টাঙ্গাইলে জেলা মাসিক রাজস্ব সম্মেলন অনুষ্ঠিত রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি,স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা ও সেবার মানোন্নয়নে দিকনির্দেশনা মো: সাজিদ পিয়াল, সিনিয়র রিপোর্টার,টাংগাইল টাঙ্গাইলে জেলার রাজস্ব প্রশাসনকে আরও গতিশীল স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে জেলা মাসিক রাজস্ব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন ২০২৬) জেলা প্রশাসক টাঙ্গাইলের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সম্মেলনে জেলার সার্বিক রাজস্ব আদায়ের অগ্রগতি নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বর্তমান অবস্থা এবং ভূমি ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।সভায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব আদায়ের তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে রাজস্ব আদায়ে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে তা দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।সম্মেলনে যুগোপযোগী স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। ভূমি সংক্রান্ত সেবাকে আরও দ্রুত সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যে ডিজিটাল কার্যক্রম সম্প্রসারণ অনলাইনভিত্তিক সেবার কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।এছাড়া জনগণকে হয়রানিমুক্ত সময়োপযোগী ও মানসম্মত ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা দায়িত্বশীলতা ও সেবার মান উন্নয়নের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত নিষ্পত্তিযোগ্য বিষয়গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়।সভায় আরও বলা হয় সরকারের রাজস্ব আহরণকার্যক্রমকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভূমিপ্রশাসনের প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা ও তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাবে অন্যদিকে সাধারণ মানুষও উন্নত ও সহজলভ্য ভূমিসেবা পাবেনসম্মেলনে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাঅতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব জেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ভূমি প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে জেলার রাজস্ব আদায় কার্যক্রমকে আরও বেগবান এবং স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
গোপালপুরে ‘লঙ্কাকাণ্ড’! একজনকে দাওয়াত, হাজির ১০০ অতিথি—বন্ধুত্বের অনন্য নজির স্টাফ রিপোর্টার : এস কে শিপন টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নে ঘটে গেল এক ব্যতিক্রমী ‘লঙ্কাকাণ্ড’। একজনকে দাওয়াত, কিন্তু সেই দাওয়াতে হাজির প্রায় ১০০ জন অতিথি! তবে এতে বিরক্তি নয়, বরং আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠেন গৃহকর্তা। মুহূর্তেই তিনি বাড়িয়ে দেন আয়োজন, আর সৃষ্টি হয় বন্ধুত্ব ও ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। জানা যায়, ধোপাকান্দি ইউনিয়নের সাজানপুর বাজারের দুই ব্যবসায়ী ও দীর্ঘদিনের বন্ধু মো. আনিসুর রহমান ও মোহাম্মদ মনসের আলীর মধ্যে তিন দিন আগে কথা হয়। আনিসুর রহমান বন্ধুকে নিজের বাড়িতে আম-কাঁঠালের দাওয়াত দেন। কথা ছিল, মনসের আলী একাই যাবেন। কিন্তু দাওয়াতের দিন সবাইকে চমকে দিয়ে মনসের আলী একাই যাননি। এলাকার ব্যবসায়ী, বন্ধু, সহপাঠী, ভাই-ভাতিজাসহ প্রায় ১০০ জনকে সঙ্গে নিয়ে রওনা হন আনিসুর রহমানের বাড়ির উদ্দেশে। শুধু তাই নয়, তারা সঙ্গে নিয়ে যান এক ভ্যান আম, এক ভ্যান কাঁঠাল, এক ভ্যান দুধ, পান-সুপারিসহ নানা উপহার। আনিসুর রহমানের বাড়ি ধোপাকান্দি ইউনিয়নের গারালিয়াপাড়া এলাকায়, আর মনসের আলীর বাড়ি মিশ্রপট্টি গ্রামে। এত বড় বহর আসছে—খবরটি আগে থেকেই পেয়ে যান আনিসুর রহমান। কিন্তু তিনি বিচলিত না হয়ে বরং আনন্দের সঙ্গে ১০০ জন অতিথির আপ্যায়নের জন্য নতুন করে খাবারের ব্যবস্থা করেন। পরে অতিথিদের আন্তরিকভাবে আপ্যায়ন করেন তিনি। আনিসুর রহমান বলেন, “আমি তো শুধু মনসেরকে দাওয়াত দিয়েছিলাম। কিন্তু সে ১০০ জন নিয়ে এসেছে। এতে আমি রাগ করিনি, বরং যতটা খুশি একজন এলে হতাম, তার চেয়ে অনেক বেশি খুশি হয়েছি। এত মানুষের উপস্থিতিতে আমাদের বন্ধুত্বের বন্ধন আরও গভীর হয়েছে।” অপরদিকে মনসের আলী বলেন, “এটা শুধু দাওয়াত নয়, আমাদের পুরোনো গ্রামীণ ঐতিহ্য। ছোটবেলায় দেখেছি বাবা-দাদারা বন্ধুর বাড়িতে দল বেঁধে আম-কাঁঠালের দাওয়াতে যেতেন। আধুনিক সময়ে সেই ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে সেই ভালোবাসা, সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের শিক্ষা দিতেই আমি সবাইকে নিয়ে বন্ধুর বাড়িতে এসেছি। বন্ধুত্বের কোনো বয়স নেই, আর এই সম্পর্ক আজীবন অটুট রাখতে চাই।” স্থানীয়রা জানান, বর্তমান সময়ে যেখানে বিভিন্ন এলাকায় নানা কারণে দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই থাকে, সেখানে এমন মিলনমেলা ও বন্ধুত্বের এই নজির সত্যিই বিরল। তারা মনে করেন, এমন আয়োজন সমাজে সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দাওয়াতটি শেষ পর্যন্ত শুধু খাওয়া-দাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; এটি পরিণত হয়েছে হারিয়ে যেতে বসা গ্রামীণ ঐতিহ্য, সৌহার্দ্য এবং নিখাদ বন্ধুত্বের এক অনন্য উৎসবে। বর্তমানে এলাকাজুড়ে এই ব্যতিক্রমী ‘লঙ্কাকাণ্ড’ই আলোচনার প্রধান বিষয়।
রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে এক নারীর ঘর থেকে মসজিদের এক ইমামকে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয় জনতা আটক করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৭ জুন) রাত ১২টার দিকে উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের দেড়াগাঁতী মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দেড়াগাঁতী মধ্যপাড়া জামে মসজিদ (টাঙ্গাইল পাড়া)-এর ইমাম মো. সেলিম ওই এলাকার মৃত আল আমিনের স্ত্রী মোছা. শানু বেগমের ঘরে গেলে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পারেন। পরে তাঁরা সেখানে গিয়ে তাঁকে আটক করেন। অভিযুক্ত ইমাম মো. সেলিম উপজেলার নলছিয়া এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। মসজিদের একাধিক মুসল্লি অভিযোগ করে বলেন, “মো. সেলিম দীর্ঘ ১০ বছর ধরে এই মসজিদে ইমামতি করছেন। তাঁর এমন ঘটনায় আমরা বিব্রত।” স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শানু বেগমের স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই ইমাম মো. সেলিমের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ নিয়ে এলাকায় আলোচনা ছিল। অভিযোগের বিষয়ে ইমাম মো. সেলিম বলেন, “গত দেড় মাস ধরে মুঠোফোনে তাদের যোগাযোগ হয়। যোগাযোগের একপর্যায়ে গত রাতে তিনি ওই বাসায় আসেন। পরে স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে।” এ বিষয়ে শানু বেগম বলেন, “আমাদের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। গতকাল আমি বাবার বাড়িতে যাওয়ার জন্য বের হয়েছিলাম। আমাকে যেতে না দিয়ে গত রাতে তিনি আমার ঘরে এসেছেন। আমি তাকে বিয়ে করতে চাই।” রায়গঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, “বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় কেউ এখন পর্যন্ত থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
গোপালপুরের পদ্মপুর সড়কে চরম দুর্ভোগ, দ্রুত সংস্কারের দাবিতে এলাকাবাসী টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পদ্মপুর গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তিনটি ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এই সড়কটি পদ্মপুর, ঝাওয়াইল, গোয়ালপাড়া, উত্তরপাথালিয়া, সীমান্তবাজার, পাকুটিয়াসহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষের উপজেলা সদরে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটির ওপর নির্ভরশীল দুটি উচ্চ বিদ্যালয়, একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি মাদরাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষ প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের মধ্যে চলাচল করছেন। চারদিকে ঝিনাই নদী থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও। স্থানীয় সচেতন যুবসমাজ নিজেদের উদ্যোগে ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে মাঝেমধ্যে সড়কের কিছু অংশ মেরামত করলেও তা স্থায়ী সমাধান দিতে পারছে না। স্থানীয় বাসিন্দা মো. ফেরদৌস বলেন, “রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়।” আরেক বাসিন্দা মো. রাকিব বলেন, “এই রাস্তার কারণে কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাত করতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।” স্থানীয় বাসিন্দা আলমগীর হোসেন বলেন, “তিনটি ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী হওয়ায় প্রায় ২০ বছরেও এ এলাকায় তেমন কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।” এলাকাবাসীর দাবি, জনদুর্ভোগ লাঘব এবং নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করতে সড়কটি দ্রুত টেকসইভাবে সংস্কার ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।
