গোপালপুরে ব্র্যাকের খামারি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত খামার পর্যায়ে দক্ষতা বৃদ্ধি ও আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে গাভী পালন ও লাভজনক খামার ব্যবস্থাপনা বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (১০ জুন) টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনিক্যাল কলেজের হলরুমে সকাল ১০টা থেকে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়।প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের ঢাকা রিজিয়নের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার বাদশা মিয়া আকন্দ টাঙ্গাইলের এরিয়া সেলস ম্যানেজার মো. হাসান তারেক এবং ভেটেরিনারি সার্জন ডা. আশরাফুল ইসলাম। এছাড়া নগদা-শিমলা ও ঝাওয়াইল ইউনিয়নের ব্র্যাকের এআই টেকনিশিয়ানরাও অংশ নেন। প্রশিক্ষণে গাভীর সঠিক পরিচর্যা, সুষম খাদ্য ব্যবস্থাপনা রোগ প্রতিরোধ দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃত্রিম প্রজনন এবং আধুনিক খামার পরিচালনার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী খামারিদের সনদপত্র প্রদান করা হয় এবং সেরা তিনজন খামারিকে পুরস্কৃত করা হয়।আয়োজকদের মতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর খামার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, ব্যয় হ্রাস এবং লাভজনকতা নিশ্চিত করাই এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য।এই কার্যক্রমে স্থানীয় বিভিন্ন এলাকার খামারিরা অংশ নিয়ে বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ পান।BRAC বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে নানা প্রশিক্ষণ ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে
আগামীকাল শেষ হচ্ছে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের আবেদন সরকারি মালিকানাধীন বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক (এভিইউবি)-এ ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে ৩০০ জন নিয়োগের আবেদন আগামীকাল ১৩ জুন ২০২৬ বিকেল ৫টায় শেষ হবে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পদটি ১৬তম গ্রেডভুক্ত এবং বেতন স্কেল ৯,৩০০ থেকে ২২,৪৯০ টাকা। আবেদনকারীদের স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (ডিগ্রি/অনার্স) বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। পদের নাম: ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদসংখ্যা: ৩০০ বেতন স্কেল: ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬) শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক/সমমান আবেদনের শেষ সময়: ১৩ জুন ২০২৬, বিকেল ৫টা । চাকরিপ্রত্যাশীদের শেষ মুহূর্তের জটিলতা এড়াতে দ্রুত আবেদন সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা
টাঙ্গাইলে এলএসডি ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন খামারিদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) উদ্ভাবিত লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন উপলক্ষে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ফতেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এবং টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য।প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন দেশের অনেক খামারির প্রাণিসম্পদের বিভিন্ন রোগব্যাধি সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা নেই। ফলে রোগ শনাক্তকরণ প্রতিরোধ ও সঠিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় তারা নানা সমস্যার সম্মুখীন হন। এ বাস্তবতা বিবেচনায় উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে খামারিদের জন্য আরও ব্যাপক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে খামারিদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং রোগ প্রতিরোধমূলক টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার বিকল্প নেই। এলএসডি রোগ প্রতিরোধে কার্যকর টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে গবাদিপশুর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং খামারিদের আর্থিক ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মচারী খামারি ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে গবেষণালব্ধ প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মেধা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ প্রতিমন্ত্রী টুকু মেধা-বিজ্ঞান-উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিত হয়েছে Startup, Science Project and Innovation Idea Showcasing Program। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল সদর-৫ এলাকার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা এবং সৃজনশীল ধারণা উপস্থাপন করেন। শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণামূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধান অতিথি।এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, “আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়বে। তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও কর্মস্পৃহা দেশকে বিশ্বের বুকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।তিনি শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান এবং বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা বিস্তারে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন।অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী শিক্ষক অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের প্রকল্প প্রদর্শনের মাধ্যমে বাস্তব সমস্যার সমাধানে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের ব্যবহার তুলে ধরেন। আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটাতেই এ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গোপালপুরে ব্র্যাকের খামারি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত খামার পর্যায়ে দক্ষতা বৃদ্ধি ও আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে গাভী পালন ও লাভজনক খামার ব্যবস্থাপনা বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (১০ জুন) টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনিক্যাল কলেজের হলরুমে সকাল ১০টা থেকে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়।প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের ঢাকা রিজিয়নের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার বাদশা মিয়া আকন্দ টাঙ্গাইলের এরিয়া সেলস ম্যানেজার মো. হাসান তারেক এবং ভেটেরিনারি সার্জন ডা. আশরাফুল ইসলাম। এছাড়া নগদা-শিমলা ও ঝাওয়াইল ইউনিয়নের ব্র্যাকের এআই টেকনিশিয়ানরাও অংশ নেন। প্রশিক্ষণে গাভীর সঠিক পরিচর্যা, সুষম খাদ্য ব্যবস্থাপনা রোগ প্রতিরোধ দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃত্রিম প্রজনন এবং আধুনিক খামার পরিচালনার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী খামারিদের সনদপত্র প্রদান করা হয় এবং সেরা তিনজন খামারিকে পুরস্কৃত করা হয়।আয়োজকদের মতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর খামার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, ব্যয় হ্রাস এবং লাভজনকতা নিশ্চিত করাই এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য।এই কার্যক্রমে স্থানীয় বিভিন্ন এলাকার খামারিরা অংশ নিয়ে বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ পান।