা তার পরিবারকে চরম দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। আতিফের পিতা জুলহাস একজন স্বল্প আয়ের মানুষ এবং মাতা জুলেখা খাতুন গৃহিণী। দীর্ঘদিন ধরে সন্তানের চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে তারা আর্থিকভাবে দারুণ সংকটে পড়েন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠছিল না। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মহোদয় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন এবং দ্রুত শিশুটির উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কায়সার কামাল সবসময়ই সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং মানবিক কাজের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই এলাকাবাসীর আস্থা অর্জন করেছেন। অসহায় শিশু আতিফের চিকিৎসায় তাঁর এই উদ্যোগ মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন তারা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আতিফের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে এবং তাকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। তবে সঠিক চিকিৎসা পেলে তার অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। এদিকে আতিফের পরিবারসহ এলাকাবাসী ডেপুটি স্পিকার মহোদয়ের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং দেশবাসীর কাছে শিশুটির সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেছেন। সবশেষে, মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা— তিনি যেন ছোট্ট আতিফকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন এবং তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার তৌফিক দান করেন। আমিন।
”স্বাস্থ্য সেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ” এ প্রতিপাদ্যে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে দায়সারা ভাবে পালিত হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। মঙ্গলবার সকালে অভ্যন্তরিন র্যালি এবং সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে এদিবস পালিত হয়। সীমিত আয়োজন, জনসচেতনতামুলক কোন কার্য্যক্রম এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতি না থাকায় এ নিয়ে সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্বাস্থ্য সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরলেও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছিল অনেকাংশেই কম। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন আরও ব্যাপকভাবে পালন করা উচিত ছিল। স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর উদ্যোগের অভাব নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। আলোচনা সভায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ তানজিরুল ইসলাম রায়হানের সভাপতিত্বে, প্রধান সহকারি আব্দুল লতিফ এর সঞ্চালনায় আলোচনা করেন, মেডিকেল অফিসার শেখ ফারহানা সুলতানা, স্বাস্থ্য পরিদর্শক সুব্রত চক্রবর্তী, ডিএসকের প্রকল্প সমন্বয়কারী রুপন কুমার সরকার, রুসা‘র পরিচালক নুরে আলম সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ।
টাঙ্গাইলে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৯মাদক উদ্ধার আটক ১৩ ব্যবসায়ী মো: সাজিদ পিয়াল, জেলা প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল ৭ এপ্রিল ২০২৬ ইং টাঙ্গাইল জেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ৩৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।জেলা পুলিশ সূত্র জানায় অপরাধ দমন ও মাদক নির্মূলে জোরদার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জেলার সব থানা ও ইউনিটকে মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সমন্বিত অভিযানে এসব গ্রেফতার সম্পন্ন হয়।এদিকে পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ১২১ পিস ইয়াবা ৮ গ্রাম হেরোইন ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং ১ কেজি ৭০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ১৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।জেলা পুলিশ আরও জানায় মাদকসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অপরাধ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দিতে জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নেত্রকোনার কলমাকান্দায় পরিবারের সদস্যদের সামান্য অসতর্কতায় পুকুরের পানিতে ডুবে সায়ফা আক্তার নামে দেড় বছর বয়সী এক অবুঝ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) বিকেল প্রায় ৪টার দিকে উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের টেঙ্গা গ্রামে হৃদয়বিদারক এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু সায়ফা ওই গ্রামের শাহিন মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলের দিকে শিশু সায়ফা বাড়ির উঠানেই খেলাধুলা করছিল। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সেসময় দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এরই মাঝে সবার অজান্তে চোখের পলকেই শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর সন্তানকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজনের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে বাড়ির আশপাশে ও সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজনরা। একপর্যায়ে বসতঘরের আঙিনার পাশেই থাকা পুকুরের পানিতে শিশুটিকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান তারা। পুকুর থেকে দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন তাকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টায় কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. বনশ্রী বনিক চৈতি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশু সায়ফাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতাল চত্বরে স্বজনদের কান্নায় হৃদয়বিদারক এক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। আদরের সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় হয়ে পড়েন শিশুটির বাবা-মা। কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিদ্দিক হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং হৃদয়স্পর্শী। শিশুদের ক্ষেত্রে মুহূর্তের অসতর্কতাও যে কতটা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, এটি তারই একটি দৃষ্টান্ত।” এ সময় তিনি স্থানীয় অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “সামনেই বর্ষাকাল আসছে। এ সময় বাড়ির চারপাশের খাল-বিল ও পুকুরগুলো পানিতে ভরে যায়। তাই প্রতিটি পরিবারকে শিশুদের প্রতি আরও বেশি যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। শিশুদের কোনোভাবেই একা বাড়ির বাইরে বা জলাশয়ের ধারে যেতে দেওয়া যাবে না।” গ্রামাঞ্চলে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর হার কমাতে অভিভাবকদের সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