টাঙ্গাইলে জেলা মাসিক রাজস্ব সম্মেলন অনুষ্ঠিত রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি,স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা ও সেবার মানোন্নয়নে দিকনির্দেশনা মো: সাজিদ পিয়াল, সিনিয়র রিপোর্টার,টাংগাইল টাঙ্গাইলে জেলার রাজস্ব প্রশাসনকে আরও গতিশীল স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে জেলা মাসিক রাজস্ব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন ২০২৬) জেলা প্রশাসক টাঙ্গাইলের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সম্মেলনে জেলার সার্বিক রাজস্ব আদায়ের অগ্রগতি নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বর্তমান অবস্থা এবং ভূমি ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।সভায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব আদায়ের তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে রাজস্ব আদায়ে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে তা দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।সম্মেলনে যুগোপযোগী স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। ভূমি সংক্রান্ত সেবাকে আরও দ্রুত সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যে ডিজিটাল কার্যক্রম সম্প্রসারণ অনলাইনভিত্তিক সেবার কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।এছাড়া জনগণকে হয়রানিমুক্ত সময়োপযোগী ও মানসম্মত ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা দায়িত্বশীলতা ও সেবার মান উন্নয়নের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত নিষ্পত্তিযোগ্য বিষয়গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়।সভায় আরও বলা হয় সরকারের রাজস্ব আহরণকার্যক্রমকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভূমিপ্রশাসনের প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা ও তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাবে অন্যদিকে সাধারণ মানুষও উন্নত ও সহজলভ্য ভূমিসেবা পাবেনসম্মেলনে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাঅতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব জেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ভূমি প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে জেলার রাজস্ব আদায় কার্যক্রমকে আরও বেগবান এবং স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
শামীম শাহরিয়ার।
এইচ এম এরশাদ
শামীম শাহরিয়ার
মোঃ বিল্লাল হোসেন
আগস্ট ১, ২০২৫
লাইভ জরিপ
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
📡 লাইভ কভারেজ সারাংশ শুরু: 21 Jun 2026, 10:04 AM শেষ: 21 Jun 2026, 12:31 PM মোট আপডেট: 2 টি অবস্থান: গাজীপুর সদর, গাজীপুর, ঢাকা 📋 সম্পূর্ণ আপডেট তালিকা 11:27 AMবেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ভ্রমণ ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করেছেন ইরানের কোচ। বেলজিয়ামের বিপক্ষে আজকের বিশ্বকাপ ম্যাচের আগে ইরান দলের জন্য ক্রমবর্ধমান কঠিন প্রস্তুতি পরিস্থিতির সমালোচনা করেছেন আমির গালেনোই। তিনি বলেছেন, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচের আগের চেয়েও “পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে”। থাকার উপর নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে মেক্সিকোর টিহুয়ানাতে অবস্থান করেছে এবং গ্রুপ ‘জি’-এর ম্যাচগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াত করেছে – এই বিষয়টি বিশ্বকাপ জুড়েই সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘালেনোই বলেছেন, সর্বশেষ সময়সূচির কারণে তাঁর দল প্রস্তুতির জন্য ১৬ ঘণ্টারও কম সময় পেয়েছে, ফলে তাদের স্বাভাবিক প্রশিক্ষণের সময় অর্ধেক করতে হয়েছে। “আমরা সাধারণত প্রশিক্ষণের জন্য যে সময় ব্যয় করি, তার অর্ধেক সময়ই কেবল অনুশীলন করতে পেরেছি,” তিনি সাংবাদিকদের বলেন। “আমরা সর্বোত্তম শারীরিক ও কৌশলগত প্রস্তুতি নিতে চেয়েছিলাম।” তিনি জানিয়েছেন যে, ২৬শে জুন সিয়াটলে মিশরের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের আগে ভ্রমণ ব্যবস্থাপনার ওপর ইরানের আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ থাকবে, কিন্তু তিনি এই অসামঞ্জস্যের কথা তুলে ধরেছেন: “প্রথম দুটি ম্যাচের জন্যও তারা আমাদের আগে আসতে দেয়নি কেন? যদি তারা এখন এটা করতে পারে, তাহলে আমাদের প্রথম ম্যাচ এবং এই ম্যাচের জন্য তা করেনি কেন?” 11:01 AMট্রাম্পের উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারককে 'বিশাল সাফল্য' হিসেবে প্রশংসা করেছেন, স্থলযুদ্ধের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। ট্রাম্পের প্রযুক্তি উপদেষ্টা ডেভিড স্যাকস যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের পক্ষে যুক্তি দিয়ে এটিকে “একটি অসাধারণ সাফল্য” এবং দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের চেয়ে উত্তম পথ বলে অভিহিত করেছেন। শনিবার ‘অল-ইন’ পডকাস্টে কথা বলার সময় স্যাক্স পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করার আহ্বান নাকচ করে দেন। তিনি যুক্তি দেন যে, ইরানের ওপর স্থল অভিযান এর ব্যাপকতার