BRAC বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে নানা প্রশিক্ষণ ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সরাসরি দায়ী করেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স-এর বরাতে জানা গেছে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার-এর সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফোনালাপে আরাঘচি বলেন, চলমান সংকট শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর প্রভাব বিশ্বজুড়েও ছড়িয়ে পড়ছে। এ পরিস্থিতির জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নীতিকেই দায়ী করেন। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান তার সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় “সব ধরনের উপায়” অবলম্বন করতে প্রস্তুত এবং এ ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান অত্যন্ত দৃঢ়। অন্যদিকে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার চলমান সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি যুদ্ধরত পক্ষগুলোকে সামরিক উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি, এই লক্ষ্য অর্জনে সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন। এদিকে, পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অবস্থান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য সোমবার পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। অন্যথায় কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তবে তা বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
ওয়াশিংটন ডিসি থেকে প্রতিবেদন—ইরানের ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। মার্কিন সরকারের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, গত রাতে ওই ক্রু সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাকে উদ্ধারে একটি সক্রিয় অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। জানা গেছে, উদ্ধার অভিযানের সময় তুমুল গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ওই ক্রু সদস্য এখনও ইরানের ভেতরেই অবস্থান করছেন এবং চলমান সংঘাতের কারণে তার নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মার্কিন সামরিক সূত্র জানায়, ‘এয়ারম্যান’ শব্দটি ব্যবহার করা হলেও এটি কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গ নির্দেশ করে না। ফলে নিখোঁজ ওই ব্যক্তির লিঙ্গ এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। এদিকে, উদ্ধারকারী দল এখনো তাকে নিরাপদে ইরানের বাইরে নিয়ে যেতে পারেনি। অভিযানটি এখনও চলমান এবং এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারেনি যে উদ্ধার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে কিনা। পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে আন্তর্জাতিক মহলেও এ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিন-সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে প্রতিবেদনে সাংবাদিক Zein Basravi জানান, যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছিল—তাদের ওপর কোনো হামলা হলে তারা এটিকে একটি আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থে আঘাত হানবে। সেই হুঁশিয়ারির বাস্তব প্রতিফলন এখন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান ইতোমধ্যে জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত হেনেছে, বিভিন্ন বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে এবং একাধিক দেশের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। এসব পদক্ষেপে উপসাগরীয় অঞ্চলের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা হঠাৎ করেই স্থবির হয়ে পড়েছে। আজও Gulf Cooperation Council-ভুক্ত শহরগুলোতে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার তীব্রতা ইরানের সরাসরি আক্রমণের মতো না হলেও, এর ধারাবাহিকতা ও প্রভাব স্থানীয় জনগণের দৈনন্দিন জীবনে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে একটি বিষয় স্পষ্ট—যুদ্ধের আরও সম্প্রসারণ কোনো পক্ষের জন্যই ইতিবাচক নয়। কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি সামরিক অভিযান আরও জোরদার করে, তাহলে এর সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরানের পাল্টা হামলাও বাড়বে। এদিকে, ইরানের সামরিক বাহিনী Islamic Revolutionary Guard Corps দাবি করেছে, তাদের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, মার্কিন ঊর্ধ্বতন কমান্ডার ও প্রশিক্ষক, একটি ইসরায়েলি বাণিজ্যিক জাহাজ, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটির হিমার্স আর্টিলারি অবস্থান, বাহরাইনে প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন স্থাপনা। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান Oracle Corporation-এর একটি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যেখানে ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ভবনের কিছু অংশ ভেঙে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের এই ধারাবাহিক হামলা তাদের একটি সুস্পষ্ট কৌশলের অংশ, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর সাম্প্রতিক হুমকিকে কেন্দ্র করে। তিনি ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার একটি আল্টিমেটাম দিয়ে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে দেশটির ওপর ‘ভয়াবহ বিপর্যয়’ নেমে আসবে। সোমবার শেষ হতে যাওয়া এই সময়সীমা মূলত ট্রাম্পের ধারাবাহিক কঠোর অবস্থানেরই অংশ, যেখানে তিনি একের পর এক ডেডলাইন ঘোষণা করে আসছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের আল্টিমেটাম পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলছে এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথকে সংকুচিত করছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে সাম্প্রতিক সামরিক ঘটনাপ্রবাহে। গত কয়েকদিন ধরে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার হাতে ভূপাতিত হওয়া এক মার্কিন পাইলটের সন্ধান চলছে। তবে উদ্ধার অভিযান বাধাগ্রস্ত হয়েছে, কারণ অনুসন্ধান ও উদ্ধার কাজে নিয়োজিত দুটি হেলিকপ্টারও ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। যদিও ওই হেলিকপ্টারের ক্রুদের নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশল নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে, সম্প্রতি মোতায়েন করা বি-৫২ বোমারু বিমান নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে ওয়াশিংটনকে। ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছিল, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যত অকার্যকর হয়ে গেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনায় সেই দাবির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, তেমনি কূটনৈতিক সমাধানের পথও ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। হরমুজ প্রণালী, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট, সেটিকে ঘিরে উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারেও এর বড় প্রভাব পড়তে পারে। সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের নতুন আল্টিমেটাম মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতিকে আরও ঘনীভূত করেছে, আর বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে—এই সময়সীমা শেষ হলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”