নেত্রকোনার কলমাকান্দায় পরিবারের সদস্যদের সামান্য অসতর্কতায় পুকুরের পানিতে ডুবে সায়ফা আক্তার নামে দেড় বছর বয়সী এক অবুঝ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) বিকেল প্রায় ৪টার দিকে উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের টেঙ্গা গ্রামে হৃদয়বিদারক এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু সায়ফা ওই গ্রামের শাহিন মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলের দিকে শিশু সায়ফা বাড়ির উঠানেই খেলাধুলা করছিল। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সেসময় দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এরই মাঝে সবার অজান্তে চোখের পলকেই শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর সন্তানকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজনের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে বাড়ির আশপাশে ও সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজনরা। একপর্যায়ে বসতঘরের আঙিনার পাশেই থাকা পুকুরের পানিতে শিশুটিকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান তারা। পুকুর থেকে দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন তাকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টায় কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. বনশ্রী বনিক চৈতি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশু সায়ফাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতাল চত্বরে স্বজনদের কান্নায় হৃদয়বিদারক এক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। আদরের সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় হয়ে পড়েন শিশুটির বাবা-মা। কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিদ্দিক হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং হৃদয়স্পর্শী। শিশুদের ক্ষেত্রে মুহূর্তের অসতর্কতাও যে কতটা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, এটি তারই একটি দৃষ্টান্ত।” এ সময় তিনি স্থানীয় অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “সামনেই বর্ষাকাল আসছে। এ সময় বাড়ির চারপাশের খাল-বিল ও পুকুরগুলো পানিতে ভরে যায়। তাই প্রতিটি পরিবারকে শিশুদের প্রতি আরও বেশি যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। শিশুদের কোনোভাবেই একা বাড়ির বাইরে বা জলাশয়ের ধারে যেতে দেওয়া যাবে না।” গ্রামাঞ্চলে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর হার কমাতে অভিভাবকদের সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত দিলুরা গ্রামের চার বছর বয়সী শিশু আতিফ দীর্ঘদিন ধরে জটিল স্নায়বিক রোগে ভুগছে। জীবনের কঠিন এই লড়াইয়ে অবশেষে পাশে দাঁড়িয়েছেন জাতীয় সংসদের মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ও কলমাকান্দা-দুর্গাপুর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তাঁর সার্বিক সহযোগিতায় আতিফকে ঢাকার বিশেষায়িত নিউরোসাইন্স হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, জন্মের মাত্র দুই মাস পর থেকেই আতিফ খিচুনিতে আক্রান্ত হয়। ধীরে ধীরে তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ব্যাহত হতে থাকে। বর্তমানে সে কথা বলতে পারে না, নিজে হাঁটতে পারে না, এমনকি নিজের ঘাড়ও সোজা করে রাখতে পারে না। প্রতিনিয়ত খিচুনির যন্ত্রণা তাকে কষ্ট দিয়ে যাচ্ছে, যা তার পরিবারকে চরম দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। আতিফের পিতা জুলহাস একজন স্বল্প আয়ের মানুষ এবং মাতা জুলেখা খাতুন গৃহিণী। দীর্ঘদিন ধরে সন্তানের চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে তারা আর্থিকভাবে দারুণ সংকটে পড়েন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠছিল না। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মহোদয় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন এবং দ্রুত শিশুটির উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কায়সার কামাল সবসময়ই সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং মানবিক কাজের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই এলাকাবাসীর আস্থা অর্জন করেছেন। অসহায় শিশু আতিফের চিকিৎসায় তাঁর এই উদ্যোগ মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন তারা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আতিফের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে এবং তাকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। তবে সঠিক চিকিৎসা পেলে তার অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। এদিকে আতিফের পরিবারসহ এলাকাবাসী ডেপুটি স্পিকার মহোদয়ের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং দেশবাসীর কাছে শিশুটির সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেছেন। সবশেষে, মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা— তিনি যেন ছোট্ট আতিফকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন এবং তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার তৌফিক দান করেন। আমিন।
”স্বাস্থ্য সেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ” এ প্রতিপাদ্যে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে দায়সারা ভাবে পালিত হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। মঙ্গলবার সকালে অভ্যন্তরিন র্যালি এবং সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে এদিবস পালিত হয়। সীমিত আয়োজন, জনসচেতনতামুলক কোন কার্য্যক্রম এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতি না থাকায় এ নিয়ে সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্বাস্থ্য সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরলেও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছিল অনেকাংশেই কম। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন আরও ব্যাপকভাবে পালন করা উচিত ছিল। স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর উদ্যোগের অভাব নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। আলোচনা সভায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ তানজিরুল ইসলাম রায়হানের সভাপতিত্বে, প্রধান সহকারি আব্দুল লতিফ এর সঞ্চালনায় আলোচনা করেন, মেডিকেল অফিসার শেখ ফারহানা সুলতানা, স্বাস্থ্য পরিদর্শক সুব্রত চক্রবর্তী, ডিএসকের প্রকল্প সমন্বয়কারী রুপন কুমার সরকার, রুসা‘র পরিচালক নুরে আলম সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ।
টাঙ্গাইলে ডিবির বিশেষ অভিযান জোরদার চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি নজরদারিতে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহন টাঙ্গাইল জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে টাঙ্গাইলে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ডিবি (উত্তর/দক্ষিণ) পুলিশ।টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার-এর নির্দেশনায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ডিবি (দক্ষিণ) টাঙ্গাইলের অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আন্ওয়ারুল আজিম এবং ডিবি (উত্তর) টাঙ্গাইলের অফিসার ইনচার্জ এ.বি.এম.এস দোহা, বিপিএম।জানা যায়ডিবি (উত্তর/দক্ষিণ) টাঙ্গাইলের অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত স্থানে বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। এ সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রকার যানবাহনের ওপর কঠোর নজরদারি এবং তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়।পাশাপাশি কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ অপরাধ দমন এবং সার্বিকআইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।পুলিশ জানায় এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধ দমনে গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”