কারণে অর্থহীন হবে এবং এর জন্য প্রায় দশ লক্ষ সৈন্যের প্রয়োজন হতে পারে। তিনি এ ধরনের যেকোনো প্রচেষ্টাকে একটি “আত্মঘাতী অভিযান” হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি নির্বাসিত ইরানি বিরোধী নেতা রেজা পাহলভীর প্রতি তাচ্ছিল্য প্রকাশ করে বলেন যে, তার সমর্থকদের অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার সম্ভাবনা কম। “রেজা পাহলভী যদি বেভারলি হিলসে গিয়ে তার অগণিত সমর্থকদের মধ্য থেকে একটি বাহিনী জড়ো করতে চান, তবে তিনি তা চেষ্টা করে দেখতে পারেন,” স্যাকস বললেন। “আমার মনে হয় না তারা এতে সায় দেবে। আমার ধারণা, তারা বেভারলি হিলসে বেশ আরামেই আছে।” পরিবর্তে, তিনি ওয়াশিংটনকে চুক্তিটি যাচাই করে দেখতে আহ্বান জানান। “আসুন এখানে শান্তিকে একটি সুযোগ দিই,” তিনি বলেন এবং “ইরাক ও আফগানিস্তানের চিরস্থায়ী যুদ্ধের” পুনরাবৃত্তির বিরুদ্ধে সতর্ক করেন। “যারা চায় এই যুদ্ধ চিরকাল চলুক, তাদের আমি বুঝি না,” তিনি আরও বলেন। এই সারাংশটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করা হয়েছে মূল লাইভ কভারেজ: মার্কিন শান্তি চুক্তির বিষয়ে ইরানের রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান কী? .live-summary-container { max-width: 800px; margin: 0 auto; padding: 20px; font-family: "SolaimanLipi", "Noto Sans Bengali", sans-serif; background: #ffffff; border-radius: 12px; box-shadow: 0 2px 10px rgba(0,0,0,0.05); } .dark .live-summary-container { background: #1f2937; color: #e5e7eb; } .live-summary-title { color: #dc3545; font-size: 24px; font-weight: 700; border-bottom: 2px solid #dc3545; padding-bottom: 12px; margin-bottom: 16px; } .live-summary-meta { background: #f8f9fa; padding: 12px 16px; border-radius: 8px; margin-bottom: 16px; } .dark .live-summary-meta { background: #2d2d2d; } .live-summary-meta p { margin: 4px 0; font-size: 14px; } .live-summary-subtitle { color: #333; font-size: 18px; font-weight: 600; margin: 20px 0 12px 0; } .dark .live-summary-subtitle { color: #e5e7eb; } .live-summary-important { background: #fff8e1; padding: 12px 16px; border-radius: 8px; border-left: 4px solid #ffc107; margin-bottom: 16px; } .dark .live-summary-important { background: #1e1a0a; border-left-color: #ffc107; } .important-item { padding: 8px 0; border-bottom: 1px solid #f0e6d0; } .dark .important-item { border-bottom-color: #3d3a2a; } .important-item:last-child { border-bottom: none; } .important-time { font-weight: 600; color: #e65100; margin-right: 8px; } .important-content { font-size: 15px; } .important-image { max-width: 100%; max-height: 200px; border-radius: 8px; margin-top: 8px; } .live-summary-list { list-style: none; padding: 0; margin: 0; } .live-summary-list li { padding: 10px 12px; border-bottom: 1px solid #f0f0f0; display: flex; flex-wrap: wrap; align-items: flex-start; gap: 8px; } .dark .live-summary-list li { border-bottom-color: #374151; } .live-summary-list li:hover { background: #f8f9fa; } .dark .live-summary-list li:hover { background: #2d2d2d; } .update-time { font-weight: 600; color: #6c757d; min-width: 80px; font-size: 13px; } .dark .update-time { color: #9ca3af; } .update-text { flex: 1; font-size: 15px; } .update-thumb { width: 100%; max-height: 150px; object-fit: cover; border-radius: 6px; margin-top: 6px; } .live-summary-footer { margin-top: 20px; padding-top: 16px; border-top: 1px solid #e5e7eb; text-align: center; } .dark .live-summary-footer { border-top-color: #374151; } .live-summary-footer .text-muted { color: #6c757d; font-size: 13px; margin: 4px 0; } .dark .live-summary-footer .text-muted { color: #9ca3af; } .live-summary-footer a { color: #dc3545; text-decoration: none; } .live-summary-footer a:hover { text-decoration: underline; } @media (max-width: 600px) { .live-summary-container { padding: 12px; } .live-summary-title { font-size: 20px; } .update-time { min-width: 60px; font-size: 12px; } .update-text { font-size: 14px; } }
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সরাসরি দায়ী করেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স-এর বরাতে জানা গেছে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার-এর সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফোনালাপে আরাঘচি বলেন, চলমান সংকট শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর প্রভাব বিশ্বজুড়েও ছড়িয়ে পড়ছে। এ পরিস্থিতির জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নীতিকেই দায়ী করেন। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান তার সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় “সব ধরনের উপায়” অবলম্বন করতে প্রস্তুত এবং এ ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান অত্যন্ত দৃঢ়। অন্যদিকে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার চলমান সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি যুদ্ধরত পক্ষগুলোকে সামরিক উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি, এই লক্ষ্য অর্জনে সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন। এদিকে, পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অবস্থান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য সোমবার পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। অন্যথায় কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তবে তা বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
ওয়াশিংটন ডিসি থেকে প্রতিবেদন—ইরানের ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। মার্কিন সরকারের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, গত রাতে ওই ক্রু সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাকে উদ্ধারে একটি সক্রিয় অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। জানা গেছে, উদ্ধার অভিযানের সময় তুমুল গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ওই ক্রু সদস্য এখনও ইরানের ভেতরেই অবস্থান করছেন এবং চলমান সংঘাতের কারণে তার নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মার্কিন সামরিক সূত্র জানায়, ‘এয়ারম্যান’ শব্দটি ব্যবহার করা হলেও এটি কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গ নির্দেশ করে না। ফলে নিখোঁজ ওই ব্যক্তির লিঙ্গ এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। এদিকে, উদ্ধারকারী দল এখনো তাকে নিরাপদে ইরানের বাইরে নিয়ে যেতে পারেনি। অভিযানটি এখনও চলমান এবং এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারেনি যে উদ্ধার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে কিনা। পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে আন্তর্জাতিক মহলেও এ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিন-সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে প্রতিবেদনে সাংবাদিক Zein Basravi জানান, যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছিল—তাদের ওপর কোনো হামলা হলে তারা এটিকে একটি আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থে আঘাত হানবে। সেই হুঁশিয়ারির বাস্তব প্রতিফলন এখন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান ইতোমধ্যে জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত হেনেছে, বিভিন্ন বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে এবং একাধিক দেশের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। এসব পদক্ষেপে উপসাগরীয় অঞ্চলের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা হঠাৎ করেই স্থবির হয়ে পড়েছে। আজও Gulf Cooperation Council-ভুক্ত শহরগুলোতে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার তীব্রতা ইরানের সরাসরি আক্রমণের মতো না হলেও, এর ধারাবাহিকতা ও প্রভাব স্থানীয় জনগণের দৈনন্দিন জীবনে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে একটি বিষয় স্পষ্ট—যুদ্ধের আরও সম্প্রসারণ কোনো পক্ষের জন্যই ইতিবাচক নয়। কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি সামরিক অভিযান আরও জোরদার করে, তাহলে এর সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরানের পাল্টা হামলাও বাড়বে। এদিকে, ইরানের সামরিক বাহিনী Islamic Revolutionary Guard Corps দাবি করেছে, তাদের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, মার্কিন ঊর্ধ্বতন কমান্ডার ও প্রশিক্ষক, একটি ইসরায়েলি বাণিজ্যিক জাহাজ, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটির হিমার্স আর্টিলারি অবস্থান, বাহরাইনে প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন স্থাপনা। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান Oracle Corporation-এর একটি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যেখানে ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ভবনের কিছু অংশ ভেঙে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের এই ধারাবাহিক হামলা তাদের একটি সুস্পষ্ট কৌশলের অংশ, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”